কৃষ্ণপক্ষের চোখ
বই কালেকশন

Buy কৃষ্ণপক্ষের চোখ Online in Bangladesh

লেখক: রাজীব উল আহসান

5.00
(1 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: রাজীব উল আহসান
  • Publisher: তাম্রলিপি
  • Isbn: 9789849843016
  • Number Of Pages: 144
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2024
৳ 309৳ 38019% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

রমিজ বলে, ‘তৈয়ব কই রে ফুলবানু? কানাডারে কখন থেকে দেখি না?’ ‘তুমি নিজেও তো কানা। শরম করে না? খবরদার রমিজ ভাই, তৈয়বরে তুমি কানা বলবা না’। ‘হি হি হি। কানারে কানা বলবনা তো কী বলব তুই আমারে বইলা দে লেংড়ি?’ ‘কেন তার নাম নাই?’ ‘গোসা করস কেন? মজাক করলাম একটু।’ কিন্তু রমিজের রসিকতায় গা জ্বলে ফুলবানুর। ফুলবানুর এই এক দোষ। তৈয়বকে কেউ গালমন্দ করলে তার ভালো লাগে না। রমিজ একটা সিগারেট জ্বালায়। স্টেশনের দক্ষিণ দিকটায় আঙুল উঁচিয়ে বলে ‘ওই যে তর ভাতার তৈয়ব আসে।’ ফুলবানু আবার ঝামটি দিয়ে ওঠে, ‘আজেবাজে কথা কইবানা রমিজ ভাই। তৈয়ব কে তুমি তা জানো না? বিয়ে হোক তখন বলবা। এখন একদম চুপ।’ ‘বাপরে, এত দেমাগ তর লেংড়ি! এত দেমাগ ভালা না।’ ফুলবানু স্টেশনের দক্ষিণ দিকটায় তাকায়। কত সুন্দর করে হেঁটে আসছে তৈয়ব আলী। কে বলবে তৈয়ব অন্ধ? তৈয়বের ফর্সা মুখখানি লাল হয়ে আছে। কী সুন্দর দেখতে। অথচ কি দুর্ভাগ্য তার। ভিক্ষার থলি নিয়ে প্রতিদিন বের হতে হয় তাকে।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

5.00
(1 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
880****418
880****418 ভেরিফাইড
16 Oct 2024

“কৃষ্ণপক্ষের চোখ” এ রাজীব প্রেমের গল্প বলেছে। নিষ্পাপ, নিখুঁত, নির্ভেজাল প্রেমের গল্প। ভালোবাসার উপাখ্যান। কিন্তু সেখানে এসেছে সমাজ বাস্তবতা, অবক্ষয়, অপরাধ, পাপ, পঙ্কিলতা, পশুত্ব, এসেছে ভালো মন্দের চিরন্তন লড়াই। গল্পের নায়ক অন্ধ তৈয়ব, খল নায়ক রমিজ, নায়িকা ফুলবানু সবাই ভিক্ষুক,ট্রেনে ভিক্ষা করে। প্রতিদিনের ক্লান্তিহীন ট্রেনের মতই নিরন্তর তাদের জীবন। একই আলো বাতাসে বেড়ে উঠলেও তাদের চরিত্রের পার্থক্য গল্পের মূল উপজিব্য বিষয়। তৈয়বের সবটুকো ভালো, চেহারা আর চরিত্রে সে দেবতাতুল্য, রমিজের সবটুকো পশুত্ব,সে অসুর, একটি মেয়েকে ধর্ষন ও হত্যা করেও যার মনে একটুও অনুশোচনা আসেনা, ফুলবানু পরিপুর্ণ মানুষ বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলাচলে দুলে শেষে কম্পাসের কাটার মত আশ্রয় নেয় ভালোবাসার মেরুতে। তবে মানুষ ফুলবানু দেবতা তৈয়বের চোখ থেকে ঝড়িয়েছে ভালোবাসার জল, দুজনে কেঁদেছে মানুষের মত, প্রেমে, পবিত্রতায়, পুর্ণতায়। “কৃষ্ণপক্ষের চোখ” উপন্যাসে সবচেয়ে ভালোলেগেছে গল্পের পরিনামের সাথে প্রকৃতির পরিবর্তন। চৈত্রে গল্প শুরু, বৈশাখে কালবৈশাখী ঝড়ের মত ঝড় আসে ভালোবাসায়, বর্ষার অশ্রুজল শেষে ফাল্গুনে এসে প্রেমের পরিণতি পায়। বলছিলাম “কৃষ্ণপক্ষের চোখ” ভালোবাসা ও প্রেমের গল্প। ভালোবাসা আর প্রেম দুটি আলাদা অনুষঙ্গ হিসেবে স্থান পেয়েছে উপন্যাসে। তার জন্য অপরিহার্যভাবে এসেছে রেনুকা আর ময়না চরিত্র। এর চেয়ে বেশি আর না বলি। এক কথায় চমৎকার এক সুখপাঠ্য “কৃষ্ণপক্ষের চোখ”। রাজীবের জন্য শুভ কামনা। রাজীবকে ধন্যবাদ এরকম একটি উপভোগ্য উপন্যাস প্রকাশের আগেই আমাকে পড়তে দিয়েছে, বই এর ভূমিকায় আমাকে মনে করেছে এবং চোখ জুড়ানো প্রচ্ছদে মোড়ানো নতুন চকচকে বই-এ তার স্বভাবসুলভ সুন্দর লেখনিতে আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। লেখা অব্যাহত থাকুক রাজীব। দোয়া ও ভালোবাসা নিরন্তর।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)