জল পাহাড়
বই কালেকশন

Buy জল পাহাড় Online in Bangladesh

লেখক: সাযযাদ কাদির

4.43
(4 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: সাযযাদ কাদির
  • Publisher: সাহিত্যদেশ
  • Isbn: 9789849062295
  • Number Of Pages: 80
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2013
৳ 129৳ 14511% ছাড়
স্টক আউট (Stock Out)
ফরম্যাট / সংস্করণ নির্বাচন করুন:
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

‘জল পাহাড় চার চমৎকার’ নামের এ বইটি লিখেছেন সাযযাদ কাদির। বইটি প্রকাশিত হয়েছিলো ঢাকা আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০১৩ সালে। বইটি আমাদের মাঝে থাকলেও লেখক সাযযাদ কাদির আর আমাদের মাঝে নেই। তিনি তার এ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে আমাদের সঙ্গী হয়ে থাকবেন। আশি পৃষ্ঠার এই বইটিতে চারটি গল্প রয়েছে। বিচিত্রধরণের এই বইয়ের গল্পগুলো। ‘ইহ’ নামের বইয়ের প্রথম গল্পটি দুই চোরের নানা রকম চুরির ফন্দিফিকির নিয়ে লেখা হয়েছে। গ্রামের চেয়ারম্যানের বাড়ি চুরি করার নানা পরিকল্পনা নিয়ে এ গল্পের কাহিনী। ‘উপধি’ গল্পে দেখা যায় একজনের কাব্যচর্চার নানা রকম কসরত। চরিত্র সৃষ্টিতে ও তাদের অভিনব মজাদার নামকরণে লেখক সিদ্ধহস্ত। সংলাপ ও কাহিনীর মধ্যে যে টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছেন তা পাঠককে আবিষ্ট করে রাখবে। এ বইটির গল্প কল্পকাহিনীর মতো চমকপ্রদ। আমাদের সমাজের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মানুষের গোপন ও গভীর সত্ত¡াকে একই সাথে তার স্বপ্নের জগৎকে পাঠকের সামনে তুলে এনেছেন সাযযাদ কাদির। তাঁর গল্পের মধ্যে একটা পরীক্ষা নিরীক্ষা দেখা যায়। তিনি পাঠকের মনোজগৎ নিয়ে খেলতে পছন্দ করেন তাঁর লেখার মধ্যে দিয়ে। তিনি নতুন নতুন বিষয় গল্পে এনে পাঠককে দেন উপহার।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.43
(4 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
75%
4
0%
3
25%
2
0%
1
0%
Efti
Efti ভেরিফাইড
05 Sep 2025

“জল পাহাড়” সাজ্জাদ কাদিরের এক মনোমুগ্ধকর সৃষ্টি, যেখানে পাহাড়ি প্রকৃতি ও মানুষের টানাপোড়েন জীবন্ত হয়ে উঠেছে। বইটি পাঠককে একই সাথে আনন্দ, কৌতূহল ও গভীর অনুভূতিতে ভরিয়ে তোলে। kintu boiti fresh condition e chilo na 😢

Review Upload 1
Review Upload 2
Review Upload 3
Review Upload 4
Review Upload 5
Review Upload 6
Ariful islam rashed
Ariful islam rashed ভেরিফাইড
17 Feb 2020

ইহ,ঈহা,উপাধি ও কুহর নামক চারটি উপন্যাস রয়েছে জলপাহাড়ে। বাংলা কথাসাহিত্যি এর এক অনন্য কথাশিল্প, এক রুদ্ধশ্বাস পাঠভোজ এই জলপাহাড়। এই উপন্যাসের কাহিনী বিন্যাস কল্প কাহিনীর মত মনে হলেও এটি বাস্তব সমাজ জীবনের চিত্রায়ন। যা পাঠ না করলে বুঝা যাবে না।

Sahityodesh
Sahityodesh ভেরিফাইড
20 Apr 2018

জলপাহাড় এ অঞ্চলের বিখ্যাত শহর  আপনারা সবাই চেনেন  ওখান থেকে সড়কপথে বা রেলপথে দু’-আড়াই ঘণ্টায় যাওয়া যায় জঙ্গুলে শহর বঙ্গল বা ভঙ্গল। সেখানে থাকে দুই চোর  নালু আর টেপা। বঙ্গল পুরনো জনপদ। সে হিসেবে এর একটা অতীত আছে গৌরব করার মতো, কিন্তু সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে চলতে না পেরে এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ক্রমে। কারণ একটাই। কোনও এক বৈরিতার প্রতিশোধ নিতে চলমান বর্তমান তাকে দিয়ে চলেছে সীমাহীন অযতœ আর চরম অবহেলা। এ শহরের সবখানে তাই স্থায়ী ও মূর্তিমান হয়ে আছে একটা ভাঙা নড়বড়ে ভাব। সেকালের দালানকোঠা, দিঘি, ঘাট, ধর্মস্থান দেখা যায় এখানে ওখানে। কিন্তু সেগুলো কেউ দেখভাল করে বলে মনে হয় না। ওগুলো ঘিরে দিনে-দিনে যে হারে গজিয়ে উঠছে ঝোপ-জঙ্গল, ঠিক সে হারেই ছড়িয়ে পড়ছে নোংরা পানির নালা-ডোবা। এসব কারণে শহরের অনেক পথে চলা যায় না সাপখোপের ভয়ে, তীব্র দুর্গন্ধের তাড়নায় অনেক পথে যেতে হয় নাকে রুমাল চেপে। তারপরও বঙ্গলকে সুপ্রাচীন আমলের কোন রাজার রাজধানী ঘোষণা করে আহলাদে আটখানা হয়ে আছেন স্থানীয় বুদ্ধিজীবীরা। স্কুলের বার্ষিকীতে এক শিক্ষক গবেষণা করে এ জনপদের বয়স ৫০০ বছরের বেশি নির্ধারণ করায় বঙ্গলের একমাত্র অনিয়মিত সাপ্তাহিকে এক আইনজীবী ঘোষণা করেন, ১১০০ বছর আগেই জনৈক কীর্তিধন্য রাজার রাজধানী ছিল এ শহর। এর পর থেকে স্থানীয় মহিলা মহাবিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের এক অধ্যাপক সব সভা-সেমিনারে কমপক্ষে ৯০ মিনিট বক্তৃতা দিয়ে প্রমাণ করতে থাকেন, হাজার বছর আগে বঙ্গল ছিল যোগী সিদ্ধাচার্য্য মেকোপা, লুচিক, পুতলিপা, জয়ানন্দ প্রমুখের সাধনক্ষেত্র। তিনি আরও দাবি করেন, চর্যাগীতিকোষের ৪৬ সংখ্যক পদের রচয়িতা ‘জঅনন্দি’ আসলে জয়ানন্দ, জয়নন্দী নন। নালু আর টেপা’র কথা বলেছি, ওদের আয়-উপার্জন নেই তেমন। সমাজের সবখানে বড়-বড় চোর গেড়ে বসায় তাদের মতো চোরের টিকে থাকা মুশকিল হয়ে পড়েছে ইদানীং। কোথায় ঢুকে কি চুরি করে পেট চালাবে সে ভাবনায় অস্থির থাকে দু’জন। বাধ্য হয়ে মাসে দু’-এক বার তারা হাত দেয় ছিচকে কাজে। মন চায় না, কিন্তু কি করবে! ওদিকে পেটের জ্বালায় তাদের বউরা হয়ে ওঠে প্রায় হাফগেরস্ত, ঘুষকী। তবুও নালু ও টেপা স্বপ্ন দেখে, একদিন বড় দাঁও মারবে তারা। কিন্তু হাড় জিরজিরে মরা-মরা শহর বঙ্গলে কোথায় সেই দাঁও? একদিন নালু টের পায়, আছে। বড়সড় দাঁও আছে। টেপারও দেরি হয় না টের পেতে। কিন্তু উপায় কি? এত বড় দাঁওয়ে হাত দিলে হাতটাই যে পুড়ে যাবে! ঠিক ওই সময়টাতেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় নালু’র। একই জায়গায় বেশি-বেশি ছোঁক-ছোঁক করতে গিয়ে একে অন্যের চোখে পড়ে যায় তারা। তারপর কথা বলে ঠারেঠোরে, আপনের কাজকাম বুঝি... জানি... কিন্তু আপনেরে চোখে দেখি না! টেপা বলে, মেম্বারের বাড়িতে আগে-পরে দুই রাতে দেখছি আপনেরে, চিনতে পারি নাই। মুখে গামছা বান্ধা... চিনমু কেমনে? সামনে পড়ি নাই, সইরা গেছি।

Sahityodesh
Sahityodesh ভেরিফাইড
03 Dec 2017

ইহ, ঈহা, উপধি, কুহর নামে চারটি চার চমৎকার উপন্যাস একসাথে রয়েছে এই গ্রন্থে।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)