জো বাচে হ‍্যায় সাঙ্গ সামেট লো
বই কালেকশন

Buy জো বাচে হ‍্যায় সাঙ্গ সামেট লো Online in Bangladesh

লেখক: ফারহাত ইশতিয়াক

5.00
(1 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: ফারহাত ইশতিয়াক
  • Publisher: ছাপাখানা প্রকাশনী
  • Isbn: 9789843576620
  • Number Of Pages: 604
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2025
৳ 957৳ 118019% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

ইতালির রোম শহরে সিকান্দারের সাথে লিজার সাক্ষাৎ হওয়া নিছকই একটি কাকতালীয় ঘটনা নাকি সামনে সিকান্দারের জীবন আবারও কোনো পরীক্ষার মুখোমুখি হতে চলেছে? নিজের যে অতীতকে সে বহুবছর আগে দাফন করে এসেছিল তা কি আবার জীবিত হতে যাচ্ছে? সেখানের ইতালিয়ান আর্টিস্ট লিজা নামের মেয়েটি সিকান্দারের জীবনের অন্ধকারকে দূর করতে তার জীবনে এসেছে নাকি সেই অন্ধকারকে আরও গাঢ় করতে? প্রতি রাতে সিকান্দারের দেখা ভয়ংকর স্বপ্নের সঙ্গে তার জীবনের আদতে সম্পর্ক কী? এই মানুষটা কেন খুশি হতে পারে না? কেন জীবনকে ঘৃণা করে? কেন মরে যাওয়ার ইচ্ছে নিয়ে ঘোরে? ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক শহর রোমে শুরু হওয়া এই যাত্রা লিজা এবং সিকান্দার দুজনকে তাদের অতীত জীবনের গোলকধাঁধায় নিয়ে যাবে। সেই অতীত যেখানে ভালোবাসা, ঘৃণা, হিংসা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, শত্রুতা ও মিথ্যা সব ছিল।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

5.00
(1 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Sakib
Sakib ভেরিফাইড
11 Aug 2025

#জো_বাচে_হ্যায়_সাঙ্গ_সামেট_লো #পাঠ_অনুভূতি ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ জো বাচে হ্যায় সাঙ্গ সামেট লো •লেখকঃ ফারহাত ইশতিয়াক •অনুবাদকঃ রুসমিতা বিনতে মেহেদী •ধরনঃ সামাজিক, রোমান্টিক, মনস্তাত্ত্বিক •প্রকাশনীঃ ছাপাখানা প্রকাশনী •প্রচ্ছদঃ ফাইজা ইসলাম •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৬০৪ •প্রকাশকালঃ জুন ২০২৫ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ আমার পাঠক জীবনে এরকম কোনো দিন আসেনি । যে দিনটা কোনো বই পড়ার পরে অনুভূতিশূন্য হয়ে বসে থাকতে হয়েছে । ভাবলেশহীন ভাবে চেয়ে থাকতে চেয়েছি । আমি লেখার মতো কিছু পাচ্ছি না । শুধু নিঃশ্বাস নিয়ে তাকিয়ে আছি । কেনো বইটা পড়লাম, কেনো বইটা পড়ে ফেললাম, কেনো শেষ করে এভাবে ঘন ঘন নিঃশ্বাস নিচ্ছি তাও জানি না । কিন্তু আমি সত্যিই অনুভূতি প্রকাশ করার মতো কিছু পাচ্ছি না । আমি জানি এটা আমার সবসময়ের মতো করে অনুভূতি প্রকাশ হবেও না । যতটা এলোমেলো করে, যা দেয়া সম্ভব তা শুধু মনের আমার এলোমেলো হয়ে যাওয়া রূপটাকেই প্রকাশ করবে । এতটা কাছের কিছু না হলেও পারতো । আমার মনটা এলোমেলো হয়ে গিয়েছে পড়তে পড়তে । এতটা দীর্ঘকায় বইটি পড়তে পড়তে কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিলাম আমি । ♦নামকরণঃ ‘জো বাচে হ্যায় সাঙ্গ সামেট লো’, যা বাকি আছে একত্র করে তুলে নাও । কিংবা যা অবশিষ্ট আছে তা একত্রে জড়ো করে নেও । এই অদ্ভুত সুন্দর নামটার নামকরণে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ধাঁচ আছে । সেই ধাঁচে দেখতে পাওয়া যায় সম্পর্কের টানাপোড়েন । জীবন মানুষকে বিভিন্ন ধাপে ফেলবে । বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কোথায় গিয়ে নোঙর ফেলবে তার কোনো শেষ নেই । প্রতিকূল পরিবেশে জীবনের বৈঠা আসলে তাল মিলিয়ে চলতে না গিয়েই থাকবে তবুও জীবন যেখানে নিবে সেখানে ধৈর্য ধরে এগিয়ে যাওয়ার মতো করে জীবনে নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখা জরুরি । পৃথিবীর সমস্ত বিশেষণগুলো বড্ড যত্ন করে জীবনে আসে । তাদেরকে মূল্য দিয়ে কাছে রাখা জরুরি । জীবনের এই অদ্ভুত টানাপোড়েনে ভালোবাসা এবং বিশ্বাস ভীষণ করে জরুরি । সম্পর্ক বোধহয় মনস্তাত্ত্বিক আবহ এবং অদ্ভুত কষ্টও কোথাও এসে জুড়ে থাকে । সেখানেও অদ্ভুত বেঁধে পড়ার টানে জীবনে কোথায় নিয়ে আসলে দাঁড় করায় সেটাই শুধু দেখার । ♦ফ্ল্যাপে লেখাঃ ইতালির রোম শহরে সিকান্দারের সাথে লিজার সাক্ষাৎ হওয়া নিছকই একটি কাকতালীয় ঘটনা নাকি সামনে সিকান্দারের জীবন আবারও কোনো পরীক্ষার মুখোমুখি হতে চলেছে? নিজের যে অতীতকে সে বহুবছর আগে দাফন করে এসেছিল তা কি আবার জীবিত হতে যাচ্ছে? সেখানের ইতালিয়ান আর্টিস্ট লিজা নামের মেয়েটি সিকান্দারের জীবনের অন্ধকারকে দূর করতে তার জীবনে এসেছে নাকি সেই অন্ধকারকে আরও গাঢ় করতে? প্রতি রাতে সিকান্দারের দেখা ভয়ংকর স্বপ্নের সঙ্গে তার জীবনের আদতে সম্পর্ক কী? এই মানুষটা কেন খুশি হতে পারে না? কেন জীবনকে ঘৃণা করে? কেন মরে যাওয়ার ইচ্ছে নিয়ে ঘোরে? ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক শহর রোমে শুরু হওয়া এই যাত্রা লিজা এবং সিকান্দার দু'জনকে তাদের অতীত জীবনের গোলকধাঁধায় নিয়ে যাবে । সেই অতীত যেখানে ভালোবাসা, ঘৃণা, হিংসা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, শত্রুতা ও মিথ্যা সব ছিল । ♦প্রচ্ছদঃ এই বইটার প্রচ্ছদটা আমি যেদিন দেখেছিলাম প্রথম, সেদিন আসলে বইটা কিনেছিলাম প্রচ্ছদটার জন্যেই । আমি মূলত এক ধরনের মায়ায় পড়ে গিয়েছিলাম । আমার মন বলছিল, এরকমও সুন্দর কোনো প্রচ্ছদ হয়! আশ্চর্য হলেও সত্যি, আমি এই বইটা পড়া পর্যন্ত এই বইয়ের কোনো অংশবিশেষ পড়িনি । কারো থেকে কোনো অনুভূতিও পড়িনি । আমি শুধু প্রচ্ছদের মায়ায় জড়িয়ে গিয়েছিলাম । আমি ধরেই নিয়েছিলাম এই অদ্ভুত সুন্দর রংয়ের ধাঁচ, অদ্ভুত মোহনীয় জগত তৈরি করা এই পিজারিয়া আমাকে নৈঃশব্দ্যের জগত দিয়েছে । যা থেকে বের হওয়ার উপায় ছিল না । শুধু এটা থেকে বের হওয়ার চাবিকাঠি একটাই ছিল, মুগ্ধতা । অদ্ভুত রাস্তা, পিজারিয়া, টেবিল, চেয়ার এবং রাস্তায় জ্বলজ্বল করা লাইটগুলো আমাকে বাস্তবিকতা শিখিয়েছে । এত সুন্দর প্রচ্ছদটা তৈরি করার জন্য, পরিবেশে দারুণ আবহ আনার জন্য প্রচ্ছদশিল্পীকে অসংখ্য ধন্যবাদ । ♦পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ এই উপন্যাসে আসলে এই অনুভূতি প্রকাশ করাটাই কঠিন মনে হচ্ছে আমার জন্য । আমি জানি না, আমি কিভাবে এই অনুভূতি ফুটিয়ে তুলবো । এই পৃথিবীতে অনেকেই জানে, আমি কখনোই বইয়ের রিভিউ লিখি না । লিখতেও পারি না । পুরোপুরি অজ্ঞ আমি । আমি শুধু পারি, পড়ার শেষে কতগুলো শব্দ স্পর্শ করে পড়ার শেষে মনের অনুভূতিটা প্রকাশ করতে । সেটা নিয়েও এই বইটা পড়ার পরে আমি হাঁসফাঁস করছি । কী লিখবো, মাথায় আসে না । শুধু জানি, এই বইটা আমি আরো শতবার পড়তে পারবো । শতবার মাথায় এলিয়ে দিয়ে ভাবতে বসে যেতে পারবো । ✓পটভূমিঃ এই উপন্যাসের পটভূমি নিয়ে কী বলবো? এই উপন্যাস নিয়ে ভাবতে বসলেই মনে হচ্ছে এর ঘরানা নিয়ে কী বলবো! হ্যাঁ হয়তো একটা জায়গায় লিখে ফেলেছি । কিন্তু এটা যেন আমাদের বাস্তব জীবনের একটা অদ্ভুত ধাপ । আমাদের মানুষের জীবনে যে মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ এর মতো অনিশ্চয়তা আছে । অন্ধকার আঁধারে লুকিয়ে থাকা আছে । এই উপন্যাসের ঘরানা যেন সেরকমই । অদ্ভুত আঁধারে একধরনের আকর্ষণ লুকিয়ে থাকে । কেমন একটা মোহগ্রস্ত আবছায়া । এই উপন্যাসে আমি সব খুঁজে পাই । অদ্ভুত আলোড়নে যেভাবে উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ভেসে এসেছে সেখানে পারিবারিক টানাপোড়েন, সম্পর্ক লুকিয়ে আছে । অদ্ভুত ভাবে এর রসায়ন, বাঁধা পড়ে যাওয়া জীবনের কেমন এক কষ্ট ভেসে আসে । এছাড়াও জীবনধারায় ভেসে আসে অদ্ভুত এক কষ্টের কান্নার শব্দ । যা প্রতিটা রাতে ভেসে আসে । ঘুমের পরবর্তীতে মানুষের জীবনে যা আসে তার মধ্যে দিয়ে কেমন একটা অদ্ভুত আলোড়ন পৃথিবীতে জাগ্রত হয় । অদ্ভুত এক আবেশ, অদ্ভুত এক টান । এছাড়াও এই উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে ভেসে এসেছে ইতালির বিভিন্ন শহর । ভেসে এসেছে রোম । তবে এই রোম যেন আমাদের কাছে আরো বিশেষ, আরো মনের অন্তর্গত । রোম যেন রোমা হয়ে ভেসে আসে । এছাড়াও আছে মিলান, নেপলস, ফ্লোরেন্স । সেই ধাঁচ থেকে গল্প এড়িয়ে গিয়ে কখনও ভেসে আসে লন্ডন শহরে । কখনও চলে যায় উপন্যাসের ধাঁচ দোহায় । জীবন আসলে অদ্ভুতুড়ে এক টানের । পাকিস্তানের করাচি শহরেও যে গল্পের যাত্রাপাত, সেই উপন্যাসের পুরোটা জুড়েই যেন অদ্ভুত এক বিরহের টান । ভালোবাসার এক নামহীন শব্দ । অন্ধকার আঁধারের দুইটি রাতের কিছু স্মৃতি যা জীবনে আঁকড়ে ধরে বেড়ায় । ✓আবহ গঠনঃ এতটা গভীরতা সম্পন্ন পটভূমি বেশ অনেকগুলো দিন আমার পড়া হয়নি বোধহয় । যেভাবে সূক্ষ্মভাবে প্রতিটি প্রেক্ষাপট এবং দৃশ্যপট উপস্থাপন করা হয়েছে এবং সেভাবেই তারজন্য আবহ সৃষ্টি করা হয়েছে তা গল্পে মুহূর্তগুলো যেভাবে জীবনধারায় বয়ে যাচ্ছে তার সমার্থক হিসেবে যেন আবহে সেরকমই এক সুর বেজে উঠেছে । এই সুর কখনও ভায়োলিনের মতো বিরহের । আবার কখনও বেহালার সুরে সুখের । কখনোবা ভালোবাসায় যেন বেহালা ভায়োলিনের অদ্ভুত এই মিশ্রণের । সেরকমই এই উপন্যাসটিতে যেন সেভাবেই প্রতিটি প্রেক্ষাপট এবং জীবনধারায় এক গল্প বয়ে গিয়েছে, যা উপন্যাসে ভারসাম্য এনেছে । আবহে আবেগতাড়িত করে দেয়ার মতো ধাঁচ এসেছে । যা গল্পে গভীরতা এনে কখনও কষ্ট দিয়েছে । কখনও সুখ দিয়েছে । ♦চরিত্র গঠনঃ এই উপন্যাসের চরিত্র গঠনের অদ্ভুত এক গভীরতা ভেসে আছে । সাধারণত সময় নিয়ে তৈরি করা চরিত্রগুলোকে ব্যাখ্যা করার জন্য এরকম দীর্ঘকায় উপন্যাসগুলোর সবথেকে ভালো দিক হলো, চরিত্রগুলোকে দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তোলার জায়গা থাকে । ♦চরিত্র বিশ্লেষণঃ •সিকান্দারঃ জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে লড়াই করতে থাকা মানুষটি রাতকে ভীষণ ব্যস্ত রাখতে চায় । রাতে তার কোনো কিছু হারানোর ভয় নেই । কিন্তু কোনো এক অস্তিত্ব তাকে জীবনের মোড়ে মোড়ে নিয়ে নির্জীব অবস্থায় ঘুণ ধরা দেয়ালগুলোর মতো করতে চায় । সেই নির্জীব অবস্থায় কারো স্পর্শে সে জেগে উঠে । বাঁধভাঙা এক রাজপুত্র সময়ের প্রয়োজনে কারো কাছ থেকে সামুরাই হয়েছিল । জেগে উঠে স্বপ্ন দেখতে চেয়েছিল । ভালোবাসায় যার জড়িয়ে যেতে আপত্তি, সে ভালোবাসতে চেয়েছিল । ভালোবাসার মানুষটির স্পর্শ করা, জড়িয়ে থাকা প্রতিটি বিষয়কে নিজের করতে চেয়েছিল । অন্ধকার আঁধারে অতীতের এক কষ্ট তাকে কোথাও ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিল । কিন্তু কিছু শহর, তাকে সুখ দিয়েছিল । কিছু শহর, তার অস্তিত্ব কেড়ে নিয়েছিল । কিন্তু জীবন তাকে মুদ্রার এপিঠ এর এই এত বিশেষণে বিনিময়ে ওপিঠ এর মতো করে ভালোবাসা ফিরিয়ে দিয়েছিল কিনা সেটাই দেখার । •লিজাঃ হাসিখুশি স্বভাবের মেয়েটি বিভিন্ন বাঁধা পেরিয়ে বন্ধুত্ব করার এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা লক্ষ্য করে । পেশায় চিত্রশিল্পী মানুষটি জগতে দুদণ্ড শান্তি চেয়েছিল । বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাবের মেয়েটি শত পরিস্থিতিতেও নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় । ধৈর্য ধরে জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এগিয়ে যেতে চায় । কখনও নিজের ছেলেমানুষী, কখনও প্রাণবন্ত এবং অদ্ভুতুড়ে জীবনের এক ছাপ তাকে মুগ্ধ করে । তার জীবনযাত্রায় বোধহয় গোটা উপন্যাসও তাকে দেখে মুগ্ধ হয় । নিজের শহরকে ভীষণ ভালোবাসা মানুষটিকে বড্ড কাছের মনে হয় । যখন নিজের শহরের প্রতিটি সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে মনে ধারণ করে জীবনে এগিয়ে যেতে চায় সে । তখন ভীষণ ভালো লাগায় যেন আচ্ছাদিত হতে হয় । ভালোবাসার মানুষটির সমস্ত পরিস্থিতিতে সঙ্গ দিয়ে পাশে থাকার অদ্ভুত এক জোর দেয়া মানুষটি সত্যিই তার ভালোবাসার মানুষটির কাছে ‘বেলা’ হয়ে থাকে । যে আসবে, এসে নিজের স্বভাবগত হাসি দিয়ে শত বিপদকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে সুখ সুখ আবহের হাওয়া ভাসিয়ে দিয়ে বেড়াবে । •শেহরিয়ার খানঃ পারিবারিক এক অদ্ভুত মূল্যবোধে বেঁচে থাকা মানুষটি নিজের পরিবারকে নিয়ে অদ্ভুত এক গোঁড়ামিতে বাস করেন । নিজের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পরিবারের প্রতি এক ধরনের জোড় তৈরি করেন । তা মানসিক ভাবে কখনও কারো উপরে বাধাগ্রস্ত হয় । কখনও কারো প্রতি হিংসা তৈরি করে । এই অদ্ভুত সংস্কার, শাসনের এক অদ্ভুত নামকরণ জীবনকে কোনো জায়গায় নিয়ে কাঁচের মতো ভঙ্গুর করে ফেলে । ছুঁড়ে ফেলে অন্ধকার আঁধারে । তখন নিজের করা প্রতিটি কাজকে নিজের কাছেই ভীষণ প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় । সেই মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে না পারা মানুষটি জীবনে কতটা এগিয়ে যায় তাই দেখার । •জ্যানঃ অদ্ভুত সমাজের এক চিরাচরিত গোঁড়ামির জীবনে কখনও পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে নিজেকে তুলনা করতে নিজের মানদণ্ডে নিজেকে লুকিয়ে ফেলে । নিজের জীবনে সব পারা জ্যান তখন হীনম্মন্যতায় ভুগতে গিয়ে অদ্ভুত এক আঁধারে নিজেকে মেলাতে পারে না । কখনও ভুল করে ফেলে । কখনোবা দোষ । কখনোবা ভালোবেসে জীবনের সুখ কিনতে গিয়ে কোথাও কিছু হারিয়ে ফেলতে বসেছিল সে । নিজের জীবনের সবকিছু যে কিনতে না পেরে অর্জন করে নিয়ে জয়ী হতে হয় তা ভাবতে ভাবতে জীবনের মুদ্রার দামে অনেককিছু হারিয়ে ফেলেছিল সে । •আমনা শাহরিয়ারঃ পারিবারিক টানাপোড়েনে, সংসারের প্রতি অনুগত থাকা সংস্কৃতিতে পরিণত হওয়া মানুষটি সংস্কারের অদ্ভুত ক্ষয়ে আসা জীবনে নিজেকে মানিয়ে দিচ্ছিলেন । অদ্ভুত এক ছাপ তার ভিতরে কষ্ট তৈরি করে দিয়েছিল । সন্তান, স্বামী সবাইকে নিয়ে ভীষণ যত্নে আগলে রাখা সংসারটিকে কখনও নিঃসঙ্গতায় নির্জীব হতে দেখেছিলেন তিনি । সন্তানের অনুপস্থিতির কষ্ট কখনও তার জীবনকে এলোমেলো করে দেয়ার চেষ্টায় সফল হয়েছিল । এই সফলতা তাকে এলোমেলো, মানসিক কষ্টে এক অদ্ভুত আবেগ দিয়ে গিয়েছিল । •স্যামঃ নিজেকে ভীষণ সুখী দেখতে চাওয়া নারীটি জীবনে আসলে সুখী হতে পেরেছিল কিনা সেটাই বড় প্রশ্ন । হয়তো সুখের সংজ্ঞা নিজেকে চারপাশে ভাসিয়ে দিতে গিয়ে নিজের উপস্থিতি প্রকাশ । কিন্তু অদ্ভুত এক জীবনধারণ, জীবনের প্রতি উচ্চাকাঙ্ক্ষা আর কোনো কোনো ক্ষেত্রে দোষ এবং ভুলের বিশেষণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে ফেলা তাকে অদ্ভুত আঁধারে ফেলে দিচ্ছিল । এই নারীটির কেমন একটা নিঃশ্বাস পুরোটা গল্প জুড়ে কেমন একটা হাওয়া দিয়ে যায় যেন । •মেহমুদ খালিদঃ নিজের জীবনের অনেকগুলো সময় পেরিয়ে গিয়ে মানুষটি নিজের ভাণ্ডারে থাকা ‘বিশ্বাস’ শব্দটাকে উপস্থাপন করাতে পেরেছিলেন । চেয়েছিলেন তার প্রিয়জনরা তাকে বুঝুক । ভালোবাসুক । অদ্ভুত এক যন্ত্রণা নিয়ে থাকা মানুষটি বোধহয় কিছু পদক্ষেপ ভুল নিয়েছিল কিন্তু জীবনে চেয়েছিল সব পরিস্থিতি ফেলে এগিয়ে যেতে । কিন্তু জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তে তাকে কাউকে বোঝানোর দায়িত্ব নিয়ে থাকতে হয়েছিল । •টুকিটাকি চরিত্রঃ এছাড়াও এই উপন্যাসে আসে মাতৃসম স্বভাবের, ন্যানি । যিনি নিজ সন্তানের মতো করে বড় করেছিলেন । নিজের যাবতীয় সুখ দিয়েছিলেন সন্তানদের নামে । এছাড়াও এই উপন্যাসে আছে বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাবের, সবকিছু মানিয়ে নেয়া, নাভিরা । যিনি সম্পর্ক এবং সংসার নিজের দক্ষতায় এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন । এছাড়াও এই উপন্যাসে আসে, আয়শা । স্বামীর প্রতি টান, এবং সন্তানদের প্রতি যত্ন কোনো কিছুতেই যেন তার কোথাও অন্ধকার ছায়া নেই । মিষ্টি এক ছায়া ঘিরে রাখে তার সংসারে । এছাড়াও উপন্যাসে আছে বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাবের, রবার্টু । যারা এই উপন্যাসে প্রাণ দিয়েছিল । হাওয়া দিয়েছিল । এবং ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল পুরোটা জুড়ে । ♦প্রিয় চরিত্রঃ এই ধরনের উপন্যাসে আসলে অনেক চরিত্রকেই বড্ড কাছের মনে হয় গভীরতা থাকে বলে । কখনও মনে হয়, এদের যেন আমার জীবনেই আঁকড়ে নিয়ে যেতে চেয়েছি । এরা আমার মনে বেঁচে থাকুক । আঁকড়ে ধরে রাখুক । সিকান্দার, অসাধারণ একটা চরিত্র । যতটা প্রিয় হলে সুখ সুখ মুহূর্তেও কান্না পেতে চায় খুব । মনে হয় এই মানুষটা জগতের সমস্ত সুখের ছোঁয়া পাওয়ার জন্য প্রাপ্য । এমনকি আমার সুখগুলোরও ধাঁচ এই মানুষটার পাওয়া দরকার । এই মানুষটা প্রাপ্তিতে জীবনে কতটা এগিয়ে যায় জানি না, কিন্তু তার জীবনে একটা শহর এসেছিল । সেই শহর ভালোবাসা চিনিয়েছিল । শহরের সবকিছু প্রিয় হয়ে উঠেছিল । এই মানুষটা, তার ভালোবাসা, ভালোবাসার রসায়ন এবং সম্পর্কের বন্ধন সবকিছু আমার প্রিয় চরিত্র । কখনও বোধহয় মনে হয়, সিকান্দার এর থেকেও সেই অদ্ভুত যুদ্ধ জয় করে ফেলা নারী চরিত্রটি প্রিয় । যে ভালোবাসাকে ভালোবেসেছিল । জীবনে এগিয়েছিল । যে তার ভালোবাসার চাবি একজনকেই দিয়েছিল । যে মিসেস সিকান্দার হতে চেয়েছিল । সেই নারীটিও কখনও আমার প্রিয় চরিত্র বুঝি হয়ে উঠে । ♦প্রিয় অংশঃ এই উপন্যাসটা পুরোটাই আসলে আমার প্রিয় । যেভাবে গল্পটা উপস্থাপন করা হয়েছে, বর্ণনা করা হয়েছে । ব্যাখ্যা করা হয়েছে তা সবকিছুই মনে লেগে যাওয়ার মতো । কখনও কখনও কষ্ট, বিরহ, বিচ্ছেদ এবং মারাত্মক দুঃখ এতটাই ছিল যে, আমার মনে হয়েছিল কিভাবে সহ্য করবো, কিন্তু কিভাবে যেন গল্পের পিছনের এক অদ্ভুত আবহ, এক মারাত্মক ধরনের সুর আমাকে মনে করিয়ে দিয়েছিল তাদের যাত্রায় সঙ্গী হয়ে, সুরের মাতমে ভেসে যেতে । অদ্ভুত এক ধাঁচে গল্পটা যেভাবে বয়ে গিয়েছে তার পুরোটাই আমার পছন্দ । উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক এক ধরনের কষ্ট দেখানো হয়েছে, মারাত্মক অতীতের এক ছাপ দেখানো হয়েছে । যা বেশ মনে গিয়ে লাগার মতো । তাও আমার কাছে কেমন যেন উপন্যাসটিকে মনে ধারণ করার মতো । কোনো রাতের আঁধারে ঘুম নিয়ে আসে, ঘুমের পরবর্তী জীবনে অদ্ভুতুড়ে কষ্ট নিয়ে আসে সেই অতীতে পিছুটান থাকে । অদ্ভুত এক আলোড়নে মারাত্মক কিছু দুঃখ থাকে । গভীর আঁধার থাকে । এগুলো ভীষণ কাছের হয়ে উঠে যখন উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে গভীরতা টের পাওয়া যায় । এছাড়াও ইতালি দেশটাকে যেভাবে দেখানো হয়েছে । যেভাবে রোম শহর, কারো পছন্দের রোমা হয় । সেই রোমা শহরের প্রতিটি কোনায় কোনায় যেন ভালোবাসার কথা লেখা আছে । স্পর্শ লেখা আছে । বোধহয় প্রেমের শহরে রূপান্তরিত হওয়া এই শহরটিও এদের প্রেমে অদৃশ্যে এক হয়ে যাওয়ার কথা মনে করবে । এত সুন্দর ভাবে দর্শনীয় স্থানগুলো দেখানো হয়েছে তা বর্ণনা করা হয়েছে তা বেশ সুন্দর । এছাড়াও কারো ছবি আঁকার জন্য টিভোলি শহরের বর্ণনা বেশ দারুণ ছিল । দারুণ ছিল ফ্লোরেন্স । এই যে বিভিন্ন শহরের সংস্কৃতি, এবং মানুষভেদে বিচরণ এবং আলোড়ন অদ্ভুত সুন্দর ভাবে দেখানো হয়েছে । পিজ্জা, কফি, আইসক্রিম সব কিভাবে যেন মোহনীয় হয়ে এসেছে । কারো ভালোবাসার সমস্ত কিছু বড্ড কাছের মনে হয় । দমবন্ধ হয়ে আসা মনে হয় । সুখ সুখ এই দমবন্ধ অনুভূতিতে আমার অদ্ভুত আবেগতাড়িত হয়ে কান্না করার এক চেষ্টা যেন চেপে বসে থাকে । এরকমই কতশত অনুভূতি যেন লুকিয়ে থেকে গেল পুরোটা উপন্যাস জুড়ে । বলা হলো না । ♦সংলাপঃ ভাষাগত এবং স্থানগত সংস্কৃতি দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেন । ইতালির ভাষা যেভাবে বর্ণনা করার পাশাপাশি ব্যাখ্যা হয়েছে তা বেশ ভালো । উপন্যাসের প্রেক্ষাপট এবং দৃশ্যপট অনুযায়ী এই ভাষা এবং মুহূর্তগুলো যেন কোথাও সবকিছুকে এক করে দেয় । পাকিস্তানের কিছু বিশেষ ভাষাগত শব্দ বেশ রম্য এক মুহূর্ত তৈরি করে । সিকান্দার এর সেই গাড়িতে ভ্রমণ দৃশ্যটা বেশ প্রিয় হয়ে ধরা দেয় । এই উপন্যাসের সংলাপ ধারণ তাই অসাধারণ ছিল । কাব্যিক ভাবাবেগ কখনও বজায় ছিল । বর্ণনামূলক আবহ এবং দৃষ্টিভঙ্গি দারুণ ভালো ছিল । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ আমি জানি না, আমি পাঠক হিসেবে কতকিছু না পেয়ে যেতাম । বোধহয় না পাওয়ার এক সুরে অদৃশ্য অপ্রাপ্তিতে ভেসে যেতাম জীবনজুড়ে । হয়তো কখনো জানতেই পারতাম না, পাঠক হিসেবে আমি কী যেন না পেয়ে আছি । কিভাবে রাতের আঁধারে লুকিয়ে আছি । অপ্রাপ্তিতে ভেসে যেতাম । লেখক ফারহাত ইশতিয়াক এর লিখনশৈলী এত দারুণ, এত দারুণ যে আমার বারবার মুগ্ধ হতে হয়েছে । বারবার বলতে হয়েছে মনে মনে যে এই উপন্যাস এত অসাধারণ কেনো? এতটা সুন্দর করে লেখক উপস্থাপন করছে কেনো! পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ণনা করে প্রতিটি দৃশ্যপট বর্ণনা করে যাওয়ার এক সূক্ষ্ম ছাপ লেখক রেখে গিয়েছেন যেন । কোথাও একটা পটভূমির এই গভীরতা তাই পাঠক হিসেবে আকর্ষিত করে । লেখকের পরবর্তী লেখাগুলোর জন্যে এখনই বেশ অপেক্ষা করতে ইচ্ছে করে খুব । বোধহয় গভীরতা সম্পন্ন অসাধারণ সব লেখাগুলো আমার কখনও পড়ে ফেলা হবে । এই পৃথিবীতে কে না জানে, একজন নতুন লেখকের অসাধারণ লেখা অসাধারণ ভাবে আবিষ্কার করা একজন পাঠকের কাছে কতটা তৃপ্তির, কতটা গভীর ভাবাবেগের । লেখকের পরবর্তী লেখাগুলোর জন্য শুভকামনা রইলো । ♦অনুবাদক প্রসঙ্গেঃ অনুবাদক রুসমিতা বিনতে মেহেদী এর লেখা আমার আগে সেভাবে পড়া হয়নি । কিন্তু তিনি যেভাবে বিদেশের সংস্কৃতি এবং আবহের টান বজায় রেখে ফুটিয়ে তুলেছেন তা অসাধারণ ছিল । বিশেষ করে রোম শহরের বর্ণনা যেভাবে ব্যাখ্যা করেছেন তা বেশ ভালো ছিল । আবেগতাড়িত করার জন্য যেভাবে অনুবাদ করার চেষ্টা তা বেশ ভালো । ইতালীয় শব্দগুলোকে বন্ধনীতে আবদ্ধ করে যেভাবে ইংরেজি ভাষায় লেখা হয়েছে তা অসাধারণ । সংস্কৃতির সাথে খাপ খাইয়ে পাঠকের কাছে এরকম গভীরতা সম্পন্ন পটভূমি ফুটিয়ে তুলতে পারা, আবেগ পুরোটাই নিমজ্জিত এবং প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে রেখে দেওয়া এটা অসাধারণ একটা ব্যাপার ছিল । তার এই অসাধারণ দক্ষতা তার ভবিষ্যৎ লেখালেখির জীবনে দারুণ কিছু বয়ে আনবে বলে বিশ্বাস । ♦প্রকাশনীঃ ছাপাখানা প্রকাশনী বেশ অসাধারণ একটা কাজ করেছে যেন । এরকম অসাধারণ একটা পটভূমির উপন্যাসকে ফুটিয়ে তুলে বাংলা ভাষায় প্রকাশ করা বেশ দারুণ একটা বিষয় । আমাদের মতো আটপৌরে স্বভাবের পাঠকদের কাছে দারুণ তৃপ্তির মতো এটি । অসাধারণ ভাবে বইটি বাঁধাই করা হয়েছে । পৃষ্ঠার ভাঁজে ভাঁজে মুহূর্তগুলোর সাক্ষী রাখা হয়েছে যেন । দারুণ সুন্দর প্রচ্ছদটিকে যেন মোহমায়ার মতো করে তৈরি করা হয়েছে । দেখলেই জগতের সব মায়া এসে যোগ হয় । দীর্ঘকায় এই উপন্যাসটিতে তেমন কোনো বানান ত্রুটি নেই, যা আরো বেশ কাছের হয়ে ধরা দেয় । এরকম আরো অসাধারণ কিছু যাত্রায় ছাপাখানা প্রকাশনী আমাদেরকে সঙ্গী করুক, তাদের জন্য শুভকামনা রইলো । ♦রেটিংঃ ৫/৫ ♦উপসংহারঃ অদ্ভুতুড়ে এক আঁধারে কারো ঘুমের সাক্ষী হতে হতে কেউ ঘুমের পরবর্তী জীবনে রাজত্ব কেড়ে নিয়েছিল । বোধহয় বলেছিল, তোমার পাশাপাশি এই ঘুমের জগতটাও পুরো আমার, সীনিওর! তা কখনও ভুলে যেও না । এই আত্মমগ্নতায় ভুগতে থাকা, নাকের ডগায় রাগ নিয়ে থাকা মানুষটিকে হেলায় হারিয়ে যেতে দিও না । মুদ্রা ফেলে ভালোবাসার কথা মনে আছে সীনিওর? হয়তো সেই ভবিষ্যতে কখনও বলতে চেয়েছিল, তুমি কি ভালোবাসা পেয়েছিলে সিকান্দার? ফিরে এসেছিলে ট্রেভি ফাউন্টেনে? কখনও মুদ্রা ফেলে দিয়ে ভালোবাসতে চেয়েছিলে । আচ্ছা যাহোক তাদের কথা বরং বাদ দেই । আমার কথা বলি । আমি অনুভূতি প্রকাশে কতটা পারলাম জানি না, যতটা চেষ্টা করেছি আরকি । কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল করেছেন, আমি পুরোটা উপন্যাসে অতীতের একটা সূক্ষ্ম ধাঁচ রেখেছি । এটা বোধহয় আমার মন চেয়েছিল অবচেতন মনে একটা ইন্দ্রজালের তৈরি করতে । তাই অতীতের রাজত্ব গেড়েছে । কিন্তু এই উপন্যাসটি আমার অতীত, বর্তমান সবকিছুকে সঙ্গে নিয়ে ভবিষ্যতের সাথেও বন্ধুত্ব গড়বে । কথা দিলাম । ভালোবাসার প্রমিস! ঠিক আছে না?

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)