

Buy জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল Online in Bangladesh
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
- Author: হুমায়ূন আহমেদ
- Publisher: অনন্যা
- Isbn: 9844125995
- Number Of Pages: 79
- Language: বাংলা
- Edition: 9th Printed, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথাঅত্যন্ত আশ্চর্যের ব্যাপার জীবনকৃষ্ণ মোমোরিয়াল স্কুলে আজ শিক্ষকদের বেতন হচ্ছে। তাও ভাঙ্গা বেতন না। পুরো বেতন। পুরো ব্যাপারটা শিক্ষকদের কাছে অপ্রত্যাশিত। বেতন হবে, এই সম্পর্কে হেড স্যার আগে কিছু বলেন নি। কোন আদায় পত্রও হয়নি। টাকাটা পাওয়া গেল কোথায়? কেউ এ সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন করছে না। বেতন হচ্ছে এটাই বড় কথা কোত্থেকে হচ্ছে, কি ভাবে হচ্ছে সেটা বড় কথা না। জানতে না চাওয়াই ভাল। শিক্ষকরা হেড সারের ঘরে ঢুকছেন, রেভিনিয়্যু ষ্ট্যাম্পে সই করে বেতন নিচ্ছেন।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
অসাধারণ ❤️
অসাধারণ বই,, কোয়ালিটি অনেক ভালো 💥💥💯💯
'জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল' নামটা বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছিলো। অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম পড়বো। কিন্তু পড়া হয়ে উঠছিলো না কেন যেনো। অন্যান্য বই টই পড়ে ফেলছি এটি আর পড়ে হচ্ছে না। তো আজকে পড়েই ফেললাম। আমার অত্যন্ত প্রিয় উপন্যাস তেতুল বনে জোছনার মতো গ্রামীণ পটভূমিতে লেখা। অনেকদিন পর এরকম একটা বই পড়লাম মনে হলো। বেশ ভালো লাগলো আমার। বিরাটনগরের মতো একটা পল্লি গ্রাম। গ্রামের চেয়ারম্যান বিত্তবান টাইম মানুষদের বাড়িতে দাওয়াত টাওয়াতও আছে। খানাপিনার প্রচুর আয়োজন। উপন্যাসটা একটা স্কুলকে এবং স্কুলের শিক্ষক, ছাত্রদের কেন্দ্র করে সেটা নাম দেখেই বুঝতে পারছেন। জীবনকৃষ্ণ নামে এক সজ্জন ব্যক্তি স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তাই তার নামেই নাম। একসময় স্কুলটি ধ্বংস হতে নেয়। পাশাপাশি একটা নামি দামি স্কুলও খোলে। জীবনকৃষ স্কুলের অনেক শিক্ষকই সেই স্কুলে চলে যেতে থাকে। অনেক ছাত্রও চলে যায়। কিন্তু জীবনকৃষ্ণ স্কুলের হেডস্যার ফজলুল করিমের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত স্কুলটি আবার উঠে দাঁড়ায়। আবার আগের মতো নামডাক হতে থাকে। এসব নিয়েই গল্প। এক ধরনের পড়তে পড়তে অনেক সময় বোরিং লাগে। তখন 'জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল' উপন্যাসটা পড়ে ফেলতে পারেন। আশা করছি খারাপ লাগবে না।
অসম্ভব সুন্দর একটি বই!

জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল স্কুল হুমায়ূন আহমেদ প্রকাশনী : অনন্যা পৃষ্ঠাসংখ্যা : ৭৯ মলাট মূল্য : ১৫০/= অল্প আয়তনের বইটি একবসাতেই পড়ে শেষ করা যায়।গল্পটি নীলগঞ্জ নামক ছোট্ট একটি গ্রামের বহুবছরের পুরোনো একটি স্কুলকে নিয়ে। এই স্কুল বিগত বছরগুলোতে একাধিক কৃতি ছাত্র তৈরি করেছে।বর্তমানে স্কুলটির অবস্থা ঢাল তলোয়ারবিহীন নিধিরাম সরকারের মতোন।এই স্কুলের অল্প ক'জন শিক্ষক আছেন যারা ঠিকমতো বেতন অবধি পান না।তবুও কেনো যেনো তারা রয়ে গেছেন।এমনকি ভালো কোনো শিক্ষকও স্কুলটিতে বেশিদিন টেকেন না। স্কুলের একমাত্র দপ্তরি হরিপদ। ধুকে ধুকে স্কুলটি যা-ও চলছিলো এলাকার প্রতিপত্তিসম্পন্ন মন্ত্রী মহাশয় নিজের মায়ের মৃত্যুদিবসে নতুন একটি স্কুল স্থাপনের পর নতুন ঝা-চকচকে দালান এবং সুন্দর স্কুলে দলে দলে চলে যেতে থাকে ছাত্র আর সাথে জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল স্কুলের শিক্ষকেরা। পড়ে থাকে জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল স্কুলের কঙ্কাল এবং স্কুলঅন্তপ্রাণ হেডমাস্টার ফজলুল করিম সাহেব।নিয়তির বিরুদ্ধে স্বপ্নকে বাচাতে লড়ে যাওয়া একা সৈনিকের গল্প 'জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল'। হুমায়ূন আহমেদ স্যার বইএর শেষে কোন এক অদ্ভূত কারণে পাঠককে হ্যাপি এন্ডিং এর মুখ দেখান না।দুরুদুরু বুকে বইটা পড়ছিলাম কেননা বারবার মনে হচ্ছিলো প্রয়োজনে গল্প মাঝপথে শেষ হয়ে যাক তবু যেনো ফজলুল করিমের পরাজিত মুখ দেখতে না হয়। শুরু থেকেই মনে হচ্ছিলো অথবা খুব করে চাইছিলাম কোনো এক সুন্দর ভোরে নীলগঞ্জের পোস্টম্যান জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল স্কুলের হেডমাস্টারের জন্য একখাম আনন্দ নিয়ে আসুক আর স্কুলটি আবার প্রাণ ফিরে পাক। ভালো লাগার মতো একটি বই।


























