

Buy ইমাম Online in Bangladesh
লেখক: লতিফুল ইসলাম শিবলী
- Author: লতিফুল ইসলাম শিবলী
- Publisher: কেন্দ্রবিন্দু
- Isbn: 9789849782841
- Number Of Pages: 160
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
গভীর অন্ধকার রাতে সাগরে ডুবে মরার সময় বাঁচার জন্য একটা প্রমিজ করেছিলো তুমুল জনপ্রিয় এক রকস্টার।বেঁচে গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সেই মুহূর্ত থেকে বদলে যায় তার জীবন, নিজেকে তার মৃত মনে হয়।সে জানে না, এখন কীভাবে রক্ষা করবে তার প্রতিজ্ঞা। সেটা জানার জন্য সে পথে নামে।পথ খোঁজার জন্য যারা পথে নামে, তারা আসলে পথ তৈরি করে। আর বাকিরা সেটা অনুসরণ করে। তাই মানবজাতির শ্রেষ্ঠ পাঠশালার নাম— ভ্রমণ।ভ্রমণের মধ্যেই সে খুঁজে পায় একজন ইমামকে। তিনি তাকে জানিয়েছিলেন কীভাবে পূরণ করতে হয় প্রতিজ্ঞা।আর জানিয়েছিলেন—ভঙ্গুর জীবনে বিচ্ছেদই সত্য।The fiction based on fact.
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

পারপাস অফ লাইফ ! চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছেন, জীবনের উদ্দেশ্য কি হওয়া উচিত। মানুষের কল্যাণে নিজেকে ব্যায় করা, মানব জাতির কল্যাণ সাধনই জীবনের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। কিভাবে হওয়া যায়, যেমনঃ আমরা নিজে অনেকের কাছে প্রভাব create করতে পারি, সেটা অর্থের মাধ্যমে, জ্ঞানের মাধ্যমে, কথার মাদ্যমে কোন না কোন গুন আমাদের মাঝে আছে যা দিয়ে আমরা সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারি। সার্ভৈমত্বের মালিক একমাত্র আল্লাহ। পারপাস অফ লাইফ বুঝার জন্য এই বইটি সেরা।

ইসলামিক উপন্যাস পড়তে ভালোই লাগে। আর উপন্যাস যদি লতিফুল ইসলাম শিবলী ভাইয়ের লেখা হয় তাহলে তো বলার বাহিরে। তবে বইটার কিছু স্থানে তথ্যের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ একটু দীর্ঘ হওয়ার কারণে সেসব স্থান পড়ার সময় একঘেয়েমি মনেহয়।
. ❝তোমার মুগ্ধতার কারণ যে- সে আমি নই, আমি নই। আমি সে নগণ্য আয়না, যার মধ্যে তুমি দেখো তাঁর সৌন্দর্যের প্রতিবিম্ব। ❞ বিশ্ববরেণ্য রকস্টার রুমি। অস্কারের জন্য নমিনেটেড হওয়ার আনন্দে মেতে ওঠে তাঁর ভক্তদের নিয়ে। সে রাতেই সে প্রায় পৌঁছে গেছিলো মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে। তবে শেষ মুহূর্তে রবের সাথে একটা চুক্তি করে বসে সে। এবং আবারো ফিরে আসে সমুদ্রপৃষ্ঠে। তবে এবার ধরিত্রীর বুকে ফিরে আসে এক নতুন মানুষ। সে নিজেকে মৃত মনে করে। হুট করে সে বেরিয়ে পড়ে নিজের পথের খোঁজে। যে পথে গেলে সে তার চুক্তি পূরণ করতে পারবে। এরপর শুরু হয় তার সংগ্রাম। পৃথিবীতে আসার কারণ, নিজের অস্তিত্ব, কী তার লক্ষ্য, কোথায় তাঁর গন্তব্য এসব প্রশ্নের জবাব পেতে জীবনের পথে অবিরাম ছুটতে থাকে রুমি। এক পর্যায়ে সে খোঁজ পায় ইমাম বিলালের। “ইমাম বিলাল"যে নামটি তার জীবনের এক অভাবনীয় মোড় ছিল। বাংলাদেশী রকস্টার রুমি পৌঁছে যায় আফ্রিকার মৌরিতানিয়ায়। এরপর নানান ঘটনার মধ্য দিয়ে যায় রুমি। জীবনের পথের বাঁকে ইমাম তার হাত ধরে রাখে এবং তাকে শিক্ষা দেয় পার্পাস অব লাইফ। নেতৃত্ব কাকে বলে, তার সাথে ইমামেরই বা কী সম্পর্ক? কে এই ইমাম? জানতে হলে “ইমাম " বইটি পড়তে হবে। ◼️ চরিত্রসমূহঃ রুমিঃ বিশ্ববিখ্যাত রকস্টার রুমি। সুরের সম্রাট। কামালঃ রুমির সেক্রেটারি। রুমি তাকে নিজ সন্তানের মতোই স্নেহ করেন। লেলনঃ রুমির একমাত্র ছেলে। ডিভোর্সের পর সে তার মায়ের সাথে ক্যালিফোর্নিয়া থাকে। ইমাম বিলালঃ রুমির গুরু, ইমাম বিলাল। দুবাইয়ে প্রত্যন্ত এক মসজিদের ইমাম তিনি। ঘটনাচক্রে ইমাম ও রুমি মুখোমুখি হন। বিলালের হাত ধরে রুমির পথচলা হয় শুরু। গুরু যেন জ্বলন্ত প্রদীপ , শিষ্য তাঁর থেকে ছড়িয়ে পড়া আলো। আব্দুর রহমানঃ মৌরিতানিয়ার এক রাখাল, বকরি চরিয়ে জীবিকানির্বাহ করে। ও অন্যান্য। . ◼️পাঠপ্রতিক্রিয়া: তৃপ্তির সাথে শেষ করলাম ইমাম-উপন্যাসটি। বইয়ের কিছু নির্দিষ্ট টপিক আমার ভালো লেগেছে। টপিকগুলো হলোঃ- ১। রাজনৈতিক বিষয়: উপন্যাসটিতে রাজনীতির অন্ধকার দিক গুলোতে আলোকপাত করা হয়েছে। সম্পদ ও ক্ষমতার লোভ মানুষকে পশুতে পরিণত করে। ২। নববী জীবনের দৃশ্যঃ নবীজি ﷺ তাঁর জীবনের বিশেষ একটি সময়ে এসে বিশেষ দায়িত্ব পেয়েছিলেন। দ্বীন প্রচারের স্বার্থে অনেক জুলুমের শিকার হয়েছিলেন। এমনকি দ্বীনের জন্য হিজরতও করেছিলেন। এই উপন্যাসের অনেক দৃশ্যই উক্ত ঘটনাগুলোর প্রতিচ্ছবির মতো। বিষয়গুলো খুব ভালো লেগেছে। ৩। গুরু শিষ্যের চমৎকার বন্ধনঃ রুমি ও তার উস্তাদের সুদৃঢ় বন্ধন, দারুণ আন্ডারস্ট্যান্ডিং, একে অপরের প্রতি নিখাঁদ ভালোবাসা। তাঁদের জুটিটা এত দারুণ। তাদের এ সম্পর্ক পাঠককে অভিভূত করার মতো। ৪। পুঁজিবাদের নোংরামিঃ আমাদের জীবন তো আরও সহজ হওয়ার কথা ছিলো। পুঁজিবাদী সমাজতন্ত্র আমাদের জীবনকে আরও জটিল ও কঠিন করে তুলেছে। ভোগ বিলাসিতার জীবাণু ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে আমাদের মস্তিষ্কে। রুমি ও ইমাম বিলাল এ ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করতে চায় দুনিয়াবাসীকে। ৫। প্রকৃত সুখ, সফলতাঃ রুমির জীবন থেকে উপলব্ধি করা যায় প্রকৃত সুখ কৃত্রিম সফলতার মাঝে নেই। প্রকৃত সুখ রয়েছে আখিরাতের সফলতার মাঝে। লতিফুল ইসলাম শীবলি-র লেখা এই প্রথম পড়লাম। লেখনশৈলী, গতিশীল ঘটনাপ্রবাহ, কুরআনের নানান আয়াত যথাযথ স্থানে বসিয়ে চমৎকার ভাবে মর্মার্থ তুলে ধরেছেন তিনি। তবে শেষদিকে মনে হলো ঘটনাগুলো যেন খুব দ্রুত এগিয়ে গেছে। শেষের টুইস্টটার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। জানিনা এর সিক্যুয়েল আসবে কি-না। তবে আমার মনে হয় ইমামের দ্বিতীয় কিস্তি আসা উচিত। উনি যেন এমন আরও অনেক সুন্দর উপন্যাস আমাদেরকে উপহার দিতে পারেন,লেখকের জন্য অনেক শুভকামনা ও দোআ রইলো৷ ◼️পছন্দের কিছু লাইনঃ ▪️ রুমি শিখে গেছেন কেমন বেপরোয়াভাবে আল্লাহর ওপর তায়াক্কুল বা নির্ভর করতে হয়। সেটা সেই শিশুর মতো, যার বাবা শিশুকে শূন্যে ছুড়ে দেয়, আর শিশু মজা পেয়ে খিলখিল করে হাসে। একটুও ভাবে না তার বাবার হাত ফসকালে তার কী পরিণতি হবে। ▪️দুনিয়ার জীবন হলো রোজা, ইফতার করার জন্য আছে আখেরাত। ◼️এক নজরে বইটি- বই: ইমাম লেখক: লতিফুল ইসলাম শিবলী পৃষ্ঠাসংখ্যা: ১৬০ মুদ্রিত মূল্য :৪০০৳ প্রকাশনায়: কেন্দ্রবিন্দু প্রথম প্রকাশ: ১লা ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ©️ Review by Fahmida Afrin
গ্রন্থ আলোচনা প্রশ্ন হলো কেন এক বছর পর বইটা পড়তে বসলাম! দেরিতে পড়তে বসার পর মনে হল যে কেন আমার এত দেরি হল! এই বইটা আরো আগেই করা উচিত ছিল। বই নিয়ে কথা বলছি"ইমাম " লতিফুল ইসলাম শিবলী এর বই ; যে বইয়ে বলা হয়েছে নেতৃত্ব হলো আমানত। "নেতৃত্ব হলো আমানত "-এই কথার জের ধরে যদি আমরা সামনে এগিয়ে যাই তাহলে দেখব উপন্যাসটিতে জীবনের নানান দিক তুলে ধরা হয়েছে। একজন আলোহীন মানুষ কিভাবে আলোর পথের ঠিকানা খুঁজে পায় , তাঁর পথচলা কখন স্বার্থক হয়ে উঠে। একজন মানুষ সময়ের সাথে সাথে এবং বয়সের সাথে সাথে চিন্তাভাবনা আচার-আচরণ এর সব কিছুই বদলে যায়। এই উপন্যাসটি হল ফিরে আসার গল্প। এই ফিরে আসা কার কাছে? সমাজ সভ্যতা? প্রেমিকা? নাকি যিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর কাছে? এই ফেরার পথটা কতটা সহজ কিংবা কতটা কঠিন কিংবা আদৌ তা লক্ষ্যে পৌঁছে দেয় কিনা ,সে পথের কতটুকু করুণাধারায় সিক্ত তা জানতে পড়তে হবে বইটি। একটা মানুষ তার জীবন জীবনের একটা পর্যায় পর্যন্ত আনন্দ ফুর্তি ,অবৈধ সম্পর্ক গড়েছেন। মহান আল্লাহ যে সীমারেখা দিয়েছেন সেই সীমালংঘন করে যে ধরনের খারাপ কাজ আছে সবই করেছেন তারপরেও জীবনের এক পর্যায়ে গিয়ে তিনি জীবনের লক্ষ্য খুজে পেয়েছেন। সফলতা সেটাই যেটা মানুষকে আল্লাহর কাছে পৌঁছে দেয়। আখিরাতকে সাথে নিয়ে দুনিয়ার পথ চলতে হয়। শুরুতেই উপন্যাসের নায়ক রুমি তিনি দুনিয়ায় পথ চলেছেন আর দশটা মানুষের মত। একটা সময় পর যখন তিনি জীবনের লক্ষ্য খুঁজে পেলেন এবং বুঝতে পারলেন তার জীবনে ঘটে যাওয়া কোন বিষয়ই কাকতালীয় নয়। তারপর তিনি ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলেন এক ভিন্ন জগতে। নিজেকে সবকিছু থেকে আড়াল করে উপলব্ধি করলেন অল্প চাহিদার মধ্যেই জীবনের শান্তি নিহত। একই সাথে দেখলেন মানুষের ভেতরকার যে নানান ধরনের অস্থিরতা বিরজামান , সে অস্থিরতার একটা স্বরূপ তিনি এঁকেছেন। আর সেই অস্থিরতার সমাধানও তিনি এনেছেন যেটা আমাদের পবিত্র কোরআনেই আছে। মানুষের মনের ভেতর যে ধরনের প্রশ্নগুলো আসা যাওয়া করে অনেক অনেক প্রশ্নের সমাধান এই বইতে এসেছে। সফলতার একদম শীর্ষে পৌঁছেও আনন্দ কেমন ম্লান হয়ে যেতে পারে তার। বইটিতে একই সাথে চমৎকার একই সাথে সমুদ্র জীবনের দুটো অংশ যেন তুলে ধরা হয়েছে পাশাপাশি। চমৎকার বর্ণনা কৌশল যেন আমি ওখানে অবস্থান করছি। এটা আমার খুব ভালো লেগেছে। মানুষের অন্তর বরাবরই অশান্ত। এই অশান্ত আত্মাকে কখন কীভাবে শান্ত করতে হয় ,কী উপায়ে তার একটা দিকনির্দেশনা রয়েছে এখানে। এমনকি এখানে চল্লিশ বছরের তাৎপর্যটাও খুব সুন্দর ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।বই থেকে উল্লেখ করার মতো অনেক লাইন রয়েছে ; তার ভেতর দুই একটা উল্লেখ করছি। "চোখে দেখা যায় বলে মূর্তি মতবাদ সামাজিক রীতিনীতি সিস্টেমকে তাগত কুফর হিসেবে চিহ্নিত করা সহজ কিন্তু সমস্ত সীমালংঘন এবং কুফরির পেছনে লুকিয়ে থাকা নফস নামক গোপন ও বিপজ্জনক হয়ে চিহ্নিত করা কঠিন যা কিনা মানুষের প্রিয়তম শত্রু। " "জনপ্রিয়তা যেমন আমানত নেতৃত্ব তেমনি আমানত যে নেতা তার জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্ব ইনসাফের জন্য ব্যয় করে না তার জীবন ব্যর্থ জীবন।" মৌরতানিয়ার গভীর এক জীবন সম্পর্কে উপন্যাসে বলা হয়েছে। মনে হয়েছে লেখক মৌরতানিয়ার আকাশে বাতাসে থেকেছেন, মিশেছেন বালুর সাথে , উপলব্ধি করেছেন মরুময় জীবন আর রাখাল জীবনের বাস্তবতা। এ উপন্যাসে জীবনের অনেকগুলো দিক নিয়ে একই সাথে তুলনা করা হয়েছে। প্রত্যেকটা বিষয় অত্যন্ত গভীর। আসলে বিষয়গুলো এত বেশি বড় যে আলাদা আলাদা করে আরো কয়েকটি উপন্যাস তৈরি করা যাবে তবে হ্যাঁ লেখক তাঁর লেখার দক্ষতা ও কলাকৌশল দিয়ে সবগুলো বিষয়কে খুব সুন্দর করে বিশ্লেষণ করে জীবনের সাথে মিলিয়ে উপস্থাপন করেছেন। এ পৃথিবীতে অনেক মানুষই আছে যারা জীবনের দিক খুঁজে পাচ্ছে না। দিশেহারা অবস্থা। লেখক এখানে কোরআনের আশ্রয় নিয়ে জীবনের পথ দেখানোর চেষ্টা করেছেন এবং নিপুণ কৌশলে পরিসমাপ্তি টেনেছেন। লেখকের এই বইটি আমার চিন্তাভাবনার সাথে মিলে যাই। লেখক যখন পাঠককে তার লেখার সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারে তখন সেই লেখাকে স্বার্থক বলা যেতে পারে। আর এই যোগাযোগ এর জন্য বইটি আমার খুব ভালো লেগেছে। তবে হ্যাঁ একটা মানুষের হৃদয়ের গভীর উপলব্ধি ও ভালোবাসা না এলে এ ধরনের লেখাটা লেখা আসলে কঠিন। আল্লাহ ,নবী ও রাসূল (সা:) এর প্রতি ভেতর থেকে উপলব্ধি এলেই তবেই এই ধরনের লেখা সম্ভব। অনেক বিষয় থাকে অনুভূত করার মতো। চমৎকার শাগর ও মরুভূমির বর্ণনা বর্ণিত করতে মুন্সীয়ানার পরিভয় দিয়েছেন। যাইহোক , জীবনের সব রহস্যের সমাধান হয় না কিন্তু উপন্যাসে যেভাবে জীবনটাকে তুলে ধরেছেন কিংবা দেখাতে সক্ষম হয়েছে তাতে রুমি জীবনের "পারপাস অফ লাইফ" বুঝে গেছে। আর সেই লক্ষ্যেকে সামনে রেখে এগিয়ে চলেছে। তবে উপন্যাসের শেষ দিকটাই বেশ তাড়াহুড়ো লেগেছে এবং রুমির স্ত্রীর কথা আরেকটু বর্ণনার দরকার ছিল মনে করি। যাই হোক যারা আল্লাহ ও রাসূলকে ভালবাসেন পৃথিবীর সবকিছুই তো আল্লাহ ও রাসূলকে ভালোবেসে। আমাদের কথা কাজ হাসি কান্না আমাদের সবকিছুই আল্লাহর জন্য। তাইতো বলা যায় জনপ্রিয়তার মত নেতৃত্ব আমানত। যে আমানত সাথে নিয়ে একজন ইমাম ছুটে চলেছেন মহান রবের সান্নিধ্যে! রুবাইদা গুলশান

লেখক লতিলফুল ইসলাম শিবলী’র বইয়ের সাথে বেশি দিন হয়নি পরিচিত হয়ছি। রকমারিতে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে তাঁর বই সামনে আসে। আমার অভ্যাস বইয়ে পাতা উল্টিয়ে দুয়েক পাতা পড়া লেখক/প্রকাশকের কোন সারসংক্ষেপ থাকলে তাও পড়ে দেখা। এমন ঘাটাঘটিতে দু’তিনটি বই সংগ্রহ করি। প্রথমগুলো পড়া শেষ করে আবার রকমারির দ্বারস্ত হই। আসলে লেখকের বইগুলো এক কথায় অনন্য। তিনি যে বিষয়গুলো নিয়ে লেখেন তা যদি তিনি বিশ্বাস করেন তাহলে বলতে হবে তিনি একজন স্বাচ্চা মুসলমান। যাই হোক সর্বশেষ ইমাম পড়েছি। বর্তমানে ওনার ফ্রন্টলাইন পাঠরত আছি। ইমাম বইখানা একটি প্রভাবিত করার মত বই। বইয়ের পুরো প্লট ভালো লেগেছে। ভালো লেগেছে কুরআন হাদিসের রেফারেন্সগুলোও। একটি মানুষের জীবন চলার গতিধারা আমূল পরিবর্তনের জন্য এমন বই যথেষ্ট মনে করি। লেখা সাহিত্য মানে আমি চমৎকৃত হয়েছি। একজন রক সঙ্গীতজ্ঞ হয়েও তার ইসলামি জ্ঞানের পরিধি এবং ভাবনা কতটা ইসলাম ভাবাপন্ন হওয়া যায় তা লেখক লতিফুল ইসলাম শিবলী’র বই না পড়লে জানতে পারতাম না। লেখককে ধন্যবাদ ও দোয়া।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
can I have e-book
Dear Customer, Sorry, the e-book version of the book is not out yet. Thanks for your question.
hard or paper?
Dear customer, this book is hardcover. Thanks for your question.
koto page
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৬০। ধন্যবাদ।
can I have e-book
Dear Customer, Sorry, the e-book version of the book is not out yet. Thanks for your question.






















