

Buy হিমুর রূপালী রাত্রি Online in Bangladesh
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
- Author: হুমায়ূন আহমেদ
- Publisher: জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
- Isbn: 9848485058
- Number Of Pages: 142
- Language: বাংলা
- Edition: 14th Published, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ফ্ল্যাল্পে লিখা কথা বাবা আমার নাম রেখেছিলাম হিমালয়, হিমালয় থেকে হিমু। দুই অক্ষরের ছোট্ট একটা নাম। নামের মধ্যেই ঠান্ডা ভাব। বাবা বলেছিলেন, হিমালয় শোন, তুই পথে পথে হাঁটবি। তোর কাজ হলো শহর দেখা। আমি অবাক হয়ে বলেছিলাম, শহরে দেখার কি আছে? ইটের দালন। তিনি অত্যান্ত বিরক্ত হয়ে বলেছিলাম, যে দেখতে পারে সে ইটের দালানেও অনেক কিছু দেখতে পারে। যে দেখতে পারে না তাকে এই পৃথিবীর সবচে সুন্দর দৃশ্যের সামনে দাঁড় করিয়ে দিলেও সে কিছু দেখতে পারে না। তুই শহরের পথে পথে হাঁটবি, রাতে হাঁটবি। অন্ধকারে শহর দেখার মজাই অন্য রকম। বাবার উপদেশ মেনে আমি প্রায়ই অন্ধকারে শহর দেখতে বের হই। যে রাতে ব্ল্যাক আউট হয়। শহর ঘন অন্ধকারে ডুব যায়, আমি হলুদ চাদর গায়ে পথে নামি। মনে মনে বলি, হে অন্ধকার নগরী! তুমি দেখাও দাও। নগরী দেখা দেয় না। আমি অপেক্ষা করি।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
one in a million
awesome
I read this book a while ago and the ending of this one, as always, left me feeling very restless. I don't know how Humayun Ahmed does this. Of the numerous writers I have read, the ending of his books make them worth the read. Very simple, unusual and good. © Sababa
কথায় আছে কির্তিমানের মৃত্যু নেই, তেমনি হুমায়ূন আহমেদ স্যার ও আমাদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকবে শুধুমাত্র তাঁর কর্মের মাধ্যমে। আমরা গর্বিত যে আমাদের একজন হুমায়ূন আহমেদ আছে। তাঁর সব বইএর মত “হিমুর রূপালী রাত্রি” ও একটা অনন্য সৃষ্টি। হিমুর মাধ্যমে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন মানুষের হৃদয়ে।
বইয়ের নামঃহিমুর রুপালি রাত্রি লেখকঃহুমায়ূন আহমেদ মূল্যঃ ১৯১ টাকা ................................... হিমু আর তামান্নার বিবাহের কার্ডটা সুন্দর।ধবধবে সাদা কার্ডে রূপালি লেখা। জ্যোৎস্না জ্যোৎস্না ভাব। বিয়ের তারিখও পড়েছে পূর্ণিমা রাতে। রূপা হাসলো। এম্নিতে সে খুব কম হাসে।ছোটবেলায় কেউ বোধহয় তাকে বলেছিলো কম হাসতে। তাকে বিষন্ন অবস্থায় দেখতে ভাল লাগে। ব্যাপারটা তার মাথায় ঢুকে গেছে, সে জন্যেই সারাক্ষণ বিষন্ন থাকে। এই নিয়ে সে হাসলো চারবার, পঞ্চমবার হাসলেই ম্যাজিক নাম্বার পূর্ণ হবে। তখন আমাকেই চলে যেতে হবে।---”হাসছ কেন রূপা?----তুমি বদলে যাচ্ছ এই জন্যে হাসছি। মানুষকে আগে তুমি ধোঁকা দিতেনা এখন দিচ্ছ।---কাকে ধোঁকা দিচ্ছি? তামান্না নামের মেয়েটাকে দিচ্ছ।বিয়ের রাতে সবাই উপস্থিত হবে শুধু তুমি হবেনা।তুমি জ্যোৎস্না দেখতে জংগলে চলে যাবে।মেয়েটার কি হবে ভেবেছ কখনো?===গাজীপুর জংগল শালবনে জ্যোৎস্না দেখতে ঢুকে গেলাম।/আমি ঘর ছাড়িয়া বাহির হইয়া জ্যোৎস্না ধরতে যাই।/হাত ভর্তি চাঁদের আলো, ধরতে গেলে নাই।/তামান্নার হাত ধরা হলোনা আর/কারণ হিমুরা কারো হাত ধরেনা।






















