

Buy ঘুম ভাঙছেই Online in Bangladesh
লেখক: রুদ্র গোস্বামী
- Author: রুদ্র গোস্বামী
- Publisher: অনিন্দ্য প্রকাশ
- Isbn: 9789845263719
- Number Of Pages: 128
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2020
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"ঘুম ভাঙছেই" বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা: "নীচে ডোরবেল বাজে। আভিজাত্যা সিঁড়ির দিকে এগোয়। গ্রিলের তালা খুলতে যায়। অভিমিত্রা রায়ুষের হাঁটুর উপরে পা রাখে। আদর না অধিকারে জানে না। কপালে, নাকের ডগায় ঘাম। ঠোঁটে হাসি। পায়ের আঙুলে ম্যাজেন্টা নেলপলিশ। রায়ুষ কেঁপে ওঠে। হাজার ওয়াটের ঝটকা লাগে শরীরে। জিন্সের উপর থেকেও অভিমিত্রার পায়ের স্পর্শ অনুভব করে। এমন শিহরণ আগে কখনও অনুভব করেনি রায়ুষ। কারো ছোঁয়ায় এমন নেশা অনুভব করেনি। হাতের রিষ্টব্যান্ড খোলে রায়ুষ। অভিমিত্রার পায়ে পরিয়ে দেয়। জোরে শ্বাস নেয় অভিমিত্রা। চোখ বন্ধ করে। রায়ুষ ওর পায়ের আঙুলে হাত রাখে। সামনে ঝুঁকে পায়ের পাতায় চুমু খায়। পা টেনে নেয় অভিমিত্রা রায়ুষের হাঁটুতে চড় বসায়। চেয়ার থেকে তুলে সিঁড়ির দিকে টেনে নিয়ে যায়। সিঁড়িতে নেমে কলার ধরে রায়ুষের। দেয়ালে ঠেসে ঠোঁটে ঠোঁট গেঁথে দেয়। একদিকে দেয়াল। একদিকে সিঁড়ির হাতল। সিঁড়ির হা করা দরজায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে এলইডির আলো। সিঁড়িতে দুজন মানুষ। দুজনের শরীরে স্রোত, দুজনের শরীরে নেশা। দেয়াল ছেড়ে ঘুরে দাঁড়ায় রায়ুষ। নিজের ঠোঁটের ফাঁকে অভিমিত্রার ঠোঁট ডুবিয়ে নেয়। অভিমিত্রা আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরে, নিজের মধ্যে রায়ুষকে গেঁথে নিতে চায়। দুজনের বুকের ভিতরে পাখি ওড়ে, দুজনের বুকের ভিতরে ফুল ফোটে। চুমু খেতে খেতে দুজন মদ হতে থাকে। সিঁড়িতে পায়ের শব্দ গাঢ় হয় ..." ... রুদ্র গোস্বামী।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

"বিছানার একটা নিজস্বতা আছে, নিজস্ব পছন্দ আছে। প্রথম দিনই বিছানা কাউকে সুখ অথবা আরাম দিতে পারে না। মানুষের শরীরের গন্ধ যখন তার ভালো লাগতে শুরু করে, মানুষের সঙ্গ যখন তার অভ্যাস হয়ে যায়, তখনি বিছানার সুখ হয়। তখনি বিছানা মানুষকে সুখ দিতে পারে। ভালোবাসাটাও ঠিক অনেকটা বিছানার মতো প্রথম দিন অথবা প্রথম দেখাতেই মানুষকে সুখ দিতে পারে না মানুষকে বারবার তার কাছে যেতে হয়। নিজের বুকের ভালো গন্ধটুকু ভালোবাসাকে দিতে হয়। এই উপন্যাসে সাতটি মুখ্য চরিত্র যাদের টিম বিহান বলা হয়। টিম বিহান মানে, রায়ুষ, সোহম, অভিন, অভিমিত্রা, সারা, রেনিসা, আভিজাত্যা, যারা প্রতিবাদী গান গায়। "একসঙ্গে থাকার জন্য শুধুমাত্র একটা জন্ম চায় রেনিসা তার প্রেমিক অভিনের কাছ থেকে। অভিন সাড়া দিতে পারেনা রেনিসার ডাকে। যে রেনিসাকে সাতজন্ম দিতে পারে, তাকে কেন ফিরিয়ে দিচ্ছে অভিন। "সোহম যখনই ফোন করে তখনি সারাকে না পেলে পাগল হয়ে যায়। ওকে মরে যেতে বলে। আসলে সারাকে মরে যেতে বলে না নিজে টেনশনে মরে যায়। নরম মনে টান লাগে সারার। সোহমকে টেক্সট করে'স্নানে' জবাব আসে ' মরে যা'। সোহমের আদর শরীরে মেখে, কেমন লাগছে সারা কে? "অভিমিত্রা কাঁদছে তার নারীত্বের প্রথম শিহরণ পেয়ে। অভিমিত্রার আইডল ওর বাবা। অভিমিত্রা মনে করত পৃথিবীর সব কঠিন কাজ গুলোই বাবারা করতে পারেন। আর বাবার মতোন পোশাকে বড় হতে হতে কখন যেন সেই প্রথম কিশোরী হওয়া মেয়েটি হারিয়ে গেছে। সেই মেয়েটির জন্য আজ অভিমিত্রার বাঁধ ভাঙা চোখের জল। আদিম অরণ্যানী জাগিয়ে দিয়েছে অভিমিত্রার নারীত্বের শিহরণ।অভিমিত্রার শরীরে ভালোবাসার জোয়ার। অভিমিত্রা জানেনা রায়ুষ অপটু তুলির আঁকা আঁচড়ে সে টিপ পড়া, চুল এলিয়ে দেওয়া একজন নারী। "আমাদের চারপাশে যে বনের থেকেও হিংস্র পশুরা বসবাস করে। শুধু তারা মানুষের পোশাক পরে ঘুরে বেড়ায় আভিজাত্যার অপহরণ তা প্রমাণ করে দিল। গুটিকয়েক এইসব পুরুষেরা নারীর পোশাক খুলে প্রমাণ করে দেয় এখনও নারী তুমি একটুকরো মাংস্য খণ্ড। বাকী অংশটুকু আপনি পড়তে চান? আর দেরি না করে আজই পড়া শুরু করে দেন? একটা অসাধারণ উপন্যাস পড়লাম। লেখকের কলমে আরও আরও পড়তে চাই ভালো থাকুন সাহিত্যিক রুদ্র গোস্বামী।
ei write er boi guol khube valo
লেখার হাত ভালো
Ghum






















