ঘর কিংবা ঘোর
বই কালেকশন

Buy ঘর কিংবা ঘোর Online in Bangladesh

লেখক: তকিব তৌফিক

4.89
(18 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: তকিব তৌফিক
  • Publisher: অন্যপ্রকাশ
  • Isbn: 9789849891000
  • Number Of Pages: 136
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2024
৳ 349৳ 40013% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

'ঘর কিংবা ঘোর' উপন্যাসের সাথে আমার যে মধুর সম্পর্ক সেই কথা'ই শুরুতে বলছি। যেভাবে শব্দের সাথে শব্দ মিলে বেড়ে উঠেছে আমার এই উপন্যাস, ঠিক তেমন সময় মাতৃগর্ভে বেড়ে উঠছে আমার অনাগত সন্তান। এই ভেবে আমি ভীষণ শান্তি পাই। বই এবং সন্তান দুজনের পূর্ণতার দীর্ঘ অপেক্ষায় হৃদয়ের যে ব্যাকুলতা তা আটকে রাখা কঠিন। আমি সেই কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। সময়টা দীর্ঘ।এই দীর্ঘতম সময়ে আমাকে আশ্বস্ত করে আমার সহধর্মিণী মারজান চৌধুরী। কিন্তু তার এই মুহূর্তটা আরও চ্যালেঞ্জিং এবং ধৈর্যের। আমি তা দেখি, অনুপ্রাণিত হতে থাকি। বই এবং সন্তান নিয়ে তার সাথে কথা বলি। এইবার বইয়ের কথায় ফিরে আসা যাক। 'ঘর কিংবা ঘোর' সামাজিক ঘরানার উপন্যাস। এই উপন্যাসে রয়েছে ব্যক্তি জীবনের নানান বিসর্জনের কথা, কলহ বিজড়িত পরিস্থিতির কথা, রয়েছে সুবিধাভোগীর পাতানো ফাঁদের কথা। এই উপন্যাসে উঠে এসেছে প্রেমের উত্থান-পতনের কথা। আমার বিশ্বাস এই উপন্যাসের গল্প পাঠকদের হৃদয়কে স্পর্শ করবে।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.89
(18 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
94%
4
0%
3
6%
2
0%
1
0%
nishat tasnim
nishat tasnim ভেরিফাইড
27 Jun 2024

Overwhelming!

Jubayda Khanam
Jubayda Khanam ভেরিফাইড
25 Mar 2024

ঘর কিংবা ঘোর ❤️

ইয়াসির আল সাইফ
ইয়াসির আল সাইফ ভেরিফাইড
16 Mar 2024

ঝরা ফুলে ছেয়ে দিতে ইচ্ছে করে তোমার নরম রাঙ্গা দেহ, মনভোলানো কাজল চোখে চোখ রেখে যদি বলি, 'আমায় ভালোবাসে নি কেহ,' তুমি বিশ্বাস করবে? নাকি আমার এ কথা শুনে অট্টহাসি হাসবে? 'ঘর কিংবা ঘোর' উপন্যাসের মূল কাহিনী কালাম সাহেব ও তার মধ্যবিত্ত পরিবারের বাকি সদস্যদের নিয়ে। কালাম সাহেব যে সময়টায় ধারের টানাপোড়নে হিমশিম খাচ্ছেন, তখনই তাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন কালাম সাহেবের বন্ধু মোহনলাল বাবু। মোহনলাল বাবুর সম্প্রতি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন হয়েছে। মূল গল্পের সূত্রপাত এখান থেকেই, যেখানে কালাম সাহেব, স্ত্রী জাহানারা ও মোহনলাল বাবু হয়ে উঠেন মুখ্য চরিত্র। অপরদিকে, কালাম সাহেবের ছোট ছেলে কৈলাসকে নিয়েও একদিকের কাহিনী এগিয়ে গেছে। সদ্য লেখালেখির জগতে আসা ছেলেটি ব্যস্ত শহরে খুঁজছে কুসুমিতাকে। • পাঠ প্রতিক্রিয়া: অনুভূতি প্রকাশ করতে আমি বইটাকে দুই ভাগে ভাগ করবো। প্রথম ভাগ আমার কাছে স্লো লেগেছে। মোটামুটি বলা যায়। সেই তুলনায় দ্বিতীয় ভাগ ভালো। প্রথম ভাগ স্লো বলার কারণ, প্লট একই জায়গায় আটকে থাকা এবং যথাযথ 'ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট' না হওয়া। বইটার মুখবন্ধ অংশটুকু আগ্রহ জাগিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। এ অংশের বর্ণনা এমন যে প্রশ্ন জাগে, কোন চরিত্রের কথা বলা হচ্ছে আর কেন বলা হচ্ছে। কিন্তু প্রথম অধ্যায়ে যেভাবে বিলাসীকানন ও এখানকার মানুষদের বর্ণনা দেয়া হয়েছে, সেটাই পাঠকের আগ্রহে ভাঁটা দেয়। নিঃসন্দেহে আট পৃষ্ঠার সুন্দর বর্ণনা, কিন্তু পাঠকের কাছে একঘেয়ে করার জন্য যথেষ্ট। এখানে উপন্যাসের মূল কাহিনী শুরুর আগেই যেভাবে আলাদা করে চরিত্র পরিচিতি ঘটানো হয়েছে, সেটা লেখক গল্পের ভাজে ভাজে করলেও পারতেন। এবার আসি দ্বিতীয় ভাগে। প্রথম ভাগে গল্প কালাম সাহেব, জাহানারা ও মোহনলাল বাবুর মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও, এই ভাগে অনেকগুলো চরিত্রের পরিচয় ও জীবনের একাংশ গল্প দেখতে পাওয়া যায়। যার মধ্যে কৈলাস, নসর আলি ও কুসুমিতাই প্রধান। যদিও কৈলাসের উপরই মূল ফোকাস ছিল, তবে আমার হৃদয় ছুঁয়েছে নসর আলির অতীত জেনে। লোকটাকে নিয়ে আরও জানতে ইচ্ছে করেছে, কিন্তু লেখক সে সুযোগ দেননি। কুসুমিতাকেও খুব বেশি যে জানতে পেরেছি এমন না। তার নিঃসঙ্গতার সাথে পরিচিত হতে হতেই গল্প অন্যদিকে ঘুরে গেলো। সে গল্প শেষ হলো কৈলাসকে দিয়ে। তবে এ অংশে উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র যেমন: মিতু, খসরু,বাবলু তাদের নিয়েও আরও লেখা যেতো। তাদের জীবনের উত্থান পতনের কথাও পাঠক জানতে পারতো। আমি উপন্যাসের যেই দুটো ভাগ করেছি সেখানে প্রথম ভাগের সীমাবদ্ধতা ছিলো অল্প প্লটের অধিক বর্ণনা, আর দ্বিতীয় অংশের সীমাবদ্ধতা ছিলো অধিক চরিত্র, কিন্তু অল্প বর্ণনা। তা সত্ত্বেও পাঠক হিসেবে চরিত্রগুলোর সাথে কানেক্ট করতে পেরেছি। কৈলাসের নিঃসঙ্গ প্রেমিক মন, কুসুমিতার অসহায়ত্ব, নসর আলির একাকীত্ব, জাহানারার পাপবোধ, আর কালাম সাহেবের মর্মান্তিক অবস্থা, সবটাই কমবেশ পাঠকের চোখে লেখক ধরিয়ে দিতে পেরেছেন। তাছাড়া লেখকের ঝুলিতে যে ভালোই শব্দ আছে তা বোঝা গেছে। বিশেষ করে জীবন ও ফিলোসফি কে জুড়ে দিতে দারুণ সব শব্দ ও বাক্যের ব্যবহার করেছেন। পাঠ প্রতিক্রিয়া শেষে পছন্দের বাক্যগুলো উল্লেখ করবো। উপন্যাসে উল্লিখিত কবিতাগুলোও মানসম্মত। লেখকের কবিমনের পরিচয় দেয় কিছুটা। • আমার পাঠ প্রতিক্রিয়া শেষ করছি দুটো ভুল/প্লটহোল, আর সাথে কিছু প্রশ্ন দিয়ে। ১. পৃষ্ঠা ৫২ তে কালাম সাহেব ফজরের নামাযের সাথে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন। কিন্তু ইসলামে ফজর ও আসরের পর নফল নামাজ পড়ায় নিষেদ আছে। কালাম সাহেবের চরিত্র বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তিনি যদি নামাজি ব্যক্তি হয়ে থাকেন তাহলে তার এ বিষয়টি জানা উচিৎ ছিলো। ২. কৈলাস কুসুমিতাকে খুঁজতে ফুলের দোকানে যাওয়ার কথা। কিন্তু বিষয়টা নিয়ে উপন্যাসে আর কিছু উল্লেখ নেই। • আরও যেসব প্রশ্ন জেগেছে- ১. জাহানারার পরিণতি কোনদিকে যাবে সেটা শুরুতেই অনেকটা বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছিল। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, জাহানারার এমন অন্যায়ের কারণ কি? শুধুই লোভ? তাও এ বয়সে? আর অন্যায়ের পরপরই সে অনুতপ্ত। যদিও শুরু থেকেই জাহানারার অভাববোধের একটা ইঙ্গিত ছিল, তাই লোভের বিষয়টা নাহয় মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু মোহনলাল বাবু? ২. মোহনলাল কেন তার এতো পুরনো বন্ধুর সাথে বিশ্বাস নিয়ে নোংরা খেলা করলো? ৩. মালতী কেন মারা গেলো? তার মৃত্যুর সাথে কি কালাম সাহেবের কোনো সম্পর্ক আছে? এসবের উত্তর ধোঁয়াশাই রয়ে গেছে। • পছন্দের বাক্য: • জীবন কখনো থেমে থাকেনা, হয়তো থেমে থেমে চলে। • 'মানুষ মানুষের উপকারে আসাটা হওয়া উচিত স্বাভাবিক দৃশ্য এবং বাধ্যবাধকতার বিষয়।' • ঋণের বোঝা কাঁধে থাকলে মানুষকে বয়সের চাইতে বেশি বয়স্ক দেখায়। মানুষের জীবনে ঋণ মানেই নিয়মিত দুশ্চিন্তার প্রবল ছাপ। • 'দেনাদার লুকিয়ে বেড়ালেও পাওনাদার টাকার গন্ধে ছুটে আসে।' • মানুষ বলে, স্বপ্ন দেখতে তো ক্ষতি নেই। কিন্তু মানুষের জানা উচিত স্বপ্ন দেখার মাঝেও সীমাবদ্ধতা থাকা কতটা জরুরী। মানুষ সবসময় তাঁর স্বপ্নের সমান বড় হয়ে উঠতে পারে না। তখন অব্যক্ত একটা গ্লানি মানুষকে কুরে কুরে খায়। • মানুষের বিলাসিতা অর্থের সাথে নয়, প্রকৃতির সাথে। প্রকৃতি থেকে বিলাসিতা খুঁজে নিতে জানলে অর্থের প্রয়োজন হয় না। • কান্নার ধর্মই এটা। অতি আঘাতে ঝড়ে পড়ে না, নিজেকে গোপন করে। আর ভিতরে কুরে কুরে খায়, বেদনা বাড়ায়। • কাছের মানুষের কাছে আশ্রয় চাইতে নেই, তারা একটা সময় ভেতরকার বিরক্তিটা কথার বুলিতে বমি করে দেয়। • মসজিদ বলো, মন্দির বলো, গির্জা কিংবা প্যাগোডা বলো, ও ঘরে তোমার যেতেই হবে। যেতে অপারগ হলে ঘরকেই তুমি তোমার মসজিদ বানাও কিংবা মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা। তোমাকে যে সৃষ্টি করেছে, তাঁর উদ্দেশ্যটা তোমার বুঝতে হবে। সব মিলিয়ে উপন্যাসটা মন্দ নয়। তবে সাধারণ মানুষের জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গল্পকে জুড়ে দেয়া এ উপন্যাসটা হতে পারতো আরও দারুন কিছু, আরও বেশি সম্ভাবনাময়। • ব্যাক্তিগত রেটিং: ৩.১৫/৫ • বই: ঘর কিংবা ঘোর • লেখক: তকিব তৌফিক • জনরা: সামাজিক উপন্যাস • প্রকাশনী: অন্যপ্রকাশ • প্রচ্ছদ: আনিসুজ্জামান সোহেল • পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৩৬ ~ ইয়াসির আল সাইফ

Tanjila
Tanjila ভেরিফাইড
06 Mar 2024

ঘর কিংবা ঘোর সমেত ❤️

প্রফুল্ল
প্রফুল্ল ভেরিফাইড
03 Mar 2024

কিছু সংলাপ ছুঁয়ে গেছে হৃদয়ে ভীষণ!

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)