ফাঁদ
বই কালেকশন

Buy ফাঁদ Online in Bangladesh

লেখক: আনিসুল হক

3.27
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: আনিসুল হক
  • Publisher: সময় প্রকাশন
  • Isbn: 9844581265
  • Number Of Pages: 104
  • Language: বাংলা
  • Edition: 4th Print, 2007
৳ 155৳ 18014% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথাদশতলার ছাদ থেকে পড়ে যাচ্ছে একজন লোক। একেক তলায় তার চোখের সামনে খুলে যাচ্ছে একেকটা জানালা, সে ঢুকে পড়ছে নতুন নতুন কাহিনী-কক্ষে: যাদুবাস্তবতায়। নিচে পড়ে গিয়ে লোকটা মরে যাবে, এটা অবধারিত। ট্রাজেডি! কিন্তু বর্তমান কাল কেড়ে নিয়েছে আমাদের ট্রাজেডির অধিকার। এ উপন্যাস এক কালো কমেডি, পরিহাসের ছলে জানিয়ে দিচ্ছে-ভালোবাসা, যৌনতা, দাম্পত্য, ঈর্ষা, দেশপ্রেম, অঙ্গীকার, বাৎসল্য, রাজনীতি-সব-কিছু কতো অর্থহীন, কতো হাস্যকর, কী দুর্বিষহ। মুমূর্ষর অকপট চোখে ধরা পড়েছে জীবনের সব ভণ্ডামো। বেরিয়ে পড়েছে আমাদের নগ্নতা। আনিসুল হক সব সময়ই অগতানুগতিক ও অভিনব; এ উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি রাখলেন বাংলা উপন্যাসে প্রাপ্তবয়স্কতা, প্রাপ্তনস্কতা ও পরিপক্বতার ছাপ। ঔপন্যাসিক যে অস্তিত্বের এক পরিব্রাজক-এ উপন্যাস তারই উদাহরণ।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

3.27
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
60%
4
40%
3
0%
2
0%
1
0%
Zahidul Bari
Zahidul Bari ভেরিফাইড
09 Feb 2022

What a nice bool!

Anas Hamza
Anas Hamza ভেরিফাইড
16 May 2021

জাদুবাস্তবতায় লেখা উপন্যাস, ভালো লেগেছে। এক ট্রেনভ্রমণে শেষ করেছি।

Ahnaf Atef
Ahnaf Atef ভেরিফাইড
24 Oct 2020

একদম বেতিক্রম বই . খুব বেশি বলা যাবে না খালি এইটুকু বলা যায় যে একজন মানুষ ১০ তালা থেকে লাফ দেই এবং লাফ দেয়ার সময় প্রত্যেক তালার রুম এ তাকানোর সাথে সাথে বিভিন্ন ঘটনা বর্ণিত হয় . তবে ১৮ বই . খুব সাবধান এই বেপারে .

murad
murad ভেরিফাইড
25 Oct 2017

ফাঁদ বইটির প্লটও অদ্ভুত রকমের সৃজনশীল। মধ্য চল্লিশের এক ভদ্রলোক, যার নাম “ম”, দশ তালা বাড়ির ছাদ থেকে পা পিছলে পড়ে যেতে থাকেন নীচে।মৃত্যুই তাঁর একমাত্র পরিণতি, কিন্তু পতনকালে দশ তালা বাড়ির একেকটি তালার পাশ দিয়ে যাবার সময় দশটি ভিন্ন ভিন্ন পরিবার বা ব্যক্তিকে ঘিরে যে চিন্তা ঘুরপাক খায়, এই নিয়ে একশ দুই পৃষ্ঠার এ বইটি।খুব অল্প কথায় দশটি ভিন্ন জীবনের মর্মবোধ ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। দশম তলায় আমরা পাই সুবিধাবাদী ব্যবসায়ী চরিত্র হাফিজ তালুকদারকে, ভোল পাল্টে যে কিনা সমাজের অধিপতি হয়ে দাঁড়ায়।রূপকার্থে স্বৈরাচারের বিরূদ্ধে শব্দের ঝলকানি দেখিয়ে লেখক আমাকে মুগ্ধ করেছেন, লেখকরা যে সমাজের হাস্যকর ও মর্মান্তিক রাজনৈতিক চরিত্রকে সাহসীভাবে ক্ষতবিক্ষত করে দিতে পারেন, এটা তার একটি নমুনা।নবম তলায় আমরা পাই চিত্রনায়িকা সুভদ্রাকে, কর্কটরোগ যার দেহের সুন্দরতম একটি অংশ ছিনিয়ে নিয়েছে। সমাজের সফল ব্যক্তিদের নিয়ে সাধারণেরা যে নোংরা আচরণ করে, লেখক রীতিমত কর্কশভাবে তার প্রতিবাদ করেছেন এখানে।সেলিব্রিটিদের আমরা পাবলিক প্রোপার্টি ভেবে যথেচ্ছাচার করি, একদিকে গালি দেই আরেক দিকে তাদের ভেবে স্বমেহন করি- লেখক এই হিপোক্রেসির গোড়ায় কুঠারাঘাত নয়, মূত্রত্যাগ করেছেন বলা চলে।অষ্টম তলার গল্প সুবোধকাকুর। দেশভাগের যন্ত্রনায় ক্লিষ্ট নিজ দেশে পরবাসী এক হিন্দু ভদ্রলোকের উপাখ্যান এটি, বিশ বছর পরেও যেটা আজও পাল্টায়নি।সপ্তম তলায় সাহিত্য সম্পাদক কবীর আসেমীর প্রতিবাদী জীবন, সিস্টেমের হিংস্র থাবায় তার নাজেহাল হওয়া, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন ও পলায়ন এবং সবশেষে আমেরিকার প্রবাসে মর্মন্তুদ জীবনযুদ্ধকথা ফুটে উঠেছে।

Sakif Taswar
Sakif Taswar ভেরিফাইড
22 Oct 2017

এইমাত্র শেষ করলাম প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের (যিনি "মা" বইটিরও লেখক) লেখা উপন্যাস "ফাঁদ"। বইটি উনিশশ সাতানব্বই সালে লেখা, আর আমি পড়লাম বিশ বছর পর। অনবদ্য, অনন্যসাধারণ এ বইটি বেশ কিছু কারণে আমার মনে দাগ কেটেছে। ব্যক্তি লেখকের ইমেজকে পাশ কাটিয়ে (কাজটা কষ্টসাধ্য) যথাসম্ভব নির্মোহভাবে চেষ্টা করছি আমার অনুভূতি প্রকাশ করতে। লেখক আনিসুল হকের সবচাইতে শক্তিশালী দিক হচ্ছে তাঁর ব্যতিক্রমী প্লট উদ্ভাবনের ক্ষমতা। "জেনারেল ও নারীরা" বইতে তিনি আরব্য রজনীর রাজকন্যার মুখে শুনিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের কথা, যেটি অভিনব ও চমকপ্রদ। ফাঁদ বইটির প্লটও অদ্ভুত রকমের সৃজনশীল। মধ্য চল্লিশের এক ভদ্রলোক, যার নাম "ম", দশ তালা বাড়ির ছাদ থেকে পা পিছলে পড়ে যেতে থাকেন নীচে। মৃত্যুই তাঁর একমাত্র পরিণতি, কিন্তু পতনকালে দশ তালা বাড়ির একেকটি তালার পাশ দিয়ে যাবার সময় দশটি ভিন্ন ভিন্ন পরিবার বা ব্যক্তিকে ঘিরে যে চিন্তা ঘুরপাক খায়, এই নিয়ে একশ দুই পৃষ্ঠার এ বইটি। খুব অল্প কথায় দশটি ভিন্ন জীবনের মর্মবোধ ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। দশম তলায় আমরা পাই সুবিধাবাদী ব্যবসায়ী চরিত্র হাফিজ তালুকদারকে, ভোল পাল্টে যে কিনা সমাজের অধিপতি হয়ে দাঁড়ায়। রূপকার্থে স্বৈরাচারের বিরূদ্ধে শব্দের ঝলকানি দেখিয়ে লেখক আমাকে মুগ্ধ করেছেন, লেখকরা যে সমাজের হাস্যকর ও মর্মান্তিক রাজনৈতিক চরিত্রকে সাহসীভাবে ক্ষতবিক্ষত করে দিতে পারেন, এটা তার একটি নমুনা। নবম তলায় আমরা পাই চিত্রনায়িকা সুভদ্রাকে, কর্কটরোগ যার দেহের সুন্দরতম একটি অংশ ছিনিয়ে নিয়েছে। সমাজের সফল ব্যক্তিদের নিয়ে সাধারণেরা যে নোংরা আচরণ করে, লেখক রীতিমত কর্কশভাবে তার প্রতিবাদ করেছেন এখানে। সেলিব্রিটিদের আমরা পাবলিক প্রোপার্টি ভেবে যথেচ্ছাচার করি, একদিকে গালি দেই আরেক দিকে তাদের ভেবে স্বমেহন করি- লেখক এই হিপোক্রেসির গোড়ায় কুঠারাঘাত নয়, মূত্রত্যাগ করেছেন বলা চলে। অষ্টম তলার গল্প সুবোধকাকুর। দেশভাগের যন্ত্রনায় ক্লিষ্ট নিজ দেশে পরবাসী এক হিন্দু ভদ্রলোকের উপাখ্যান এটি, বিশ বছর পরেও যেটা আজও পাল্টায়নি। সপ্তম তলায় সাহিত্য সম্পাদক কবীর আসেমীর প্রতিবাদী জীবন, সিস্টেমের হিংস্র থাবায় তার নাজেহাল হওয়া, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন ও পলায়ন এবং সবশেষে আমেরিকার প্রবাসে মর্মন্তুদ জীবনযুদ্ধকথা ফুটে উঠেছে। ষষ্ঠ তলায় একটি পেইন্টিংকে কেন্দ্র করে পড়ন্ত ভদ্রলোকের স্বীয় জীবনের সাংসারিক ব্যর্থতা, বিকৃত যৌনচিন্তা এবং চিরাচরিত সন্দেহপ্রবনতার গল্প আমরা পাই, যে গল্পে মিড লাইফ ক্রাইসিসের মূল সুর পাওয়া যায়। পঞ্চম তলার গল্প শান্তার, সদ্য তরুনী যে মেয়েটির প্রতি পড়ন্ত ম(নামটি এভাবেই বর্ণিত হয়েছে) তীব্র আকর্ষণ অনুভব করেন। সংসারের বেড়াজালে আষ্টেপৃষ্টে বাধা ম এর মনে যে নতুন ভালবাসার অপ্রাপ্তিজনিত দীর্ঘশ্বাস, এটাই এখানে প্রকাশ পেয়েছে। লেখকের মুন্সীয়ানা এই, আমরা বিরক্তি বা ঘৃণার পরিবর্তে সহমর্মিতা অনুভব করি। চতুর্থ তলার গল্পটি ডাক্তার ও তার রূচিশীলা স্ত্রীর, যেটিকে একটি সাসপেন্সে পরিপূর্ণ ক্রাইম থ্রিলারের অনুরূপ বলা যেতে পারে। তৃতীয় তলার গল্প প্রতিবাদী, শিক্ষিতা তরুনী খুকুর, ভুল সময়ে ভুল জায়গায় থাকার খেসারত দিতে গিয়ে সমাজের বিষাক্ত নখরাঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় যার জীবন। দ্বিতীয় তলার গল্প আবারও সেই ষষ্ঠ তলার পেইন্টিং এর, স্ত্রীর বান্ধবীর বাসায় এটির উপস্থিতি নিয়ে সন্দেহের যে বিষবাষ্পের উদ্ভব হয়েছিল, তার পরিণতি পাই এখানে। প্রথম তলা পড়ন্ত ম এর নিজের বাসা। পিতা-কন্যার সম্পর্কের বিবর্তনের হৃদয়ছোঁয়া বিবরণ ভীষণ স্পর্শ করে পাঠককে। ফাঁদ মাত্র একশ দুই পৃষ্ঠার উপন্যাস, কিন্তু লেখক চাইলে প্রতিটি তালার গল্পকে আলাদা উপন্যাসে রূপ দিয়ে সুনীলের প্রথম আলো বা শীর্ষেন্দুর দুরবীনের মত মহাকাব্যিক, সুদীর্ঘ উপন্যাস সৃষ্টি করতে পারতেন। প্রতিটি গল্পের কিছু অংশে আছে লেখকের নিজস্ব জীবনবোধ থেকে নি:সৃত উক্তি বা এপিগ্রাম, যেগুলোর সত্যতা আমাকে বিমোহিত করেছে। একটা উদাহরণ দিই: "সবাই প্রশংসিত হতে চায়। আত্মপ্রশংসা হলো আসল... আমি তোমাকে ভালবাসি এই কথার মানে কি? মানে হলো- তোমার দুচোখে আমার ছবি খুব ভাল ফুটে ওঠে। আমার যে একটা পরম গুরুত্ব আছে, তুমি সেই বোধটাকে তৃপ্ত করছো। কাজেই তোমার প্রতি আমার টানের সীমা নেই" ব্রাজিলিয়ান ঔপন্যাসিক পাউলো কোয়েলহো তাঁর ম্যাগনাম ওপাস "দি আলকেমিস্ট" এ নার্সিসাসের মিথ বর্ণনা করে ঠিক এ কথাটাই বলেছেন। রূপবান যুবক নার্সিসাস একটি হ্রদের পানিতে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে নিজের প্রেমে মগ্ন হয়ে ঝাঁপ দিয়ে তলিয়ে যায়। তার সৌন্দর্য কেমন, এটা জানতে বনের দেবীরা চলে আসে হ্রদের কাছে। হ্রদ বলে, "আমি জানিনা নার্সিসাস কেমন দেখতে।" সবাই অবাক হয়ে বলে, ও যে তোমার দিকে সারাদিন তাকিয় থাকত, ওর চোখে তুমি কি দেখতে?" -"আমার নিজ প্রতিবিম্ব"- হ্রদ উত্তর দিল। ফাঁদ একই সাথে নাগরিক সমাজের গল্প, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েনের গল্প... (collected)

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)