

Buy এক অর্থনৈতিক ঘাতকের স্বীকারোক্তি Online in Bangladesh
লেখক: জন পার্কিন্স
- Author: জন পার্কিন্স
- Publisher: সংঘ প্রকাশন
- Isbn: 9789848836033
- Number Of Pages: 272
- Language: বাংলা
- Edition: 3rd Edition, 2018
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"এক অর্থনৈতিক ঘাতকের স্বীকারোক্তি" বইয়ের ভেতর থেকে:অর্থনৈতিক ঘাতকেরা মােটা অংকের বেতনপ্রাপ্ত পেশাদার। এদের কাজ হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ধাপ্পা দিয়ে লক্ষ কোটি ডলার চুরি করা। এ কাজে এদের মূল অস্ত্র হচ্ছে ভুলতথ্যপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন, পাতানাে নির্বাচন, ঘুষ, চাপ প্রয়ােগ, যৌনতা ও হত্যা। এদের কর্মকাণ্ড নতুন ও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। জন পার্কিন্সের তাে এসব কথা জানা উচিত। কেননা, তিনি ছিলেন আন্তর্জাতিক ভাবে খ্যাত একটি কন্সালটিং ফার্মের একজন অর্থনৈতিক ঘাতক। এই সংস্থাটি বিশ্বের দরিদ্র রাষ্ট্রগুলােকে বিপুল অংকের উন্নয়ন ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রলােভিত করতাে। সে সাথে সংস্থাটি এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযােগ যাতে আমেরিকান কোম্পানীগুলাে পায় সেটাও সুনিশ্চিত করতাে। যখন ঋণ গ্রহীতা রাষ্ট্রগুলাে ঋণের কারাগারে চিরবন্দী হতাে তখন যুক্তরাষ্ট্র এসব দেশের কাছ থেকে নিজের স্বার্থ আদায় করতাে। আর যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ মানেই প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ, সামরিক সহযােগিতা ও রাজনৈতিক সমর্থন। এক অর্থনৈতিক ঘাতকের স্বীকারােক্তি হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ও বাণিজ্যিক সংস্থাগুলাে ষড়যন্ত্র, লােভ ও দুর্নীতির প্রায় অজানা যে জগৎ গড়ে তুলেছে সেই জগতের এক প্রাক্তন বাসিন্দার অকপট কাহিনী। এই গােপন চক্রকে না থামাতে পারলে সমগ্র বিশ্বের ভবিষ্যৎ একেবারেই অন্ধকার। এ ব্যাপারে বইটির লেখকের ভাষ্য একেবারেই প্রাঞ্জল।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
জন পার্কিন্সের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকারও কমেন্টে। আশির দশকের মাঝামাঝি মার্কিন মুলুকে জন পার্কিন্স তার “কনফেশনস্ অব এন ইকনমিক হিটম্যান” বইটি লেখার পর প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছিলেন কারন এর মধ্যেই পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে বইটি প্রকাশ না করার জন্য তাকে প্রচুর টাকা সাধা হয়েছে, হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তার সবচেয়ে বড় ভয় ছিল তার ছোট্ট মেয়েটি, তার যদি ক্ষতি হয়। মেয়েটি একুশ পার হবার পর ও বইটি পড়ার পর সে নিজেই বাবাকে রাজী করায় বইটি প্রকাশ করার জন্য। এই বইটিতে তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ কাজ করে। কিভাবে গরীব দেশের একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবিদের টাকা, নারী আর ক্ষমতার জাল ফেলে দলে টানা হয়, দেওয়া হয় নানা সুযোগ সুবিধা সন্মান নিজ দেশে বিখ্যাত হবার জন্য, জনপ্রিয় হবার জন্য। তার পর তারা কাজ করতে থাকে ঐ দেশে মার্কীন স্বার্থ হাসিল করবার লক্ষ্যে। যে সব দেশের তেল গ্যাস বা স্ট্রাটেজিক গুরুত্ব আছে – তাদের সম্পদ নিজ স্বার্থে ব্যবহার করার জন্য এটা প্রথম পদক্ষেপ। এতে কাজ না হলে পাঠানো হয় এসাসিন – মার্কিন স্বার্থের বিরোধী রাজনৈতিক ক্ষমতাধরদের শেষ করে ফেলতে। তাতেও কাজ না হলে পাঠানো হয় সেনাবাহিনী – গনতন্ত্র আনার নামে যেমন হয়েছে ইরাকে। যারা প্রফেসর ইউনুসের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য খুঁজে পান না তাদের বইটা পড়ে দেখতে অনুরোধ করি।


পুঁজিবাদী অর্থনীতি শুরুতে কিভাবে বিভিন্ন দেশে ছলে বলে চালু করা হয়েছে এবং এখনও কিভাবে জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে সেগুলো এই বই পড়লে সকলেই জানতে ও বুঝতে পারবেন।

অসাধারণ একটি বই।

গুড
gr8























