

Buy দূরবীনে ব্যাকবেঞ্চার Online in Bangladesh
লেখক: অসীম হিমেল
- Author: অসীম হিমেল
- Publisher: শব্দশৈলী
- Isbn: 9789849574354
- Number Of Pages: 192
- Language: বাংলা
- Edition: 1st published 2022
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ব্যাকবেঞ্চার ,প্রথমবার এডমিশন টেস্টে কোথাও চান্স না পেয়ে বন্ধুদের থেকে এক বছর পিছিয়ে পড়া তিন বন্ধুর টানাপোড়ন এবং জয়ী হওয়ার গল্প | ব্যাকবেঞ্চার, জীবন থেকে ষোল বছর হারিয়ে যাওয়া এক অন্ধকার জীবনের গল্প | সব পেয়েও এক অভিমানী বাবার জীবন ও পরিবার থেকে পালিয়ে দেশে ফিরে আসার গল্প | ব্যাকবেঞ্চার ,পিতাকে খুঁজে পাওয়া এক মেয়ের গল্প | ব্যাকবেঞ্চার কতগুলো স্বপ্ন পুরন হওয়ার গল্প | ব্যাকবেঞ্চার ,একটি ব্যান্ডের গল্প. এবং একজন ব্যান্ড শিল্পীর প্রতি এক ভক্তের ভালোবাসার গল্প |একটা প্রজন্মের বেড়ে উঠার গল্প | ব্যাকবেঞ্চার একটি পাওয়া না পাওয়ার হিসাবেরও গল্প ... দূরবীনের একদিক দিয়ে দেখলে যেমন খুব কাছের দেখা যায় আবার আরেকদিক দিয়ে দেখলে খুব দূরে দেখা যায় ..ব্যাকবেঞ্চার এরকমই এক উপন্যাস ..একই জিনিস একদিকে একরকম আরেকদিকে অন্যরকম|
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
বইটা অনেক ভালো লেগেছে আমার। আমি যেহেতু এই জেনারেশনের, তাই আমি নব্বই দশকের সেই সময়টা বুঝতে পারিনা। এই বইটা থেকে ওই সময়কার অনেক কিছুই বুঝতে পারলাম।

Thanks for your delivary
৯০ দশকের কাজিনদের আড্ডায়,, কিংবা বন্ধু মহলের বিকাল গুলো মেতে উঠতো যে গান গুলোই,, ব্যাকব্যঞ্চার, জ্যাক,আইয়ুব বাচ্চু,,আর্ক,,হাসান,মাইলস,,এলবি,জেমস,ফিলিংস,,এর মত বড় বড় গায়ক ও ব্যান্ডের গান গুলো যে সোনালি বিকেল ও সোনালি যুগের সৃষ্টি করেছিলো সেই সময়কার এক প্রজন্মের গল্প নিয়েই "দূরবীনে ব্যাকব্যঞ্চার,, নবীন বরণ কিংবা বিদাই অনুষ্ঠানের মঞ্চ মাতানো সেই গান,, কলেজ আর ভার্সিটির ক্যাম্পাসে ভেসে আসা বন্ধুদের সেই সুর.. হ্যাঁ.. এই মিউজিক নিয়েই দূরবীনে ব্যাকব্যঞ্চার.. এক নতুন সৃষ্টি,, অসীম হিমেল এর মিউজিক্যাল উপন্যাস "দূরবীনে ব্যাকব্যঞ্চার " 🍁 এক নজরে বই পরিচিতি - বই- দূরবীনে ব্যাকব্যঞ্চার লেখক-অসীম হিমেল ধরণ - উপন্যাস প্রকাশনী- শব্দশৈলী প্রথম প্রকাশ-অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২২ পৃষ্ঠা- ১১৭ মলাট মূল্য- ৩০০ 🍁নাম- নাম শুনেই মনের মধ্যে প্রশ্ন জাগে এটা কি সেই মিউজিক ব্যান্ড ব্যাকব্যঞ্চার এর কোন গল্প..?? বইটির নাম যতটা না আকর্ষনীয় বইটি পড়ার পর তার চেয়ে বেশি তৃপ্ত হবে পাঠক... বুঝতে পারবে নামের যথার্থতা,, 🍁প্রচ্ছদ- বইটির নাম, কাহিনী সংক্ষেপ, চরিত্র, প্রেক্ষাপট, সব কিছুই যেন ফুটে উঠেছে বইটির প্রচ্ছদে,, কনসার্ট কাপানো এক শিল্পি কে ঘিরেই প্রচ্ছদ যা বইটার শেষ টার যথার্থতা ফুটিয়ে তোলে.. সব মিলিয়ে বইটার প্রচ্ছদ যেন এর চেয়ে ভালো কিছু হতেই পারতোনা.. 🍁চরিত্র বিশ্লেষন- বইটির কেন্দ্রীয় চরিত্র শুভ্র কে নিয়ে.. এছাড়াও উপন্যাসের বড় একটা অংশ জুড়ে ছিলো রাশেদ,কমল,সুইটি,মালিহা,হ্যারি,মালিহার বাবা.. বইটিতে আমার প্রিয় চরিত্র শুভ্র, যার মাঝে আমি কখনো দেখেছি খুব প্রাণবন্ত একটা মানুষ,কখনো দেখছি খুব জ্ঞানী একটা বন্ধু,কখনো দেখছি দুঃখে ভেসে যাওয়া হতাশ এক তরুন,,কখনো দেখছি দাপটের সাথে চলা সাহসী কে,, কখনো দেখেছি বিশ্বাসী দুটো চোখ,কখনো দেখছি দায়িত্বশীল কাঁধ,আবার কখনো দেখেছি সাহায্যে বাড়ানো হাত.. এছাড়াও রাশেদ আমার অন্যতম ভালো লাগার চরিত্র,,যার মাঝে বন্ধুত্বের ভালোবাসা টা খুজে পেয়েছি.. এবং খুব অল্প সময়ের জন্য থাকা মিঠু ভাইয়ের চরিত্রটাও আমায় খুব বিমোহিত করেছে,, 🍁পারম্ভিকা - পৃথিবী প্রতি নিয়তই হেরে যাওয়ার গল্প বুনছে,, মানুষ হেরে গিয়েও মাথা তুলে দাড়াচ্ছে.. আর অনেক অপ্রাপ্তির মাঝেও বেঁচে থাকে দিব্বি.. কিন্তু কতটা আরামদায়ক সেই বেঁচে থাকা..??? 🍁কাহিনী সংক্ষেপ- গল্প টা শুরু শুভ্র,,রাশেদ,,আর কমল কে নিয়ে.. তিন বন্ধু যারা এডমিশন টেস্টে কোথাও চান্স না পেয়ে বন্ধুদের থেকে এক বছর পিছিয়ে পড়ে.. আর তাদের নতুন সংগ্রামের মধ্যেই শুরু হয় গল্প টি.. পিছিয়ে পড়েও নতুন ভাবে শুরু করে বিজয়ী হওয়ার গল্প,, আর এই সংগ্রামের একটি বছরের কাটানো মূহুর্ত গুলোর গল্প,যে গল্পে মিশে ছিলো যৌবন এর প্রথম প্রেম,,বন্ধুদের সাথে আড্ডায় কাটানো মুহূর্ত,, জন্মভূমির পাশে বয়ে যাওয়া শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের গল্প,, প্রতিটি আড্ডায় মাতানো জ্যাক,আইয়ুব বাচ্চুর গানের গল্প,,যে গল্পে ছিলো এক বছর পিছিয়ে পড়ার লুকোচুরি খেলা,, একটি গানের তাল,ল, সুরের মতই তাদের বহমান জীবনের সাথে মিশে যাওয়া মিউজিকের গল্প,,তারা কি তিন জন দ্বিতীয় বার সফল হয়েছেছিলো..? নাকি হাড়িয়ে গেছে সময়ের শ্রোতে,মিশে গেছে ব্যর্থদের দলে...??? প্রশ্ন গুলোর উত্তর জানতে অবশ্যই পড়তে হবে বইটি জীবনে কাটানো সুন্দর মূহুর্ত গুলোর মধ্যে সেরা অনুভুতি নিয়ে কাটানো সময় টা,, বন্ধুত্ব, প্রথম প্রেম, প্রেমে ব্যর্থতায় কত টা ইফেক্ট পড়তে পারে সেই সব ফুটে উঠেছে খুব সুন্দর ভাবে,, একই সাথে বাংলা ব্যান্ডের সাথে যেভাবে শুভ্রের জীবনকে মিলিয়েছে তাতে লেখক সার্থক.. কিন্তু এই গল্প টা শুধু একটা সময়ের না,, এই গল্প টা ১৬ বছর আগের ও বর্তমান নিয়ে.. কি হয়েছিলো ১৬ বছর আগে? এত বছরে সবার জীবনে কতটা পরিবর্তন আসে?? আর শুভ্রর জীবন কেন এলোমেলো হয়ে গেলো..? কোথাই ছিলো শুভ্র ১৬ বছর পর্যন্ত আর সে কি ১৬ বছর পরে আবার ফিরে পেয়েছিলো তার আগের জীবন টা,, তার বন্ধুত্ব?? কেমন হয় বর্তমান টা? ১৬ বছর পিছিয়ে পড়া শুভ্রের জীবন?? প্রথম প্রেমের পর শুভ্রর জীবনে কি আর কোন প্রেম আসেনি..? যে শুভ্রের বেড়ে উঠা ও উঠতি বয়সের অনেক টা জুড়েই ছিলো ব্যান্ড মিউজিক ও ব্যাকব্যঞ্চার সে ব্যাকব্যঞ্চার কে নিয়ে দেখা স্বপ্ন কি শেষমেশ পূরণ হয়...?? জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে বইটি.. 🍁ব্যাক্তিগত মতামত- বইটি হাতে নিয়েই অন্যরকম এক অনুভূতি হচ্ছিলো আমার,পড়া শুরু করেই এক অন্যরকম মায়া-য় পড়ে যাই,,গল্পের প্রথম অংশে যে কেউ নিজেকে খুজে পাবে.. এই বইটায় আমার সব থেকে বেশি ভালো লাগে বন্ধুত্ব টা,, আর বাংলাদেশের প্রকৃতি নিয়ে যে অপরূপ ব্যাখ্যা আছে তা যে কোন পাঠকের মন ছুয়ে যাবে.. নিজের দেশের সৌন্দর্য যেন পুরোটাই ছিলো বইটার মধ্যে.. বইটি পড়ার সময় আমি একবার-ও ১৬ বছর আগ ও বর্তমান কে গুলিয়ে ফেলিনি.. দুইটা সময়-ই খুব নিখুঁত ভাবে উপস্থাপন করেছেন লেখক,, এছাড়াও চরিত্র গুলো-ও খুব সুন্দর ভাবে চলেছিলো.. কোথাও মনে হয়নি খাপছাড়া বইটি ছিলো ভালো লাগার চরম পর্যায়ে.. তবে কয়েকটা জিনিশ ছিলো একটু বিরক্তিকর যেমন বার বার নামের ব্যাবহার টা, একটা শব্দের অধিক ব্যবহার টা যেমন একটা জায়গায় ছিলো - "শুভ্র সুযোগ সবসময় আসেনা, আর সময় ও একরকম থাকবেনা, আর আমেরিকা থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করবা। আর ওখান থেকেই পোস্টগ্র্যাজুশন শেষ করবা, আর আমেরিকার লাইফ তো জানোই,আর বুয়েটের প্রফেসর তোমাকে স্কলারশিপ ম্যানেজ করে দিচ্ছে এর চেয়ে বড় পাওয়া কি আছে..? "" এই অংশ টায় "আর" শব্দ টার ব্যবহার প্রতিটা লাইনে হয়েছে যা একজন পাঠক-কে একটু বিরক্ত করবে..এছাড়াও বার বার নাম উচ্চারণ না করে সে,তার,তারা" এই শব্দ গুলোর ব্যবহার পাঠকের জন্য একটু সহজ.. বইটিতে লেখক প্রজন্মের পার্থক্য টা তুলে ধরেছেন খুব সাবলীল ভাবে এছড়াও লেখার মান,বাইন্ডিং,, ছাপা সব ছিলো খুব-ই ভালো সবশেষ বলতে চাই যে লেখক তার সর্বোচ্চটা দিয়েছে বইটিতে, যা প্রতিটা পাঠকের মধ্যে দারুন এক এডভেঞ্চার সৃষ্টি করবে.. 🍁খুব প্রিয় একটি লাইন- দূরবীনের একদিক দিয়ে দেখলে যেমন খুব কাছের দেখা যায়,, আবার আরেক দিক দিয়ে দেখলে খুব দূরে দেখা যায়" ব্যাক্তিগত র্যাটিং-১০/১০
অসম্ভব সুন্দর বই দুইটি। বিশেষ করে অসীম হিমেল স্যারের বইটি অনেক ভাল।তাঁর লেখা পড়লে মনে হয় তিনি পেশায় একজন লেখক।আসলে তিনি একজন ডাক্তার।অনেক ভাল লেগেছে।

“দূরবীনে ব্যাকবেঞ্চার” বইটি আজ পড়ে শেষ করলাম। মাথা থেকে এই বইটির রেশ এখনও ঝেড়ে ফেলতে পারছি না। এই বইটি পড়ে নিজেকে আবার নতুন করে আবিস্কার করলাম। বইটির ০৩ (তিন) বন্ধুর একটি চরিত্রে, নিজের অবয়ব কে ২২ বছরের তখনকার টগবগে তরুনের স্বপ্ন আদিষ্টের কাঠ গড়ার পুনরায় দাঁড় করালাম। চরিত্রের বিশ্লেষণে লেখক দুইটি সময়কে বেছে নিয়েছেন, একটি ১৬ বছর আগে ও ওপরটি ১৬ বছর পরে। আর এখানেই বইটির নাম করণের সার্থকতা। দূরবীনের একপাশে ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ এবং অপর পাশে বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র দৃশের অবতারনা হয়ে থাকে। জাগতিক বৈচিত্রের ধারাবাহিকতায় মানব দৃশ্যাবলীও সবসময় প্রতীয়মান থাকে না। আমার অক্ষিপটে যা 9 রুপে বিরাজমান। আমার পাশের ব্যাক্তিই সেই একই জিনিস কে 6 রুপে গ্রহণ করে দৃশ্যমান থাকছেন। তাই মানব হ্রদ আক্ষরিকতার মাপকাঠি এক দিক দিয়ে অবলোকন করে বিশ্লেষণ করা উচিত নয়। সময়, পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতার সাথে ব্যক্তি কেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব-এর দর্পহারী সন্নিবেশে উপন্যাসটি লিখা হয়েছে। তাছাড়াও উপন্যাসটির চরিত্র গুলি দাড় করাতে লেখক কে তেমন কস্ট করতে হয়নি। বরং নিজের আশে-পাশের এই চরিত্র গুলিই লেখকের বিবেক কে শাসিয়ে এই উপন্যাসটি লিখতে অনেকটা বাধ্য করেছে। সময়কে ধারণ করে পাঠক সমাজে নতুন করে তুলে ধরাতেও লেখক অনেকটা সার্থক। পরিশেষে আজকাল ফুড-পান্ডা থেকে অর্ডার করে ফ্রাইড-রাইছ, ফ্রাইড-চিকেন (তেল-বাটার,ঘি সবই ভেজাল) খাওয়ার চেয়ে নিজ হাতে সাদা গরম ভাত, সরিষার তেল দিয়ে মাখানো আলু ভর্তা এবং ডাল মাখিয়ে খাওয়ার যে তৃপ্তি, তা সবার পক্ষে বুঝা সম্ভব নয়। এই ধরণের সৃজনশীল ও সৃষ্টিশীল লিখার মাধ্যমে লেখকরা যেন পাঠকদের তৃপ্তির ঢেকুর তুলাতে পারে এই শুভ কামনা জানাছি। আর লেখকের লেখনীর মাধ্যমে যেন এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক এই প্রত্যাশা করছি মোফাখখারুল ইসলাম চৌধুরী সিনিয়র লাইব্রেরিয়ান ও ট্রেনিং ম্যানেজার ট্রেনিং ইন্সিটিউট,বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।






















