

Buy দুঃখিনী Online in Bangladesh
লেখক: জুনাইদ আবির
- Author: জুনাইদ আবির
- Publisher: বইবাজার প্রকাশনী
- Isbn: 9789849509295
- Number Of Pages: 72
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2021
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ভোগীয় সময়ের পরিমাণ আজ প্রায় দুইমাস পেরিয়ে আরও কয়েকদিন অতিবাহিত হলো তমিস্রার। মানুষ নামের পশুটা প্রতিনিয়ত তাঁর দেহ ভোগ করে তারই শরীরের অংশ তমিস্রার পেটে দিয়েছে। ভাবতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। শিউরে উঠে তার শরীর। এ বয়সে এসব কী থেকে কী হচ্ছে! তবুও আনমনা হয়ে বহন করে নিতে হয়। এমন ভাবাতে প্রায় ও হতভাগা হয় তমিস্রা। কখনো জ্ঞান হারায়, আবারো ফিরে পায়। দিন তো দিনের গতিতেই পার হচ্ছে। সাথে তমিস্রারও সময় নিকটে আসতে চলছে। কাউকে বলতেও পারছে না। আবার সয়ে যাওয়ারই নয়। মারা যাওয়াটাই একেবারে শেষ ডিসিশন এছাড়া তো আর কিছুই করার নেই! মুখ খুলে চাইলেও বলতে পারবে না, ‘‘আমার পেটে তোমার সন্তান’’! এমন মানুষ রূপিটার দিকে তাকাতেও ইচ্ছে করে না। আর এসব বলা না হয় দূরে থাক। প্রয়োজনে মারা যেতেই বাধ্য তমিস্রা। আর মারা যাওয়াটাই হবে তার জন্য সব দুঃখ কর্মের ফল। এসেছিল গ্রহে এক দুঃখিনী হয়ে। এখন আরেকটা দুঃখিনীকে জন্ম দিয়ে ওর অভিশাপ কে-ই বা বহন করবে! এর থেকে পেটের সন্তানকে সাথে নিয়ে মারা যাওয়াই ভাল।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
বই রিভিউ: দুঃখিনী লেখক: জুনাইদ আবির জুনাইদ আবিরের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘দুঃখিনী’ এক অসাধারণ সামাজিক উপাখ্যান, যা পাঠককে জীবনের গভীরতম সত্যগুলোর মুখোমুখি দাঁড় করায়। এটি শুধু একটি মেয়ে চরিত্রের জীবনের গল্প নয়, বরং সমাজের গভীরে লুকিয়ে থাকা দুঃখ, কষ্ট এবং বৈষম্যের অনবদ্য প্রতিচ্ছবি। কাহিনির মূল উপাদান: গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রটি এমন একটি মেয়ে, যার জীবন দুঃখ ও সংগ্রামের রঙে রাঙানো। পরিবার, সমাজ, এবং ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া অবহেলা ও কষ্ট তাকে বারবার বিপর্যস্ত করে। তবুও, তার সাহস ও মনোবল তাকে বাঁচিয়ে রাখে এবং তাকে এক অনুপ্রেরণামূলক চরিত্রে পরিণত করে। লেখকের ভাষাশৈলী: জুনাইদ আবিরের লেখনী সহজ, সরল, কিন্তু একই সঙ্গে আবেগঘন। প্রতিটি লাইনে তিনি এমনভাবে অনুভূতির জাল বুনেছেন যে পাঠক বইটি পড়ার সময় গল্পের ভেতর হারিয়ে যান। লেখক মানুষের ভেতরের যন্ত্রণা এবং আবেগকে এতটা নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন যে তা পাঠকের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটে। প্রাসঙ্গিকতা: ‘দুঃখিনী’ আমাদের সমাজের সেই মেয়েদের গল্প বলে, যারা নিজেদের স্বপ্ন এবং ইচ্ছাগুলোকে দুঃখের গণ্ডিতে বন্দি দেখতে বাধ্য হয়। এটি কেবল একটি মেয়ে নয়, বরং একটি সমাজব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি। কেন পড়বেন: যারা গভীর আবেগময় এবং সামাজিক গল্প পছন্দ করেন। যারা জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে নতুনভাবে বুঝতে চান। যারা একটি গল্পে সাহসিকতা এবং অন্তর্নিহিত শক্তির প্রমাণ দেখতে চান। ‘দুঃখিনী’ শুধুমাত্র একটি উপন্যাস নয়, এটি একটি যাত্রা—অন্ধকার থেকে আলোর দিকে। বইটি পড়লে আপনার হৃদয় ভারী হবে, কিন্তু একই সঙ্গে এটি আপনাকে নতুন করে জীবন দেখার দৃষ্টিভঙ্গি দেবে। রেটিং: 🌟🌟🌟🌟🌟 (৫/৫)

ধন্যবাদ রকমারিকে।

ফেসবুকের মধ্যে সবাই এই বই নিয়ে মাতামাতি করা দেখে অবশেষে কিনেই ফেললাম। বইটি সত্যিই ভিন্নরকম মনে হয়েছে। চমৎকার একটি উপন্যাস। শেষে মেয়েটির কি হলো কি হলো মন আকুপাকু করছে।🙂🥀

আমার পড়া বেস্ট একটা বই 🥺 শেষে খুব খারাপ লাগছে। অজান্তেই চোখ বেয়ে পানি আসছে। আচ্ছা তমিস্রা কি এভাবেই হারিয়ে গেল? সেই অমানুষকে শিক্ষা দেওয়া উচিত ছিল এভাবে কেন কষ্ট দিল?😭

তমিস্রা নামের এক দুঃখিনী মেয়ের গল্প!! লেখক খুব সুন্দরভাবে সেই দুঃখিনী মেয়েটার কষ্ট তুলে ধরেছেন। কিন্তু বইটা আমার যথেষ্ঠ প্রেডিক্টেবল মনে হয়েছে। শেষটাও কেমন জানি ছিলো।






















