

Buy ভাসানচরের বাতিঘর Online in Bangladesh
লেখক: ডা. চার্লস এরিক হালদার
- Author: ডা. চার্লস এরিক হালদার
- Publisher: ঘাসফুল
- Number Of Pages: 72
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Printed, 2026
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
এ গল্প এক ছোট্ট দ্বীপের—ভাসানচর। অপার সমুদ্রের বুক চিরে জেগে ওঠা একটি প্রাণ, যেখানে গোধূলি আকাশে রক্তিম আভা ছড়িয়ে পড়ে, আর বিস্তীর্ণ চরে নেমে আসে রূপালি জোছনা, রাতের আকাশে জেগে থাকে লক্ষ তারা অতন্দ্র প্রহরীর মতো।এ এক তরুণীর গল্প—সংসারের দায়ে, বেঁচে থাকার তাগিদে দূর সমুদ্রপাড়ের এই দ্বীপে যার আগমন। তার ভেতরে রয়ে যায় কৈশোরের অব্যক্ত প্রেমের দীর্ঘশ্বাস, কিংবা লোনা বাতাসে জন্ম নেয় নতুন কোনো ভালোবাসা!এ এক তরুণ চিকিৎসকের সংগ্রাম ও স্বপ্নের গল্প—রাত জেগে মৃত্যুর হাতছানি থেকে মানুষকে ফিরিয়ে আনার অবিচল সংকল্প। কিংবা বিস্তীর্ণ সমুদ্রচরে এক রাখালের জীবন—সহস্র পশুর শব্দে, ঘাসের গন্ধে, ঝড়ের স্মৃতিতে জড়ানো তার দিনরাত্রি।এখানে আছে ভয়—যে ভয় কখনো নিজের ছায়া হয়ে এসে কানে কানে কথা বলে। আবার আছে সেই ভয়কে জয় করার দৃঢ়তা—নিস্তব্ধ দ্বীপের বুকের ওপর দাঁড়িয়ে অন্ধকারের চোখে চোখ রাখা।বিচ্ছিন্ন এই ভূখণ্ডে বর্ষার দিনে আছে খিচুড়ি বিলাস, উনিশের বাজারে শীতের পিঠার মিষ্টি আমেজ—এখানে আছে ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস, বিজ্ঞানের আলো, বিরহ ও মিলন। আর আছে এক বাতিঘর, যে গভীর অন্ধকারে নীরবে আলো জ্বেলে পথ দেখায়।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

ভাসানচরের বাতিঘর শুধু একটি বই নয়—এটি মানবতার অন্ধকারে জ্বলে থাকা এক টুকরো আলো। ভাসানচর-এর কঠিন বাস্তবতা, নিঃশব্দ সংগ্রাম আর আশার ক্ষীণ আলোকে লেখক এমনভাবে তুলে ধরেছেন, যা পাঠকের হৃদয়কে নাড়া দেয়। সহজ অথচ গভীর ভাষায় লেখা এই বই পড়তে পড়তে কখনও মন ভারী হয়ে আসে, আবার কখনও মানুষের প্রতি আস্থা ফিরে আসে। একজন চিকিৎসকের চোখে দেখা জীবনযুদ্ধ এখানে হয়ে উঠেছে এক শক্তিশালী মানবিক দলিল। ছোট করে বললে: এটি এমন একটি বই, যা শেষ করার পরও অনেকক্ষণ মনে থেকে যায়—একটি বাতিঘরের মতোই, যা অন্ধকারে পথ দেখায়।

সত্যি বলতে এখনকার এই ডিজিটাল যুগে সাহিত্যের বই পড়ার সুযোগটা কমই হয় আমার। কিন্তু যখন জানতে পারলাম এই বইটি লিখেছেন একজন গবেষক, চিকিৎসক, তখন বইটি পড়ার সুযোগ মিস করতে চাইনি। বইটি পড়ে সত্যিই অভিভূত হলাম এত সুন্দর লেখনী, এত সাবলীল প্রানবন্দ ছিলো পুরোটা লেখা। নিজেকে জাহাজের সেই পাটাতনে কল্পনা করছিলাম, আর হাঁরিয়ে যাচ্ছিলাম সাগরের দমকা বাতাসের হাওয়ায়, লোনা জ্বলের ছিটায়। আপনার পরবর্তী বইয়ের অপেক্ষায় রইলাম। যারা সাহিত্য প্রেমী আছেন, তারা অবশ্যই আপনার সংগ্রহে রাখতে পারেন ভাষানচরের বাতিঘর।
গুড

বইটা হাতে এসেছিল অনেকদিন আগেই, কিন্তু পড়া হচ্ছিলো না। একদিন ছুটির দিন সকালে বইটা পড়াই শুরু করলাম। এই বইটা পড়তে গিয়ে যেটা লক্ষ্য করলাম, সেটা হলো- একটা পাতা শেষ হওয়ার আগে পরের পাতা পড়ার জন্য আপনাকে আকর্ষিত করবে। এই বইয়ের কিছু বিষয় সুস্পষ্ট ফুটে উঠেছে, যেমন : - মানুষের সংগ্রামী জীবন, নিদারুণ প্রাকৃতিক বাস্তবতা এবং কিছু রোমাঞ্চকর মুহূর্ত। এই বইটা পড়তে গিয়ে আরেকটা বিষয় লক্ষ্য করলাম, কিছু জায়গায় মনে হয় আমি সত্যিই চলে গিয়েছিলাম, যেমন : - শেল্টার ১৫২, উনিশের বাজার, স্টাফ ক্লাব, বেড়িবাঁধ, ভাসানচরের হসপিটাল এবং ভাসানচরের সেই বাতিঘরের কাছে।






কিছু কিছু বই আছে যেগুলো পড়তে বসলে মনে হয় — এটা শুধু পড়া না, এটা একটা যাত্রা। ভাসানচরের বাতিঘর ঠিক তেমনই একটি বই। শেষ পাতাটা উল্টানোর পর মনে হলো — একটা নতুন অধ্যায় জানা বাকি রয়ে গেলো। এই মানুষগুলোর গল্প কি এখানেই শেষ? আই উইশ এই গল্পের একটা ২য় পর্ব থাকতো 😊 মনে হচ্ছিল আমিও সেই জাহাজে দাঁড়িয়ে আছি, সামনে তিনটা রেখার মতো ভূমি স্পষ্ট হয়ে উঠছে, লোনা বাতাস গায়ে লাগছে!






























