

Buy অনীশ Online in Bangladesh
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
- Author: হুমায়ূন আহমেদ
- Publisher: অনুপম প্রকাশনী
- Isbn: 9789844042995
- Number Of Pages: 60
- Language: বাংলা
- Edition: 6th Printed, 2015
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ভূমিকা ‘অনীশ’ প্রথম ছাপা হয়েছিল ঈদসংখ্যা বিচিত্রায় (১৯৯২)। গ্রন্থাকারে প্রকাশের সময় কিছু পরিবর্তন করেছি। অনীশের নায়িকা রূপা’র স্বামী সম্পর্কে মিসির আলির ধারণার কথা মূল বই- এ বলা হয়েছে, যা আগে বলিনি। মিসির আলির যুক্তিনির্ভর এই ধারণা হয়তো অনেকের কাছেই গ্রহণযোগ্য মনে হবে না। আমার কথা হচ্ছে ‘যুক্তি’ গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে মাথা ঘামায় না, সে চলে তার সরল পথে। জালালুদ্দিন রুমির চার লাইনের একটি কবিতা ব্যবহার করেছি। মূল বইয়ের সঙ্গে এই কবিতার তেমন সম্পর্ক নেই। জালালুদ্দিন রুমির এই স্তবকটি আমার অত্যন্ত প্রিয়। পাঠক-পাঠিকাদের কাছে প্রিয় স্তবকটি উহার দেবার লেপাভ সামলানো গেল না। হুমায়ূন আহমেদ শহীদুল্লাহ হল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২৫-৫-৯২
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

Soooooo good . No word can explain .
আগে থেকে ঠিক করা ছিল না যে ‘অসীশ’ বইটি পড়ব। কিন্তু ৭৫ পৃষ্ঠার একখানা হুমায়ূন আহমেদের বই হাতের কাছে পেয়ে পড়ার লোভ সামলাতে পারলাম না—তাই শুরু করলাম। জানতামও না এটি মিসির আলি সিরিজের একটি উপন্যাস। বইটি শুরু করেছিলাম সন্ধেবেলা, আর এক বসাতেই শেষ করে ফেলেছি—মাঝখানে শুধু মায়ের ডাক শুনে রাতের খাবার খেতে গিয়েছিলাম, এই যা বিরতি। বইটি আমার বিশেষ প্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ হলো—এতে কিছু গভীর মনোবৈজ্ঞানিক বিষয়কে কেন্দ্র করে চমৎকারভাবে টুইস্ট সৃষ্টি করা হয়েছে। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল শেষটা হয়তো কোনো ভৌতিক বা অলৌকিক ঘটনার মোড়ে গিয়ে দাঁড়াবে; কিন্তু লেখক সেটিকে বিজ্ঞানসম্মত ও বাস্তব মনোবিজ্ঞানের আলোকে এমনভাবে উপসংহারে এনেছেন যে পাঠক বিস্মিত হলেও যুক্তির তৃপ্তি অনুভব করেন। চিরচেনা মিসির আলির বুদ্ধিমত্তা, শান্ত মেজাজ, এবং রহস্য উদ্ঘাটনে তাঁর অদ্ভুত দক্ষতা—সবই বরাবরের মতো মুগ্ধ করেছে। গল্পের সিকোয়েন্স ও প্লট পরিবর্তন এতটা সাবলীলভাবে এগিয়েছে যে পাঠকের মনোযোগ এক মুহূর্তের জন্যও নষ্ট হয় না। হাসপাতালে অসুস্থতার কারণে ভর্তি থাকা অবস্থায় মিসির আলির সঙ্গে ‘রূপা’ নামের এক তরুণীর পরিচয় ঘটে। রূপা তার অতীত ও জীবনের কিছু রহস্য নিয়ে গভীর উদ্বেগে থাকে। একসময় সে তার ডায়েরি মিসির আলিকে পড়তে দেয় এবং মনে করে তিনিই পারেন তার সমস্যার সমাধান করতে। মিসির আলি যখন সেই ডায়েরি পড়তে শুরু করেন, পাঠকও যেন গল্পের ভেতর ঢুকে পড়েন—মা-মেয়ের অস্বাভাবিক সম্পর্ক, অদ্ভুত সংসার, পরিচয়ের বিভ্রান্তি ও মানসিক টানাপোড়েন—সবকিছু মিলিয়ে এক মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার জগতে প্রবেশ করেন। শেষ পর্যন্ত মিসির আলি সেই জটিল রহস্যের সমাধান দেন—একটি সমাধান, যা অবিশ্বাস্য হলেও মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একেবারে বাস্তব। বই থেকে কিছু হৃদয়স্পর্শী উক্তি (কিছুটা প্যারাফ্রেজ করা): • স্মৃতি না থাকাই কখনো কখনো আশীর্বাদ—স্মৃতি থাকলে অভাববোধও জেগে উঠত। • ভালোবাসার অত্যাচার সবচেয়ে কঠিন অত্যাচার—একে না গ্রহণ করা যায়, না বর্জন করা যায়। • যে মানুষ নিজের কষ্ট কাউকে বলতে পারে না, তার কষ্ট দ্বিগুণ হয়ে যায়। • মানুষ যা বিশ্বাস করতে চায়, তাই-ই তার কাছে সত্যি মনে হয়—যদিও প্রমাণ তার বিপরীত হয়। • যে রহস্যের সমাধান পাওয়া যায় না, সেটার সঙ্গে বেঁচে থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়। • ভয় মানুষের সবচেয়ে প্রাচীন বন্ধু—যে তাকে বারবার রক্ষা করে, আবার অকারণেই কাঁপিয়ে তোলে। • প্রেম ও ভয়ের মধ্যে অদ্ভুত মিল আছে—দুটোই যুক্তিকে দুর্বল করে দেয়।
khubiiiii chomotkar wow just wow

its good
khub valo chilo, onk valolaglo! covaring and over all good!
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
Koto gulo page ache boitite?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৬০। ধন্যবাদ।
Koto gulo page ache boitite?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৬০। ধন্যবাদ।






















