এমনই শ্রাবণ ছিল সেদিন
বই কালেকশন

Buy এমনই শ্রাবণ ছিল সেদিন Online in Bangladesh

লেখক: ইসরাত জাহান দ্যুতি

4.88
(17 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: ইসরাত জাহান দ্যুতি
  • Publisher: বর্ষাদুপুর
  • Isbn: 9789849526575
  • Number Of Pages: 502
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2021
৳ 699৳ 80013% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

ঘোলাটে মেঘের বিকালটা মরে সন্ধ্যার আঁধার জমেছে। আঁধারের ফাঁক গলে ভিজে যাচ্ছে রূপের নগরী পানতুমাই। পাহাড়ের গা বেঁয়ে শুভ্র জলরাশি দেখে মনে হচ্ছে যেন বিছিয়ে রাখা হয়েছে সাদা শাড়ি৷ আর সেই সাদা শাড়ির পাড়ের নিঁখুত নকশা হরিদ্বর্ণ সুতার তৈরি। কখনো দু'এক পশলা বৃষ্টি, আবার মাঝে মাঝে দমকা হাওয়া। নদীর পাড়ের খোলা প্রান্তর জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সেই অশান্ত হাওয়া। চঞ্চল মন আনমনা হয়ে উঠেছে খেয়ামের। পিয়াইন নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে মুগ্ধ নয়নে ঝর্ণার অপরূপ সুধা নিতে সে মত্ত। এত সুন্দর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তার আগে কখনো দেখা হয়নি। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে ছাতার নিচ থেকে বেরিয়ে পড়েছে সে। গোলগাল স্নিগ্ধ মুখখানায় বিন্দু বিন্দু জলে সিক্ত তার। হাওয়ার তোড়ে মাথা থেকে ওড়ানার আঁচল পড়ে আলগা খোঁপা হঠাৎ খুলে গেল। এ সুযোগে তার ওই দীর্ঘ, রেশম কালো চুলগুলো মুক্ত হয়ে উড়তে থাকল অবাধ্য ভঙ্গিতে। এমন ঐন্দ্রজালিক ক্ষণে বিধাতার নিখুঁত সৃষ্টি অতি কাছ থেকে দেখে অভিভূত এক জোড়া চোখ। আসন্ন শ্রাবণ ধারার সিক্ত হাওয়ার স্পর্শ আর সম্মুখের জলের মিতালি থেকেও আরও সুন্দর বিন্দু বিন্দু জলে ভেজা ওই সাধারণ মুখটি। সবচেয়ে চমৎকার মুখটার হাসি। এ যেন ধ্রুত সত্য, এক অপার্থিব, নৈসর্গিক সৌন্দর্য তার মাঝে। বর্ষার পর এভাবে কখনো কোনো সৌন্দর্যকে মনে লাগেনি মেহফুজের। ইলশেগুঁড়ির সাঁঝক আকাশ তলে দাঁড়িয়ে সে আজ সহস্রবার স্বীকার করতে প্রস্তুত, 'সে শ্রাবণো মনোহারিণী! ঐশ্বর্যময় শ্রাবণের অদ্বিতীয়া রানি!'

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.88
(17 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
94%
4
6%
3
0%
2
0%
1
0%
Israt Sharmin Trina
Israt Sharmin Trina ভেরিফাইড
29 Dec 2023

🖇️পাঠপ্রতিক্রিয়া: 📖 সমারম্ভ: কি মন খরায় পরেছে? ভেজাতে পারছেনা তার পথঘাট, শ্রাবণ জলে তপ্ত মনের অলিগলিতে সজীবতার ছোঁয়া একে দিতে চান? চলুন তবে একটু ভিজে আসি খরায় পরা মনটাতে বর্ষন নামাই। দু দিন ধরে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে আমার সাথে। আমি না একটা জাদুর বাকসো্ পেয়েছি। বাকসো্টা খুললেই টুপটাপ করে বৃষ্টি পরা শুরু হয়। কখনো আমার হৃদয়ের মরুপথে যে জলছবি একে যাচ্ছে, আমার মন উদাস হচ্ছে, রোমান্টিকতার আবেশে নতুন পুলকে শিহরিত হচ্ছে। স্বচ্ছতার এক নতুন ভাষায় যেন পরিচিত হচ্ছি। অবাক যত্নে সামলে চলা দুঃখ পাওয়ার ভয়টাও যেন চোখ রাঙাচ্ছে সূর্য কিরনকে। কি ভাবছেন পাগল হলাম কিনা? ভাবছেন এই পৌষের জাঁকিয়ে বসা শীতে শ্রাবণ কোথায় পেলাম? চলুন আমার হঠাৎ পাওয়া জাদুর বাকসো্র সাথে আপনাদেরও পরিচয় করিয়ে দেই। যখন তখন যেকোন সময়ে শ্রাবণের জলে সিক্ত করে নেয়ার অভিনবত্বের এক রূপ নিয়ে লেখিকা ইসরাত জাহান দ্যুতি নতুন রূপে সফট মেলোডিয়াস স্টাইলে গল্পের ফাঁদে গল্প প্রেমিদের জড়াতে লিখেছেন এমনই শ্রাবণ ছিলো সেদিন বইটি। সামাজিক রোমান্টিক ঘরানার গল্পের প্লট হলেও গল্প বলার এক নতুন রূপের সাথে তিনি পরিচয় করালেন যেন। 📖 গল্পের ফ্ল্যাপ থেকে: ঘোলাটে মেঘের বিকালটা মরে সন্ধ্যার আঁধার জমেছে। আঁধারের ফাঁক গলে ভিজে যাচ্ছে রূপের নগরী পানতুমাই। পাহাড়ের গা বেঁয়ে শুভ্র জলরাশি দেখে মনে হচ্ছে যেন বিছিয়ে রাখা হয়েছে সাদা শাড়ি৷ আর সেই সাদা শাড়ির পাড়ের নিঁখুত নকশা হরিদ্বর্ণ সুতার তৈরি। কখনো দু'এক পশলা বৃষ্টি, আবার মাঝে মাঝে দমকা হাওয়া। নদীর পাড়ের খোলা প্রান্তর জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সেই অশান্ত হাওয়া। চঞ্চল মন আনমনা হয়ে উঠেছে খেয়ামের। পিয়াইন নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে মুগ্ধ নয়নে ঝর্ণার অপরূপ সুধা নিতে সে মত্ত। এত সুন্দর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তার আগে কখনো দেখা হয়নি। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে ছাতার নিচ থেকে বেরিয়ে পড়েছে সে। গোলগাল স্নিগ্ধ মুখখানায় বিন্দু বিন্দু জলে সিক্ত তার। হাওয়ার তোড়ে মাথা থেকে ওড়ানার আঁচল পড়ে আলগা খোঁপা হঠাৎ খুলে গেল। এ সুযোগে তার ওই দীর্ঘ, রেশম কালো চুলগুলো মুক্ত হয়ে উড়তে থাকল অবাধ্য ভঙ্গিতে। এমন ঐন্দ্রজালিক ক্ষণে বিধাতার নিখুঁত সৃষ্টি অতি কাছ থেকে দেখে অভিভূত এক জোড়া চোখ। আসন্ন শ্রাবণ ধারার সিক্ত হাওয়ার স্পর্শ আর সম্মুখের জলের মিতালি থেকেও আরও সুন্দর বিন্দু বিন্দু জলে ভেজা ওই সাধারণ মুখটি। সবচেয়ে চমৎকার মুখটার হাসি। এ যেন ধ্রুত সত্য, এক অপার্থিব, নৈসর্গিক সৌন্দর্য তার মাঝে। বর্ষার পর এভাবে কখনো কোনো সৌন্দর্যকে মনে লাগেনি মেহফুজের। ইলশেগুঁড়ির সাঁঝক আকাশ তলে দাঁড়িয়ে সে আজ সহস্রবার স্বীকার করতে প্রস্তুত, 'সে শ্রাবণো মনোহারিণী! ঐশ্বর্যময় শ্রাবণের অদ্বিতীয়া রানি!' 📖 নামকরণ: ব্যাক্তি মানুষের ক্ষেত্রে কালো ছেলের নাম পদ্মলোচন হলে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু সাহিত্যের ক্ষেত্রে কোন সাহিত্য কর্মের সার্থক নাম সেই রচনাটির প্রকৃত মর্ম উপলব্ধিতে বিশেষ সহায়ক হয়ে ওঠে। তেমনি ভাবে লেখিকা ইসরাত জাহান দ্যুতি এমনই শ্রাবণ ছিলো সেদিন গল্পের মধ্য দিয়ে তার অভিপ্রেত বক্তব্যের ইঙ্গিত দিয়েছেন যেন। 📖 প্রচ্ছদ: কথায় আছে A picture is worth than a thousand words. প্রচ্ছদ যদি পাঠকের মনের মধ্যে দোলা দিতে না পারে বা প্রচ্ছদ যদি পাঠক মনে কৌতুহল সৃষ্টি করতে না পারে, তাহলে পাঠক আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এমনই শ্রাবণ ছিলো সেদিন বইয়ের প্রচ্ছদ দু'বার পরিবর্তীত হয়েছে। তুমুল পাঠক চাহিদায় প্রথম মুদ্রন শেষে বইটি দ্বিতীয় বার মুদ্রিত হয় এবং দুবারই বইয়ের প্রচ্ছদের নান্দনিক চিত্র কর্ম পাঠকদের দৃষ্টি কাড়তে সফল হয়। বইয়ের প্রচ্ছদটিতে যেন এর লেখার অন্তর্গত ভাষা প্রকাশ পাচ্ছিলো। 📖 কাহিনি সংক্ষেপ: গল্পের নায়িকা আরাদ্রা খেয়াম তিলোত্তমা নগরী ঢাকায় নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করে অসহায় বাবা মায়ের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ানোর ব্রত নিয়ে পদার্পন করে। ঘটনাচক্রে কাজের তাগিদেই দেখা হয় গুরুগম্ভীর, রাশভারি মেজাজের বাবার বন্ধুর ছেলে আরহাম মেহফুজের সাথে। যিনি পেশায় একজন নামকরা ডাইরেক্টর এবং তার এখানেই কাজের সুযোগ পায় খেয়াম। সময় গড়ানোর সাথে সাথে বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে দুজন দুজনের কাছে আসে। শুরুটা তিক্ততা দিয়ে হলেও একটা সময় পর নিজেদের জানা বুঝার পরিমান বাড়লে মুগ্ধতা সৃষ্টি হয় দুজনকে ঘিরে যা একসময় গভীর প্রণয়ের রূপনেয়। পরিণয়ের পথাটা শুরুতে মশৃন মনে হলেও হঠাৎ আসা দমকা ঝড়ে সব এলোমেলো করে দেয়। কাহিনির এ পর্যায়ে খেয়াম চরিত্রটা দৃঢ়ভাবে বিকশিত হয়। কাহিনির টার্নিং পয়েন্ট এখানেই এসে পরে। একাপাশে প্রেম অপর পাশে পরিবার। দ্বৈত টানাপোড়েনে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব, মানুষিক যন্ত্রণা এর প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত গ্রহন ও সবশেষে যুক্তিসংগত সমাধান আসলে কি ছিলো? খেয়াম, মেহফুজ কি শেষ পর্যন্ত সব বাঁধা কাটিয়ে এক হতে পেরেছিলো নাকি সব নিছক স্মৃতি হয়েই রয়ে গিয়েছিল? 📖 পাঠ প্রতিক্রিয়া: পুরো গল্পে মনে হচ্ছিলো একটা নির্দিষ্ট থিমকে মাথায় লেখিকা গল্পের কাহিনি এগিয়েছেন। থিমের টপিক হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন একটা আনকোরা ঋতু বর্ষাকে। তার মতো করে আগে কোন কবি সাহিত্যিকের কলমের আঁচড়ে বর্ষার এতো বিমুগ্ধ রূপগুলো উঠে আসেনি। পুরো বর্ষা ঋতুটাকে যেন তিনি নতুন সব উপমা আর এর বিভিন্ন রূপগুলো তার ভাষায় যেন আরও বেশী করে খুলেছে। কাহিনীর পরতে পরতে বর্ষন ধরা দেয়নি বরং বষর্নের ভাজে ভাজে কাহিনির দৃশ্যপটেরা জুড়ে গেছে তার সুনিপুণ কারিগরিতে। বিস্মিত হয়েছি এ বিশ্লেষণের কোথাও একটু বাহুল্যতা ছিলো না বা কোন বর্ণনা অতিরিক্ত মনে হয়নি। একেবারে নিক্তিতে মেপে যেন সব নিপাট হাতে থরে থরে সাজানো হয়েছে। একই সাথে উপন্যাসের চরিত্রগুলোও দারুণ মুন্সিয়ানার সাথে কাহিনির ডিমান্ড অনুযায়ী নিজেদের মেলে ধরেছে। নায়ক নায়িকা বাদেও পার্শ চরিত্র গুলোও অনবদ্য ছিলো। বলা যায় একটা পুরোদস্তুর মার্জিত কাহিনিতে গল্প এগিয়েছে। 📖 পছন্দের উক্তি : ✒️ যে স্বপ্ন বুকের মাঝে আগলে রেখে এ শহরে আসতে চেয়েছিল সে,সেই স্বপ্ন এখন তার কাছে কেবলই গৌণ,অনাবশ্যক। মুখ্য এবং অত্যাবশ্যক শুধুই রোজগার। ✒️তোমার তৃষ্ণা নিবারণের গুরুদায়িত্ব আমিই নিলাম।তুমি আর রবে না পিপাসিত। ✒️বাদল কন্যা!আমার থেকে নাও তুমি অভিবাদন। আর তোমার থেকে করলাম আমি বিদায় গ্রহণ। প্রিয় মাতৃভূমিতে এটাই হবে আমার দেখা শেষ বর্ষণ। ✒️কালের আবর্তনে ঠিক একই সময়ে আমি তোমার সামনে,আর তুমি আমার সামনে। কিন্তু ভিন্নতা এক জায়গায়। সেদিন আমার থেকে তোমার এই ঐন্দ্রজালিক ক্ষণকে চেয়ে নিয়েছিল আমার অন্তপুরীর অধিপতি।আর আজ আমি তোমার থেকে চেয়ে নিচ্ছি তোমার এই শ্রাবণ সন্ধ্যাটুকু। তবে মিল শুধু একটাই, এমনই শ্রাবণ ছিলো সেদিন। আর আজও। ✒️তুমি বলেছিলে,আমার ক্রোধ তোমার অন্তর কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো। কিন্তু তোমার জিদ যে আমাকে মৃত বানিয়ে দেওয়ার মতো! ✒️সে শ্রাবণো মনোহারিণী! ঐশ্বর্যময় শ্রাবণের অদ্বিতীয়া রাণী। ✒️আজ যে ভিজতেই হবে। এমন শ্রাবণ সন্ধ্যা ক্ষণে মরলেও সুখ। ✒️ওনাকে আমার কোনো সময়েই ঠাট্টার পাত্র মনে হয় নাই। ওনাকে তো আমার ক্লাস নাইনের বাংলা টিচার পরিতোষ স্যারের মতো বিরক্তকর আর দাম্ভিক বলে মনে হয়। ✒️আপনারা কি কোন পুকুরে নেমেছিলেন স্যার?? ✒️বিয়ে করতে চাইলে কবুলটাও কি আমাকে বলতে দেবেন স্যার..? ✒️ এ চোখের চাওনিতেই তো মরন হলো আমার না চিনে থাকি কি করে। ✒️ যে শহর বইয়েঠাসা সে শহরেই শান্তির বাসা। 📖 যবনিকা: পুরো উপন্যাস জুড়ে শ্রাবণটুকু বর্ষন হয়ে শ্রুতি মধুর ছন্দতুলে এর প্রতি অক্ষরে মুর্ছনায় আবেশিত করে গেছে। অন্য ঢং এ কাহিনি উপস্থাপনের পদ্ধতি সত্যি মনে জায়গা করে নিয়েছে। যা আসন্ন বই মেলায় লেখিকার রৌদ্রভেলা গল্পের প্রতি এক্সপেকটেশন আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। লেখিকার আসন্ন বইয়ের জন্য শুভ কামনা রইলো আশা রাখছি আবারও সুনিপুণ লেখনির মুন্সিয়ানায় পাঠক হৃদয়ে ঝড় তুলবেন। ............................................................................ ▪️এক নজরে বইটি— বইয়ের নাম: এমনই শ্রাবণ ছিল সেদিন লেখিকা: ইসরাত জাহান দ্যুতি জনরা: রোমান্টিক প্রকাশনী: বর্ষাদুপুর প্রচ্ছদ: আশিকুর রহমান পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫০২ মুদ্রিত মূল্য: ৮০০ টাকা _______________________________________________

S M Raisul Islam
S M Raisul Islam ভেরিফাইড
16 Jul 2022

Masterpiece ❤️

Nawsheen
Nawsheen ভেরিফাইড
05 Mar 2022

"এমনই শ্রাবন ছিল সেদিন" ইসরাত জাহান দ্যুতির একটি অসাধারন প্রেমের উপন্যাস। উপন্যাসটি পরার পুরোটা সময় একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম। ধন্যবাদ লেখিকা কে এত সুন্দর একটি উপন্যাস আমাদের মতন পাঠকদের উপহার দেয়ার জন্য 💖

Fariha Fairuz
Fariha Fairuz ভেরিফাইড
31 Dec 2021

Outstanding Book🥰💜

Gias Uddin Tapu
Gias Uddin Tapu ভেরিফাইড
27 Jun 2021

Excellent :)

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

প্রশ্ন

বইটা রিপ্রিন্ট কবে হবে?

উত্তর

প্রিয় গ্রাহক, দুঃখিত, এটি নির্ভর করে প্রকাশনী কর্তৃক রিপ্রিন্ট করার মাধ্যমে; তাই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না কবে পাওয়া যাবে। ধন্যবাদ।

প্রশ্ন

বইটা রিপ্রিন্ট কবে হবে?

উত্তর

প্রিয় গ্রাহক, দুঃখিত, এটি নির্ভর করে প্রকাশনী কর্তৃক রিপ্রিন্ট করার মাধ্যমে; তাই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না কবে পাওয়া যাবে। ধন্যবাদ।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)