

Buy এইসব দিনরাত্রি Online in Bangladesh
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
- Author: হুমায়ূন আহমেদ
- Publisher: অনন্যা
- Isbn: 9789844321731
- Number Of Pages: 320
- Language: বাংলা
- Edition: 11th Printed, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ফ্ল্যাপে লিখা কথাএইসব দিনরাত্রি একটি একান্নবর্তী পরিবারের সুখ-দুঃখের গল্প।আশা ও আনন্দের, ব্যর্থতা ও বঞ্চনার গল্প।কিছু সাধারণ মানুষের সাধারণ কিছু স্বপ্নের গল্প।ম্যাজিসিয়ান আনিস স্বপ্ন দেখে একটি কিশোরীর,রফিক স্বপ্ন দেখেন সুখী নীলগঞ্জের।টুনি নামের একটি ছোট মেয়ে সেও স্বপ্ন দেখে। এরা জোছনা রাতে ছাদে বসে গান গায়-আজ জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে। কোনে বনের কথা তারা বলে? কোথায় সেই গভীর অরণ্য?ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ কি পেরেছেন সেই অরণ্যের সন্ধান দিতে?
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

Alhamdulillah oboseshe boi hate peye gelam.Khub valo lagse

এইসব দিনরাত্রি অতি সাধারণ একটি যৌথ পরিবারের প্রতিদিনের হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, ব্যর্থতা ও বঞ্চনার গল্প। বইটিতে আছে মধ্যবিত্ত পরিবারের সর্বসহা বৌমা নীলু, তার রোবট টাইপের স্বামী শফিক, আবেগী ও রূপবতী ননদ শাহানা, ভবঘুরে বেকার দেবর রফিক যে সবসময় কিছু না কিছু নিয়ে ব্যস্ত, শ্বশুর হোসেন সাহেব সাদামাটা এবং সর্বদা উৎফুল্ল একজন মানুষ যিনি হোমিওপ্যাথি নিয়ে মশগুল এবং রাগী ক্যাটকেটে শ্বাশুড়ি মনোয়ারা। আর পাঁচটা শ্বাশুড়ীদের মতো তারও একমাত্র কাজ পুত্রবধূর ত্রুটি বের করা কিন্তু মনে মনে তিনি নীলুকে প্রচন্ড ভালোবাসেন। এছাড়া আছে বাড়িওয়ালা এবং তাদের মেয়ে বীণা, বাড়ির ছাদের চিলেকোঠায় থাকা আনিস নামের এক ভবঘুরে যুবক যার ঝোঁক ম্যাজিকের দিকে। আছেন কবির মামা যিনি সুখী নীলগঞ্জ প্রজেক্ট শুরু করারর চেষ্টা করছেন। এটি হুমায়ুন আহমেদের বহুল আলোচিত বইয়ের একটি। সেই অনুপাতে যতটা ভাল লাগার কথা আমার লাগে নি। এর মানে খারাপ লেগেছে তা বলছি না। তবে হুমায়ুন আহমেদ মানেই তো প্রত্যাশার চূড়ান্ত। সেইদিক বিবেচনায় মনে হয়েছে বই শেষে অনুভূতিটা কেমন যেন মিশ্র ছিলো। অনেক বেশি যে খারাপ লেগেছে তাও বলবো না। আবার অনেক খারাপ লেগেছে সেটাও না। প্রিয় কিছু লাইনঃ "যারা সুখী হয় তাদের মধ্যে সুখী হবার বীজ থাকে। জল, হাওয়া এবং ভালোবাসায় সেই বীজ থেকে গাছ হয়।" "একজন মানুষের অনেকগুলি চেহারা থাকে। একটি চেহারার সাথে অন্য চেহারার কিছুমাত্র মিল থাকেনা।" "আমরা যাদের পছন্দ করি, তাদের কড়া কথাও আমাদের ভালো লাগে।" “বিয়ে করার জন্য দরকার হাসি খুশি ধরনের একটি মেয়ে, যে খুব রাগ করবে আবার পরমুহূর্তেই সবকিছু ভুলে হেসে ফেলবে। রাত ১ টার সময় ছাদে উঠে বৃষ্টিতে ভিজতে যার আপত্তি থাকবেনা।” "সূর্যোদয় দেখাটা অত্যন্ত জরুরী। এই দৃশ্যটি মানুষকে ভাবতে শিখায়। মন বড় করে।"

উচ্চবিত্ত পরিবার নিয়ে লিখা থাকলেও গল্পের আসল আকর্ষন একটি মধ্যবিত্ত পরিবারকে ঘিরে যেখানে সুখ দু:খ সব কিছুই আছে। গল্পটি বেশ বড়, খুবই সাধারন কিন্তু খুবই ভাল লাগার মত একটি গল্প। হুমায়ূন আহমেদ কোন যাদু বলে মানুষকে নিজের গল্পে এমন আকর্ষিত করতে পারে আমার জানা নেই। তবে বইটি পড়তে পড়তে মনে হয়েছিল আমি নিজেই ঐ পরিবারের একটি সদস্য। এই গল্প কখনো শেষ হবার নয় এটি এমন একটি গল্প যা অবিরাম চলতেই থাকে…
এটি এক একান্নবর্তী পরিবারের গল্প, যেখানে স্বামী , স্ত্রী , মামা শশুর, শাশুড়ি ইত্যাদি অগুনতি চরিত্র মনে রাখা কিছুটা কষ্টকর ই বটে। হুমায়ুন আহমেদ মানেই জীবন ঘনিষ্ট গল্প। এ পরিবারের কর্তাটি বেশ ভালো মানুষ , একটু স্বল্পভাষী। তার স্ত্রী সংসারের হাল ধরতে চাকরি শুরু করেন। স্ত্রী র দেবর আর ননদের সাথে ও সম্পর্ক বেশ। তবে এ পরিবারটি ঠিক অর্থনৈতিক ভাবে অতটা উপরে নয় , কখনো কখনো ভাত দিয়ে খাবার ডিম্ ভাজা ও থাকেনা। অনেক রকম ঘটনার মধ্যে দিয়ে গল্প এগিয়ে চলে ,আর পাঠক কে দেখায় জীবনের নানা টানা পড়েন। রিভিউ তে গোটা গল্পটি দিয়ে মজা নষ্ট করতে চাইনা। গল্পটি অসম্ভব ভালো বলেই আশির দশকে এই গল্পটি নিয়ে দর্শক নন্দিত একটি নাটক নির্মিত হয়েছিল। এ উপন্যাসের শেষে শিশু চরিত্র টুনি রমৃত্যু আমাকে খুব কষ্ট. দিয়েছে।
অসাধারন






















