

Buy দুই জান্নাত : পরকালের জান্নাতের আগে দুনিয়ার জান্নাতে বাস করুন। Online in Bangladesh
লেখক: ড. খালিদ আবু শাদি
- Author: ড. খালিদ আবু শাদি
- Publisher: মুহাম্মদ পাবলিকেশন
- Number Of Pages: 176
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2021
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
এই দুনিয়ায় প্রাপ্ত নিয়ামতের মাঝে ইমান হলো সবচেয়ে বড় নিয়মাত। এর কোনো তুলনা নেই। এটি সবচেয়ে বড় সফলতা। এটিই সফলতার মাপকাঠি। ইমানের সুবাতাস যখন কোনো বান্দার হৃদয়ে বয়ে যায়, সে হৃদয় পুলকিত হয়। ইমানি শক্তিতে বলিয়ান হয় সে হৃদয়। তখন বান্দা প্রতিটি কাজে-কর্মে, কথা-বার্তায় ইমানের সুখ ও সৌভাগ্যের আনন্দ অনুভব করে। মুমিন বান্দার জন্য দুটি জান্নাত। যদি সে তার দ্বিতীয় জান্নাতে প্রবেশ না করে, তবে প্রথমটিতে প্রবেশ করতে পারবে না। যেমন ইবনে তাইমিয়া রাহিমাহুল্লাহ বলেন, এই দুনিয়ার বুকে একটি জান্নাত রয়েছে। যে তাতে প্রবেশ করতে পারেনি, সে আখেরাতের জান্নাতেও প্রবেশ করতে পারবে না। আর দুনিয়ার জান্নাত হলো, ইমান। হ্যাঁ, খাঁটি ইমান আমাদেরকে নিশ্চয়তা দেয় সুখময় জীবনের। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘মুমিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি সৎকর্ম করবে, সে পুরুষ হোক কিংবা নারী, আমি অবশ্যই তাকে উত্তম জীবন দান করবো। তাদেরকে তাদের উৎকৃষ্ট কর্ম অনুযায়ী অবশ্যই প্রতিদান দেবো।’ ‘দুই জান্নাত : আখিরাতের জান্নাতের আগে দুনিয়ার জান্নাতে বাস করুন’ গ্রন্থটি পাঠকে সে সুখময় জীবন পথ দেখাবে বলে আশা করি।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

আমরা সবাই দুনিয়াতে সুখ-শান্তি লাভ করতে চাই । এখন যদি আমি বলি দুনিয়াতেই জান্নাতের সুখ পাওয়া সম্ভব! কথাটি অনেকেই হয়তো বিশ্বাস করবেন না কিন্তু বাস্তবেই দুনিয়াতে জান্নাতের সুখ পাওয়া সম্ভব । কিভাবে? জানতে হলে দুই জান্নাত বইটি পড়তে হবে। গ্রন্থটিতে লেখক বিভিন্ন ইবাদত-আমলের মাধ্যমে, পাপের কথা গোপন রাখার মাধ্যমে, উপকারী বই পড়ার মাধ্যমে সহ দুনিয়াতে শান্তি অর্জনের অনেকগুলো উপায় বর্ণনা করেছেন । ধন সম্পদের সঠিক ব্যবহার, সময়ের সঠিক ব্যবহার বইটির অন্যতম আলোচ্য বিষয়। আলোচনার সাথে বিভিন্ন মনীষীর জীবন থেকে অনেক চমৎকার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে । বইটি যদি কেউ যথাযথভাবে অনুসরণ করে তাহলে তিনি দুনিয়াতেই জান্নাতের সুখ লাভ করতে সক্ষম হবেন ইনশাআল্লাহ।

জীবনে একটুখানি সুখ সবারই কামনা। কেউ চায় উপস্থিত পার্থিব শান্তি, কেউ চায় পরকালের চিরশান্তি। এই শান্তির খোঁজে কেউ বেছে নেয় ভোগ-বিলাসের জীবন, কেউ বেছে নেয় প্রভু নির্দেশিত সুন্দর স্বাভাবিক সংগ্রামী জীবন। পার্থিব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য যারা বেছে নেয় প্রকৃত অর্থে তারা এ জীবনেও সুখী হতে পারে না। সাময়িক আনন্দ-ফুর্তি তাদেরকে চিরসুখী হতে দেয় না। লাগামহীন ভোগ-বিলাস তাদের জন্য কেবল পরিতাপেরই কারণ হয়। বস্তুত প্রকৃত শান্তি হলো ইসলামে। এ সত্যটা আমরা মেনে নিতে পারিনা। "দুই জান্নাত: আখেরাতের জান্নাতের আগে দুনিয়ার জান্নাতে বাস করুন" - কুরআন, হাদিস এবং সালাফদের জীবনকথা থেকে আহরিত মণি-মুক্তায় পরিপূর্ণ এই বইটি পাঠককে চিরসত্যটাই উপলব্ধি করাবে ইনশা-আল্লাহ!
মুমিন বান্দার জন্য দুটি জান্নাত। যদি সে তার প্রথম জান্নাতে প্রবেশ না করে, তবে দ্বিতীয়টিতে প্রবেশ করতে পারবে না। যেমন ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ বলেন, এই দুনিয়ার বুকে একটি জান্নাত রয়েছে। যে তাতে প্রবেশ করতে পারেনি, সে আখিরাতের জান্নাতেও প্রবেশ করতে পারবে না। আর দুনিয়ার জান্নাত হলো ঈমান। ঈমান হলো সবচেয়ে বড় নিয়ামত। মানুষ হিসেবে আমাদের অনেক দুর্বলতা রয়েছে। আমলেও রয়েছে আমাদের কমতি। আমাদের ইবাদতেও রয়েছে অনেক ঘাটতি। আল্লহ তা'আলা চান আমরা যেন সে ঘাটতি পূরণ করি। আমরা যেন তাঁর দিকে ফিরে যাই। সম্মানিত লেখক ড. খালিদ আবু শাদি রচিত ❝দুই জান্নাত : আখিরাতের জান্নাতের আগে দুনিয়ার জান্নাতে বাস করুন ❞ প্রতিটি পাঠকহৃদয়কে সে সুখময় জীবনের পথ দেখাবে বলে আশা করি। বইটি প্রকাশের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কবুল করুন। আমীন

জান্নাত কি শুধু পরকালেই হয়? না !বরং দুনিয়াতে জান্নাতের সুখ উপভোগ করা সম্ভব। কিভাবে? টাকা-পয়সার মাধ্যমে? না ।বরং হালাল উপায়ে। কি ভাবছেন ? কিভাবে সম্ভব?এ নিয়েই একটি অনন্য গ্রন্থ রচনা করেছেন মিশরের বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ড.খালিদ আবু শাদি। তিনি ইসলামি দিক নির্দেশনার আলোকে দুনিয়ার এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে জান্নাতি সুখ লাভের উপায়-উপকরণ তুলে ধরেছেন। এ বইটি পড়ে যেমনি দুনিয়াতে সুখ শান্তিতে বসবাস করা যাবে তেমনি লাভ করা যাবে পরকালে চির সুখের জান্নাত। তিনি অনেক বিস্ময়কর কাহিনি বর্ণনা করেছেন যা আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়। সকল মুসলিম ভাই ও বোনদের বইটি পড়া উচিত বলে আমি মনে করি।
মুমিন বান্দার জন্য দুটি জান্নাত। একটি দুনিয়াতে ও অপরটি আখিরাতে। দুনিয়ার জান্নাত হলো-ঈমান। যা হাসিল না হলে, অপরটি লাভের আশায় গুড়েবালি। গ্রন্থের মূল বিষয়বস্তু এটি হলেও ছোট মত গ্রন্থটি বিপুল তথ্যের ভান্ডার। সকল বান্দাই গুনাহগার। কিন্তু গুনাহর সাগরে ডুবে থাকা নিন্দনীয় ও পরিতাজ্য। ধীরে ধীরে গুনাহগার ব্যক্তি যখন আল্লাহর রহমতে নিরাশ ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে, বান্দা ভালো কাজ ছেড়েই দেয়। তেমন ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ। কারণ, আল্লাহর রহমতের দুয়ার সর্বদা খোলা রয়েছে। জান্নাতের সুখময় বর্নণা, আর আল্লাহর ক্ষমাশীলতার কথা সবিস্তারে জানার পর কেউ নিরাশ হয় না। বাস্তবঘটনার আলোকে নসীহা ও চরিত্রের উন্নয়ন ও বিকাশের অনন্য সুযোগ।























