

Buy মর্নিং মেসেজ : ফজরময় জীবনে পরিবর্তনের বার্তা Online in Bangladesh
লেখক: ইফতেখার সিফাত
- Author: ইফতেখার সিফাত
- Publisher: সিজদাহ পাবলিকেশন
- Isbn: 978-984-29397-0-9
- Number Of Pages: 224
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, January 2026
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
যদি দিন শুরু করার পর আপনার মনে হয়, অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে গেল, কাজের কাজ কিছুই হলো না, তবে এই বইটি আপনার জন্য। যদি আপনি নিজের গতানুগতিক জীবনটা বদলাতে চান, কিন্তু সকালটা ঘুমে কাটিয়ে দেন, তবে এই বইটি আপনার জন্য।বস্তুত ভোরের স্নিগ্ধ পরশ থেকে দূরে থাকার ফলে আমরা নিজেদের জীবনটা বদলাতে পারি না। থেকে যাই সেই মলিন প্রান্তরে, যেখানে নেই কোনো প্রোডাক্টিভিটি, নেই সৃষ্টিশীল কোনো চিন্তা। ঠিক এই সমস্যার সমাধান নিয়েই মাওলানা ইফতেখার সিফাত হাফিজাহুল্লাহ রচনা করেছেন চমৎকার এই গ্রন্থটি।বইটিতে মোট ৩০টি ভিন্ন ভিন্ন টপিকে আলোচনা করা হয়েছে। কীভাবে আপনার সকালকে স্বচ্ছ, সুন্দর ও প্রোডাক্টিভ বানানো যায়, তারই এক পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন এই বইটি। লেখক এখানে শুধু তাত্ত্বিক কথা বলেননি, বরং দেখিয়েছেন ফজরের সময়টি কেন আমাদের জন্য এক মহান নেয়ামত। এই ৩০টি সবকের মাধ্যমে আপনি প্রতিদিন নিজেকে একটু একটু করে বদলে নেওয়ার প্রেরণা পাবেন। তাই আপনি যদি নিজেকে ডিসিপ্লিনড করতে চান, নিজের চিন্তা-চেতনাকে আরও উন্নত করতে চান, নিজের অর্জন ও প্রাপ্তিকে বৃদ্ধি করতে চান এবং দিনশেষে সফলতার হাসি হাসতে চান, তবে ‘মর্নিং মেসেজ’ বইটি হতে পারে আপনার নিত্যদিনের সঙ্গী।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
আলহামদুলিল্লাহ। বইটি পড়া শেষ করলাম। এক কথায় অসাধারণ। লেখকের সাবলিল উপস্থাপনা পড়ার ক্লান্তিকে দূর করেছে। ৩০ টি টপিক দ্বারা ফজরের বরকতময় সময়ের বিষয়টি পাঠকদের কাছে লেখক সফলতার সাথে তুলে ধরেছেন। আমি মনে করি বইটি শুধু পড়ে এর থেকে ফায়দা হাসিল করা সম্ভব নয়। পড়ার সাথে সাথে এর প্রত্যেকটি টপিক ধরে অনুশীলন করে নিজের জীবনে বাস্থবায়ন করতে পারলেই কেবল লেখকের লেখনি সার্থক হবে বলে আমি মনে করি। আমি নিজেও চেষ্টা করছি এই বই থেকে পরিপূর্ণ ফায়দা হাসিল করে নিজের জীবনকে ফজরময় এবং বরকতময় করার জন্য।
ভোরকেন্দ্রীক লাইফস্টাইলে ফজর পরবর্তী আমল কেবল কিছু নফল ইবাদতের নাম নয়; এটি আসলে মানুষের সময়বোধ, আত্মশাসন ও চিন্তার কাঠামো বদলে দেওয়ার এক শক্তিশালী ব্যবস্থা। আমি বিষয়টিকে তিনটি স্তরে দেখি—রূহানি, মানসিক ও বাস্তব জীবনব্যবস্থাপনা। কিন্তু এই সম্পর্কিত কয়টি বই বা গাইডলাইন আপনি পেয়েছেন? আমি হাতে গোনা যা কিছু মোটিভেশনাল বই পড়েছি, তার সবগুলোই ছিল নন-ইসলামিক। সকালকে প্রোডাক্টিভ করে তুলতে চাইলে আরেকটি অসাধারণ বইয়ের সন্ধান পেলাম বলে মনে হচ্ছে। আশার বাণী হলো ইসলামিক ঘরানার বই হলেও এই বই থেকে যে কোনো ধর্মের মানুষ উপকৃত হবেন বলে মনে হচ্ছে। বইটি হলো- লেখক ইফতেখার সিফাত এর ‘মর্নিং মেসেজ- ফজরময় জীবনে পরিবর্তনের বার্তা’। কী আছে বইটিতে? -সকালকে কেন্দ্র করে কিছু অভ্যাস বা বার্তা -ভোরবেলায় ওঠার বরকত, যা দিনভর কাজে ও সময়ে বরকত দেবে -পরিকল্পনামাফিক জীবনের শুরু -এ সংক্রান্ত বিষয়ে সালাফদের অমূল্য ও উক্তি বা বাণী জীবনে আমূল পরিবর্তনে অভ্যাস, চিন্তা ও অনুপ্রেরণাতেও ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। তাই সমৃদ্ধি অর্জনে ৩০টি বার্তা রয়েছে। যাতে ঘুমের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে সকালে ঘুম থেকে উঠে কাজের সূচনা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আবার ঘুমাতে যাওয়ার ক্ষেত্রেও জীবনে নিয়মমাফিক রুটিনের কার্যকারী ভূমিকার উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। বইটি নিয়ে যদিও অল্পবিস্তর পড়ার সুযোগ হয়েছে, তবু আমি ইতিবাচক আশাবাদী। লেখকের লেখার সাথে পূর্বেই পরিচিত থাকায় আশার পারদ আরও উপরে উঠেছে। কন্টেন্ট আর প্রচ্ছদেও চোখ আটকে গেছে। বহু টার্ম ও মেথডলোজি নিয়েও আলোচনা রয়েছে। তাই জানার আছে অনেক কিছু- বলে মনে হয়েছে। সেই আগ্রহ থেকেই বইটি পুরোপুরি পড়ার জন্য মুখিয়ে থাকবো। #মর্নিং_মেসেজ_রকমারি_ওয়াফিলাইফ_রেটিং_ও_রিভিউ_প্রতিযোগিতা
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন— 'হে আল্লাহ! আমার উম্মতের জন্য তাদের সকালের সময়ের মধ্যে বরকত দিন।' (তিরমিজি: 1212) এই দুআ আমাদের জানিয়ে দেয়—সকাল শুধু দিনের শুরু নয়, বরং বরকতের দরজা। ভোরের সময় মানুষের মন সবচেয়ে শান্ত, চিন্তা সবচেয়ে স্বচ্ছ এবং গ্রহণক্ষমতা সবচেয়ে বেশি থাকে। ‘মর্নিং মেসেজ’ বইটি সেই বরকতময় সময়কে কাজে লাগানোর পথ দেখায়—নিজেকে গুছিয়ে নেওয়া, চিন্তাকে শুদ্ধ করা এবং দিনটিকে অর্থবহভাবে শুরু করার জন্য। ৩০টি বাস্তব সবকে ফজরময় জীবন বদলের পূর্ণ গাইড বলতে পারেন। আব্বু সব সময় বলেন 'সকাল বদলাও—জীবন বদলে যাবে' ইনশাআল্লাহ। আসুন বইটা পড়ি, বেশি বেশি তাওবা করি আর প্রতিজ্ঞা করি নিজেকে বদলানোর।
"মর্নিং মেসেজ" নাম টা শুনেই মনে হচ্ছে সকালের জন্য কোনো বার্তা দেওয়া হচ্ছে।ইফতেখার সিফাত হাফিজহুল্লাহর নতুন বই "মর্নিং মেসেজ" এ মুসলিমদের জন্য সকালের লাইফ স্টাইল গাইডলাইন দেওয়া রয়েছে।এটা মুসলিমদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ নাসীহ যুক্ত বই মাশাআল্লাহ। আন্তর্জাতিক বইগুলোর বিষয়বস্তুর মধ্যেও মর্নিং মেসেজ পরিচিত মুখ। অনেকেই ভোরের সময়টা অবহেলায় কাটাই।কিন্তু ভোরবেলা খুবই বরকতময় সময় ।এই সময়টা আমলের মাধ্যমে কাটাতে পারলেই সফলতা অর্জন সম্ভব।আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্য লাভ করা সম্ভব।বইটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাশাআল্লাহ।সবার পড়া উচিত। বই : মর্নিং মেসেজ লেখক : ইফতেখার সিফাত প্রকাশনী : সিজদাহ প্রকাশনী
রিভিউ মর্নিং মেসেজ শর্ট পিডিএফ "যদি তুমি তোমার সকালকে জয় করতে পারো, তবে তুমি তোমার পুরো দিনটাকে জয় করে ফেললে।" কথাটা গভীরভাবে তারাই সবচেয়ে বেশি হয়তো উপলব্ধি করে যারা হঠাৎ হঠাৎ ভোরে ঘুম থেকে উঠতে পারে, আর সেই দিনটা তাদের অন্যান্য দিনের চাইতে প্রোডাক্টটিভ হয়, অলসতায় ভরা না হয়ে। "নৌকার পাল কে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে যেমন নৌকা সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাবে, আপনার জীবনের সকালগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে জীবনও সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাবে।" কথাগুলো আমরা জানি তবে, যখন নতুন ভাবে জানি, তাও এমন এক সময় যখন আমার এই বিষয়ে গভীরভাবে উপলব্ধি প্রয়োজন নিজেকে নতুন ভাবে গড়ার জন্য, এলোমেলো জীবনটাকে সঠিক গতিপথে নিয়ে আসার জন্য যখন দিক বিদিক ছুটে ঘুরে বেড়াই একটি সমাধানের জন্য তখন এই কথাগুলু নতুন হয়ে ধরা দেয়। ভিন্নভাবে চিন্তার খোরাক যোগায়। "দিনের শুরুটা যৌবনের মত, আর শেষটা বার্ধক্যের মত" কথাটা আমার বর্তমান পরিস্থিতি আর অনুভূতিকে স্মরণ করিয়ে দিল। যেমন আজ দেরিতে ঘুমানোর ফলে দেরিতে ঘুম থেকে জেগে উঠে এখন পর্যন্ত কেবলমাত্র একটি কাজ করতে পেরেছি তা হলো এই শর্ট পিডিএফ পড়া আর তার রিভিউ লিখা। "ঘুম থেকে জাগার প্রথম ঘন্টাটি হচ্ছে দিনের রাডার। যদি আমি ঘুম থেকে জাগার প্রথম ঘন্টা তে অলস ও এলোমেলো হই, তবে সারাদিন একটি অলস ও নিষ্প্রভ দিন কাটানোর প্রবণতা থাকবে। কিন্তু আমি যদি দিনের প্রথম ঘন্টা প্রডাক্টিভ করতে পারি, তাহলে বাকিটুকু এরকমই কাটবে" দেরিতে ঘুম থেকে জাগার ফলে প্রথম ঘন্টা অলসতা কাটবে এটাই স্বাভাবিক। প্রথম ঘন্টার এলোমেলো রুটিন, কি রেখে কি করব এই চিন্তা, যে কাজ করতে দশ মিনিট লাগে সেই কাজে তখন ২০ মিনিটেরও বেশি লাগে। ফলাফল হলো ফজরময় দিন শুরু হলে যে কাজগুলো করা যায় তার চারভাগের একভাগ হয় সেটাও সম্পূর্ণ, অলসতার পূর্ণ। যার বাস্তব উদাহরণ আমি। দ্রুত ঘুমানো আর ঘুম থেকে ওটার কথাটা আমরা প্রায় ওহরহ শুনি। কিন্তু সব সময় সেটার গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধিতে আসে না। আর যখন এই উপলব্ধি আসে তখন কিভাবে এই অভ্যাসটা তৈরি হবে সেটা নিয়ে চিন্তা, আর যখন অভ্যাসটা তৈরি না হয় তখন চারপাশ থেকে আঁকড়ে ধরা হতাশা গুলোকে দূর করতে না পেরে মনের ভিতরে উঁকি দেয়া সামান্য উদ্দোম আর চেষ্টা দমে যায়। তখন এমন বইয়ের প্রয়োজন হয়। তবে এই বইটা তখনই পাঠক কাজে লাগাতে পারে যখন অন্তর থেকে গভীরভাবে এর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে। সকালে ঘুম থেকে উঠার উদ্দেশ্য যখন ঠিক থাকে তখন দিনটা অনুভব করা যায়। আর ভয় কিংবা বাধ্যবাধকতা নিয়ে ঘুম থেকে উঠলে সেই দিন কখনো আনন্দদায়ক হয় না। এই কথাগুলো যেন মনে হল অনেকগুলো চিন্তা কে দূর করে দিয়েছে। সামান্য একটা চিন্তা, সামান্য একটা উদ্দেশ্য কিভাবে দিনকে বদলে দিতে পারে এটা কখনো আগে চিন্তায় আসেনি। অজুর গুরুত্ব আর ব্যাখ্যা যে এতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা এর আগে কখনো এমন ভাবে চিন্তায় আসেনি। যখন আমরা সালাতের আগে অজু করতে যাই তখন ওযুর মাধ্যমে আমাদের সালাত পড়ার অভিপ্রায়টি নিশ্চিত হয়। কিন্তু কোন কাজের আগে ওযুর ফলে ওই কাজ সম্পর্কে অভিপ্রায়টি এতটা নিশ্চিত করতে পারে সেটা এর পূর্বে ধারণাকে আসেনি। শয়তানের দেয়া তিনটি গিট খোলার মাধ্যমে দিনের শুরুটা হয় এই জিনিসটা জানলাম। ফজরের নামাজ নিয়ে জানা থাকলেও ঘুম থেকে জাগার দোয়া আর ওযু যে দিন শুরুর জন্য এতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা তো কখনো কল্পনাতে আসেনি। কিন্তু এখন প্রশ্ন হল এই অভ্যাস কিভাবে তৈরি হবে? ফজর নিয়ে সবগুলো হাদিস জানা সত্ত্বেও কখনো এরকম নতুন অনুভূতি হয়নি যেটা এই বইয়ে ফজরের নামাজ নিয়ে লিখা হয়েছে। পাট আর শরীরচর্চা এই দুইটা জিনিস যাদের খুব বেশি প্রয়োজন, কেবল প্রয়োজন না, এটা একটা ট্রিটমেন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে যাদের জন্য , আমার মনে হয় তাদের এই বইটা পড়া উচিত। যেমন ইদানিংকালের প্রায় মেয়েদেরই পিসি ও এস আর থাইরয়েডের সমস্যা থাকে। মেন্টাল হেলথ এই সমস্ত পেশেন্টদের একদম নড়বড়ে। তাদের জন্য সকালের ব্যায়ামটা কতটা কাজের সেটা বলার বাহিরে। যাদের ও সি ডি আছে তাদের পাটের জন্য সকালের সময় খুবই কাজের। কেননা বারবার ভুলে যাওয়ার চিন্তা আর ভুলে যাওয়াটা কমে আসবে তখন। এতদিন শুধু মনে হয়েছে এই সমস্যা থেকে ঠিক কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায়। বইয়ের এই অংশটুকু পড়ার পরে মনে হল আমার পড়ার টাইমটা আগে ঠিক করতে হবে। আমার সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে কোরআনের তেলাওয়াতের জন্য সময় বের করতে না পারা মানুষগুলোর জন্য সকালের টাইমটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিলাওয়াতের জন্য সময় বের করতে না পারা আমি আবারো এটা পড়ার পর থেকে নিজেকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করেছি ফজলময় জীবন শুরু করার। কিন্তু দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে পারিনি এখনো। বইয়ের একটা অংশ "কখনো কখনো আমাদের মনে ভালো কোন কাজের ভাব আসে। দান করার ইচ্ছা কিংবা হঠাৎ গভীর রাতে উঠে নামাজ পড়ার তাগিদ। তখন আরেকটা চিন্তা মাথায় এসে থামিয়ে দেয় 'আজ করলে কাল পারবো তো? এমন ইবাদত করে লাভ কি যেটা ধরে রাখতে পারবো না।" এমন ইচ্ছা বহু মানুষেরই এসেছে আর অধিকাংশই হয়তো এরকমই ভেবেছে। পরবর্তীতে আর ওই একদিনের ইচ্ছাটা আর পূর্ণ হয়নি। তাদের জন্য এই বইটা আমার মনে হয় অনেক বড় একটা মনের ওষুধের কাজ করবে। পরিশেষে এই ২৪ পেজের প্রতিটা পেইজে আমি নিজের প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পেয়েছি। অল্প আমল করে স্থায়ী হওয়ার যে কথাগুলো বলা হয়েছে সেগুলো অনেক বার শুনেছি তবে এবার আরেকটু বেশি উপলব্ধি করলাম। হুট করে বেশি আমল শুরু করে আবার নাই হয়ে যাওয়ার বিষয়টা আমার সাথে একদম মিলে গেছে। এই বইটা আমার মতে সেই সমস্ত বোনদের জন্য খুবই উপকারী যারা সংসারের ব্যস্ততায় তেলাওয়াত করার সুযোগ পায় না, আমার মত ocd, পিসিওএস কিংবা ইদানিংকালে মেয়েদের হওয়া কমন রোগ গুলোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যায়ামের সময় টুকু পায় না কিংবা ব্যায়াম করলেও সেটা ততটা প্রোডাক্টিভ হয় না। তাদের জন্য দরকার যারা হুট করে অনেক আমল শুরু করে আবার হুট করে সব শেষ হয়ে যায়। যাদের রবের দরবারে খুব বেশি দোয়া প্রয়োজন কিন্তু দোয়া করার সময় পায়না কিংবা শেষ রাতে উঠতে পারে না তাদের জন্য এই বইটা আল্লাহ চাইলে মীরা কোলের মত কাজ করতে পারে । আমি খুব তাড়াহুড়ো করে পড়েছি এবং রিভিউ লিখেছি।আমি কখনো রিভিউ লিখিনি, তাই রিভিউ লিখা সম্পর্কে আমার কোন ধারণা নেই। লিখতে এসেছিলাম মর্নিং মেসেজ বইটা পাওয়ার জন্য কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ এই বইয়ের যে পেজগুলো পড়েছি পিডিএফ-এ প্রতিটা পাতায় আমি নিজের জন্য নতুন করে ভাবতে শিখেছি। রিভিউটা যে খুব ভালো হয়নি সেটা আমি জানি। শুধু নিজের উপলব্ধি থেকে যা মনে হয়েছে সেটাই লিখেছি। আমার মনে হয় যারা রিভিউ লিখবে তাদের এই সুন্দর রিভিউগুলো পাবলিকলি পোস্ট করলে বেটার হয়। এতে অনেকেই এই বই পাটের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে। মাত্র ২৪ টা পেইজে এত এত সমস্যার সমাধান! বাকি পেজগুলো হয়তো ফজরে ওটার ক্ষেত্রে সব প্রতিবন্ধকতা গুলোকে দূর করে দেয়ার জন্য একটা সাপ্লিমেন্ট হবে আল্লাহ চাইলে। আল্লাহ লেখক কে দুনিয়া এবং আখেরাতের উত্তম প্রতিদান যেন দেন। বলা হয়েছিল 20 মিনিট ব্যায় করে শর্ট পিডিএফ করার কথা আর আমার লাগছে দেড় ঘন্টা। আলহামদুলিল্লাহ রিভিউ মর্নিং মেসেজ শর্ট পিডিএফ "যদি তুমি তোমার সকালকে জয় করতে পারো, তবে তুমি তোমার পুরো দিনটাকে জয় করে ফেললে।" কথাটা গভীরভাবে তারাই সবচেয়ে বেশি হয়তো উপলব্ধি করে যারা হঠাৎ হঠাৎ ভোরে ঘুম থেকে উঠতে পারে, আর সেই দিনটা তাদের অন্যান্য দিনের চাইতে প্রোডাক্টটিভ হয়, অলসতায় ভরা না হয়ে। "নৌকার পাল কে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে যেমন নৌকা সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাবে, আপনার জীবনের সকালগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে জীবনও সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাবে।" কথাগুলো আমরা জানি তবে, যখন নতুন ভাবে জানি, তাও এমন এক সময় যখন আমার এই বিষয়ে গভীরভাবে উপলব্ধি প্রয়োজন নিজেকে নতুন ভাবে গড়ার জন্য, এলোমেলো জীবনটাকে সঠিক গতিপথে নিয়ে আসার জন্য যখন দিক বিদিক ছুটে ঘুরে বেড়াই একটি সমাধানের জন্য তখন এই কথাগুলু নতুন হয়ে ধরা দেয়। ভিন্নভাবে চিন্তার খোরাক যোগায়। "দিনের শুরুটা যৌবনের মত, আর শেষটা বার্ধক্যের মত" কথাটা আমার বর্তমান পরিস্থিতি আর অনুভূতিকে স্মরণ করিয়ে দিল। যেমন আজ দেরিতে ঘুমানোর ফলে দেরিতে ঘুম থেকে জেগে উঠে এখন পর্যন্ত কেবলমাত্র একটি কাজ করতে পেরেছি তা হলো এই শর্ট পিডিএফ পড়া আর তার রিভিউ লিখা। "ঘুম থেকে জাগার প্রথম ঘন্টাটি হচ্ছে দিনের রাডার। যদি আমি ঘুম থেকে জাগার প্রথম ঘন্টা তে অলস ও এলোমেলো হই, তবে সারাদিন একটি অলস ও নিষ্প্রভ দিন কাটানোর প্রবণতা থাকবে। কিন্তু আমি যদি দিনের প্রথম ঘন্টা প্রডাক্টিভ করতে পারি, তাহলে বাকিটুকু এরকমই কাটবে" দেরিতে ঘুম থেকে জাগার ফলে প্রথম ঘন্টা অলসতা কাটবে এটাই স্বাভাবিক। প্রথম ঘন্টার এলোমেলো রুটিন, কি রেখে কি করব এই চিন্তা, যে কাজ করতে দশ মিনিট লাগে সেই কাজে তখন ২০ মিনিটেরও বেশি লাগে। ফলাফল হলো ফজরময় দিন শুরু হলে যে কাজগুলো করা যায় তার চারভাগের একভাগ হয় সেটাও সম্পূর্ণ, অলসতার পূর্ণ। যার বাস্তব উদাহরণ আমি। দ্রুত ঘুমানো আর ঘুম থেকে ওটার কথাটা আমরা প্রায় ওহরহ শুনি। কিন্তু সব সময় সেটার গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধিতে আসে না। আর যখন এই উপলব্ধি আসে তখন কিভাবে এই অভ্যাসটা তৈরি হবে সেটা নিয়ে চিন্তা, আর যখন অভ্যাসটা তৈরি না হয় তখন চারপাশ থেকে আঁকড়ে ধরা হতাশা গুলোকে দূর করতে না পেরে মনের ভিতরে উঁকি দেয়া সামান্য উদ্দোম আর চেষ্টা দমে যায়। তখন এমন বইয়ের প্রয়োজন হয়। তবে এই বইটা তখনই পাঠক কাজে লাগাতে পারে যখন অন্তর থেকে গভীরভাবে এর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে। সকালে ঘুম থেকে উঠার উদ্দেশ্য যখন ঠিক থাকে তখন দিনটা অনুভব করা যায়। আর ভয় কিংবা বাধ্যবাধকতা নিয়ে ঘুম থেকে উঠলে সেই দিন কখনো আনন্দদায়ক হয় না। এই কথাগুলো যেন মনে হল অনেকগুলো চিন্তা কে দূর করে দিয়েছে। সামান্য একটা চিন্তা, সামান্য একটা উদ্দেশ্য কিভাবে দিনকে বদলে দিতে পারে এটা কখনো আগে চিন্তায় আসেনি। অজুর গুরুত্ব আর ব্যাখ্যা যে এতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা এর আগে কখনো এমন ভাবে চিন্তায় আসেনি। যখন আমরা সালাতের আগে অজু করতে যাই তখন ওযুর মাধ্যমে আমাদের সালাত পড়ার অভিপ্রায়টি নিশ্চিত হয়। কিন্তু কোন কাজের আগে ওযুর ফলে ওই কাজ সম্পর্কে অভিপ্রায়টি এতটা নিশ্চিত করতে পারে সেটা এর পূর্বে ধারণাকে আসেনি। শয়তানের দেয়া তিনটি গিট খোলার মাধ্যমে দিনের শুরুটা হয় এই জিনিসটা জানলাম। ফজরের নামাজ নিয়ে জানা থাকলেও ঘুম থেকে জাগার দোয়া আর ওযু যে দিন শুরুর জন্য এতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা তো কখনো কল্পনাতে আসেনি। কিন্তু এখন প্রশ্ন হল এই অভ্যাস কিভাবে তৈরি হবে? ফজর নিয়ে সবগুলো হাদিস জানা সত্ত্বেও কখনো এরকম নতুন অনুভূতি হয়নি যেটা এই বইয়ে ফজরের নামাজ নিয়ে লিখা হয়েছে। পাট আর শরীরচর্চা এই দুইটা জিনিস যাদের খুব বেশি প্রয়োজন, কেবল প্রয়োজন না, এটা একটা ট্রিটমেন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে যাদের জন্য , আমার মনে হয় তাদের এই বইটা পড়া উচিত। যেমন ইদানিংকালের প্রায় মেয়েদেরই পিসি ও এস আর থাইরয়েডের সমস্যা থাকে। মেন্টাল হেলথ এই সমস্ত পেশেন্টদের একদম নড়বড়ে। তাদের জন্য সকালের ব্যায়ামটা কতটা কাজের সেটা বলার বাহিরে। যাদের ও সি ডি আছে তাদের পাটের জন্য সকালের সময় খুবই কাজের। কেননা বারবার ভুলে যাওয়ার চিন্তা আর ভুলে যাওয়াটা কমে আসবে তখন। এতদিন শুধু মনে হয়েছে এই সমস্যা থেকে ঠিক কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায়। বইয়ের এই অংশটুকু পড়ার পরে মনে হল আমার পড়ার টাইমটা আগে ঠিক করতে হবে। আমার সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে কোরআনের তেলাওয়াতের জন্য সময় বের করতে না পারা মানুষগুলোর জন্য সকালের টাইমটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিলাওয়াতের জন্য সময় বের করতে না পারা আমি আবারো এটা পড়ার পর থেকে নিজেকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করেছি ফজলময় জীবন শুরু করার। কিন্তু দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে পারিনি এখনো। বইয়ের একটা অংশ "কখনো কখনো আমাদের মনে ভালো কোন কাজের ভাব আসে। দান করার ইচ্ছা কিংবা হঠাৎ গভীর রাতে উঠে নামাজ পড়ার তাগিদ। তখন আরেকটা চিন্তা মাথায় এসে থামিয়ে দেয় 'আজ করলে কাল পারবো তো? এমন ইবাদত করে লাভ কি যেটা ধরে রাখতে পারবো না।" এমন ইচ্ছা বহু মানুষেরই এসেছে আর অধিকাংশই হয়তো এরকমই ভেবেছে। পরবর্তীতে আর ওই একদিনের ইচ্ছাটা আর পূর্ণ হয়নি। তাদের জন্য এই বইটা আমার মনে হয় অনেক বড় একটা মনের ওষুধের কাজ করবে। পরিশেষে এই ২৪ পেজের প্রতিটা পেইজে আমি নিজের প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পেয়েছি। অল্প আমল করে স্থায়ী হওয়ার যে কথাগুলো বলা হয়েছে সেগুলো অনেক বার শুনেছি তবে এবার আরেকটু বেশি উপলব্ধি করলাম। হুট করে বেশি আমল শুরু করে আবার নাই হয়ে যাওয়ার বিষয়টা আমার সাথে একদম মিলে গেছে। এই বইটা আমার মতে সেই সমস্ত বোনদের জন্য খুবই উপকারী যারা সংসারের ব্যস্ততায় তেলাওয়াত করার সুযোগ পায় না, আমার মত ocd, পিসিওএস কিংবা ইদানিংকালে মেয়েদের হওয়া কমন রোগ গুলোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যায়ামের সময় টুকু পায় না কিংবা ব্যায়াম করলেও সেটা ততটা প্রোডাক্টিভ হয় না। তাদের জন্য দরকার যারা হুট করে অনেক আমল শুরু করে আবার হুট করে সব শেষ হয়ে যায়। যাদের রবের দরবারে খুব বেশি দোয়া প্রয়োজন কিন্তু দোয়া করার সময় পায়না কিংবা শেষ রাতে উঠতে পারে না তাদের জন্য এই বইটা আল্লাহ চাইলে মীরা কোলের মত কাজ করতে পারে । আমি খুব তাড়াহুড়ো করে পড়েছি এবং রিভিউ লিখেছি।আমি কখনো রিভিউ লিখিনি, তাই রিভিউ লিখা সম্পর্কে আমার কোন ধারণা নেই। লিখতে এসেছিলাম মর্নিং মেসেজ বইটা পাওয়ার জন্য কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ এই বইয়ের যে পেজগুলো পড়েছি পিডিএফ-এ প্রতিটা পাতায় আমি নিজের জন্য নতুন করে ভাবতে শিখেছি। রিভিউটা যে খুব ভালো হয়নি সেটা আমি জানি। শুধু নিজের উপলব্ধি থেকে যা মনে হয়েছে সেটাই লিখেছি। আমার মনে হয় যারা রিভিউ লিখবে তাদের এই সুন্দর রিভিউগুলো পাবলিকলি পোস্ট করলে বেটার হয়। এতে অনেকেই এই বই পাটের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে। মাত্র ২৪ টা পেইজে এত এত সমস্যার সমাধান! বাকি পেজগুলো হয়তো ফজরে ওটার ক্ষেত্রে সব প্রতিবন্ধকতা গুলোকে দূর করে দেয়ার জন্য একটা সাপ্লিমেন্ট হবে আল্লাহ চাইলে। আল্লাহ লেখক কে দুনিয়া এবং আখেরাতের উত্তম প্রতিদান যেন দেন। বলা হয়েছিল 20 মিনিট ব্যায় করে শর্ট পিডিএফ করার কথা আর আমার লাগছে দেড় ঘন্টা। আলহামদুলিল্লাহ রিভিউ মর্নিং মেসেজ শর্ট পিডিএফ "যদি তুমি তোমার সকালকে জয় করতে পারো, তবে তুমি তোমার পুরো দিনটাকে জয় করে ফেললে।" কথাটা গভীরভাবে তারাই সবচেয়ে বেশি হয়তো উপলব্ধি করে যারা হঠাৎ হঠাৎ ভোরে ঘুম থেকে উঠতে পারে, আর সেই দিনটা তাদের অন্যান্য দিনের চাইতে প্রোডাক্টটিভ হয়, অলসতায় ভরা না হয়ে। "নৌকার পাল কে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে যেমন নৌকা সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাবে, আপনার জীবনের সকালগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে জীবনও সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাবে।" কথাগুলো আমরা জানি তবে, যখন নতুন ভাবে জানি, তাও এমন এক সময় যখন আমার এই বিষয়ে গভীরভাবে উপলব্ধি প্রয়োজন নিজেকে নতুন ভাবে গড়ার জন্য, এলোমেলো জীবনটাকে সঠিক গতিপথে নিয়ে আসার জন্য যখন দিক বিদিক ছুটে ঘুরে বেড়াই একটি সমাধানের জন্য তখন এই কথাগুলু নতুন হয়ে ধরা দেয়। ভিন্নভাবে চিন্তার খোরাক যোগায়। "দিনের শুরুটা যৌবনের মত, আর শেষটা বার্ধক্যের মত" কথাটা আমার বর্তমান পরিস্থিতি আর অনুভূতিকে স্মরণ করিয়ে দিল। যেমন আজ দেরিতে ঘুমানোর ফলে দেরিতে ঘুম থেকে জেগে উঠে এখন পর্যন্ত কেবলমাত্র একটি কাজ করতে পেরেছি তা হলো এই শর্ট পিডিএফ পড়া আর তার রিভিউ লিখা। "ঘুম থেকে জাগার প্রথম ঘন্টাটি হচ্ছে দিনের রাডার। যদি আমি ঘুম থেকে জাগার প্রথম ঘন্টা তে অলস ও এলোমেলো হই, তবে সারাদিন একটি অলস ও নিষ্প্রভ দিন কাটানোর প্রবণতা থাকবে। কিন্তু আমি যদি দিনের প্রথম ঘন্টা প্রডাক্টিভ করতে পারি, তাহলে বাকিটুকু এরকমই কাটবে" দেরিতে ঘুম থেকে জাগার ফলে প্রথম ঘন্টা অলসতা কাটবে এটাই স্বাভাবিক। প্রথম ঘন্টার এলোমেলো রুটিন, কি রেখে কি করব এই চিন্তা, যে কাজ করতে দশ মিনিট লাগে সেই কাজে তখন ২০ মিনিটেরও বেশি লাগে। ফলাফল হলো ফজরময় দিন শুরু হলে যে কাজগুলো করা যায় তার চারভাগের একভাগ হয় সেটাও সম্পূর্ণ, অলসতার পূর্ণ। যার বাস্তব উদাহরণ আমি। দ্রুত ঘুমানো আর ঘুম থেকে ওটার কথাটা আমরা প্রায় ওহরহ শুনি। কিন্তু সব সময় সেটার গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধিতে আসে না। আর যখন এই উপলব্ধি আসে তখন কিভাবে এই অভ্যাসটা তৈরি হবে সেটা নিয়ে চিন্তা, আর যখন অভ্যাসটা তৈরি না হয় তখন চারপাশ থেকে আঁকড়ে ধরা হতাশা গুলোকে দূর করতে না পেরে মনের ভিতরে উঁকি দেয়া সামান্য উদ্দোম আর চেষ্টা দমে যায়। তখন এমন বইয়ের প্রয়োজন হয়। তবে এই বইটা তখনই পাঠক কাজে লাগাতে পারে যখন অন্তর থেকে গভীরভাবে এর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে। সকালে ঘুম থেকে উঠার উদ্দেশ্য যখন ঠিক থাকে তখন দিনটা অনুভব করা যায়। আর ভয় কিংবা বাধ্যবাধকতা নিয়ে ঘুম থেকে উঠলে সেই দিন কখনো আনন্দদায়ক হয় না। এই কথাগুলো যেন মনে হল অনেকগুলো চিন্তা কে দূর করে দিয়েছে। সামান্য একটা চিন্তা, সামান্য একটা উদ্দেশ্য কিভাবে দিনকে বদলে দিতে পারে এটা কখনো আগে চিন্তায় আসেনি। অজুর গুরুত্ব আর ব্যাখ্যা যে এতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা এর আগে কখনো এমন ভাবে চিন্তায় আসেনি। যখন আমরা সালাতের আগে অজু করতে যাই তখন ওযুর মাধ্যমে আমাদের সালাত পড়ার অভিপ্রায়টি নিশ্চিত হয়। কিন্তু কোন কাজের আগে ওযুর ফলে ওই কাজ সম্পর্কে অভিপ্রায়টি এতটা নিশ্চিত করতে পারে সেটা এর পূর্বে ধারণাকে আসেনি। শয়তানের দেয়া তিনটি গিট খোলার মাধ্যমে দিনের শুরুটা হয় এই জিনিসটা জানলাম। ফজরের নামাজ নিয়ে জানা থাকলেও ঘুম থেকে জাগার দোয়া আর ওযু যে দিন শুরুর জন্য এতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা তো কখনো কল্পনাতে আসেনি। কিন্তু এখন প্রশ্ন হল এই অভ্যাস কিভাবে তৈরি হবে? ফজর নিয়ে সবগুলো হাদিস জানা সত্ত্বেও কখনো এরকম নতুন অনুভূতি হয়নি যেটা এই বইয়ে ফজরের নামাজ নিয়ে লিখা হয়েছে। পাট আর শরীরচর্চা এই দুইটা জিনিস যাদের খুব বেশি প্রয়োজন, কেবল প্রয়োজন না, এটা একটা ট্রিটমেন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে যাদের জন্য , আমার মনে হয় তাদের এই বইটা পড়া উচিত। যেমন ইদানিংকালের প্রায় মেয়েদেরই পিসি ও এস আর থাইরয়েডের সমস্যা থাকে। মেন্টাল হেলথ এই সমস্ত পেশেন্টদের একদম নড়বড়ে। তাদের জন্য সকালের ব্যায়ামটা কতটা কাজের সেটা বলার বাহিরে। যাদের ও সি ডি আছে তাদের পাটের জন্য সকালের সময় খুবই কাজের। কেননা বারবার ভুলে যাওয়ার চিন্তা আর ভুলে যাওয়াটা কমে আসবে তখন। এতদিন শুধু মনে হয়েছে এই সমস্যা থেকে ঠিক কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায়। বইয়ের এই অংশটুকু পড়ার পরে মনে হল আমার পড়ার টাইমটা আগে ঠিক করতে হবে। আমার সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে কোরআনের তেলাওয়াতের জন্য সময় বের করতে না পারা মানুষগুলোর জন্য সকালের টাইমটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিলাওয়াতের জন্য সময় বের করতে না পারা আমি আবারো এটা পড়ার পর থেকে নিজেকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করেছি ফজলময় জীবন শুরু করার। কিন্তু দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে পারিনি এখনো। বইয়ের একটা অংশ "কখনো কখনো আমাদের মনে ভালো কোন কাজের ভাব আসে। দান করার ইচ্ছা কিংবা হঠাৎ গভীর রাতে উঠে নামাজ পড়ার তাগিদ। তখন আরেকটা চিন্তা মাথায় এসে থামিয়ে দেয় 'আজ করলে কাল পারবো তো? এমন ইবাদত করে লাভ কি যেটা ধরে রাখতে পারবো না।" এমন ইচ্ছা বহু মানুষেরই এসেছে আর অধিকাংশই হয়তো এরকমই ভেবেছে। পরবর্তীতে আর ওই একদিনের ইচ্ছাটা আর পূর্ণ হয়নি। তাদের জন্য এই বইটা আমার মনে হয় অনেক বড় একটা মনের ওষুধের কাজ করবে। পরিশেষে এই ২৪ পেজের প্রতিটা পেইজে আমি নিজের প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পেয়েছি। অল্প আমল করে স্থায়ী হওয়ার যে কথাগুলো বলা হয়েছে সেগুলো অনেক বার শুনেছি তবে এবার আরেকটু বেশি উপলব্ধি করলাম। হুট করে বেশি আমল শুরু করে আবার নাই হয়ে যাওয়ার বিষয়টা আমার সাথে একদম মিলে গেছে। এই বইটা আমার মতে সেই সমস্ত বোনদের জন্য খুবই উপকারী যারা সংসারের ব্যস্ততায় তেলাওয়াত করার সুযোগ পায় না, আমার মত ocd, পিসিওএস কিংবা ইদানিংকালে মেয়েদের হওয়া কমন রোগ গুলোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যায়ামের সময় টুকু পায় না কিংবা ব্যায়াম করলেও সেটা ততটা প্রোডাক্টিভ হয় না। তাদের জন্য দরকার যারা হুট করে অনেক আমল শুরু করে আবার হুট করে সব শেষ হয়ে যায়। যাদের রবের দরবারে খুব বেশি দোয়া প্রয়োজন কিন্তু দোয়া করার সময় পায়না কিংবা শেষ রাতে উঠতে পারে না তাদের জন্য এই বইটা আল্লাহ চাইলে মীরা কোলের মত কাজ করতে পারে । আমি খুব তাড়াহুড়ো করে পড়েছি এবং রিভিউ লিখেছি।আমি কখনো রিভিউ লিখিনি, তাই রিভিউ লিখা সম্পর্কে আমার কোন ধারণা নেই। লিখতে এসেছিলাম মর্নিং মেসেজ বইটা পাওয়ার জন্য কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ এই বইয়ের যে পেজগুলো পড়েছি পিডিএফ-এ প্রতিটা পাতায় আমি নিজের জন্য নতুন করে ভাবতে শিখেছি। রিভিউটা যে খুব ভালো হয়নি সেটা আমি জানি। শুধু নিজের উপলব্ধি থেকে যা মনে হয়েছে সেটাই লিখেছি। আমার মনে হয় যারা রিভিউ লিখবে তাদের এই সুন্দর রিভিউগুলো পাবলিকলি পোস্ট করলে বেটার হয়। এতে অনেকেই এই বই পাটের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে। মাত্র ২৪ টা পেইজে এত এত সমস্যার সমাধান! বাকি পেজগুলো হয়তো ফজরে ওটার ক্ষেত্রে সব প্রতিবন্ধকতা গুলোকে দূর করে দেয়ার জন্য একটা সাপ্লিমেন্ট হবে আল্লাহ চাইলে। আল্লাহ লেখক কে দুনিয়া এবং আখেরাতের উত্তম প্রতিদান যেন দেন। বলা হয়েছিল 20 মিনিট ব্যায় করে শর্ট পিডিএফ করার কথা আর আমার লাগছে দেড় ঘন্টা। তারপর সেটা এখানেকপি পোস্ট করতে যে কত জামেলা! আলহামদুলিল্লাহ। অবশেষে রিভিউটা লিখতে পেরেছি অনেককে বিরক্ত করে























