ঠগির জবানবন্দি
বই কালেকশন

Buy ঠগির জবানবন্দি Online in Bangladesh

লেখক: ফিলিপ মেডোস টেলর

4.38
(20 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: ফিলিপ মেডোস টেলর
  • Publisher: সেবা প্রকাশনী
  • Isbn: 9841633108
  • Number Of Pages: 559
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2019
৳ 239৳ 2639% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

"ঠগির জবানবন্দি" বইয়ের পেছনের কভারে লেখা:ওদের কাছে মানুষ স্রেফ শিকার। ওদের জীবনের একটাই লক্ষ্য-মানুষ খুন! ওদের নেশা-মানুষ খুন! ওরা ঠগি। ভয়ঙ্কর এই সম্প্রদায় আজ থেকে কয়েকশাে বছর আগে দাপিয়ে বেড়াত ভারতবর্ষের সর্বত্র। সাধারণ পথচারীর ছদ্মবেশে পথিকদের সঙ্গে মিশে গিয়ে লুটে নিত তাদের সর্বস্ব। ওদের রুমালের ফাঁসে প্রাণ হারিয়েছে লক্ষ-লক্ষ নিরীহ মানুষ। নরহত্যা না করলে ওদের হাত নিশপিশ করত, ভাল ঘুম হত না! সেই ঠগিদেরই নৃশংস, নিষ্ঠুর, রােমাঞ্চকর জীবনের আখ্যান এ-বই। চলুন, পাঠক, আমির আলির সঙ্গী হয়ে ঘুরে আসি অতীত থেকে; নিজ চোখে দেখে আসি ভারতবর্ষের ত্রাস ঠগিদের কার্যকলাপ।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.38
(20 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
90%
4
10%
3
0%
2
0%
1
0%
Shahriar Kabir
Shahriar Kabir ভেরিফাইড
30 Apr 2025

সর্বশেষ কবে এরকম নিখুঁত অনুবাদ পড়েছি মনে করতে পারছি না। ধন্যবাদ লেখককে, ধন্যবাদ কৈশোরের বন্ধু সেবা প্রকাশনীকে।

Tanvir Siraj
Tanvir Siraj ভেরিফাইড
02 Mar 2024

‘ঠগির জবানবন্দি’ নামের অতি অদ্ভুত এবং গা গুলানো নৃশংস বইটা পড়ার পরে কিছু না লিখে রাখাটা অপরাধ হবে। খুন আর খুন! গলায় রুমাল পেঁচিয়ে বীভৎস কায়দায় খুন করা হচ্ছে ছেলে, বুড়ো, নারী সবাইকে; খুবই ঠান্ডা মাথায়। মধ্যযুগের ভারতের ঔপনিবেশিক রাজনৈতিক পালাবদলের মধ্যেই খুনগুলো হচ্ছে ভারতের সর্বত্র, ঠগি নামের এক গুপ্ত সংঘের মাধ্যমে। মারুফ হোসেন খুব ভালো অনুবাদ করেছেন বৃটিশ কর্নেল Philip Meadows Taylor এর ১৮৩৯ সালে প্রকাশিত Confessions of a Thug উপন্যাসের। আর অনুবাদ যখন আসে সেবা প্রকাশনীর মলাটে, সেটাকে আসলে দুর্বল অনুবাদ বলার কোন সুযোগ থাকে না। শব্দটা মূলত “ঠগি”ই, বৃটিশরা এটাকে Thug বলেছে, সরল বাংলায় এর অর্থ দাঁড়াতে পারে চোর বা ডাকাত। কিন্তু জিনিসটা এত সরল না। বিশেষ করে যখন এর পেছনে থাকে ধর্মবিশ্বাস এবং গুপ্ত ভ্রাতৃসংঘের মতো একটা সুসংগঠিত গোষ্ঠী। এরা মানুষ খুনের মাধ্যমে জীবিকা অর্জনকে কয়েকশ বছর ধরে পালন করে গেছে ধর্মীয় আচরণ হিসেবে! সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে, ঠগিদের মধ্যে হিন্দু বা মুসলমান উভয়ই আছে। যেহেতু এই বইয়ে আমির আলি নামের একজন মুসলিম ঠগির বর্ণনা এসেছে, সে বা তার অনুচারীরা বেশিরভাগই ধর্মাচারণে মুসলিম। কিন্তু তারা যখন কোন গুপ্ত কাজে বের হয়, তখন অবশ্যই বিজয়া দশমীর উৎসব পালনের পরেই বের হয়। এদিকে তারা জামাতে নামাজ পড়ে, মুসলিম রীতিতে সালাম দেয় একে অন্যকে। সবচেয়ে মজার বিষয়টা হলো, তারা ঠগিবৃত্তিকে যেহেতু ধর্মাচারণ হিসেবে পালন করে, তারা বিশ্বাস করে যে এই পেশা স্বয়ং দেবী ভবানির (বা কালীর) উপহার। পৃথিবীতে দুটি শক্তি বিরাজমান থাকে পাশাপাশি, সৃষ্টি শক্তি আর ধ্বংস শক্তি। শুধু সৃষ্টি শক্তিই রাজত্ব করতে থাকলে পৃথিবীতে প্রাণের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। এজন্য ধ্বংসের শক্তি দিয়ে দেবী ভবানি জন্ম দিল ঠগি সম্প্রদায়কে। তাদের কাজ হচ্ছে পথিককে খুন করে তার সম্পদ লুট করা। তারা এই খুনের কাজটা করে বিশেষ একপ্রকার রুমাল দিয়ে পথিকের গলা পেঁচিয়ে দম বন্ধ করে। এর আগে তারা কয়েকদিন ধরে পথিকের সাথে বন্ধুত্ব করে, তার কাছে নিজেকে পরম আপন ব্যক্তি হিসেবে প্রমাণ করে। সবকিছু শেষ হয় বীভৎস ভাবে খুনের মধ্যে দিয়ে। বইয়ের পটভূমি যে সময়টার (১৮ শতকের শেষ থেকে ১৯ শতকের শুরু) সে সময়ে মানুষ খুন সম্ভবত এখনকার মতো এত বড় ব্যাপার ছিল না। কেননা যেভাবে অবলীলায় একেক পর এক খুনের কথা এসেছে এই বইতে, পড়তে গিয়েই গা গুলাতে থাকে। খুনের প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি সময়ের সাথে সাথে অনেক পরিবর্তিত হয়েছে, বা হচ্ছে। পরিবর্তনশীল দৃষ্টিভঙ্গির এই বিষয় বুঝাতেই সম্ভবত লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি বলেছিলেন, “The time will come when men such as I will look upon the murder of animals as they now look on the murder of men.” তবে ধর্মীর রেষারেষি বা হিন্দু-মুসলিম দ্বন্দ্ব সেই ১৮-১৯ শতকেও ভালো ভাবেই ছিল। ভারত অঞ্চলের হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতির যে বয়ান, সেটা আসলে সাম্প্রদায়িক স্থিতিশীলতা রক্ষার রাজনৈতিক বয়ান, বাস্তবতা না। এজন্যই বইয়ে এক মৃত্যুপথযাত্রী ব্রাম্মণকে বলতে দেখা যায় যে, মুসলমানের হাতের জল পানের চেয়ে গোমূত্র পান করাও ভালো। কিংবা মুসলিম ঠগিরা হিন্দুদেরকে তাচ্ছিল্যভরে কাফের বলে ডাকছে (এদিকে মুসলিম হয়েও পূজা করছে কালীর, দেবীর নামে গুড়ের প্রসাদ খাচ্ছে, এ এক অদ্ভুতুড়ে ব্যাপার স্যাপার!)। এ বইয়ে বর্ণিত সেসময়ের মসলিন কাপড়ের প্রতি ঠগিদের লোভ, বা নতুন শালের প্রতি সম্ভ্রান্ত পুরুষালি মোহ তৎকালীন সংস্কৃতির খানিক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। আবার ধনাঢ্য ব্যক্তিরা ঠগিদের মদদ দিত, বিনিময়ে ঠগিরা দিত লুটের মালের ভাগ। এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি থেকে শুরু করে স্বয়ং আঞ্চলিক রাজাও এভাবে গোপনে সম্পদের মালিক হতো। সেক্ষেত্রে বর্তমান সময়ে মূল্যবোধের অবক্ষয় নামের যে হা-হুতাশ শোনা যায়, সেই ব্যাপারটাও কিন্তু প্রশ্নের মুখে পড়ে যায়। ধনবান হবার জন্য অন্যের সম্পদ লুট, খুন, ঘুষ, এগুলোই কি তবে ঐতিহাসিক সত্য না? অন্তত আজ থেকে ২০০-২৫০ বছর আগেও ঠিক এই বিষয়টাই কিন্তু ছিল। সেই সাথে এটাও বলা যায়, ইউরোপীয় উপনিবেশ এই ঠগিবৃত্তির জন্য দায়ী ছিল না। লুটপাটের যে দায় আমরা একচ্ছত্র ভাবে শুধু ইউরোপীয়দের ঘাড়ে চাপাই, সেখানে ঠগি বা লুটেরাদের উৎপত্তি সম্পূর্ণ ভাবেই স্থানীয় সংস্কৃতি থেকেই। এই বইয়ের একটা মজার দিক হলো, লেখক একজন ঠগির চোখ দিয়ে প্রায় সমগ্র ভারত ভ্রমণ করেছে। সেই সাথে ভ্রমণ হয়েছে ইতিহাসের পালাবদলে, কারণ তখন ইংরেজরা আস্তে আস্তে ভারতের সব অংশ দখল করে নিচ্ছে। আমির আলির হায়দ্রাবাদ ভ্রমণটা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করার মতো। দূর থেকে দেখে সাদা রঙের পাথুরে বাড়িগুলো আকর্ষণীয় লাগলেও পাহাড়ে ঘেরা শহরটা খুবই নোংরা আর গিঞ্জি। এই শহরেই হচ্ছে মোহররমের উৎসব। লোকজন মিছিল করছে, “হাসান! হুসেন! দুলা! দ্বীন! দ্বীন!” বলতে বলতে। এদিকে হাতির পিঠে চড়ে মিছিলে কড়ি ছড়াচ্ছে শহুরে ধনাঢ্যরা। ঠগি আমির আলি পিতার সাথে নামাজ পড়ছে হায়দ্রাবাদের মক্কা মসজিদে, কিছুটা দূরেই দেখা যাচ্ছে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো চারমিনার। মানুষ মিছিল করছে তাজিয়া নিয়ে। মিছিলে কিছু লোক সেজেছে বানরের বেশে, আবার কিছু লোক সেজেছে ভাল্লুকের বেশে। মিছিল শেষে সেই তাজিয়া ভাসিয়ে দেয়া হচ্ছে নদীতে। এই উৎসবটা কি কিছুটা বাংলাদেশের দূর্গাপূজার উৎসবের মতো? আসলে ইসলাম বা হিন্দু ধর্মের যে রূপ এই মুহূর্তে আমরা দেখছি, দুশো-আড়াইশ বছর আগের রূপটা তেমন ছিল না, এটা বলাই যায়। ফকির, ব্যবসায়ী, জমিদার- সবার মধ্যেই ঠগিদের লোক ছিল। সবাই ঘুষ খেতো আর খুন করে আনা টাকার ভাগ পেতো। ঘুষের সংস্কৃতিও খুব ভালোভাবেই ছিল সে যুগে। এজন্য বলা যায় যে মানুষ আসলে তার জীবদ্দশার খারাপ অভিজ্ঞতা থেকেই হাইপোথিসিস দেয়, “খুব কষ্টে আছি, বা আমাদের সময়কালটাই খুব খারাপ”। সত্যি বলতে মানুষ নামক প্রাণীটার স্পেশাল বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে ধূর্ততা, এবং দূর্নীতিপরায়ণতা। সকল যুগের মানুষের মাঝেই এটা ছিল, এবং একই পরিমাণেই ছিল। সত্য যুগের গল্প শুধু পুরাণেই পাওয়া যায়, বাস্তবে কখনো ছিল বলে প্রমাণ করা সম্ভব না। ঠগিদের সাথেই সমসাময়িক কালে আরো দুটো লুটেরা ভ্রাতৃসংঘের কথা উল্লেখ আছে এই বইতে। একটা পিন্ডারি, আরেকটা ডাকু বা ডাকাত। এরমধ্যে শুধুমাত্র ঠগিরাই ছিল নীরবঘাতক। মানুষ খুনের আগে তারা কোন সম্পদ ছিনিয়ে নিত না। বর্তমানে ছিনতাইয়ে যেমন অনেক সময় ভয় দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে জিনিস নিয়ে গিয়ে মানুষটাকে ছেড়ে দেয়, ঠগিদের ব্যাপারটা ছিল পুরো উলটো। সম্পদ থাকুক আর না থাকুক, তারা আগে মানুষটাকে হত্যা করবে, এরপর যদি কিছু পাওয়া যায়, তবে সেটা দখলে নেবে। মানুষ খুনই হচ্ছে ঠগিদের প্রধানতম মোটিভেশান, বাকী সব পরে! ঠগিদের একেকটা অভিযান স্থায়ী হতো বেশ কয়েক মাস। এই কয়েকমাসের লুটের টাকা এনে তারা আবার বেশ কয়েক মাস নিরীহ মানুষের ছদ্মবেশ নিয়ে গ্রামে বসে বসে খেতো। টাকা ফুরিয়ে এলে আবার বেরোত নতুন অভিযানে। আমির আলি ঠগির পাশাপাশি পিন্ডারি হিসেবেও একটা দলে যোগ দিয়েছিল। পিন্ডারিদের কাজ ছিল বিশাল সৈন্যদল নিয়ে গিয়ে শহর জ্বালিয়ে দেয়া, সম্পদ লুট করা। পিন্ডারিদের সর্দার চিতু পিন্ডারি একটা গোপন কথাও শোনায় আমির আলিকে। শহরের পর শহর লুটের মধ্য দিয়ে আসলে টিপু সুলতানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করছে তারা। ইংরেজ অধিভুক্ত হতে পারে এমন সম্ভাব্য শহরগুলোকে অর্থনৈতিক ভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে। এতে গোপনে সমর্থন আছে মহারাষ্ট্রের পাঠানদের। এই গল্পের ফাঁকেই এসেছে পাঠান নেতা বাজি রাওয়ের নাম, এবং হোলকারের নাম। ঠগি আমির আলি রাস্তায় চলাচলের সময় প্রায়ই নিজেকে হায়দ্রাবাদের নিজামের সৈনিক বলে পরিচয় দিত। এরকম বিভিন্ন রাজার সৈনিকদের জন্য ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ভ্রমণ করাটা সহজ ছিল অন্য কোন পরিচয় দেবার চেয়ে। আমির আলি স্থায়ী ভাবে বসবাস করতো মধ্যপ্রদেশে, জবলপুরের ঝালোনে। ঠগির কাজ করতে সে ঘুরে বেড়িয়েছে মাইলের পর মাইল- ইন্দোর, নাগপুর, আহমেদাবাদ, বুন্দেলখন্ড, লাখনৌ, এরকম উত্তর, মধ্য, ও দক্ষিণ ভারতের বিস্তৃত অঞ্চলে। তাই আমির আলির সাথে মধ্যযুগের বুনো ভারত দেখা হয়ে যায় বইটা পড়তে পড়তে। ১৮৩১-৩২ এর দিকে ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক বৃহদাকারে ঠগিদের উচ্ছেদ করতে থাকে। কারো হয় উন্মুক্ত ফাঁসিতে মৃত্যুদন্ড, কারো হয় কালাপানিতে নির্বাসন, আবার কেউ রাজস্বাক্ষী হিসেবে কাজ শুরু করে। এই গুপ্ত ভ্রাতৃসংঘের অস্তিত্ব কি এখনো আছে কোথাও? যারা বন্ধুর বেশে রুমাল নিয়ে বসে আছে গলায় পেঁচিয়ে কাওকে মেরে ফেলার অপেক্ষায়, দেবী ভবানীর নামে? বইটা শেষ করার পরে এটাই ছিল প্রথম অনুভূতি!

FOYSAL SHAHRIAR RATUL
FOYSAL SHAHRIAR RATUL ভেরিফাইড
09 Jul 2022

অসাধারন একটি বই। পড়ার জন্য রেকমেন্ড করবো।

Washim Bond
Washim Bond ভেরিফাইড
27 Jun 2022

সমস্যা একটাই আমির আলি ছিল মুসলিম, অথচ হিন্দুর জন্য বলি দিয়ে কাজ করে। অভারল কন্সেপ্ট ভালো৷ তাছাড়া হেব্বি বই।

Afsana AR.
Afsana AR. ভেরিফাইড
22 Jun 2022

A Must Read Book!!! Finally, I complete the book " Confession of a Thug" by Philip Meadows Taylor❤ and translated by Maruf Hossaein. Though this book is such a biographical & realistic book but it's full of thriller and mystery. This book is about a life of a thug named Amir Ali. You can find on this book, how Amir Ali became a thug and how he grew up with a thug named Ismail who was the murderer of his parents as well as you can explore the past history of Thug with Amir Ali...

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

প্রশ্ন

বইটি কবে নাগাদ অ্যাভেইলেবল হবে?

উত্তর

দুঃখিত, বইটা বর্তমানে ছাপা নেই। প্রকাশনীতে নতুন করে ছাপানো হলে তখন থেকে পাওয়া যাবে। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।

প্রশ্ন

বইটি কবে নাগাদ অ্যাভেইলেবল হবে?

উত্তর

দুঃখিত, বইটা বর্তমানে ছাপা নেই। প্রকাশনীতে নতুন করে ছাপানো হলে তখন থেকে পাওয়া যাবে। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)