

Buy দ্য কাইন্ড ওয়ার্থ কিলিং Online in Bangladesh
লেখক: পিটার সোয়ানসন
- Author: পিটার সোয়ানসন
- Publisher: গ্রন্থরাজ্য
- Isbn: 9789849504245
- Number Of Pages: 215
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2020
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
টেড সেভারসন একজন সফল এবং ধনী ব্যবসায়ী। তিন বছর আগে মিরান্ডা নামে এক রূপবতী মেয়ের সাথে তার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা একে অপরের প্রেমে পড়ে খুব শীঘ্রই বিয়ে করে ফেলে। বর্তমানে টেড তার ব্যবসার কাজে নানা জায়গায় ভ্রমণ করে আর মিরান্ডা মেইনের সমুদ্র সৈকতে তাদের নতুন বাসার ডিজাইনের কাজে ব্যস্ত থাকে। আপাত দৃষ্টিতে সব মধুর বলে মনে হলেও বাস্তবটা খুবই তেতো। হেথ্রো এয়ারপোর্টে বস্টনের এক ফ্লাইটে টেড এর পরিচয় হয় লিলি কিন্টারের সাথে। ক্ষণস্থায়ী আগন্তুক ভেবে টেড লিলির সাথে তার স্ত্রীর বিশ্বাসঘাতকতার কথা বলে দেয় যে কিভাবে এখন মিরান্ডা তার অনুপস্থিতিতে তাদের নতুন বাড়ির কনট্রাক্টর ব্র্যাড ডেগেটের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত। টেড গোপনে এসব জানতে পেরে এতটাই ক্ষিপ্ত যে সে তার স্ত্রীকে খুন করে ফেলতে চাইছে। লিলি তাকে সমর্থন দেয়। তার মতে এক সময় না এক সময় সবাইকেই মরতে হবে। সুতরাং এধরনের মানুষকে মৃত্যুর দিকে আগেই ঠেলে দেওয়াটা বরং সবার জন্যেই মঙ্গল হবে। এমন মানুষ খুন করার যোগ্য। এরপর আসলে কী হবে? লিলির উস্কানিতে কি সেভারসন খুন করবে তার স্ত্রীকে? আপনারও কি মনে হয় কিছু মানুষ খুন হওয়ার যোগ্য? উত্তর হ্যাঁ অথবা না হোক, আপনি কি বইয়ের শেষ পর্যন্ত নিজের মতে অটল থাকতে পারবেন?
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

Full of sex murder with every plot that engages the same story is bit ridiculous and somewhat boring But the story moves on after Teds murder You have to be patient to read this book but good read.

অসাধারণ বই,,, বইয়ের একদম শেষে আপনাকে নতুন করে চিনতে করে তুলবে ।।।
The past is never dead, it's not even past. -William Faulkner আপাতদৃষ্টিতে ধনকুবের টেড সেভারসনের জীবনে কোনোকিছুরই অভাব নেই। দু হাত ভরে টাকা উপার্জন করছে, সামনে সুন্দর ভবিষ্যত আর ঘরে সুন্দরী বউ। দেখতে শুনতে সুপুরুষ টেড নিজের ক্যারিয়ারে অত্যন্ত সফল হলেও স্ত্রী মিরান্ডার সামনে বাধ্য স্বামীর মতোই থাকে। মিরান্ডার ইচ্ছাতেই আলিশান বাড়ি বানানো শুরু করেছে সে। বানানো বলতে শুধু টাকা-পয়সার দিকটাই দেখছে বাকিটা নিজে তদারকি করছে মিরান্ডা। আধ-বানানো বাড়িতে কাজের ফাঁকে মিরান্ডাকে সারপ্রাইজ দিতে এসে নিজেই সারপ্রাইজড হয়ে গেলো টেড। ভালোবাসার মানুষ যখন চরম বিশ্বাসঘাতকতা করে তখন কি করা উচিত? চুপচাপ মেনে নিয়ে ডিভোর্স? নাকি রক্তের বদলে রক্ত? এয়ারপোর্ট ক্যাফেতে অপরিচিত ভেবে লিলি ক্লিন্টারের সাথে নিজের জীবনের এসব গল্পই করছিলো টেড। খুন করতে চায় ও নিজের স্ত্রীকে। কিন্তু কে জানতো লিলি যেচে এই খুনে সাহায্য করতে চাইবে ওকে! নিতান্তই মাতলামি থেকে শুরু হওয়া একটা গল্প আস্তেধীরে শাখা-প্রশাখা গজাবে বটগাছের মতো! Sit tight, this will blow your mind. প্রতিক্রিয়া থ্রিলারের সবগুলো সাব-জনরার মধ্যে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার লেখাটা আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন মনে হয়। তার উপর যদি আবার ফার্স্ট পার্সনে লেখা হয়। কেনো? ধরুন আমি একটা কাজ করলাম। একটা খুন করলাম। বাইরের লোকজন একটা কারণ জানবে। মিডিয়া ফলাও করে সেটা প্রচার করবে। কিন্তু আমি কিভাবে জানবো আমি কেনো কাজটা করলাম? ঐ মুহূর্তে আমার মাথায় কি চলছিলো? সাইকোলজিক্যাল বা মনস্তাত্ত্বিক জিনিসপত্র নিয়ে লেখালেখিতে সাধারণত এই ব্যাপারগুলোই উঠে আসে। এই অসম্ভব কঠিন কাজটা অত্যন্ত সুন্দর করেছেন পিটার সোয়ানসন। মোট তিনটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে পুরো বইকে। প্রতিটি ঘটনাই দু'জন চরিত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে বর্ণনা করা হয়েছে। ইন্টারেস্টিং না? তবে কিছু ব্যাপার আমার কাছে খুব বেশী কাকতালীয় মনে হয়েছে। মানে একটু বেশীই কাকতালীয়। সেসব লিখলে স্পয়লার হয়ে যাবে। "দ্য সাইলেন্ট পেশেন্ট" পড়ার পর এই বইয়ের প্রতি আগ্রহ এসেছিলো। দু'টোই পড়ার পর বলতেছি "দ্য কাইন্ড ওয়ার্থ কিলিং" ওয়ে বেটার। সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার জনরায় আমার পড়া সেরা। যদিও এই জনরার খু্ব বেশী কিছু পড়িনি। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে পুরো গল্পের ডার্ক থিম আর দুইটা পারসপেক্টিভ থেকে গল্প বলার ধরনটা। জাস্ট ব্রিলিয়ান্ট। অনুবাদ টিম ট্রান্সলেটর্সের প্রথম অনুবাদ পড়লাম। অনেস্টলি আমার ভালো লাগেনি। কারণ বলছি। প্রথম পেইজেই হিথ্রোকে হেথ্রো লেখা দেখলে অটোমেটিক একটা বাজে ইম্প্রেশন চলে আসে। কিন্তু, এবং, যদিও, ইতোমধ্যে এসব শব্দের যথেচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে। এডিটর কে ছিলেন জানিনা। তবে খুবই বাজে লেগেছে এসব ব্যাপার। কিছু কিছু শব্দ আছে যেগুলো ইংরেজীতে লেখাই ভালো। যেমন সমুদ্রের ভিউ/পাহাড়ের ভিউ। এখানে সমুদ্রের দৃশ্য লিখলে হয়তো বঙ্গানুবাদ হয় কিন্তু পড়তে ভালো লাগেনা। দু'একটা ব্যাপার যা মনে আছে সেগুলোই উল্লেখ করলাম শুধু। একদমই ভালো লাগেনি বলছিনা। বেশ কিছু রিভিউ দেখেছি সেগুলোতেই অনুবাদ ভালো বলা হয়েছে। আমার কাছেই সম্ভবত ভালো লাগেনি। গল্পটা খুবই ভালো তাই হয়তো অনেকের কাছে মনেই হবেনা অনুবাদে কমতি আছে। তবে অনুবাদ ভালো হলে এটা ১০/১০ পাবার মতো বই। প্রচ্ছদ এবং প্রোডাকশন প্রচ্ছদশিল্পীর নাম দেখলেই যথেষ্ট। কোনো কিছু বলার দরকার নাই। প্রচ্ছদ করেছেন সজল চৌধুরী। হইসে? প্রোডাকশন ভালো। এতো শক্ত বাঁধাই যে এক হাতে পড়া যায়না। দুই হাতে টেন ধরে রাখা লাগে। তবে পেইজ খুলে পড়ার চান্স নাই। ভালো নাকি খারাপ বুঝতেছিনা! সবশেষে মোটামোটি ডার্ক কনসেপ্ট সহ্য করার ক্ষমতা থাকলে এই বইটা নিয়ে বসুন। অনুবাদ একটু পেইন দিলেও গল্পের ফ্লো আপনাকে টেনে নিয়ে যাবে। আর "দ্য সাইলেন্ট পেশেন্ট" ফ্যান? This is a must read. Happy reading. বই : দ্য কাইন্ড ওয়ার্থ কিলিং লেখক : পিটার সোয়ানসন অনুবাদ : টিম ট্রান্সলেটর্স প্রকাশক : গ্রন্থরাজ্য দাম : ৩৫০ টাকা পেইজ : ২১৪
Lots of twists.. Awesome thriller.
বই : দ্য কাইন্ড ওয়ার্থ কিলিং জনরা : সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার লেখক : পিটার সোয়ানসন অনুবাদ : এস. এম. আই সোহান আমীনা মিম প্রচ্ছদ : সজল চৌধুরী প্রকাশনী : গ্রন্থরাজ্য পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২১৫ মুদ্রিত মূল্য : ৩৫০ কাহিনি সংক্ষেপঃ টেড সেভারসন, হিথ্রো এয়ারপোর্টে বসে মার্টিনি গিলছিল আর তার স্ত্রীর পরকীয়ার বিষাদে ডুবে ছিল। তার বস্টন ফ্লাইট ডিলেইড। হঠাৎই তার এসে পরিচিত হয় লিলি, যে তার স্ত্রীকে খুন করার বিষয়ে সাহায্য করতে চায়। কিন্তু এতে লিলির স্বার্থ কি? আপাত দৃষ্টিতে মাতাল এক ভাবনা বাস্তবে রুপ নিতে শুরু করে। সবারই রয়েছে অন্ধকার অতীত। আসলে কে খুন হওয়ার যোগ্য? পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ খুব সাধারণভাবে শুরু হওয়া ঘটনা যখন অসাধারণ কোন কিছুতে রুপ নেয়, তখন স্বাভাবিক ভাবেই সেটা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এই বইটাও ঠিক তাই। এয়ারপোর্টে বসে শুরু হওয়া এক মাতাল ভাবনা কোথায় পৌঁছে গেছে! গল্পে খুব বেশি টুইস্ট ছিল তা বলা যাবে না। তবে পাস্ট রিভিলেশনে চমক ছিল। যেটা একই সাথে ক্যারেক্টর ডেভেলপমেন্ট করতেও সাহায্য করেছে। আর মেজর টুইস্টগুলোর মধ্যে প্রথমটা হিট মি লাইক এ ট্রেন। এতোটাই অপ্রত্যাশিত ছিল যে পরের পৃষ্ঠাগুলো উল্টে দেখেছি এই আশায় যে একটু আগে যা পড়লাম সেটা নিশ্চয়ই ভুল ছিল। দ্বিতীয় টুইস্ট, আই ওয়াজ কাইন্ড অব এক্সপেক্টিং ইট। এছাড়া ব্যাক্তিগতভাবে আমি মনে করি বইটা আরও ৫/৭ পৃষ্ঠা আগেই শেষ করা উচিৎ ছিল অথবা আরও ১০ পৃষ্ঠা পর। কেমন যেন একটা অসম্পূর্ণ অনুভূতি ছিল। ভিন্নমত থাকতেই পারে। অনুবাদ করেছে টিম ট্রান্সলেটর্স। তাদের অনুবাদ আগে পড়িনি, তাই এক্সপেকটেশন ছিল লো। তার উপর যখন প্রথম পৃষ্ঠায় দেখলাম হিথ্রো উচ্চারণ লেখা হ্যাথ্রো এবং Awful এর অর্থ লেখা 'আজগুবি', তখন ভাবলাম হইছে কাজ! কিন্তু পরবর্তীতে অবাক হয়ে খেয়াল করলাম মর্নিং ডাজন্ট অলওয়েজ শোজ দ্য ডে। অনুবাদের মান এক কথায় অসাধারণ। শুধু একটা কথা বলতে চাই, বিদেশি শব্দের উচ্চারণের ব্যাপারে আরেকটু সতর্ক হওয়া যেতে পারে। যেমন এক জায়গায় Pint (পাইন্ট) এর উচ্চারণ লেখা ছিল পিন্ট। যাহোক, তাদের পরবর্তী অনুবাদ প্রজেক্টের জন্য শুভকামনা। বাধাই এবং পৃষ্ঠার মান বেশ ভালো। সজল চৌধুরীর প্রচ্ছদ একদম অন পয়েন্ট। ব্যাক্তিগত রেটিং : ৪/৫।























