

Buy দ্য রেড ফিঙ্গার Online in Bangladesh
লেখক: কেইগো হিগাশিনো
- Author: কেইগো হিগাশিনো
- Publisher: শিরোনাম প্রকাশন
- Number Of Pages: 208
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 2023
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
স্ত্রী, সন্তান এবং বয়স্ক মা'কে নিয়ে আর দশজন মাঝবয়সী পুরুষদের মতনই কাটছিল আকিও'র জীবনটা। এই বয়সে মাথায় নানারকম চিন্তা ঘুরপাক খেলেও সেগুলোকে বশ মানাতে জানে সে। কিন্তু এক সন্ধ্যায় অফিস থেকে বাড়ি ফিরে বদলে গেল সব হিসেব নিকেশ। বাচ্চা একটা মেয়ের মৃতদেহ বাড়ির উঠানে পড়ে থাকতে দেখে আকিও। স্ত্রী'র মুখে শোনে তাদের চৌদ্দ বছ বয়সী ছেলেই হত্যা করেছে মেয়েটাকে। সাথে সাথে পুলিশে ফোন দিতে উদ্যোত হয় আকিও, কিন্তু বেঁকে বসে তার স্ত্রী। ছেলেকে বাঁচানোর জন্যে বারবার অনুনয়-বিনয় করতে থাকে সে। এক পর্যায়ে তার কথা মেনে নিতে বাধ্য হয় আকিও। হত্যাকাণ্ডের সমস্ত আলামত লুকিয়ে ফেলতে হয়। কিন্তু তাদের জানা ছিলনা এই কেসের তদন্তভার বর্তাবে স্বয়ং কিয়োচিরো কাগার কাঁধে। ক্ষুরধার মস্তিষ্কের এই ডিটেকটিভের নজর এড়ায় না কিছুই। ব্যস, শুরু হয়ে যায় ইদুর-বেড়াল খেলা। কাগার সাথে রহস্য উদঘাটনের পথে পাঠকেরা বুঝতে পারবেন 'দ্য রেড ফিঙ্গার' নিছক কোন রহস্য উপন্যাস নয়, এরচেয়েও ঢের বেশি কিছু। মানব মনের অন্ধকার কোণগুলো থেকে ঘুরে আসার জন্য পাঠক আপনাকে নিমন্ত্রণ।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
Very good.
excellent
The Book is really Good . I thought this book won't be very much interesting but when I started to read it I literally sank into it.
বইয়ের নাম : দ্যা রেড ফিঙ্গার লেখক : কেইগো হিগাশিনো রূপান্তর : সালমান হক প্রচ্ছদ : ওয়াসিফ নূর শিরোনাম : শিরোনাম প্রকাশন প্রকাশকাল : জুলাই ২০২৩ মুদ্রিত মূল্য : ৪০০ টাকা "এ বাড়িতে একটা সত্য লুকিয়ে আছে । জিজ্ঞাসাবাদ করলেই সেই সত্যটা আপনাআপনি বেরিয়ে আসবে , তা নয় । এই বাড়ির বাসিন্দারাই আমাদের সেই সত্যের কাছে পোঁছে দেবে । ধৈর্য্য ধরো ।" পর্যালোচনা ও রেটিং : লেখনী : রেটিং :- ২.০/ ২ কেইগো হিগাশিনো'র লেখা বইগুলোর মধ্যে 'দ্যা রেড ফিঙ্গার' আমার পড়া দ্বিতীয় বই । তবে প্রথমে পড়া 'নিউকামার' এর চেয়ে 'দ্যা রেড ফিঙ্গার' বইয়ের লেখার ধরণ বেশি ভালো লাগছে । 'দ্যা রেড ফিঙ্গার' নিছক একটি রহস্যোপন্যাস না । সাধারণত রহস্যোপন্যাস এ দেখা যায় , অপরাধীর কে , সেটা সাসপেন্স হিসেবে থাকে । কিন্ত ''দ্যা রেড ফিঙ্গার' এ খুনি'র সাথে ফ্ল্যাপ এই পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় । । এই রহস্যোপন্যাসে সাসপেন্স হচ্ছে কিভাবে খুনির পরিবার পুলিশের থেকে খুনিকে আড়াল করবে আর ডিটেকটিভ কাগা কিভাবে খুনিকে শনাক্ত করবে । যেন ইঁদুর- বিড়ালের খেলা ।বইয়ে এক পরিবারের গল্প লেখা হয়েছে , যাদের মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধন তেমন নয় , যেমনটা একটা পরিবারের মাঝে থাকা প্রয়োজন । সেই পরিবারের ১৪ বছর বয়সী ছেলের এক ছেলের কাহিনী লেখা হয়েছে, যে একাকীত্বে ভোগে । সর্বোপরি , মানব মনের অন্ধকার কোণগুলো তুলে ধরা হয়েছে । বইয়ের অধিকাংশ অধ্যায়ের কিছু মুহূর্ত এতো সূক্ষ্মভাবে লেখক বর্ণনা করেছেন , যেকারণে কাল্পনিক গল্পটাও বাস্তব মনে হয়েছে । অনুবাদ কথন:১/১ সালমান হক ভাইয়ের অনুবাদে "থ্রি এ এম" সিরিজ পড়েছি বলে উনার অনুবাদ সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে । 'দ্যা রেড ফিঙ্গার' বইয়ের ক্ষেত্রেও তার সাবলীল অনুবাদ প্রদর্শন করেছেন । প্রোডাকশন : রেটিং :- .৫/.৫ 'শিরোনাম প্রকাশন' এর ৪ টা বই সংগ্রহ করেছি এবং ৩টা পড়েছি । কোনো বইয়ের প্রডাকশনে কোনো ক্রুটি পাইনি । এই বইয়ে ক্ষেত্রেও তার অন্তর্ভুক্ত । প্রচ্ছদ:রেটিং:- .৫/.৫ 'দ্যা রেড ফিঙ্গার' বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন ওয়াসিফ নূর ভাই । বইয়ের প্রচ্ছদ সাধারণত সেই বইয়ের কাহিনীকে উপস্থাপন করে । 'দ্যা রেড ফিঙ্গার' বইয়ের প্রচ্ছদে থাকা বাড়িটি হলো ক্রাইম স্পট ,সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি ২জন হলেন ডিটেকটিভ কাগা ও তার সহকর্মী এবং কাজিন মাতসুমিয়া । এছাড়াও বাকি বস্তুগুলো অপরাধ সম্পূর্ণ করা এবং ভিকটিম এর সাথে সম্পর্কিত । এবং লেখক পরিচিতির নিচে যে বৃদ্ধাকে দেখানো হয়েছে ,তিনিও গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ । স্পয়লার এড়াতে সেটা উল্লেখ করছিনা | বানান:রেটিং:-০.৬/১ বইয়ের শুধু বানানের দিকটাই , অর্থাৎ টাইপিং এর বিষয়টাই কমতি আছে । প্রচুর টাইপিং মিসটেক আছে । আমার মতে, স্পাই থ্রিলার বইয়ের ক্ষেত্রে টাইপিং মিসটেক বেশিই অসুবিধার বিষয় ।কোনো কোনো ক্ষেত্রে চরিত্রের নামও এলোমেলো হয়ে গেছে । চরিত্র: কাগা সিরিজে আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র ডিটেকটিভ কাগা । ভিকটিম-অপরাধীর পরিবারের এমন ভাবে মিশে কেস সল্ভ করেন যেন তার নিজেরই পরিবার । এই বিষয়টা আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে । কিছু সুন্দর কথা :- "বাইরে থেকে সব পরিবারকেই সাধারণ মনে হতে পারে , কিন্ত ভেতরের গল্পটা অন্য।" "একজন গোয়েন্দা কখনোই হুট করে সত্যটা জানতে পারে না । কখন এবং কিভাবে , এই প্রশ্ন দু'টোর উত্তর পাওয়াটা জরুরী ।" "একই ছাদের নিচে দীর্ঘ সময় ধরে আছে এমন দম্পতিদের মধ্যে আলাদা এক ধরনের বন্ধন সৃষ্টি হয় ।এজন্যেই প্রয়োজনের সময়ে একে অন্যের খেয়াল রাখে তারা ।চাইলেও বন্ধন ছিন্ন করে সেই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব , কিন্ত তেমনটা হয় না । সঙ্গীর মৃত্যু হলে তাতে স্বস্তি মেলে ,কিনা সেই বিষয়ে আমি আসলেও সন্দিহান । বরং আমার ধারণা এতে প্রবল অপরাধবোধ এবং বিষাদ বাসা বাধে মনে ।" "বয়স্ক মানুষদের অনুভুতির রসায়ন আমাদের তুলনায় অনেক বেশি জটিল । বিশেষ করে তারা যেহেতু জানে মৃত্যু ওঁত পেতে আছে জীবনের প্রতিটি বাঁকে । আমাদের উচিত তাদের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা । তাদের মনে কি চলছে এটা বাইরে থেকে জানা সম্ভব না । কিন্ত আমাদের মতনই তাদের অনুভুতিরও দাম আছে।" রেটিং:৪.৬/৫ বি.দ্র: আমি রেটিং দেওয়ার মতো প্রোফেশনাল না।শুধু নিজের মতামত প্রকাশ করেছি | রিভিউদাতা : তারিফ

#আড্ডাখানায়_রকমারি #রিভিউ_২০২৩ ❝ এ বাড়িটায় একটা সত্য লুকিয়ে আছে। জিজ্ঞাসাবাদ করলেই সেই সত্যটা আপনাআপনি বেরিয়ে আসবে, তা নয়। এই বাড়ির বাসিন্দারাই আমাদের সেই সত্যের কাছে পৌঁছে দেবে। ধৈর্য্য ধরো।❞ ❝দারূণ একটা চাল! তুমিই জিতলে বাবা❞ কাহিনী সংক্ষেপ :- আকিও মায়েহারা কায়াবাচোতে একটি বাল্ব কোম্পানিতে চাকুরী করেন। স্ত্রী ইয়োইকো মায়েহারা পার্ট টাইম কাজ করেন এবং তাদের চৌদ্দ বছর বয়সী একমাত্র সন্তান নাওমি মায়েহারা একজন স্কুল ছাত্র। সাধারণ একজন ফ্যামিলিম্যানের মতই তার জীবন চলে। কাজের চাপে সময় দিতে পারেন না স্ত্রী কিংবা সন্তানকে। ছেলে জন্মের পর স্ত্রী ইয়োইকোর একাকিত্বে একমাত্র সম্বল হয়ে ওঠে ছেলে নাওমি। ছেলেকে ফুলের টোকা পর্যন্ত সহ্য করতে পারেন না তিনি। ইয়াইকোর বনিবনা হয়না শ্বশুরবাড়ির সাথে; বিশেষ করে শ্বাশুড়ির সাথে। আকিওর বাবা শোইচিরো মায়েহারা ডিমেনশিয়ার (স্মৃতিভ্রংশ) রোগী ছিলেন, নিজের অতীত-বর্তমান ভুলে যেতেন, আচরণ করতেন বাচ্চাদের মতো। এসময় তার সার্বক্ষনিক যত্ন নিতেন আকিওর মা মাসায়ে মায়েহারা। স্ত্রীর সাথে বনিবনা হয়না বিধায় আকিও মাঝেসাঝে গিয়ে দেখে আসতেন বাবা-মাকে। আকিও তার স্ত্রীসন্তান সমেত পিতৃনিবাসে থাকতে শুরু করেন পিতার মৃত্যুর পর থেকে। এর আগে থাকতেন একটা অ্যাপার্টমেন্টে। পিতার মৃত্যুর পরে মা মাসায়ে একইভাবে ডিমেনশিয়ায় রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। বোন হারুমির কাছে মায়ের যত্ন নেয়ার দায়ভার তুলে দিয়ে আকিওর স্ত্রী একই ছাদের নিচে থাকতে রাজিও হন। তবে সাধারণ পারিবারিক এ গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দেয় যখন ইয়াইকোর অতি আদুরে পুত্র খুন করে ফেলে বাচ্চা একটা মেয়ে ইউনা'কে। একদিন স্ত্রীর ফোন কল পেয়ে বাড়িতে ফিরে দেখতে পান বাগানে ময়লার ব্যাগে করে ঢেকে রাখা একটি বাচ্চা মেয়ের লাশ। ব্যস! বাজ ভেঙে পড়ে আকিওর মাথায়। তবে যেখানে অতি আদুরে পুত্রের অপরাধে শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত, সেখানে তারা দুজনে আরো বিষয়টি থেকে ছেলেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন, সিদ্ধান্ত নেন বিষটি ধামাচাপা দেয়ার। লাশটিও সরিয়ে ফেলেন সুযোগ বুঝে। ইতোমধ্যে এই খুনের দায়িত্বে তদন্ত শুরু করে টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল এবং লোকাল থানার চৌকষ গোয়েন্দা কিয়োচিরো কাগা। এই কেসে কাগার সঙ্গী হন নিজেরই ফুফাতো ভাই মাতসুমিয়া। কাগা তার অসাধারন মেধা ও উপলব্ধি খাটিয়ে কেসের নতুন মোচড়গুলো উদঘাটন করেন। সামান্য অভিব্যক্তিও যেনো কিছুতেই তার নজর থেকে বাঁচতে পারে না। ডিটেক্টিভ কাগা সিরিজের অন্যতম বই হিসেবে 'দ্য রেড ফিঙ্গার' পাঠককে থ্রিলের চরমে পৌঁছাতে পারবে নিঃসন্দেহে। পাঠ প্রতিক্রিয়া :- সাধারণত ক্রাইম থ্রিলারে সিরিয়াল কিলিং, দুর্ধর্ষ হিংস্র খুনীদের খোঁজ করা এসব পড়ে পড়েই অধিক পাঠক অভ্যস্ত। তবে কেইগো হিগাশিনোর কাগা সিরিজের বইগুলোতে খুনী বা দোষী সাধারণত পেশাদার কোনো অপরাধী হয় না। তুখোর পর্যবেক্ষণ ছাড়া এদের ধরা মুশকিল কিংবা ধরা গেলেও আসল সত্য বের করা আনা সহজ হয়ে ওঠে না। কারণ সম্পূর্ণ সত্য একজন গোয়েন্দা কোনোভাবেই এমনি এমনিতেই জানতে পারেন না। অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয় সেজন্যে। তবে অপেশাদার অপরাধীদের একটি দূর্বলতা হলো তাদের আবেগের মাধ্যমে অপরাধবোধকে নাড়া দেয়া। এটি তাদেরকে মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে আঘাত করে ভেঙে দিতে পারে। আর সেটি খুব ভালোই পারেন আমাদের গোয়েন্দা কাগা। গল্পটি আপনাকে ভাবতে বাধ্য করবে আপনি আপনার সন্তানের জন্য কতটুকু নিচে নামতে পারেন, কিংবা আপনার সন্তান আপনার জন্য কতটা নিচে নেমে যেতে পারে। নিজের সন্তান তার বাবা-মার সবচেয়ে বড় দূর্বলতা। এই দূর্বলতা কখনো সেই বাবা-মাকেই ভেঙে ফেলতে পারে আবার নির্মম বাস্তবতাও দেখিয়ে দিতে পারে। পিতা আকিও কিংবা সন্তান আকিও কেউ অপরাধের উর্ধ্বে নয় তবে অপরাধী যদি আরেক অপরাধীকে বাঁচাতে ঘৃণ্য পর্যায়ে নেমে যায় তবে সেটি আর কখনো ক্ষমার যোগ্য থাকে না। রহস্য উদঘাটনের এ যাত্রায় কীভাবে কাগা ও মাতসুয়ো এই পরিবারের অপরাধীদের কব্জা করেন সেটি জানার জন্য পাশাপাশি গোয়েন্দা কাগার আড়ালে ব্যক্তিগত জীবনের সাধারণ এক কাগার দেখাও মিলবে এই বইটিতে। এরকম লোভনীয় রোমাঞ্চের সাক্ষী হতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে 'দ্য রেড ফিঙ্গার' বইটি। সর্বোপরি বলতে চাই, সন্তান জিতে গেলে জিতে যায় বাবা-মা, আর হারলে হেরে যায় ওনারাও। বইটি আপনাকে আরেকটিবার হয়তো ভাবতে শেখাবে আপনার বাবা-মায়ের সকল উৎসর্গের বিনিময়ে আপনি কতটুকু বিলিয়ে দিতে পারলেন নিজেকে। পৃথিবীতে এমন অনেক সন্তান রয়েছে যাদের অপরাধগুলো ঢাকতে বাবা-মায়েদের হিতাহিতজ্ঞানশূন্য করে ফেলে আবার এমন সন্তানও রয়েছে যারা বাবা-মায়ের একটু শেষ ইচ্ছাটুকুও পালন করতে ইতস্তত করে না, শুধুমাত্র তাদের শান্তির জন্য। আমরা আমাদের এ মাপকাঠির কোন প্রান্তে রাখি সেটিই দেখার বিষয়। অনুবাদ কথন :- সহজবোধ্য, সাবলীল অনুবাদের জন্য অনুবাদককে ধন্যবাদ। আসলেও সালমান হকের অনুবাদ আর কাগা সিরিজের থ্রিল অনায়াসেই মানুষকে ঘোরের মধ্যে ফেলে দিতে পারে । কেইগো হিগাশিনোর ডিটেকটিভ কাগা সিরিজের সাথে পরিচিত নয় এমন লোক কমই পাওয়া যাবে। সালমান হকের বাংলায় অনূদিত কাগা সিরিজের ৩য় বই এটি। এ সারির প্রথমে রয়েছে 'ম্যালিস', দ্বিতীয় বই 'নিউকামার' ও চতুর্থ বই 'এ ডেথ ইন টোকিও'। সালমান হকের অনুবাদে পঞ্চম ও কাগা সিরিজের সবচেয়ে বড় বই 'দ্য মিডনাইট সান' প্রকাশিত হতে যাচ্ছে খুব শীঘ্রই। তবে সেটি অন্য অনুবাদক দ্বারাও ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে। বইয়ের নাম :- দ্য রেড ফিঙ্গার লেখক :- কেইগো হিগাশিনো অনুবাদ :- সালমান হক ধরন :- থ্রিলার প্রকাশনী :- শিরোনাম প্রচ্ছদ :- ওয়াসিফ নূর পৃষ্ঠা সংখ্যা :- ২০৮ পৃঃ মুদ্রিত মূল্য :- ৪০০ টাকা ব্যক্তিগত রেটিং :- ৫/৫
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
ata ki hardcover?
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি হার্ডকভার। ধন্যবাদ।
page koto?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ২০৮। ধন্যবাদ।
ata ki hardcover?
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি হার্ডকভার। ধন্যবাদ।
page koto?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ২০৮। ধন্যবাদ।























