

Buy সংশপ্তক Online in Bangladesh
লেখক: শহীদুল্লা কায়সার
- Author: শহীদুল্লা কায়সার
- Publisher: চারুলিপি প্রকাশন
- Isbn: 9789845982160
- Number Of Pages: 400
- Language: বাংলা
- Edition: 5th Printed, 2019
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ফ্ল্যাপে লিখা কথাসংশপ্তক উপন্যাসের কাহিনির শুরু ইংরেজ আমলের অন্তিমকালে, শেষ পাকিস্তান আমলের সূচনাপর্বে ।কাহিনির অনেকখানি স্থাপিত পূর্ববঙ্গের গ্রামাঞ্চলে,খানিকটা কলকাতা ও ঢাকায়। এর বৃহত্তর পটভূমিতে আছে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ ,মন্বন্তর ,পাকিস্তান আন্দোলন , সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার ঘটনা। এতে প্রধান্য ভাল করেছে শাখা প্রশাখাসমেত এক সৈয়দ পরিবারের কথা। তার এক সৈয়দ প্রাচীন পন্থী নান সংস্কারের সঙ্গে ইংরেজি শিক্ষা ও ইংরেজের চাকরি সমন্বিত করেছেন। আরেক সৈয়দ স্ত্রী-কন্যা ফেলে নিরুদ্দেশযাত্রা করে দরবেশ হয়েছেন। প্রথমোক্তজনের পুত্র জাহেদ আধুনিক শিক্ষা জীবন বোধ আয়ত্ত করে প্রথমে পাকিস্তান-আন্দোলন এবং বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। প্রাচীনতার সঙ্গে তার ভয়াবহ দ্বন্দ্ব। তাই পিতৃব্য যখন তাঁর এক বয়স্ক শিষ্যের সঙ্গে কন্যা রাবুর বিয়ে দিয়ে ফেলেন, তখন সে তার সমর্থদের নিয়ে নতুন বরের ওপর এমন হামলা করে যে শুধু জামাতা নন, সদলবলে শ্বশুরকেও পলায়ন করতে হয়। রাবুও এ ঘটনাকে বাড়াবাড়ি মনে করে, কিন্তু পরে-জাহেদের শিক্ষার প্রভাবে-ওই স্বামীকে স্বামিত্বের অধিকার দিতে অস্বীকার করে। কাহিনির শেষ হয় বাম রাজনীতিতে সংশ্লিষ্টতার কারণে জাহেদের গ্রেফতারে এবং তার প্রতি রাবুর দেহাতীত প্রেমের স্থিতিতে। আনিসুজ্জামান
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

অনন্য
উপন্যাসটি সত্যিই মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতন।জীবন প্রবাহকে কত সুনিপুণ ভাবে সাহিত্যিক ছোঁয়ায় রাঙিয়েছেন লেখক!
বইয়ের নাম: সংশপ্তক লেখক: শহীদুল্লা কায়সার প্রকাশনী: চারুলিপি প্রকাশন পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৪০০ 'সংশপ্তক' শব্দের অর্থ, জয়লাভে যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বা পরাজয় জেনেও যে হাল ছাড়ে না। এই উপন্যাসের প্লটটি ২য় বিশ্বযুদ্ধ এবং যুদ্ধ পরবর্তী দেশভাগের উপর কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে।বাকুলিয়া এবং তালতলি এই দুই গ্রাম। পুরো গ্রাম জুড়ে বিস্তৃত সবুজ-সুফলা, শস্য-শ্যামলা ক্ষেত। এই গ্রাম দুটিতে দুটি খানদানি বাড়ি বিদ্যমান। এক মিঞা বাড়ি এবং অন্যটি সৈয়দ বাড়ি। বাকুলিয়া গ্রামটি ছিলো হিন্দুপ্রধান এবং তালতলি ছিলো মুসলিম প্রধান গ্রাম। উপন্যাসটির প্রথমে এই দুইটি গ্রাম নিয়ে কাহিনী শুরু হলেও পরে তা বিস্তার লাভ করে ঢাকা এবং কলকাতা শহর অব্দি। গল্পের শুরু হয় হুরমতি নামক এক যুবতীর পোয়াতি হওয়াতে, তালতলির মিঞা বাড়ির ফেলু মিঞা এবং তার ডানহাত রমজান গ্রামের সকলকে নিয়ে বিচারসভা বসায় এবং শাস্তি হিসেবে জলন্ত পয়সা দিয়ে হুরমতির কপাল পুড়িয়ে দেয়। এখান থেকে কাহিনী শুরু। এরপর দেখা মেলে মালু,রাবু, সেকান্দার মাস্টার, লেকু এবং তার স্ত্রী প্রমুখ চরিত্রের। এই উপন্যাসে উঠে আসে ১৩৫০ সালে বাংলার দূর্ভিক্ষ, হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা, এসকল বিপদের ফাঁকতালে একদল চতুর এবং লোভী মানুষ নিজেদের আঁখের গোছাতে ব্যস্ত। এসকল লোভী মানুষের মধ্যে উপন্যাসের ফেলু মিঞার ডানহাত, পরবর্তীতে যার নাম হয় কানকাটা রমজান,তারও উপস্থিতি বিদ্যমান। গ্রামের অন্ধকুসংস্কার এবং ধর্মান্ধ মানুষের কথাও উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে এসেছে; যার অন্যতম উদাহরণ রেবুর আব্বা।ধর্মান্ধতার ফলে সে তার নিজের মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিতেও কুন্ঠাবোধ করে না। আর এসবের মাধ্যমে শিক্ষার তাৎপর্যতাও এই উপন্যাসের জায়েদ এবং সেকান্দার মাস্টারের চরিত্রের মাধ্যমে সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এতো চরিত্রের মাঝে জায়েদ, সেকান্দার, মালু, রাবু, হুরমতি,লেকু এদের মধ্যে 'সংশপ্তক' কে, তাই খুঁজে বের করা পাঠকের দায়িত্ব। তবে লেখক যে বামধারার রাজনীতি এবং তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন উপন্যাসে, সেদিক দিয়ে 'সংশপ্তক' সার্থক একটি উপন্যাস।

পৃষ্ঠা সংখ্যা, কাগজ এবং প্রিন্টের মান অনুযায়ী বইটির দাম তুলনামূলক কম। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডেলিভারি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ রকমারিকে।
good book























