

Buy সপ্তপদী Online in Bangladesh
লেখক: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- Author: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- Publisher: মাটিগন্ধা
- Isbn: 9847034306989
- Number Of Pages: 76
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"সপ্তপদী"বইটির ভূমিকা: তেরশাে ছাপ্পান্ন সালে পূজার আনন্দবাজারে সপ্তপদী প্রকাশিত হয়েছিল। আমার সাহিত্যকর্মের রীতি অনুযায়ী ফেলে রেখেছিলাম নূতন করে আবার লিখে বা আবশ্যকীয় মার্জনা করে সংশােধন করে বই হিসেবে বের করব। বিগত ১৫/১৬ বৎসর ধরে ‘কবি'র সময় থেকে এই রীতি আমার নিয়মও নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার জীবনে ও শিক্ষায় এ শক্তি নেই আমি জানি যে, একবার লিখেই কোনাে রচনাকে-নিখুঁত দূরের কথা, আমার সাধ্যমত নিখুঁত করতে পারি। কিন্তু সপ্তপদীর সময়ে ঘটনার জটিলতায় তা সম্ভবপর হয় নি। যেমনটি ছিল তেমনটিই ছেপে বইয়ের আকারে বের হয়েছিল। ইচ্ছে ছিল দ্বিতীয় সংস্করণের সময় সংশােধন ও মার্জনা করব, কিন্তু তা-ও সম্ভবপর হয়নি বইখানির চাহিদার জন্য। ছবৎসরে আটটি সংস্করণ হয়েছে। প্রকাশকেরা বিলম্ব করতে চান নি, আমাকেও সুযােগ দেন নি। এবার জোর করে সুযােগ নিয়ে মােটামুটি সংশােধন ও মার্জনা করলাম। তাও সম্পূর্ণ হল না। সংসারে অসহিষ্ণু উদ্গ্রীব মানুষের তাগিদে ভারতের জগন্নাথকেও অসম্পূর্ণ থাকতে হয়েছে। হয়ত জগন্নাথকে রূপ দেবার ক্ষমতার দৈন্য মানুষ ওই কাহিনী দিয়ে ঢেকেছে। আমার এ উক্তির মধ্যেও আমার অজ্ঞাতমনের সেই ভানই হয়ত প্রকাশ পেল। সে দৈন্য সবার কাছে স্বীকার করে তাদের কাছে হাত জোড় করাই ভাল। পরিশেষে সপ্তপদী রচনার ইতিহাস বা এই কাহিনীর আসল সত্য নিয়ে একটি নিবন্ধ যা ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে সেটিও পরিশিষ্টে যােগ করে দিলাম। মূল নিবন্ধে কৃষ্ণেন্দুর কথাই আছে। রিনার চরিত্র-ও ঠিক কাল্পনিক নয়। সামান্য দেখা কয়েকবার কয়েকটা ঝলক মাত্র। সেটুকু সপ্তপদীর কথা বলবার সময় বলা উচিত বিবেচনায় যােগ করে দিলাম।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

very good
ঈশ্বরে অবিশ্বাসী কৃষ্ণেন্দু ভালবাসে ক্রিশ্চান রীনা ব্রাউনকে । রীনা প্রচন্ড ঈশ্বরে বিশ্বাসী, রীনাকে পাওয়ার জন্য কৃষ্ণেন্দু ধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ক্রিশ্চান ধর্ম গ্রহন করে । কিন্তু ঈশ্বরে বিশ্বাসী রীনা কৃষ্ণেন্দুর নিজ ধর্ম ত্যাগ করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনা,কৃষ্ণেন্দু সামান্য এক মানবীর প্রেমের জন্য ঈশ্বরের প্রেমকে তুচ্ছ করলো, রীনা এই জন্য কৃষ্ণেন্দুকে ক্ষমা করতে পারেনা, সে কৃষ্ণেন্দুকে প্রত্যাখান করে । কৃষ্ণেন্দু রীনাকে প্রচন্ড ভালোবাসতো সে এই আঘাতটা সহ্য করতে পারেনা,কৃষ্ণেন্দু সিদ্ধান্ত নেয় সে রীনা ব্রাউনের ঈশ্বরকে খুঁজবে তাকে দেখবে । পটভূমি ঃ কৃষ্ণেন্দু ডাক্তার, সে আদিবাসীদের মধ্যে চলে যায়, সেখানে দরিদ্র, অসহায়, অশিক্ষিত মানুষদের মাঝে ঈশ্বরকে খুঁজে বেড়ায়, সমাজের অসহায়, বঞ্চিত মানুষদের সেবা করার মধ্যে দিয়ে বেঁচে থাকার আনন্দ খোঁজে, আর এভাবেই একদিন মানুষের মাঝেই ঈশ্বরকে দেখা পায় । এমন কি ডাইনী অপরাধে অপরাধী আরণ্যক নারী ঝুমকী, সিন্দুলাল, লালসিং এই সব আদিবাসীদের মধ্যেও ঈশ্বরকে দেখতে পায় । মানুষকে সেবা করে ঈশ্বরের প্রেমে নিজেকে তৃপ্ত করতে চায় কৃষ্ণেন্দু , হয়েছিল কৃষ্ণেন্দু থেকে কৃষ্ণস্বামী, তারপর ও কি হতে পেরেছিল তৃপ্ত হতে ? যখন কৃষ্ণেন্দু জানতে পারলো তার কুষ্ঠো হয়েছে তখন সুক্ষ ভাবে হলেও কি মনের মধ্যে হতাশা অনুভব করেনি ?? তাইতো নিজেকে সান্ত্বনা দেয় এই ভেবে যে" এই দিয়েই তিনি আমার সব অতৃপ্ত কামনাকে তৃপ্ত করে দিলেন " কোথায় যেন একটা আক্ষেপের সুর পাঠকদের স্পর্শ করে। যখন রীনা ব্রাউন স্বামী ক্লেটন এর হাত ধরে অসুস্থ কৃষ্ণেন্দুর দরজায় এসে দাড়ায়,তখন কৃষ্ণেন্দুর ব্যার্থতা, হতাশা পাঠকদের হৃদয়ে স্পর্শ করে, ঈশ্বর প্রেমের মধ্যে কৃষ্ণেন্দু জীবনের সার্থকতা খুঁজে পায়নি, কারন কারন কৃষ্ণেন্দু চেয়েছিল রীনা ব্রাউনের হাত ধরে সপ্তপদী হেটে সংসারের দরজায় পা রাখতে ।। পাঠ প্রতিক্রিয়া ঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তার লেখায় গ্রাম, গ্রামের মানুষদের জীবন, সংস্কৃতি জটিলতা, সুখ,দুঃখ এসবকেই প্রাধান্য দেন,তেমনই আদিবাসীদের জীবন তাদের সামাজিক অবস্থান, জীবনের সরলতা, হিঃস্রতা এসবকেও উনি উনার লেখার বিষয় হিসাবে নির্বাচন করেন, সহজ সাধারণ বিষয়কে ধীরে ধীরে এমন গভীরতা মধ্যে নিয়ে যান যে সেটা পাঠকদের হৃদয়ে গভীর ভাবে দাগ কেটে যায়, এই জন্য তারাশঙ্করের উপন্যাস কাল উর্তীর্ন হয়ে যায়। এখানে তেমনই সপ্তপদী উপন্যাস শুরু হয়েছিল একটা সাধারণ প্রেমের রোমান্টিক কাহিনীর মধ্যে দিয়ে,কিন্তু ঈশ্বর প্রেম না মানুষের প্রেম কোনটা কাঙ্ক্ষিত এই উপন্যাসে সেটা পাঠকদের নির্বাচনের বড় একটা দায়িত্বর এসে পড়ে, রীনা ঈশ্বর প্রেম এর জন্য নিজের ভালোবাসা কে প্রত্যাখান করে, আর কৃষ্ণেন্দু মানুষের প্রেমের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে,পরিস্থিতি এবং রীনার জন্য কৃষ্ণেন্দু নিজের জীবনের ব্যার্থতা ঢাকতে বাধ্য হয়ে ঈশ্বরের প্রেমে শান্তি খুঁজলেও, কখনোই তৃপ্ত হতে পারেনি,সেটা লেখকের লেখার মধ্যে আমরা বুঝতে পারি,লেখক বলেছেন " রীনা যখন স্বামীর হাত ধরে চলে যাচ্ছে, কৃষ্ণেন্দু বলছে " দেখো আনন্দ ছাড়া আর কিছুই কি আছে ? গুড বাই,গুড বাই, গুড বাই তারপর শেষে লেখক লিখেছেন " দীর্ঘ হাত খানি তুলে দীর্ঘকায় পুরুষটি পাথরের মূর্তির মতো দাড়িয়ে রইলেন, স্থির কিন্তু এ ওদের বিদায় সম্ভাষন দিচ্ছেন ? না কি শুন্যলোকে অদৃশ্য ঈশ্বরের পা দুটি শক্ত করে ধরে দাড়িয়েছেন সে কৃষ্ণস্বামীই জানেন ।।
বইটি আমি কিনেছিলাম কিছুদিন আগে। ফ্রেশ পাতায় অনেক ভালো , পরিষ্কার লেখা।কভার টাও বেশ শক্তশালী। এখনো আছে আমার কাছে। রকমারি কে ধন্যবাদ এরকম বই অতি সহজে পৌঁছে দেয়ার জন্য। বইয়ের কথা কি বলব!! যতবার পড়ি আরও বেশি ভালো লাগে। কৃষ্ণেন্দু এর মত বাঙালি ছেলে ,গ্রাম থেকে উঠে এসে ইংলো ইন্ডিয়ানদের সাথে মেডিক্যাল পড়তে এসে যা করলো টা সত্যি উপভোগ্য। গ্রাম্য ছেলেটার জীবন কিভাবে পরিবর্তন হলো জানতে হলে বইটা পড়তে হবে।
This book is all about belief,love,betray and life. We get to meet so many people in our life, right? Some are meant to be very significant in our life. Either they become the reason of smile or the reason of sorrow in our life. Here something exactly like this happened in this man's life ''Rev. Krishnaswami'' the main protagonist of the story . This book will surely end up making you cry.
ঈশ্বরে অবিশ্বাসী কৃষ্ণেন্দু ভালবাসে ক্রিশ্চান রীনা ব্রাউনকে । রীনা প্রচন্ড ঈশ্বরে বিশ্বাসী, রীনাকে পাওয়ার জন্য কৃষ্ণেন্দু ধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ক্রিশ্চান ধর্ম গ্রহন করে । কিন্তু ঈশ্বরে বিশ্বাসী রীনা কৃষ্ণেন্দুর নিজ ধর্ম ত্যাগ করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনা,কৃষ্ণেন্দু সামান্য এক মানবীর প্রেমের জন্য ঈশ্বরের প্রেমকে তুচ্ছ করলো, রীনা এই জন্য কৃষ্ণেন্দুকে ক্ষমা করতে পারেনা, সে কৃষ্ণেন্দুকে প্রত্যাখান করে । কৃষ্ণেন্দু রীনাকে প্রচন্ড ভালোবাসতো সে এই আঘাতটা সহ্য করতে পারেনা,কৃষ্ণেন্দু সিদ্ধান্ত নেয় সে রীনা ব্রাউনের ঈশ্বরকে খুঁজবে তাকে দেখবে । কৃষ্ণেন্দু ডাক্তার, সে আদিবাসীদের মধ্যে চলে যায়, সেখানে দরিদ্র, অসহায়, অশিক্ষিত মানুষদের মাঝে ঈশ্বরকে খুঁজে বেড়ায়, সমাজের অসহায়, বঞ্চিত মানুষদের সেবা করার মধ্যে দিয়ে বেঁচে থাকার আনন্দ খোঁজে, আর এভাবেই একদিন মানুষের মাঝেই ঈশ্বরকে দেখা পায় । এমন কি ডাইনী অপরাধে অপরাধী আরণ্যক নারী ঝুমকী, সিন্দুলাল, লালসিং এই সব আদিবাসীদের মধ্যেও ঈশ্বরকে দেখতে পায় । মানুষকে সেবা করে ঈশ্বরের প্রেমে নিজেকে তৃপ্ত করতে চায় কৃষ্ণেন্দু , হয়েছিল কৃষ্ণেন্দু থেকে কৃষ্ণস্বামী, তারপর ও কি হতে পেরেছিল তৃপ্ত হতে ? যখন কৃষ্ণেন্দু জানতে পারলো তার কুষ্ঠো হয়েছে তখন সুক্ষ ভাবে হলেও কি মনের মধ্যে হতাশা অনুভব করেনি ?? তাইতো নিজেকে সান্ত্বনা দেয় এই ভেবে যে" এই দিয়েই তিনি আমার সব অতৃপ্ত কামনাকে তৃপ্ত করে দিলেন " কোথায় যেন একটা আক্ষেপের সুর পাঠকদের স্পর্শ করে। যখন রীনা ব্রাউন স্বামী ক্লেটন এর হাত ধরে অসুস্থ কৃষ্ণেন্দুর দরজায় এসে দাড়ায়,তখন কৃষ্ণেন্দুর ব্যার্থতা, হতাশা পাঠকদের হৃদয়ে স্পর্শ করে, ঈশ্বর প্রেমের মধ্যে কৃষ্ণেন্দু জীবনের সার্থকতা খুঁজে পায়নি, কারন কারন কৃষ্ণেন্দু চেয়েছিল রীনা ব্রাউনের হাত ধরে সপ্তপদী হেটে সংসারের দরজায় পা রাখতে ।। তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় তার লেখায় গ্রাম, গ্রামের মানুষদের জীবন, সংস্কৃতি জটিলতা, সুখ,দুঃখ এসবকেই প্রাধান্য দেন,তেমনই আদিবাসীদের জীবন তাদের সামাজিক অবস্থান, জীবনের সরলতা, হিঃস্রতা এসবকেও উনি উনার লেখার বিষয় হিসাবে নির্বাচন করেন, সহজ সাধারণ বিষয়কে ধীরে ধীরে এমন গভীরতা মধ্যে নিয়ে যান যে সেটা পাঠকদের হৃদয়ে গভীর ভাবে দাগ কেটে যায়, এই জন্য তারাশঙ্করের উপন্যাস কাল উর্তীর্ন হয়ে যায়। এখানে তেমনই সপ্তপদী উপন্যাস শুরু হয়েছিল একটা সাধারণ প্রেমের রোমান্টিক কাহিনীর মধ্যে দিয়ে,কিন্তু ঈশ্বর প্রেম না মানুষের প্রেম কোনটা কাঙ্ক্ষিত এই উপন্যাসে সেটা পাঠকদের নির্বাচনের বড় একটা দায়িত্বর এসে পড়ে, রীনা ঈশ্বর প্রেম এর জন্য নিজের ভালোবাসা কে প্রত্যাখান করে, আর কৃষ্ণেন্দু মানুষের প্রেমের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে,পরিস্থিতি এবং রীনার জন্য কৃষ্ণেন্দু নিজের জীবনের ব্যার্থতা ঢাকতে বাধ্য হয়ে ঈশ্বরের প্রেমে শান্তি খুঁজলেও, কখনোই তৃপ্ত হতে পারেনি,সেটা লেখকের লেখার মধ্যে আমরা বুঝতে পারি,লেখক বলেছেন " রীনা যখন স্বামীর হাত ধরে চলে যাচ্ছে, কৃষ্ণেন্দু বলছে " দেখো আনন্দ ছাড়া আর কিছুই কি আছে ? গুড বাই,গুড বাই, গুড বাই তারপর শেষে লেখক লিখেছেন " দীর্ঘ হাত খানি তুলে দীর্ঘকায় পুরুষটি পাথরের মূর্তির মতো দাড়িয়ে রইলেন, স্থির কিন্তু এ ওদের বিদায় সম্ভাষন দিচ্ছেন ? না কি শুন্যলোকে অদৃশ্য ঈশ্বরের পা দুটি শক্ত করে ধরে দাড়িয়েছেন সে কৃষ্ণস্বামীই জানেন।























