

Buy শার্লক হোমসের এ স্টাডি ইন স্কারলেট Online in Bangladesh
লেখক: স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
- Author: স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
- Publisher: শিকড়
- Isbn: 9789847602554
- Number Of Pages: 96
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2018
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"শার্লক হোমসের এ স্টাডি ইন স্কারলেট" বইটির ভূমিকা থেকে নেয়াঃ ‘এ স্টাডি ইন স্কারলেট’ রহস্য উপন্যাস হলেও এতে রয়েছে ইতিহাসের অনেক উপাদান। অস্তগামী ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রক্ত ক্ষরণের দাগ রয়েছে উপন্যাসে। এতে আরও রয়েছে আফগান যুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন। সে সময় আফগানদের সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে বিজয়ী হয় ইংরেজরা। উপন্যাসটি লেখা হয়েছে উত্তম পুরুষে। চরিত্রটির নাম ডা. ওয়াটসন। ডা. ওয়াটসন ১৮৭৮ থেকে ১৮৮০ সাল পর্যন্ত সংঘটিত দ্বিতীয় আফগান যুদ্ধে অংশ নেন।ইতিহাসবিদরা মনে করেন, আফগানিস্তানের আমির শের আলী আফগানিস্তানে ইংরেজদের দূতাবাস খুলতে না দেওয়ার কারণে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়। উপন্যাসের শুরুতেই বলা হয়েছে, “ইন্ডিয়া গিয়ে কাজ বুঝে নেওয়ার আগেই শুরু হয় আফগান যুদ্ধ। বােম্বাই পেীছে শুনলাম আমাদের বাহিনী গিরিসংকটের মধ্য দিয়ে শত্রুদের এলাকায় ঢুকে পড়েছে। অন্যান্য অফিসারদের সঙ্গে আমিও পৌঁছলাম কান্দাহারে।”ইংরেজরা ভারতবর্ষে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হলেও কখনই আফগানিস্তানে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়নি। ফলে বার বার যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছে। এক সময় কান্দাহার ছিল আফগানিস্তানের রাজধানী। ই-আফগান যুদ্ধের সময় ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ সাল এবং ১৮৭৯ থেকে ১৮৮১ সাল পর্যন্ত কান্দাহার ব্রিটিশ সেনার দখলে ছিল। পরে তা হাতছাড়া হয়ে যায়। তাই ডা. ওয়াটসনের স্মৃতিতে কান্দাহারের স্মৃতি জাগরুক ছিল। এভাবেই লেখক তার উপন্যাসে ইতিহাসের উপাদান যােগ করেছেন।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

#বুক_রিভিউ #বই : এ স্টাডি ইন স্কারলেট (উপন্যাস)। #লেখক : আর্থার কোনান ডয়েল। #জনরা : ডিটেকটিভ। —“ভূতপূর্ব মিলিটারি ডাক্তার জন এইচ ওয়াটসন এম ডি-র স্মৃতিচারণ থেকে।” এই বইয়ের রিভিউ লিখতে কেন জানি ভয় হচ্ছে। কারণ লিখছি মহান এক গোয়েন্দা সম্পর্কে। বইটি পড়েছি ২০২৩ সালে। তখন থেকেই বইটির রিভিউ লেখার ইচ্ছা তবে সাহস জোগাতে পারি নি। আজ ৩১ মে ২০২৪, ১৮:৫৭ মিনিটে নিজের নোটপ্যাডে কলম দৌড়াচ্ছি এমন এক গোয়েন্দা বইয়ের রিভিউ লেখার জন্য, যার সুনাম-সুখ্যাতি পৃথিবীব্যাপী। প্রচ্ছদে থাকা নাম ও পথিকৃৎ দেখে নিশ্চয় ঠাহর করে নিয়েছেন কাকে নিয়ে লিখতে বসেছি! #লেখক : কল্পকাহিনির জগদ্বিখ্যাত সকল গোয়েন্দার আব্বা “শার্লক হোমস”-এর স্রষ্টা স্যার আর্থার কোনান ডয়েল। নিজ অভাবনীয় কল্পনাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে ধরণীবুকে তৈরি করেছেন এমন এক চরিত্র', যাকে টেক্কা দেওয়ার মতো কোনো গোয়েন্দা তৈরি হয় নি এখনো। আর্থার কোনান ডয়েলের লেখার ধাঁচ অসাধারণ, মনোমুগ্ধকর। গোধূলির আভাময় সন্ধ্যালগ্নে ক্ষাণিক মনোনিবেশ করলাম শার্লক হোমসেকে নিয়ে তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস “এ স্টাডি ইন স্কারলেট”-এর ক্ষুদ্র পাঠ-প্রতিক্রিয়া তুলে ধরবো বলে। #কাহিনি_সংক্ষেপ ও #পাঠ_প্রতিক্রিয়া : প্রথমেই বলে রাখি, ধারণামতে আর্থার কোনান ডয়েল নিজেকে স্থান দিয়েছেন ড. ওয়াটসন চরিত্রে। ১৮৭৮ সালে লন্ডন ইউনিভার্সিটি থেকে ডাক্তারি পাস করে সামরিক বাহিনীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জন পদে যোগ দেন জন এইচ ওয়াটসন এম ডি। বার্কশায়ারের সঙ্গে মেইওয়ান্দের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে কাধে ডিজেল বুলেট ও হাড় ভেঙে সাবক্লেভিয়ান ছুঁয়ে যাওয়ায় আহত হোন তিনি। তাকে আনা হলো পেশোয়ারের সদর হাসপাতালে। ক্ষাণিক সুস্থ হওয়ার পর আক্রান্ত হোন অভিশপ্ত ভারতীয় আন্ত্রিক জ্বরে। মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্তনুযায়ী ফিরে আসেন ইংল্যান্ডে। ইংল্যান্ডের তিনকুলে তার কেউ নেই বললেই চলে। পকেটে রেস্ত বলতে দৈনিক সাড়ে এগারো সিলিং বরাদ্দ। একটি বারে দেখা হলো একসময়ের সহযোগী ড্রেসার স্ট্যাম্পফোর্ডের সাথে। তখন ইতিবৃত্ত বর্ণনা করেন নিজ পকেট ও মাথা গোঁজার ঠাঁই নিয়ে। তখন সে-ই সন্ধান দিল এক ব্যক্তির যে কি-না চমৎকার একটি ঘরে আধা-আধা বখরায় থাকবার মতো লোক খুঁজছে। একটা কেমিক্যাল ল্যাবে দেখা হলো বিখ্যাত গোয়েন্দা শার্লক হোমসের সাথে। শার্লক হোমসেকে নিয়ে বর্ণনার সহিত লেখা আমার পক্ষে দুষ্কর। কীরকম যেন হিমশীতল ঠান্ডা যুক্তিতে ঠাসা সঠিক জ্ঞানের পিছনে ধাওয়া করার উন্মত্ততা হোমসের শিরা উপশিরায় বহমান। প্রথম সাক্ষাতেই হোমস চমকে দেন ড. ওয়াটসন'কে। কথাবার্তা সেরে দুজনে সিদ্ধান্ত নেন থাকবেন ২২১ বি বেকার স্ট্রীটের একটি বাসায়। শার্লক হোমস এমন এক ব্যক্তি যে কি-না বাস করে আপন এক জগতে। পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরে এই চির সত্যটিও তার জানা নেই। যদিও রিভিও'টা একটু লম্বা হয়ে যাচ্ছে কিন্তু প্রথমেই আপনাকে শার্লক হোমসকে চিনতে হবে। মূল কাহিনির সূত্রপাত “লরিস্টন গার্ডেন্স” রহস্য থেকে। বিক্সট্রন রোড বহির্ভূত ৩নং লরিস্টন গার্ডেন্সে বিশ্রীভাবে পাওয়া যায় এক ব্যক্তির লা/শ। তার নাম এনক জে ড্রেভার। ডাকাতি হয়- নি; লোকটা মারা গেল কিভাবে, কোনো চিহ্ন নেই। ব্যক্তিটির হ/ত্যা রহস্য বিরাট এক প্রহেলিকা। পুলিশি তদন্তে পরামর্শদাতা ও জটিল কেস সমাধানের জন্য ডাকা হয় শার্লক হোমস'কে। এই কেসেও ব্যতিক্রম নেই তার। আগেও বলেছি আর্থার কোনান ডয়েলের লিখনশৈলী মারাত্মক সুন্দর। পাঠক'কে ধরে রাখে শক্তিশালী কোনো চম্বুকের মতো। প্রতিটি ব্যক্তির বর্ণনা বৃত্তান্ত করেছেন নিখুঁতভাবে। অমায়িকত্বের ছাপ আছে প্রতিটি বাক্যে। ছ্যাকড়াগাড়ি'তে করে লন্ডনের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে তদন্ত করেছেন। উন্মোচন করেছেন জটিল সেই হ/ত্যা রহস্য। রহস্য ও সন্দেহের জটলাকে ছিড়ে পাকড়াও করেছেন খু/নি'কে। কেন, কোন কারণে খু/ন করা হলো জনৈক সেই ব্যক্তিকে, সেই হৃদয়'বিদারক কাহিনি জানার পর হকচকিয়ে উঠবেন আপনিও। এই উপন্যাস পড়ার পর প্রেমে পড়ে যাবেন বিশ্বসেরা ডিটেকটিভের। আপনার পড়া বেস্ট একটা উপন্যাসের তালিকায় যোগ হতে পারে এটি। পূর্ব উল্লেখ্য, শার্লক হোমসের উপন্যাস নিয়ে রিভিউ দেওয়ার ক্ষমতা আমার মতো নগন্য লেখকের নেই। যারা পড়েছেন তারা নিশ্চয় অনুধাবন করতে পেরেছেন হোমসের প্রতিভা। যারা পড়েন'নি, তারা পড়ে নিয়েন কল্পনার শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দার কাহিনি। #ব্যক্তিগত_রেটিং : আমার পড়া বেস্ট বই গুলোর সর্বোচ্চ স্থান দখল করে আছে শার্লক হোমস সমগ্র। ১০/১০* © মোজাহিদুল ইসলাম মিহাদ।
অনুবাদের কোয়ালিটি অনান্য অনুবাদের চেয়ে ভাল।






















