

Buy প্রহেলিকা Online in Bangladesh
লেখক: নাজিম উদ দৌলা
- Author: নাজিম উদ দৌলা
- Publisher: প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স
- Number Of Pages: 128
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 2023
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
গল্পটা একজন ডিটেকটিভের; যিনি হতে চেয়েছিলেন স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান, কিন্তু নিয়তির পালা-বদলে আজ তিনি জাঁদরেল পুলিশ অফিসার। গল্পটা একজন লেখকের; যিনি প্রিয়জনকে হারানোর স্মৃতি ভুলতে কলম ধরেছিলেন, কিন্তু ভাগ্যচক্রে আজ তিনি বেস্ট সেলার থ্রিলার লেখক। গল্পটা এক সাইকোপ্যাথের; যে শহরের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় আর সুযোগ পেলেই নৃশংসভাবে খুন করে ভাগ্যবঞ্চিত শিশুদের। তিনজন মানুষের গন্তব্য একসূত্রে গেঁথে দিলো "গাল্লি বয়" নামে একটি উপন্যাস। একের পর এক রহস্য, একটা সমাধান হতেই উঁকি দিচ্ছে আরো দুটো! সব রহস্যের সমাধান হবে একজনকে খুঁজে পেলে। তার আসল নাম কেউ জানে না, ছদ্মনাম- প্রহেলিকা।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
boita pore tarpor review dissi amar borabor e rohossho ba goenda kahini ei dhoroner boi porte besh valo lage etao tar betikrom na boi tate besh onek rohossho ase ja pathoker mone eker por ek peosjner srtishti kore ami mone kori jekono thriller boi porar moja tokhon e ashe jokhon boi porte porte parhoker mone ekadhik proshner srishti hoi mathai shei proshno guloi ghurte thake r pathok tar uttor khujte thake ebong sheshe jeye ekta shongkito ebong ovabonio uttor pai ja pathokke obak kore dei ebong ei shob gulo boishishtoi ukto boitite biddoman tai boiti pore amar khub e valo legese bishesh kore jader haate shomoi kom khub mota mota boi pore shesh korar shomoy pan na tader jonno eta best . sotto ekta boi kintu rohosshe thasha tai ami shobaike bolbo nie ekbar pore dekhte paren valo lagbe asha kori..

নাজিম উদ দৌলা’র প্রহেলিকা সত্যিই দারুণভাবে লেখা একটি উপন্যাস। পড়ার সময় এক সেকেন্ডের জন্যও আমার মনোযোগ গল্প বা চরিত্রের বাইরে যায়নি। মনে হচ্ছিল না যে আমি বইয়ের পাতায় অক্ষর পড়ছি; বরং যেন কোনো ডিজিটাল স্ক্রিনে পুরো ঘটনাগুলো চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি। বইটি তুলনামূলক ছোট হওয়ায় খুব দ্রুতই শেষ করতে পেরেছি, যা পড়ার অভিজ্ঞতাকে আরও উপভোগ্য করেছে। তবে গল্প পড়তে গিয়ে কয়েকটি বিষয় আমার মনে প্রশ্ন হিসেবে এসেছে... ১. গল্পে তিনি বলেছিলেন যে তিনি প্রহেলিকা সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। কিন্তু পরে যখন সে তার বাসায় আসে, তখন তিনি তাকে চিনতে পারেননি কেন? যদিও তিনি বলেছেন যে লেখকদের অনেক কিছু মনে থাকে না, তবুও প্রহেলিকাকে ঘিরে তার প্রায় সব ঘটনাই তো তার মনে ছিল। বিষয়টি একটু অস্পষ্ট লেগেছে। ২. গল্পের শুরুতে রাইসাকে দিয়ে যে ঘটনাপ্রবাহ শুরু হয়েছে, শেষেও তার প্রসঙ্গ এসেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাইসা বেঁচে আছে কি না-এটা পরিষ্কার হয়নি। তাছাড়া রাইসার বাবা-মা তার কোনো খোঁজখবর নিচ্ছে না-এই বিষয়টিও বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি মিল খায়নি। সব মিলিয়ে প্রহেলিকা একটি দারুণ ও আকর্ষণীয় গল্প, যা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠককে ধরে রাখে। ছোটখাটো কিছু প্রশ্ন থাকলেও উপন্যাসটি পড়ার অভিজ্ঞতা সত্যিই উপভোগ্য ছিল।
আসলে, এটা আমার কাছে সেই একটা বই ছিলো। আমি এটা ঘুম ঘুম চোখে হাতে নিয়েছিলাম কিন্তু এর প্রথম পরিচ্ছেদ পড়ার পরই আমার ঘুম উরে গেসিলো।আমার কাছে এটা অনেক ভালো লেগেছে তবে একটা ম্যাটার ক্লিয়ার হয়নি, আসলে রাইসা তো বেচে ছিলো তাহলে শেষে ৫ টা খুন বলা হইলো কেনো?
আমি প্রহেলিকা ও মাহিন মাহমুদের দুটো বই রকমারি.কম থেকে কিনেছি। ডেলিভারি সত্যিই খুব সুন্দর ও দ্রুত হয়েছে, যা আমি খুবই প্রশংসা করছি। যদিও আমি এখনো বইটি পুরো পড়িনি, তবে বইটি হাতে পেয়ে আমি খুশি। যারা নতুন বইয়ের সন্ধানে রয়েছেন, তাদের জন্য এটি একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম।



মাঝে মাঝে আমাদের রিডিং লিস্টে এমন কিছু বইয়ের দরকার হয়, যেগুলো ‘ভারী ভোজ’ নয়, বরং ‘বিকেলের নাস্তা’র মতো। খুব বেশি চিন্তাভাবনা ছাড়াই গপগপ করে গিলে ফেলা যায়। নাজিম উদ দৌলার ‘প্রহেলিকা’ বইটা আমার কাছে ঠিক তেমনই একটা অভিজ্ঞতার, যা অনেকটা হাইওয়েতে গাড়ি চালানোর মতো—প্রচণ্ড গতি, কোনো ট্রাফিক নেই, একদম গড়গড় করে শেষ। এক বসায় পড়ে ফেলার জন্য এর চেয়ে আদর্শ বই আর হতেই পারে না। কিন্তু সমস্যা হলো, হাইস্পিডে গাড়ি চালালে যেমন রাস্তার আশেপাশের অনেক সৌন্দর্য মিস হয়ে যায়, এই বইটাতেও ঠিক তাই হয়েছে। গল্পটা আপনাকে দৌড়াতে বাধ্য করবে ঠিকই, কিন্তু দৌড় শেষে যখন থামবেন, তখন মনে হবে—রাস্তাটা বোধহয় আরেকটু মসৃণ হতে পারত, আর কিছু কিছু জায়গায় গর্ত না থাকলে যাত্রাটা হতে পারত পারফেক্ট। কাহিনি সংক্ষেপঃ ঢাকা শহরের বুকে নেমে এসেছে এক অমানবিক ত্রাস। একজন সাইকোপ্যাথ কিলার রাতের আঁধারে একের পর এক খুন করে চলেছে অসহায় পথশিশুদের। খুন করার ধরনটা এতটাই নৃশংস যে, ভিকটিমদের চেহারা চেনারও উপায় থাকছে না—ইট বা পাথর দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হচ্ছে মাথা। পুলিশ প্রশাসন যখন দিশেহারা, তখন এই জট খোলার দায়িত্ব পড়ে ডিবি’র জাঁদরেল অফিসার এএসপি মনসুর হালিমের কাঁধে। মজার ব্যাপার হলো, এই সিরিয়াস পুলিশ অফিসারটি একসময় স্বপ্ন দেখতেন স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান হওয়ার! কিন্তু ভাগ্যের ফেরে এখন তাকেই সামলাতে হচ্ছে শহরের সবচেয়ে বীভৎস কেস। তদন্ত করতে গিয়ে মনসুর হালিম আবিষ্কার করেন এক হাড়হিম করা তথ্য। খুনি কোনো সাধারণ পরিকল্পনা করছে না, বরং হুবহু অনুকরণ করছে দেশের বিখ্যাত থ্রিলার লেখক নিয়াজ আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘গাল্লি বয়’-এর কাহিনি! বাস্তবের খুন আর বইয়ের পাতার কাল্পনিক খুনের এই অদ্ভুত মিল পুলিশকে ধাঁধায় ফেলে দেয়। লেখক নিয়াজ কি তবে নিজেই এই খুনের নেপথ্যে? নাকি তাকে ফাঁসানো হচ্ছে? এর মধ্যেই উদয় হয় ‘প্রহেলিকা’ নামের এক রহস্যময় অনলাইন আইডেন্টিটি, যে কি না লেখককে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে লেখকের বাড়িতে উদয় হয় সন্দেহজনক এক গৃহকর্মী। সব মিলিয়ে, তদন্তের প্রতিটি মোড়ে অপেক্ষা করছে নতুন প্রশ্ন। কে এই প্রহেলিকা? আর এই খুনের মিছিল থামবে কোথায়? পাঠ প্রতিক্রিয়া; বইয়ের শুরুতে কিডন্যাপিং আর মুখোশ পরা আগন্তুকের দৃশ্যটা বেশ গা ছমছমে। পড়ার সময় বারবার আমার তামিল মুভি Ratsasan-এর কথা মনে পড়ছিল। যারা ওই মুভিটা দেখেছেন, তারা হয়তো খুনির পেছনের গল্পের সাথে কিছুটা মিল খুঁজে পাবেন। এই সিনেম্যাটিক ফ্লেভারটা বেশ উপভোগ্য। তবে বইটা শেষ করে আমার প্রথম রিয়েকশন ছিল—‘‘কী হলো এটা? শেষ?’’ কারণ বইটা পড়তে আমার সময় লেগেছে মাত্র দেড়-দুই ঘণ্টা। কোনো বাড়তি মেদ নেই, একদম কাট-টু-কাট এগিয়েছে কাহিনী। গল্পের হিরো, ডিবি অফিসার মনসুর হালিমকে নিয়ে আমার এক্সপেক্টেশন ছিল আকাশচুম্বী। লেখক তাকে ‘জাঁদরেল’, ‘বিচক্ষণ’ বলে পরিচয় করিয়ে দিলেও, পুরো গল্পে ভদ্রলোককে আমার বেশ অলস আর কনফিউজড মনে হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো, কেস সলভ করার আসল ক্রেডিট কিন্তু তার সহকারী ঈশিতা আর কনস্টেবল নাহিদের প্রাপ্য। মনসুর যেন পুরো ঘটনায় একজন প্যাসেঞ্জার, যাকে গল্প টেনেহিঁচড়ে ক্লাইম্যাক্সে নিয়ে গেছে। একজন মেইন লিড যদি তদন্তের চেয়ে বোকামি বেশি করে, তখন থ্রিলারের মজাটাই মাটি হয়ে যায়। তবে গল্পের প্লটটা দুর্দান্ত ছিল—বিখ্যাত বইয়ের কাহিনি নকল করে বাস্তবে খুন! আইডিয়াটা শুনেই নড়েচড়ে বসেছিলাম। কিন্তু এক্সিকিউশনে গিয়েই যেন তালটা কেটে গেল। পড়তে গিয়ে বেশ কয়েকবারই ভ্রু কুঁচকে ফেলতে হয়েছে। সবচেয়ে অদ্ভুত লেগেছে গল্পের সেই ফ্যানগার্ল মোমেন্টটা। লেখকের লেখার প্রেমে পড়ে, তার সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য বড়লোকের মেয়ে ছদ্মবেশে তার বাড়িতে কাজের বুয়া হয়ে ঢুকে পড়েছে—এটা কি এই যুগে বসে বিশ্বাসযোগ্য? এটা পড়তে গিয়ে আমার মনে হচ্ছিল কোনো বাংলা সিনেমার মেলোড্রামা দেখছি, যা বাস্তবতার সাথে একদমই বেমানান। একটা সাইকো থ্রিলারের প্রাণ হলো তার ভিলেন বা কিলার। অথচ এখানে কিলারের মনের ভেতরটা উঁকি দেওয়ার সুযোগই নেই পাঠকের। লেখকের ফোকাস কিলারের চেয়ে বেশি ছিল লেখক নিয়াজ আহমেদের ওপর। আর সবচেয়ে বড় খটকা লেগেছে ক্লাইম্যাক্সে—একজন ভয়ানক সিরিয়াল কিলার এত সহজে, সুড়সুড় করে সব দোষ স্বীকার করে নিল? এই জায়গাটা বড্ড বেশি 'বেখাপ্পা' লেগেছে। আপনি যদি নিয়মিত থ্রিলার পাঠক হন, তবে বইয়ের মাঝপথেই বুঝে যাবেন খুনি কে। টুইস্টগুলোতে সেই চমকে দেওয়ার মতো বারুদ ছিল না। মনে হয়েছে, লেখক রহস্য জমানোর চেয়ে গল্পটা দ্রুত শেষ করার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। শেষটা এতটাই তাড়াহুড়ো করে টানা হয়েছে যে, মনে হলো লেখক নিজেই যেন গল্পটা শেষ করতে পেরে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন! শেষ কথা; নাজিম উদ দৌলার লেখার হাত ভালো, গল্প বলার ভঙ্গিটা সাবলীল। সব মিলিয়ে, ‘প্রহেলিকা’ আমার কাছে একটা ‘মিশ্র অনুভূতি’। এটাকে একটা পূর্ণ থ্রিলার না বলে, একটা ‘উইকএন্ড টাইম পাস’ বলাই ভালো। তবে নতুন পাঠকদের জন্য বা যারা থ্রিলার জগতে মাত্র পা রাখছেন, তাদের জন্য এটি ভালো একটা এন্ট্রি হতে পারে। কিন্তু বই পড়ে যদি আপনি ভাবতে চান, চরিত্রের মনের গভীরে ডুব দিতে চান—তবে এই বই আপনার তৃষ্ণা মেটাবে না, বরং অতৃপ্তিই বাড়াবে। বই পরিচিতি— বইয়ের নাম: প্রহেলিকা লেখক: নাজিম উদ দৌলা প্রকাশনী : প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
এটা কী হার্ডকাভার নাকি পেপারব্যাক?
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি পেপারব্যাক। ধন্যবাদ।
page koto?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ১২৮। ধন্যবাদ।
eta ki 15 years old der jonno
প্রিয় গ্রাহক, বইটি ১৮ বছর এবং তার ঊর্ধ্বের পাঠকদের জন্য উপযুক্ত। ধন্যবাদ।
প্রহেলিকা আর কুহেলিকা বই দুইটির কোনটি আগে পরলে বুঝতে পারবো
প্রিয় গ্রাহক, প্রহেলিকা" এবং "কুহেলিকা"—এই দুটি বই আলাদা দুটি সাহিত্যকর্ম, তবে আপনি যদি "কুহেলিকা" ও "প্রহেলিকা" একসাথে পড়তে চান এবং গল্পের সংযোগ বুঝতে চান, তাহলে "কুহেলিকা" আগে পড়া উত্তম। ধন্যবাদ।






















