Buy পথের পাঁচালী Online in Bangladesh
লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- Author: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- Publisher: জোনাকী প্রকাশনী
- Isbn: 98470226001111
- Number Of Pages: 184
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
”পথের পাঁচালী” বইটির সম্পর্কে কিছু কথাঃ ‘পথের পাঁচালি' উপন্যাসে চরিত্র চিত্রনে, উপাখ্যান রচনায়, বাচনভঙ্গিতে এবং ভাষার শিল্প সৌকর্যে বিভূতিবাবু যে অবিশ্বাস্য পারদিৰ্শতা দেখিয়েছেন তা সত্যিই বিরল। উপন্যাসে প্রধান এবং অপ্রধান উভয়বিধ চরিত্রের সন্নিবেশ ঘটানাে হয়েছে। প্রধান চরিত্রের মধ্যে রয়েছে হরিহর, সর্বজয়া, অপু, দুর্গা প্রভৃতি এবং অপ্রধান চরিত্রের মধ্যে আছে ইন্দির ঠাকুরুন, সেজ বৌ, সখী ঠাকুরুন, অজয়, গােমস্তা প্রভৃতি। উপন্যাসের নামকরণে বিষয় নিয়ে তেমন কোন বিতর্ক না থাকলেও পাঁচালি অর্থে বিভুতিভূষণ বাবু সম্ভবত জীবন ও পরিবেশের কথকতা পরিবেশন করেছেন অত্যন্ত দক্ষতা ও নিপূণতার সাথে। উপন্যাসকে তিনি মূল তিনটি উপ-শিরােনামে বিভক্ত করেন- বল্লালী বালাই, আম আঁটির ভেঁপু এবং অত্রুর সংবাদ । প্রথম অংশে পথে পথে ঘুরে বেড়ানাে কাহিনী বর্ণনা করা হয়। এভাবে কোথাও নির্দিষ্ট ঠাই না পেয়ে পথেই ফাইনাল ঘুম দেওয়ার চিত্র উপস্থাপিত হয়েছে। এ অংশে রাজা বল্লাল সেনের আমলের কলিন্য প্রথাকে বিদ্রোপাত্মক কথায় বল্লালী বালাই’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাল্য বিবাহ, বিধবা বিবাহ, বহুবিবাহ ইত্যাদি বিষয়ে কলিন্যের যাতাকলে পিষ্টদের জীবনের আকুতি বিভিন্ন সুরে প্রকাশ পেয়েছে। দ্বিতীয় অংশে নিজের বাল্য জীবনের শিশু-কিশাের বয়সের অনেক কাহিনী বিবৃত হয়েছে। সাধারণত কিশাের বয়সে আমের আঁটি দিয়ে ভেঁপু বাজানাের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। অত্রুর সংবাদে দেখা যায় অত্রু ছিলেন কৃষ্ণের পিতৃব্য। কংস কৃষ্ণ ও বলরামকে ধ্বংস করার জন্য অত্রুকে পাঠান তাদের ধুনযজ্ঞে ডেকে আনার জন্য। অঞ কংসের ষড়যন্ত্র ফাঁস করে দেন। ফলে কৃষ্ণ কংসকে হত্যা করেন। অত্রুকে পাঠানাে হিতে বিপরীত হল। পথের পাঁচালিতে বিভিন্ন মাত্রায় ও রসে পাত্রপাত্রীদের জীবনের পথ হাঁটার প্রেক্ষিতে তাদের চারপাশের মানুষের জীবনের পাচালী বা কথকতা উপস্থাপিত হয়েছে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
thanks rokomari
পথের পাঁচালী হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। বাংলার গ্রামে দুই ভাইবোন অপু আর দুর্গার বেড়ে ওঠা নিয়েই বিখ্যাত এই উপন্যাস।সমগ্র উপন্যাসটি তিনটি খণ্ড ও মোট পঁয়ত্রিশটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত। খণ্ড তিনটি যথাক্রমে বল্লালী বালাই (এখানে ইন্দির ঠাকরূনের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে), আম-আঁটির ভেঁপু (এখানে অপু-দুর্গার একসাথে বেড়ে ওঠা, চঞ্চল শৈশব, দুর্গার মৃত্যু, অপুর সপরিবারে কাশীযাত্রার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে) এবং অক্রূর সংবাদ।এই খন্ডে অপুদের কাশীজীবন, হরিহরের মৃত্যু, সর্বজয়ার কাজের জন্য কাশীত্যাগ এবং পরিশেষে নিশ্চিন্দিপুরে ফিরে আসার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।বইটিতে পাঠের মাধ্যমে একজন পাঠক প্রাচীনকালের সমাজ ব্যবস্থা,পল্লী প্রকৃতি,সামাজিক ত্রুটি যেমন: বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রথা,স্বামীহারা নারীদের জীবন সংগ্রাম,গ্রামের মানুষের সরলতা ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবে।বইটি অামাদের অাবার শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।বইটি পড়ে আমি অনেক সচেতন হয়েছি এবং অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য আরেকটু অনুপ্রেরণা পেয়েছি ।খুবই চমৎকার ছিলো উপন্যাসটি। পরবর্তী কালে বিখ্যাত বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় এই উপন্যাসটি অবলম্বনে পথের পাঁচালী (চলচ্চিত্র) নির্মান করেন যা দর্শকদের কাছে ব্যাপক সাড়া পায়। তাই পাঠক দেরি না করে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা এই উপন্যাসটি এখনোই পড়ে ফেলুন।

ভালোই খারাপ না!























