

Buy পথের পাঁচালী Online in Bangladesh
লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- Author: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- Publisher: সূর্যোদয় প্রকাশন
- Isbn: 9789848972106
- Number Of Pages: 240
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

Worth reading 🖤

উপন্যাসটা এক কথায় অসাধারণ কিন্তু যেটা সবচেয়ে বেশি আমার মন কেড়েছে সেটা হল বইয়ের প্রচ্ছদের ডিজাইন। বইয়ের কাগজের কোয়ালিটি খুব ভালো আর যদি বলি সব মিলে বইটা অসাধারণ


14 Sep 2023/ 6:20pm post:02 বইয়ের নাম: পথের পাঁচালী লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় 📔 বই এবং বইয়ের নাম নিয়ে কিছু কথা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের "পথের পাঁচালী" উপন্যাস তার সাহিত্যিক জীবনের প্রথম উপন্যাস, তিনি এটি প্রকাশ করে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছিলেন; হয়েছিলেন রাতারাতি বিখ্যাত। এই উপন্যাসে ৩৫টি পরিচ্ছেদ রয়েছে। এবং পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৪০। ১ম থেকে ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদ- বল্লালী- বালাই ৭ম থেকে ২৯ পরিচ্ছেদ- আম আঁটির ভেঁপু ৩০ থেকে ৩৫ পরিচ্ছেদ- অক্রুর সংবাদ "পথের পাঁচালী" এই নামটি দ্বারা আসলে জীবনের কাহিনী বুঝায়। পাঁচালী মানে গান, আগেকার যুগে মানুষ তাদের জীবনের ঘটনা গুলো গানের মতকরে বলতেন যাকে পাঁচালী বলে। পথ বলতে এখানে জীবনের চলার পথ বুঝায়। তাই পথের পাঁচালী মানে জীবনের কাহিনী। 📔লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন ১২ সেপ্টেম্বর ১৮৯৪ এবং মৃত্যুবরণ করেন ১ নভেম্বর ১৯৫০। প্রায় ৫৬ বছর বেচেঁ ছিলেন তিনি। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলায় জন্মগ্রহণ করে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর বই সমূহ :"আদর্শ হিন্দু হোটেল" "ইছামতি" "অপরাজিত" "আরণ্যক" এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো "পথের পাঁচালী" 📔পথের পাঁচালী: "পথের পাঁচালী" এই উপন্যাসের মূল চরিত্র হলো অপু। যদিও এই উপন্যাসে অপুর জন্ম থেকে কিশোর পর্যন্ত কাহিনী আছে। কিন্তূ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় অপুকে শুধুমাত্র একটি বইয়ে আবদ্ধ করে রাখেন নি। পরবর্তীতে অপুকে নিয়ে "অপরাজিত এবং অপুর সংসার" এই দুইটি উপন্যাস অপুকে নিয়ে লেখেন। পথের পাঁচালী উপন্যাসে উল্লেখ্য চরিত্র সমূহ - হরিহর হরিহরের স্ত্রী সর্বাজয়া হরিহরের দূর সম্পর্কের বোন ইন্দির ঠাকুরুন। হরিহরের মেয়ে দুর্গা হরিহরের ছেলে অপু। কাহিনী সংক্ষেপ:- নিশ্চিন্দিপুর গ্রামে হরিহর রায়ের ক্ষুদ্র কোঠাবাড়ী। হরিহর সাধারণ অবস্থার গৃহস্থ, পিতার আমলের সামান্য জমিজমার আয় ও দু-চার ঘর শিষ্য সেবকের বার্ষিকী প্রণামির বন্দোবস্ত থেকে সাদাসিদাভাবে সংসার চালান। অর্থাৎ হরিহর এবং সর্বাজয়ার সংসার একদম কোনমতে চলে। তার উপরে ইন্দির ঠাকুরুন এখানে থাকে। যেটা সর্বজয়া একদম সহ্য করতে পারেন না। তাই তাকে অনেক কথা বলতো। কিন্তূ হরিহর রায়ের মেয়ে দুর্গা ইন্দির ঠাকুরুন অর্থাৎ তার পিসিকে খুব পছন্দ করতো। সারাক্ষণ পিতি পিতি করতো। এইটাও সর্বজয়া পছন্দ করতো না। তার কথা হচ্ছে নিজের মায়ের থেকে পিসির জন্য এত টান দেখাবে কেনো! দুর্গা ছোট তাই পিসিকে পিতি বলে ডাকে। ছোটদের কথা যেমন হয় আরকি। এইদিকে ইন্দির ঠাকুরুন ও সিদ্ধান্ত নেয় যে সে আর এইখানে থাকবে না। কিন্তূ কয়েকদিন পর আবার পুঁটলি নিয়ে ফিরে আসে। এইভাবেই একদিন দুর্গার পিসি অর্থাৎ ইন্দির ঠাকুরুন মারা যায়। ইন্দির ঠাকুরুন কিভাবে মারা যায়, কি কি ঘটেছিলো তার সাথে এটি বল্লালী- বালাই প্রথম থেকে ৬ষ্ঠ পরিচ্ছেদে- সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে লেখক। এরপর আম আটির বেপু সপ্তম পরিচ্ছেদের শুরু। দুর্গা ও অপু দুই ভাই বোনের ছোটবেলার কাহিনী। অভাবের সংসারে অপু এবং দুর্গা কিভাবে তাদের শৈশবের আনন্দ খুঁজে নিয়েছে! দুর্গা কোন গাছে কি ফল ধরেছে ফুল ধরেছে সব খবর রাখতো। যেটা আমাদের কাছে সামান্য মনে হয় সেইসব জিনিস সে কুড়িয়ে নিতো। যেমন: মাতি, মুকুল, ফুল ইত্যাদি ।তার খেলনার বাক্সে নিতো। এছাড়াও গ্রামের প্রতিবেশীদের মিথ্যা চোর অপবাদ গায়ে মাখতে হয়েছে, যারা পয়সাওয়ালা তারা আবার তাদের বাচ্চাদের শিখিয়ে দেয় অপু দুর্গার সামনে যাতে কিছু না খায়। তাদের নজর লাগবে। ইত্যাদি। এসবের মাঝেও অপু এবং দুর্গা দুই ভাই-বোনের একে অপরের প্রতি অনেক টান ছিলো। একদিন বৃষ্টিতে অপু আর দুর্গা আম কুড়াতে বের হয় আর দুর্গা লক্ষ্য করে বৃষ্টির গতি বেড়ে গেছে সেখান থেকে ফিরে আসা সম্ভব নয়। তখন দুর্গা অপুকে নিয়ে গাছের নিচে বসে আর তার ছোট ভাইকে আগলে রাখে। এই উপন্যাসের করুণ দৃশ্য- এই উপন্যাসের করুণ দৃশ্য হলো দুর্গার মৃত্যু। প্রচন্ড জ্বরে বিনা চিকিৎসায় দুর্গার মৃত্যু হয়। এত বৃষ্টি ছিলো তাদের ঘরের ভিতরে পানি পড়ছিলো ফুটো দিয়ে। ভিজা কাথায় দুর্গার জ্বর সেরে উঠে নাই। দুর্গার মৃত্যু এই দৃশ্য না পড়লে ফিল করা মুশকিল। লেখকের এই দৃশ্য পাঠককে অনেক আকৃষ্ট করে। পরবর্তীতে হরিহর আর সর্বজয়া অপুকে নিয়ে গ্রাম ছেড়ে চলে আসে। হরিহরের মৃত্যুর পর সর্বজয়া অপুকে মানুষ করার জন্য গৃহিণী থেকে কাজের মহিলা হয়। তখন সর্বজয়া প্রায় ইন্দির ঠাকুরুন এর কথা মনে করে কাঁদতো। কারণ সে নিজেও একজন আশ্রিতা। ইন্দির ঠাকুরুন এর সাথে সে যে ব্যাবহার করেছিলো সেইগুলা সে মোটেই ঠিক করেনি। এসব ভেবে সে অনুতপ্ত। আসলে বইটি না পড়লে বিস্তারিত কাহিনী বুঝে অনুভব করতে কখনোই কেউ পারবে না। লেখক এত সুন্দর করে এটি ফুটিয়ে তুলেছেন যে, এটি প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই বিখ্যাত। 📔শিক্ষণীয় বিষয় :... ১. মনুষ্যত্ববোধ ২. তখনকার সময়ের রীতিনীতি সম্বন্ধে ভালো ধারণা পাওয়া যাবে এটি পড়ে। ৩. বিলাসিতায় কখনো শৈশবের আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায় না। এই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। ৪. অন্যের দুঃখ, কষ্ট পরিস্থিতি না বুঝে তাকে অবহেলা করা উচিৎ নয়। যেমনটা সর্বজয়া পরবর্তীতে নিজের কাছে নিজেই অপরাধী হয়ে যায়। ৫. সন্তান পালনে মায়ের অবধান। 📔শেষ কথা: এই গল্পে লেখকের লেখার মধ্যে গল্পের চরিত্র গুলো কীভাবে মনের ভিতরে জাগ্রত হয়ে উঠে। না পড়লে অনুভব করা সম্ভব নয়। কীভাবে অপু আর দূর্গা বেড়ে উঠে। তাদের শৈবকাল এবং অভাব অনটন তাদেরকে কতটা কষ্ট দেয়। এসব থেকে অনেক কিছু শিখার আছে। এই গল্পটি বছরের পর বছর ধরে তার জায়গা দখল করে আছে অনড়ভাবে। আর এইভাবেই যুগ যুগ ধরে টিকে থাকুক। যা থেকে পরের প্রজন্ম শিখতে পারে। রেট: ৫/৫ সূর্যোদয় প্রকাশন মূল্য:৩০০ Book review A.R Azmir { ছবিটি আমার তোলা } Azmira☔
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
is that hardcore and if it is how many pages in it
Dear customer, Yes, this book is hardcover & this book contains 240 pages. Thanks for your question.
stock a ase?
প্রিয় গ্রাহক, এই মুহূর্তে বইটি আমাদের স্টকে নেই। অর্ডার করতে পারেন, প্রকাশনী থেকে সংগ্রহ করে দেওয়া হবে। ধন্যবাদ।
Is that book have full Story?
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি সম্পূর্ণ গল্প নিয়ে রচিত। ধন্যবাদ।
Is that book have full Story?
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি সম্পূর্ণ গল্প নিয়ে রচিত। ধন্যবাদ।























