

Buy পদ্মা নদীর মাঝি Online in Bangladesh
লেখক: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- Author: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- Publisher: সফা প্রকাশনী
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2023
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পদ্মানদীর মাঝি ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ১৯ মে (১৩১৫ বঙ্গাব্দের ৬ জ্যৈষ্ঠ) বিহারের সাঁওতাল পরগনা, বর্তমান ঝাড়খন্ড রাজ্যের দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের বিক্রমপুরে। পিতার দেওয়া নাম ছিল প্রবোধকুমার আর ডাকনাম মানিক। তাঁর পিতার নাম হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাতা নীরদাসুন্দরী দেবী। চৌদ্দ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন অষ্টম। পিতা হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তদানীন্তন ঢাকা জেলার স্যাটেলমেন্ট বিভাগের সাব-রেজিস্টার। পিতার চাকরির সূত্রে বদলির কারণে মানিকের শৈশব-কৈশোর ও ছাত্রজীবন অতিবাহিত হয়েছে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার দুমকা, আরা, সাসারাম, কলকাতা, বারাসাত, বাঁকুড়া, তমলুক, কাঁথি, মহিষাদল, গুইগাদা, শালবনি, নন্দীগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, টাঙ্গাইল প্রভৃতি শহরে। মা নীরদাসুন্দরীর আদিনিবাস ছিল বিক্রমপুরের লৌহজং থানার অন্তর্গত গাউদিয়া গ্রামে। ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় মেদিনীপুর জেলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় এবং ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে বাঁকুড়া ওয়েসলিয় মিশন কলেজ থেকে আইএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে গণিত বিষয়ে অনার্সে ভর্তি হন। কলেজ ক্যান্টিনে একদিন আড্ডা দেওয়া অবস্থায় এক বন্ধুর সাথে মানিক বাজি ধরেন তিনি তাঁর লেখা গল্প 'বিচিত্রা'য় ছাপাবেন। সে সময় কলকাতায় 'বিচিত্রা' পত্রিকা ছিল অত্যন্ত বিখ্যাত এবং কেবল নামকরা লেখকরাই তাতে লিখতেন। বন্ধুর সাথে বাজি ধরে মানিক লিখে ফেললেন তাঁর প্রথম গল্প অতসী মামী এবং সেটি 'বিচিত্রা'র সম্পাদক বরাবর পাঠিয়ে........
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

◻️ পাঠ প্রতিক্রিয়া : ব্রিটিশ আমলে পূর্ব বাঙলার গ্রামীন জীবনের জেলেপাড়ার দৃশ্য বইটিতে ফুটে উঠেছে। পদ্মার পাড়ে গড়ে ওঠা গ্রামগুলোতে পদ্মার মাঝি এবং জেলেদের জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত বইটি। জেলেদের জীবনে সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনার প্রতিচ্ছবি বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে। পদ্মার পাড়ে থাকা মানুষের জীবন ঝড়ের সময় আতঙ্কে অতিবাহিত হয়। প্রাকৃতিক ঝড়ে নদীর পাড়ে থাকা নীড়গুলো ভেঙে যাওয়ার আতঙ্ক এমনকি নদীতে যাওয়া জেলেদের জন্যও দুঃশ্চিতার মাঝে তাদের দিন-রাত পার করতে হয়। ঝড়ের কারণে কারো ঘর বা কারো পরিবারের কাউকে না কাউকে হারাতে হতো। কী ভয়ানক দিন ছিল জেলেদের জন্য! তা ছাড়া প্রেম, ভালোবাসা নিয়েও উপন্যাসে কম বলা হয়নি। কপিলার প্রতি কুবেরের অন্যরকম এক অনুভূতি যা কিনা এক সময়ে দেখা যায় এক জন আরেকজনের প্রতি দূর্বল হয়ে যায়। দুইজন পারি দেয় এক অজানা দ্বীপের উদ্দেশে। . . ▫️বই: পদ্মা নদীর মাঝি ▪️লেখক: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ▫️প্রকাশনী: সফা প্রকাশনী ছয় মে দুই হাজার চব্বিশ।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
page koto total ?
জি, বইটির মোট ১৫২ পৃষ্ঠা।
page koto total ?
জি, বইটির মোট ১৫২ পৃষ্ঠা।























