

Buy ধম্মপদ - বুদ্ধের পথ পরম্পরা-১ Online in Bangladesh
লেখক: তোরিফা নাজমিনা মণি
- Publisher: রোদেলা প্রকাশনী
- Isbn: 9789849311904
- Number Of Pages: 160
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2019
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"ধম্মপদ" বইটির সম্পর্কে কিছু কথা: ধম্মপদ গ্রন্থটি হলাে কবিতার আকারে লেখা গৌতম বুদ্ধের বাণী সংকলন। এটি বৌদ্ধ ধর্মের সর্বাধিক পঠিত ও পরিচিত গ্রন্থ যা থেরবাদ সুপিটকের খুদ্দক নিকায়-এর অন্তর্গত। থেরবাদকে আদি ও মৌলিক বৌদ্ধদর্শন বলা হয়। পালি ‘থের’ শব্দ থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে। থের’ শব্দের অর্থ স্থবির, স্থিত, স্থিতধী, স্থিতিশীল ইত্যাদি। অর্থাৎ যিনি সংসার ত্যাগ করে ভিক্ষু হয়েছেন, কমপক্ষ দশ বছর নিরন্তর সাধনায় স্থিতিশীল, তাকেই বলা হয় স্থবির’ বা ‘থের। গৌতম বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণের পরে অনুষ্ঠিত বৌদ্ধ ভিক্ষুদের প্রথম সম্মেলনে এ রীতির প্রচলন হয়। বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে এখনও এ ধারা বর্তমান আছে। ভিক্ষুসংঘের এ থের অভিধা থেকেই ‘থেরবাদ’ শব্দের অভ্যুদয়।। ধম্মপদ শব্দটি “ধম্ম” এবং “পদ” এই দুটি শব্দ নিয়ে গঠিত। শব্দ দুটির একাধিক অর্থ রয়েছে। তাই ধম্মপদ বইটির নামকরণের অর্থ নিয়েও একাধিক মত প্রচলিত আছে। কেউ কেউ বলেন, “ধম্ম” শব্দের অর্থ “কর্ম”, কারও মতে ‘সংস্কার। আবার কেউ বলেন, “ধৰ্ম্ম” শব্দের অর্থ “কার্যকারণ ভাব”। কোন কোন পাশ্চাত্য গ্রন্থে “ধম্ম” শব্দ “স্বভাব” অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তবে অনেক রকম মত থাকলেও পাশ্চাত্য এবং প্রাচ্যের পণ্ডিতগণ কার্যকারণ ভাবকেই ধম্মের প্রকৃত অর্থ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। অর্থাৎ, আমাদের ইন্দ্রিয়সমূহ দ্বারা যা কিছু আমাদের মাঝে প্রবেশ করে সেই সংস্কারই হলাে ধম্ম । আমি বর্তমান মুহূর্তে যেমন আছি তা কেবল পূর্ব মুহূর্তের ফল মাত্র। তবে কর্মকে অনেকে এভাবে ব্যাখ্যা করেছেন, যেমন, আমি অস্ত্র দিয়ে কোন ব্যক্তির শিরচ্ছেদ করলাম, এই শিরচ্ছেদ প্রকৃতপ্রস্তাবে “কর্ম” নয়। এমন একটা কাজ করে আমার মাঝে যে সংস্কারের উদয় হয়েছে সেটাই কর্ম। আবার এভাবে ভাবলে মনে হয় বিষয়টা আমাদের কাছে আরাে একটু সহজ হতে পারে। যেমন, আমি কোন ব্যক্তিকে কুট কথা বলে আঘাত করলাম, এই আঘাত করা কর্ম নয়। এর কারণে আমার মাঝে যে কার্যকারণ ভাব বা সংস্কারের জন্ম নিল সেটাই কর্ম।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

অসাধারণ!
অত্যন্ত দুঃখজনক! আপনার অনুবাদ উদ্ভট। নিচে আপনার অনুবাদ :👉 (যমক বর্গের প্রথম শ্লোক) "আমরা তাই আমার যা চিন্তা করি। আমাদের চিন্তায় যা কিছু উদয় হয় আমরা তাই। আমাদের চিন্তা দিয়ে আমরা এ জগত নির্মাণ করি। অশুদ্ধ মনের কথা বা কর্ম এবং দুর্ভোগ তোমাকে অনুসরণ করবে চাকা তেমন ষাঁড়কে অনুসরণ করে গাড়ি টেনে চলে।" শ্রীমৎ ধর্মাধার মহাস্থবির কৃত প্রাঞ্জল ও শুদ্ধ অনুবাদ: (যমক বর্গের প্রথম শ্লোক) 👉"মন ধর্মসমূহের পূর্বগামী, মন ইহাদের প্রধান এবং ইহারা মনোময় বা মনের দ্বারা গঠিত। যদি কেহ দোষযুক্ত মনে কোন কথা বলে বা কাজ করে, তবে শকটবাহীর (বলদের) পদানুগামী চক্রের ন্যায় দুঃখ তাহার অনুসরণ করে।" Phenomena are preceded by the heart, ruled by the heart, made of the heart. If you speak or act with a corrupted heart, then suffering follows you — as the wheel of the cart, the track of the ox that pulls it.~( translated into English from the pali by Ben: Thanissaro Bhikkhu.) 1. Manopubbaṅgamā dhammā manoseṭṭhā manomayā 1 Manasā ce paduṭṭhena bhāsati vā karoti vā Tato naṃ dukkhamanveti cakkaṃ'va vahato padaṃ. 👆👆~the original stanza in pali said by the blessed one(Buddha).
প্রকৃতীগত ভাবেই মানুষ এক স্বধিন সত্ত্বা। ধীরেধীরে এই স্বধিন সত্ত্বা কে নানাবিধো উপকরণাদি র বেড়াজালে আবদ্ধ করে সমাজ, সংসার। হারিয়ে য়ায় সত্ত্বার স্বাধীনতা, রুপান্তর হয় যান্ত্রিক সত্ত্বায়। দুঃখ যাতনায় কাতর হয়ে ডুবে য়ায় হতাশায়,। ব্রিতশ্রদ্ধো হই জীবনের প্রতি, বিধাতা র প্রতি, অথবা সমাজ বা অন্য কিছুর প্রতি। অনুবাদক তার প্রান্জল ভাষায় , সকল শৃঙ্খল ভেঙে, রুপান্তর এই যান্ত্রিক সত্ত্বা কে আবার সেই প্রকৃত স্বাধীন সত্ত্বার বোধ জাগরিত হওয়া, ঘুমন্ত থেকে জাগরিত হয়ে। বর্তমানের অনুভবন, জীবন উপভোগ্য এক সুন্দর উপস্হাপন।

সর্বপ্রথম গুরু ওশো রজনীশকে আবিস্কার করেছি তোরিফা নাজমিনা দিদির 'আত্মপরিভ্রমন ' বইয়ের মাধ্যমে। তারপর নেট থেকে গুরুজীর ইংলিশ হিন্দী অনেক ডিসকোর্স শুনতে ও পড়তে থাকি। আমি গুরুজীকে যেমন করে বুঝি বাংলায় একমাত্র তোরিফা নাজমিনা দিদির অনুবাদে সেরকম প্রকাশ খুজে পাই। তার অনুবাদ পড়ার সময় মনে হয় যেন জীবন্ত গুরুজী কথা কইছেন। সাহিত্যমানের দিক দিয়েও দিদির অনুবাদ অনন্য। অনুবাদকের সাথে গুরুজীর যদি আত্মিক সম্পর্ক না থাকতো তবে এরূপ অনুবাদ করা সম্ভবপর হতো বলে মনে হয়না। মনে হয় যেন গুরুজী নিজে বসে থেকে দিদিকে দিয়ে অনুবাদ করিয়ে নেন। যারা আত্মোপলব্ধির পথে আছেন তাদের জন্য দিদির বইগুলো চিরদিন সহায়ক হিসেবে কাজ করে যাবে। গুরুজীর আশীর্বাদ দিদিকে আমাদের সেবায় আরো বেশী সক্ষম করে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস।






















