

Buy জাল Online in Bangladesh
লেখক: আবু ইসহাক
- Author: আবু ইসহাক
- Publisher: নওরোজ সাহিত্য সম্ভার
- Isbn: 9847021472
- Number Of Pages: 103
- Language: বাংলা
- Edition: 1sr Reprint, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"জাল" বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ ১৯৫৪ সালে ‘জাল' উপন্যাসটি লেখা শেষ করে পাণ্ডুলিপি তৈরি করছি, এমন সময় হঠাৎ ‘সূর্য-দীর্ঘল বাড়ী' উপন্যাসের প্রকাশক পাওয়া গেলাে। ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী' যে সুখ্যাতি অর্জন করেছে তা ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কায় তখন ডিটেকটিভ উপন্যাস প্রকাশ করা আমি মােটেই উপযুক্ত মনে করিনি। তাই আমার লেখা দ্বিতীয় উপন্যাস ‘জাল’-এর পাণ্ডুলিপি বের করে আগাগােড়া পড়লাম এবং নতুন করে বুঝতে পারলাম, ‘জাল’ আমার সুনাম মােটেই ক্ষুন্ন করবে না, কারণ এটি একটি ভিন্ন স্বাদের উপন্যাস, গতানুগতিক ডিটেকটিভ উপন্যাস নয়। তা ছাড়া এর ভেতরে আছে অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে আমার উদ্ভাবিত কিছু মৌলিক পদ্ধতি। উপন্যাসটি ১৯৮৮ সালে ‘আনন্দপত্র' ঈদ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়। কিছু পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জিনার পর এটি গ্রন্থকারে প্রকাশিত হলাে নসাস ঢাকা থেকে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

১৯৫৪ সাল! আজ থেকে প্রায় ৭১ বছর আগে লেখা বই এটি... ছোট কিন্তু পারফেক্ট সাইজের একটি বই। সমস্ত কিছু বইয়ের ১০০ পাতার মধ্যে সূনিপুণভাবে গুছিয়ে এনেছেন সুলেখক আবু ইসহাক। লেখকের লেখা 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের মতোনই আরেকটি পিঊর ক্লাসিক উপন্যাস 'জাল'। সবচেয়ে দারুন লেগেছে পুলিশের বাস্তব তদন্ত পদ্ধতি। বাস্তব তদন্ত ম্যাজিকের মত চলে না। সেখানে সারাক্ষণ টানটান উত্তেজনা ও গোলাগুলি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এসবে নিহিত থাকে না। বরং সেটা রুটিন বাঁধা একঘেঁয়ে কাজ, সেখানে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতাই বেশি এবং বুদ্ধিমত্তার চেয়ে সাফল্য নির্ভর করে একগুঁয়ের মত তদন্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে সঠিক ধারায় গুছিয়ে কাজ করার ওপর। ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষার মতো বাংলার ৫০ টি অক্ষর ও স্বরচিহ্ন ভেদ করে সে পদ্ধতিতে কাজ করে কোড ব্র্যাক করা ছিল এই গল্পের নিতান্ত এক অভাবনীয় চমক। একদল কুচক্রীদের মদোতে পাঁচ টাকা, দশ টাকা, একশো টাকার জাল নোট তৈরি ও লেনদেন। আস্তে আস্তে তা ছড়িয়ে পরে পুরো দেশে। এরপর শুরু হয় পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম এবং নানা চড়ায় উতরাই পার করে অবশেষে, সেই তদন্ত চূড়ান্ত সফলতা লাভ করে চাটগাঁ শহরে এসে (বর্তমান চট্টগ্রাম শহর). অপরাধ রহস্য উন্মোচন ও উদঘাটনে ডিটেকটিভ ব্যোমকেশ যেমন পাশে পেয়েছিল সত্যবতীকে, ঠিক তেমনি ইন্সপেক্টর ইলিয়াস তার ঢাল হিসেবে পেয়েছিলেন রোকসানাকে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও বাস্তবতায় যুগোপযোগী একটি উপন্যাস এটি। এই বই নিয়ে আরো আলোচনার প্রয়োজন নিশ্চয়ই আছে। যদিওবা মাস্টারপিস হয়তো নয়, তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি ইউনিক পিস তো বটেই।



Classic

ডিটেকটিভ নামটা শুনেই পাঠক বলবে সূর্যদীঘল বাড়ির লেখক গোয়েন্দা কাহিনী লিখেছেন? কিন্তু তার পেশা সম্পর্কে অবগত হয়ে পাঠক বলবে সূর্যদীঘল বাড়ি উপন্যাসটা কি এই লেখকেরই সৃষ্টি? আবু ইসহাক। আগাগোড়া একজন ঔপন্যাসিক তাও আবার সামাজিক ঘরানার। বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত উপন্যাস সূর্যদীঘল বাড়ি তারই সৃষ্টি। ১৯৪৮ সালের অগাস্ট মাসে উক্ত উপন্যাসের পাণ্ডুলিপির কাজ শেষ করেন তিনি। কিন্তু দীর্ঘ চার বছর ধরে ঢাকা এবং কলকাতা ঘুরেও কোনো প্রকাশককেই বইটি প্রকাশে রাজি করাতে পারেননি। হতাশ হয়ে ভাবলেন হয়তো ডিটেকটিভ উপন্যাস লিখলে প্রকাশকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব। কিন্তু বিদেশী গল্পের ছায়া অবলম্বনে কিংবা বিদেশী গল্প নকল করে লেখার মতো রুচি লেখকের হলো না। লেখক আবু ইসহাক পেশায় ছিলেন একজন ডিটেকটিভ। পেশাগত প্রশিক্ষণ, পড়াশুনা এবং অপরাধ তদন্তের বাস্তব অভিজ্ঞতা যার আছে তার পক্ষে একটা দুর্দান্ত ডিটেকটিভ উপন্যাস লেখা মোটেই অকল্পনীয় কিছু নয়। ১৯৫০ সালে জাল নোটের মামলা সংক্রান্ত কয়েকটা কেসের তদন্তের ভার পড়েছিল তার পেশাগত জীবনে। সেই তদন্তের অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগিয়ে লিখে ফেললেন আস্ত এক ডিটেকটিভ উপন্যাস। লেখার কাজ শেষ হলো ৫৪ সালে; অথচ ৫৫ সালেই এক প্রকাশক রাজি হয়ে গেলেন সূর্যদীঘল বাড়ি উপন্যাসটি প্রকাশ করতে। সূর্যদীঘল বাড়ির সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতেই সুদীর্ঘ ৩৪ বছর বাক্সবন্দী করে রাখেন ডিটেকটিভ উপন্যাসটি। নয়তো তৎক্ষনাৎ এই উপন্যাস প্রকাশ পেলে হয়তো বাংলা সাহিত্যের রহস্যোপন্যাস জগতে তা একটি মাইলফলক বলেই বিবেচিত হতো। অবশেষে ১৯৮৮ সালে ভিন্ন স্বাদের এই উপন্যাসটি প্রকাশ পায়। গতানুগতিক ডিটেকটিভ উপন্যাস নয় এটি; বরং অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে লেখকের নিজস্ব উদ্ভাবিত মৌলিক পদ্ধতির ব্যবহার করা হয়েছে এখানে। থাক সেসব কথা মূল প্রসঙ্গে ফিরি। সদ্য দেশবিভাগ হয়েছে। বর্তমান বাংলাদেশ অর্থাৎ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঘটনা। প্রতিদিনই ওপাড় বাংলা থেকে শয়ে শয়ে পরিবার বাঁচার তাগিদে নিজের ভিটেমাটি ছেড়ে ভিড় করছে পূর্ব পাকিস্তানে। সেই অস্থির সময়টাকেই সুযোগ হিসেবে বেছে নেয় একদল জাল নোট পাচারকারী চক্র। প্রায় প্রতিদিন প্রদেশের প্রতিটা থানা থেকেই জাল নোটের প্রকোপ বৃদ্ধির কথা শুনতে শুনতে ত্যক্ত হয়ে উঠেছে প্রশাসন। জাল নোটের মাধ্যমে যে দেশের অর্থনীতিকে কব্জা করা সম্ভব; এবং এমনকি পুরো দেশকেই করায়ত্ত করা সম্ভব; তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই এই চক্রের তৎপরতা ঠেকাতে মাঠে নামে পূর্ব পাকিস্তানের গোয়েন্দা বিভাগ। এই গোয়েন্দা বিভাগেরই স্পেশাল অফিসার আলী রেজা। আলী রেজার অধীনে থাকা এক অফিসারের নাম হচ্ছে ইলিয়াস। চৌকষ বুদ্ধিসম্পন্ন এই অফিসারের কল্যাণেই জাল নোট পাচারকারীদের একটা চিঠি হাতে পায় গোয়েন্দা বিভাগ। কিন্তু বিধিবাম! চিঠিটা লেখা দুর্বোধ্য এক ভাষায় কিংবা বলা যায় সাংকেতিক কোনো গুপ্ত ভাষায়। এই চিঠির পাঠোদ্ধার সময় সাপেক্ষ ব্যাপার তো বটেই সঙ্গে আবার পাঠোদ্ধার যে সঠিকই হবে তার নিশ্চয়তাও নেই। উপরন্তু চিঠির প্রাপক আর প্রেরককে খুঁজে বের করাও এই অস্থির সময়ে বেশ কষ্টসাধ্য কাজ। আর খুঁজে পেলেও প্রমাণাদি কই? কিন্তু গোয়েন্দা অফিসার ইলিয়াস যে নাছোড়বান্দা। খড়ের গাঁদায় সুঁই খোঁজার ব্রত নিয়েই নেমে পড়ে ইলিয়াস। সঙ্গী হয় কিংবা বলা যায় সঙ্গিনী হয় উদ্বাস্তু পরিবারের এক মেয়ে রোকসানা। যার বাবা নির্দোষ হয়েও জেল খাটছে জাল নোট পাচারকারী চক্রের কারণে। তাদের এই ছুটে চলার সঙ্গী হয় পাঠক, লেখকের প্রাঞ্জল বর্ণনা আর উপস্থাপনে। অর্থনৈতিক সাফল্যের উপর নির্ভর করে রাজনৈতিক সাফল্য। আবু ইসহাক এই উপন্যাস পড়ে যে কারোরই পাঠ প্রতিক্রিয়ার মূল বক্তব্য হবে অবাক হয়েছি খুব। গত শতকের মাঝামাঝিতে বসে এমন দুর্দান্ত ডিটেকটিভ উপন্যাস লেখা সত্যিই যে কাউকে অবাক করবে। তদন্তের শুরু থেকে একদম শেষ পর্যন্ত পাঠককে আষ্ঠেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখবে বাস্তবমুখী, প্রাঞ্জল আর সাবলীল বর্ণনাভঙ্গি। একই তদন্তের জালে আটকে পাঠক যেন বিরক্ত না হয়ে সেজন্য সাবপ্লট হিসেবে লেখক এক তোতলা দরবেশকে টেনে এনেছেন গল্পে। লেখক যেন এখানে মজার ছলেই মনে করিয়ে দিলেন সেই সময়ের দুর্ধর্ষ সব অপরাধীরা নিজেদের পরিচয় গোপন করতে দরবেশ বা ভণ্ড পীরের ছদ্মবেশ নিতো। এখনকার সময়েও যে অপরাধীরা ধর্মের লেবাস গাঁয়ে জড়ায়; তা আর হলফ করে বলার দরকার নেই। লেখকের উদ্ভাবিত তদন্তের পদ্ধতিতে একইসঙ্গে মুগ্ধ এবং বিরক্তও হয়েছি বটে। বিরক্ত হবার কারণ হচ্ছে লেখক এত ডিটেইলিং করেছে যে মনে হচ্ছিল ক্রিপ্টোগ্রামের ক্লাস করছি। তবে তা যে গল্পের স্বার্থেই করা, তা গল্প খানিকটা আগালেই টের পাওয়া যায়। এছাড়া ইলিয়াস আর রোকসানাকে প্রেমটাকে কেমন যেন জোর করে চাপিয়ে দেয়া ধরণের মনে হতে পারে। যদিও তদন্তের বিচারে তাই যুক্তিযুক্ত ছিল। তবে গত শতকের ডিটেকটিভ উপন্যাস; কথাটা শুনতেই আধুনিক কালের পাঠকের মনে যে ব্যাকডেটেড কাহিনীচিত্র ফুটে ওঠে; তার ছিটেফোঁটাও ছিল না এই উপন্যাসে। বরং অনেক বেশী সমসাময়িক মনে হয় কাহিনীর প্রেক্ষাপটে। আর লেখকের যে পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনাভঙ্গি; সত্যিই টাসকি খাবার দশা। পারফেক্ট না বললেও সময়কাল ও অন্যান্য ব্যাপারগুলোকে বিবেচনায় নিলে দুর্দান্ত বলতেই হয়। বাস্তবধর্মী তদন্ত, মৌলিক তদন্ত পদ্ধতি, ক্রিপ্টোগ্রাম, ছদ্মবেশ, অদৃশ্য কালির ব্যবহার, প্রেম, সাবপ্লট বর্ণনা এবং টান টান উত্তেজনা – পুরো বইটাতে একজন রহস্য প্রেমী উক্ত ব্যাপারগুলো দারুণভাবে উপভোগ করবে। ৮৪ পৃষ্ঠার এই বইটি পড়তে খুব বেশী একটা সময় লাগবে না। বরং এক বসাতেই পড়ে ফেলা সম্ভব। তাহলে নিজেই জেনে নিন না ৩৪ বছর বাক্সবন্দী থাকা উপন্যাসটি সম্পর্কে। যদিও পিডিএফ পড়েছি তবুও বইটির প্রিন্টেড কপি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করছি সংরক্ষণের জন্য। বইটির পিডিএফ লিংক এখানে। বই: জাল লেখক: আবু ইসহাক ধরন: ডিটেকটিভ উপন্যাস প্রকাশনী: প্রান্তিকা প্রকাশকাল: ১৯৮৯ বিস্তারিত রিভিউ - https://thewazed.wordpress.com/2020/06/03/jal-book-review/

দুর্দান্ত থ্রিলার। দেশভাগ পরবর্তী পূর্ববঙ্গে একদল জালিয়াত উঠেপড়ে লাগে সারা দেশে জাল নোট ছড়াতে। যাদের অসৎ উদ্দ্যেশ্য ছিল সুদূরপ্রসারী, শুধু জাল নোট ছড়িয়ে অর্থ আত্মসাৎই নয়, ভবিষ্যতে দেশের রাজনীতিতে ওদের ঘৃণ্য শ্বাপদ ছাপ রাখা। এই চক্রের পেছনে পুলিশ বিভাগের তুখোড় অফিসার ইলিয়াস আদা জল খেয়ে নামেন ওদের সকল ধান্দা বন্ধ করতে। প্রতি পদে পদে বুদ্ধির মারপ্যাঁচ খাটিয়ে তিনি সফল হন । বইটির পরতে পরতে ইলিয়াসের বুদ্ধির ঝিলিক দেখতে দেখতে এবং চমকাতে চমকাতে এক নিঃশ্বাসে শেষ হয়ে যাবে বইটা।
নিজ পেশার সাথে জড়িত ঘটনাবলীকে গল্পের আকার দিয়ে উপন্যাস রচনা নতুন নয়, অনেকেই করেছেন এমন। তাদের ভিড়ে আবু ইসহাকও রয়েছেন। সূর্য দীঘল বাড়ির খ্যাতিকে তুঙ্গে উঠতে দেবার ফুরসত দিয়ে তিনি তাঁর একটি কাব্যিক রহস্যপোন্যাসকে তালা বন্দী করে রাখেন দীর্ঘদিন। উপন্যাসটির নাম “জাল”! নতুন দেশে নতুন নোটকে কেন্দ্র করে জেগে উঠা একদল জালিয়াত বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা এক গোয়েন্দা পুলিশ ইন্সপেক্টর যুবকের কাহিনী কথিত হয়েছে এইখানে। রহস্যের জটের সন্ধান মিলে প্রথমত রোক্সানা নামক এক সুন্দরীর জবান বন্দী থেকে। তারপর রহস্যের জট শুধু পাকাতেই থাকে, সাথে সাথে বাড়তে থাকে উত্তেজনা। পুরো দেশ জুড়েই চলতে থাকা ষড়যন্ত্র কে রুখে দিতে পাঠকদেরও ঘুরতে হবে নায়কের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন আনাচে কানাচে! দেশীয় সাহিত্যের জগতে “জাল” রহস্য উপন্যাসটি এক চমৎকার ভাবাবেগকে স্থান দেয়। আবু ইসহাক তাঁর অপূর্ব রচনা শৈলীর বেষ্টনীতে উপন্যাসটিকে করেছেন বাস্তব ঘেঁষা। অত্যন্ত আগ্রহের সাথে বইটি হাতে নিয়েছিলাম। খুবই পরিতৃপ্তির সাথে পরা শেষ করেছি! বাংলা সাহিত্যে এমন আরো কিছু উপহার পেলে মন্দ হত না!
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
উপন্যাসটি কত পাতা?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির মোট ১০৩ পৃষ্ঠা, ধন্যবাদ।
উপন্যাসটি কত পাতা?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির মোট ১০৩ পৃষ্ঠা, ধন্যবাদ।






















