

Buy হাঁসুলি বাঁকের উপকথা Online in Bangladesh
লেখক: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- Author: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- Publisher: মাটিগন্ধা
- Isbn: 9847034306170
- Number Of Pages: 304
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 2017
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"হাঁসুলি বাঁকের উপকথা" বইয়ের ফ্ল্যাপের অংশ থেকে নেয়া: গ্রন্থটির নামকরণের মধ্যেই ইহার অন্তঃপ্রকৃতির বৈশিষ্ট্য ব্যঞ্জিত হইয়াছে। ইহা ইতিহাস নহে, উপকথা। ইহার জীবনযাত্রা অতিপ্রাকৃতের ঘন-কুহেলিকা-মণ্ডিত; পৌরাণিক কল্পনা, অলৌকিক সংস্কার ও বিশ্বাস, প্রাচীন কিংবদন্তী ও আখ্যান, সদ্য অতীতের ঘটনা-প্রতিফলিত জীবনদর্শন- এ সমস্তই প্রাত্যহিক জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গভীরভাবে অনুপ্রবিষ্ট। হাঁসুলি বাঁকের কাহারদের জীবনদর্শন অপরিবর্তনীয়ভাবে স্থিরীকৃত- তাহাদের জীবনে যাহা-কিছু ব্যতিক্রম ও বিপর্যয়, যাহা-কিছু আকস্মিক ও অসাধারণ সবই দেবলীলা, অদৃশ্য শক্তির দুর্বোধ্য অভিপ্রায় হইতে উৎক্ষিপ্ত। সূর্যালােক ও বায়ুপ্রবাহের ন্যায় এই অলৌকিক সত্তার রশ্মিবিকিরণ তাহাদের আকাশ-বাতাসের প্রতিটি অণুপরমাণুতে পরিব্যাপ্ত। অশীতিপর বৃদ্ধা সুচাদ এই দৈবশক্তির অধিকারিণী ও ব্যাখ্যাত্রী; হাঁসুলি বাঁকের জন্মবৃত্তান্ত, উহার অতীত | কাহিনী, উহার কৈশোের ও প্রথম যৌবনের সমস্ত উদ্ভট কল্পনা ও অপ্রাকৃত অভিজ্ঞতা পারলৌকিক জগৎ হইতে অভ্যাসগত প্রতিটি ধ্বনি ও স্পর্শ, দেবতার রােষ ও প্রসাদের প্রতিটি নিদর্শন তাহার স্মৃতির ঐতিহাসিক আধারে অখণ্ড সমগ্রতায় ও প্রথম অনুভূতির গাঢ় বর্ণলেপে অবিস্মরণীয়ভাবে রক্ষিত। সে এই সম্প্রদায়ের prophet বা অধ্যাত্মলােকের সহিত যােগাযােগ রক্ষার সেতু। তাহার অতীতস্মৃতিপুষ্ট, তীক্ষ্ণ অনুভূতির বেতার-যন্ত্রে দেবলােকের নিগূঢ় অভিপ্রায়, আগামী বিপদের ছায়া, বর্তমান ঘটনার তাৎপর্য সমস্তই অভ্রান্ত ভাবে লিপিবদ্ধ ও বােধগম্য হয়।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
ভালো লাগেনি। খুব বেশি হাবিজাবি লিখেছে
হাঁসুলি বাঁকের উপকথা একটি অনন্য সাধারণ উপন্যাস

অনন্যসুন্দর একটি বই

বইয়ের নামঃহাঁসুলি বাঁকের উপকথা লেখকঃতারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশনীঃমাটিগন্ধা মূল্যঃ২৫৫টাকা এ উপন্যাসে জমিদার - প্রজার পারস্পরিক সম্পর্ক ও সমস্যা, কৃষিজীবির সাথে যান্ত্রিকতার সংঘাত, যুদ্ধের প্রভাব এবং এই ধরনের আর অনেক কথা আছে। হাঁসুলী বাঁকের কৌমসমাজের গোষ্ঠীজীবন আশ্রিত করে গড়ে উঠে এর পটভূমি।তারাশঙ্কর দেখিয়েছেন হাঁসুলী বাঁকের গোষ্ঠীজীবনের বিনাশের ইতিহাস তথা মূল্যবোধের বিপর্যয় আর পরিণতিতে কাহার সম্প্রদায়ের নিজ গ্রাম থেকে উচ্ছেদের গল্প।পিতৃ-পুরুষের কাহিনী তার উত্তর-পুরুষ কে, সেখানে রূপকথার কাহিনী সময় নিরপেক্ষ, পুরুষ-নিরপেক্ষ, অন্যকথায় চিরকালীন। কিন্তু উপকথাই হোক বা রূপকথা, উভয়েই আসলে বলে জীবনের, ইতিহাসের আবর্তনের কথা। উভয়েই জোরে জোরে হেকে বলে “সাবোধান সাবোধান! সকল পুরুষ শোন, ভুলে যেও না যে ইতিহাস ফিরে ফিরে আসে!” ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’ তাই একই সাথে যেমন অতীত কালের আখ্যান শোনায়, তেমনি সে পাঠক কে ভবিষ্যকালের আভাসও দিয়ে যায়। অতীত ইতিহাসের ধূসর পরিসরেই ছড়িয়ে থকে ভবিষ্যতের বীজ।কাহারদের জীবনের অলিগলি ঘুপচি ঘুরে এসে মনে হল সব হারিয়েও বেশ বেচে থাকবে ওরা।সেই উপকথার মতই ওরা টিকে থেকে যাবে হয়তবা সুচাদের মত কোনও বুড়ির মুখেই রেশ থাকবে ওদের।উপন্যাস পড়ে তারাশঙ্কর কে আরেকবার ভাল লাগলো।অসাধারণ এক উপন্যাস।























