

Buy হামাস : ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের ভেতর-বাহির Online in Bangladesh
লেখক: আলী আহমাদ মাবরুর
- Author: আলী আহমাদ মাবরুর
- Publisher: গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস
- Isbn: 978-984-8254-46-2
- Number Of Pages: 368
- Language: বাংলা
- Edition: তৃতীয় সংস্করণ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
b"হামাস : ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের ভেতর-বাহির" বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা:br/b নামেই যার পরিচয়। বিশ্বব্যাপী তুমুল আলোচিত এক বিপ্লবী কাফেলা। দখলদার জায়োনবাদীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিরোধ আন্দোলন। আজকের দুনিয়া প্রতাপশালী সন্ত্রাসীগোষ্ঠি ইসরাইলিদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে তারা। কঠোর পরিশ্রম, মানবসেবা, ঈমানদারি, অনড় মনোবল, লড়াকু মনোভাব আর সর্বোপরি আরশের মালিকের প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস তাদের পরিণত করেছে এক অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে। br সারা পৃথিবীর মুসলমানদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হামাস। তাদের নেতৃত্বেই আল-কুদস মুক্ত করার স্বপ্ন দেখছে মজলুম মুসলিম উম্মাহ। বিষ্ময় জাগানিয়া হামাসকে বাংলাভাষায় জানতে আপনাকে স্বাগতম।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
হামাসের উত্থান ও ইসরাইলের মতো ঘৃণ্য অপশক্তির বিরুদ্ধে হামাস কীভাবে রুখে দাঁড়িয়েছে তা জানার জন্যে চমৎকার একটি বই।
ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এক সংগঠন 'হামাস' হামাসের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শহীদ শেখ আহমাদ ইয়াসিন। তিনি ইজরাইলী সেনাদের মিসাইল হামলায় শাহাদাত বরণ করেন। হামাসের প্রথম গঠনতন্ত্র রচনা করেন আব্দুল আজীজ রানতিসি। তিনিও ইজরাইলী সেনাদের হাতে শহীদ হন। আরেকজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন সালিহ শাহাদাহ। তিনি ২০০২ সালে গাজায় ইজরাইলী হামলায় শহীদ হন। হামাসের প্রথম রাজনৈতিক ব্যুরো প্রধান ছিলেন মুসা আবু মারজুক। ক্যারিয়ার- সংসার সেভাবে করতে পারেননি বহুবছর। আজ এ দেশে তো কাল আরেক দেশে। এভাবেই পার করেছেন জীবনের সোনালী বসন্তগুলো। হামাসের আলোচিত সাবেক রাজনৈতিক ব্যুরো প্রধান খালিদ মিশাল। জন্ম নিয়েছেন উদ্বাস্তু হয়ে। নিজ দেশের মাটিতে জন্ম নেয়ারও সুযোগ পাননি। সারা জীবন দেশকে স্বাধীন করার জন্য আন্দোলন করে গেলেন। অথচ দেশে পা দেয়ার সুযোগ পেয়েছেন একবার। নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে এসে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন বছরের পর বছর। হামাসের বর্তমান প্রধান ইসমাইল হানিয়া। চোখের সামনে একের পর এক সহকর্মীর শাহাদাত দেখেছেন। জনগনের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু কাজ করার সুযোগ পেলেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার করেন প্রতিটি মুহুর্ত। বর্তমানে হামাসের গাজা শাখার প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার। ২২ বছর ইজরাইলের জেলে বন্দী ছিলেন। তরুন অবস্থায় ঢুকেছিলেন। বৃদ্ধ বয়সে বের হয়েছেন। তবুও নিষ্ক্রিয় হননি। বরং দলের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন। হামাস ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার আন্দোলন করে। মুসলমানদের প্রথম কিবলা বায়তুল মুকাদ্দাসকে মুক্ত করার আন্দোলন করে। নিজ দেশ আর ইসলামের পবিত্র কিবলাকে মুক্ত করার পথে হামাস নামক সংগঠনটি ত্যাগ, কুরবানি আর শাহাদাতের নাজরানার অনবদ্য ইতিহাস রচনা করেছে। সেই ইতিহাসের সাক্ষী হতে হামাস বইটি পড়তে পারেন।
বুক রিভিউঃ হামাস “হামাস” শব্দের পূর্ণরুপ হচ্ছে “হারাকাত আল মুকাওয়ামাত আল ইসলামিয়্যাহ”; অর্থাৎ “ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন”। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ইসলামী আন্দোলন “ইখওয়ানুল মুসলিমীন”-এর ফিলিস্তিন শাখার পরিবর্তিত রুপ হচ্ছে এই হামাস। এর জন্ম ১৯৮৭ সালে প্রথম ইন্তিফাদার পর। ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনের দুইটি ধারা ছিলো। একটি সেক্যুলার ধারা আর একটি ইসলামী ধারা। সেক্যুলার ধারার সবচেয়ে বড় দল ছিলো ফাতাহ, যারা পিএলওকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলো। আর ইসলামী ধারার সবচেয়ে বড় দল ছিলো হামাস। ফাতাহ ছিলো দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত; ইজরাইল ও পশ্চিমা শক্তির সাথে হাত মিলিয়ে এটি ফিলিস্তিনি জনগনের আশা-আকাংখা পূরনে ব্যার্থতার পরিচয় দিচ্ছিলো। অন্যদিকে হামাস তার সততা আর সমাজসেবা দিয়ে ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষের মন জয় করে চলছিলো; আর নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের পক্ষ হতে দখলদার জায়নবাদী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ক্রমেই হয়ে উঠছিল ফিলিস্তিনী জনগনের আশা-ভরসার একমাত্র প্রতীক। এই দীর্ঘ পথচলায় হামাসকে মোকাবেলা করতে হচ্ছিলো মুনাফিক ফাতাহ, দখলদার ইজরাইল ও সাম্রাজ্যবাদী পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি পেশ করতে হচ্ছিল ত্যাগ, কোরবানী ও শাহাদাতের সমাপ্তিহীন নজরানা। “হামাস” গ্রন্থে হামাসের উত্থান ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ইখওয়ান থেকে বিবর্তন, ইন্তিফাদাসমূহের বিবরণ, হামাসের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক বিন্যাস, পিএলও এবং জর্ডান সরকারের সাথে টানাপোড়েন, হামাস নেতৃবৃন্দের ত্যাগ, কোরবানী ও শাহাদাত, নির্বাচনে অংশগ্রহন, সরকার গঠন ও সরকার পতন এবং অবরুদ্ধ গাজা উপত্যাকায় কঠোর সংগ্রাম নিয়ে তথ্যসমৃদ্ধ আলোচনা স্থান পেয়েছে। বই প্রকাশের দেড় বছর পর রিভিও লেখা হয়তো অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু মুগ্ধ পাঠকের দায়বদ্ধতা থেকে “হামাস” গ্রন্থটির রিভউ লিখতেই হলো। স্কুল জীবন থেকে সংবাদপত্রের পাতায় বা টিভির পর্দায় হামাসের নাম অনেক দেখেছি বা শুনেছি। কিন্ত হামাসকে নিয়ে বিস্তারিত পড়ার বা জানার সুযোগ কখনোই হয়নি। ধন্যবাদ লেখক আলী আহমাদ মাবরুর এবং গার্ডিয়ান পাবলিকেসন্সকে বাংলাভাষী মানুষকে এই অমূল্য সুযোগটি করে দেয়ার জন্য। আলী আহমাদ মাবরুর একাধারে একজন সাংবাদিক, অনুবাদক এবং লেখক; পাশাপাশি তার রয়েছে একটি বিশেষ পারিবারিক পরিচয়। “হামাস” গ্রন্থের প্রতিটি পৃষ্ঠায় তার বিশ্বাস ও চেতনার সাথে ইতিহাস বিশ্লেষনের মেলবন্ধন ঘটেছে। ফলে বইটি হয়ে উঠেছে এতোটা জীবন্ত আর মর্মস্পর্শী; ইতিহাসকে ছাড়িয়ে নিজেকে নিয়ে গেছে অন্য এক উচ্চতায়। বিশেষ করে গ্রন্থের শেষে “সমাপনী বক্তব্য”টি প্রতিটি মুসলমানের বিবেককে নাড়া দেবে নিঃসন্দেহে। গ্রন্থের প্রছদটি বেশ আকর্ষনীয়; তবে হামাস যেহেতু একটি আন্দোলন, সেহেতু এর একটি প্রতিচ্ছবি এখানে থাকা উচিত ছিলো। গ্রন্থটিকে সবশ্রেণির পাঠকের কাছে সুলভ করার অনুরোধ করছি এবং এর সাফল্য কামনা করছি।
হামাস হল ফিলিস্তিনের ইখওয়ানুল মুসলিমিনের বুদ্ধিবৃত্তিক ও গতিশীল উত্তরাধিকারী । সেই হামাস নিয়ে অনুসন্ধিৎসু বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের জ্ঞানের পিয়াস মেটানোর প্রয়াস পেয়েছেন সাংবাদিক, কলামিস্ট এবং বেশ কয়েকটি বইয়ের অনুবাদক আলী আহমাদ মাবরুর । তার সে প্রয়াসের নাম- 'হামাস: ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের ভেতর-বাহির ।' জায়নবাদীরা ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করে নিয়ে ফিলিস্তিনিদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালাতে থাকে । তাদের হাত থেকে ফিলিস্তিনের মাটি এবং মানুষকে রক্ষায় আরব নেতৃবৃন্দের ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনের নিমিত্তে ফিলিস্তিনের ইখওয়ান কার্যকর এবং সর্বাত্মক প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইখওয়ান থেকে বিবর্তিত হয়ে নতুন এবং স্বতন্ত্র সংগঠন 'হামাস' -এ পরিণত হয় । শুরুর দিকে এই আলোচনা দিয়েই বইটির পথচলা... শেখ আহমাদ ইয়াসিনের হাত ধরে (চূড়ান্তভাবে) ১৯৮৭-এর ইন্তিফাদার প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠিত হওয়া হামাস যুগপৎভাবে ফিলিস্তিনের ভেতরে এবং বাইরে (প্রবাস শাখা) ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ পথ অতিক্রম করে নিজেদেরকে এগিয়ে নিতে থাকে, সকল সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও শির উন্নত রাখে এবং নিজেদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে বারবার ইসরাইলকে রুখে দেয় । ---এসব নিয়ে বইটির আলোচনা চলতে থাকে । হামাসের প্রথম সংবিধান এবং দ্বিতীয় সংবিধানের বিবরণ, শাহাদাতের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের দুই কিংবদন্তির (শেখ আহমাদ ইয়াসিন এবং ইয়াসির আরাফাত) সংগ্রামী জীবনের অবসান, দ্বিতীয় ইন্তিফাদা- প্রভৃতি আলোচনা বইটিকে সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যায় । নিজেদের আভ্যন্তরীণ সংকট সফলভাবে অতিক্রম করে দেশীয়, আঞ্চলিক, ইসরাইলী এবং পশ্চিমা তুফানতুল্য দমন-পীড়ন এবং অপপ্রচার সহ চতুর্মুখী ষড়যন্ত্রের মাঝেও হামাস নিজেদের জনসেবা, প্রজ্ঞা, ধৈর্য এবং দৃঢ়তার দরুণ দেশে-বিদেশে ক্রমশ জনপ্রিয় হতে থাকে । এমনকি নিজেদের অংশগ্রহণকৃত প্রথম নির্বাচনেই জয়লাভ করে সরকার গঠন করে । কঠিন থেকে কঠিনতর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টিকে থেকে নাগরিকদের আশা এবং দেশের প্রয়োজন পূরণের চেষ্টা করেও শেষ অবধি জাতীয় সরকারে টিকে থাকতে না পেরে হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং সে নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখে মানুষের সমর্থন এবং নিজেদের দৃঢ়তায় । ---এসব কিছুর বিবরণ বইটিকে পূর্ণতার দিকে নিয়ে যায় । ২০০৭ সাল পর্যন্ত বিস্তারিত ইতিহাস বর্ণনার চেষ্টা করে পরবর্তী সময়ের ঘটনা প্রবাহ স্বল্প পরিসরে তুলে এনে সমাপনী বক্তব্যে বইটির লেখক বলেন- 'এরকম বই এর উপসংহার হয়না । যে লড়াইটাকে নিয়ে লিখছি, তা এখনো চলমান ।' সমাপনীতে লেখক এই দোয়া দিয়ে তার উপসংহারহীন বইটি সমাপ্ত করেন- 'আমরা যেন সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে যার যার অবস্থান থেকে ফিলিস্তিনের মুক্তির জন্য কার্যকর কিছু করতে পারি । মহান আল্লাহ যেন সেই তৌফিক দেন । আমীন ।' পরিশেষে, আমার ভালো লাগা এ বইটির উপরে কোন মন্তব্য না করে সবাইকে বইটি পড়ে উপকৃত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে লেখক এর দোয়ার সাথে একাত্ম হয়ে শেষ করছি । আমীন । বই- হামাস: ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের ভেতর-বাহির ।
বুক রিভিউঃ হামাস “হামাস” শব্দের পূর্ণরুপ হচ্ছে “হারাকাত আল মুকাওয়ামাত আল ইসলামিয়্যাহ”; অর্থাৎ “ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন”। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ইসলামী আন্দোলন “ইখওয়ানুল মুসলিমীন”-এর ফিলিস্তিন শাখার পরিবর্তিত রুপ হচ্ছে এই হামাস। এর জন্ম ১৯৮৭ সালে প্রথম ইন্তিফাদার পর। ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনের দুইটি ধারা ছিলো। একটি সেক্যুলার ধারা আর একটি ইসলামী ধারা। সেক্যুলার ধারার সবচেয়ে বড় দল ছিলো ফাতাহ, যারা পিএলওকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলো। আর ইসলামী ধারার সবচেয়ে বড় দল ছিলো হামাস। ফাতাহ ছিলো দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত; ইজরাইল ও পশ্চিমা শক্তির সাথে হাত মিলিয়ে এটি ফিলিস্তিনি জনগনের আশা-আকাংখা পূরনে ব্যার্থতার পরিচয় দিচ্ছিলো। অন্যদিকে হামাস তার সততা আর সমাজসেবা দিয়ে ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষের মন জয় করে চলছিলো; আর নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের পক্ষ হতে দখলদার জায়নবাদী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ক্রমেই হয়ে উঠছিল ফিলিস্তিনী জনগনের আশা-ভরসার একমাত্র প্রতীক। এই দীর্ঘ পথচলায় হামাসকে মোকাবেলা করতে হচ্ছিলো মুনাফিক ফাতাহ, দখলদার ইজরাইল ও সাম্রাজ্যবাদী পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি পেশ করতে হচ্ছিল ত্যাগ, কোরবানী ও শাহাদাতের সমাপ্তিহীন নজরানা। “হামাস” গ্রন্থে হামাসের উত্থান ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ইখওয়ান থেকে বিবর্তন, ইন্তিফাদাসমূহের বিবরণ, হামাসের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক বিন্যাস, পিএলও এবং জর্ডান সরকারের সাথে টানাপোড়েন, হামাস নেতৃবৃন্দের ত্যাগ, কোরবানী ও শাহাদাত, নির্বাচনে অংশগ্রহন, সরকার গঠন ও সরকার পতন এবং অবরুদ্ধ গাজা উপত্যাকায় কঠোর সংগ্রাম নিয়ে তথ্যসমৃদ্ধ আলোচনা স্থান পেয়েছে। বই প্রকাশের দেড় বছর পর রিভিও লেখা হয়তো অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু মুগ্ধ পাঠকের দায়বদ্ধতা থেকে “হামাস” গ্রন্থটির রিভউ লিখতেই হলো। স্কুল জীবন থেকে সংবাদপত্রের পাতায় বা টিভির পর্দায় হামাসের নাম অনেক দেখেছি বা শুনেছি। কিন্ত হামাসকে নিয়ে বিস্তারিত পড়ার বা জানার সুযোগ কখনোই হয়নি। ধন্যবাদ লেখক আলী আহমাদ মাবরুর এবং গার্ডিয়ান পাবলিকেসন্সকে বাংলাভাষী মানুষকে এই অমূল্য সুযোগটি করে দেয়ার জন্য। আলী আহমাদ মাবরুর একাধারে একজন সাংবাদিক, অনুবাদক এবং লেখক; পাশাপাশি তার রয়েছে একটি বিশেষ পারিবারিক পরিচয়। “হামাস” গ্রন্থের প্রতিটি পৃষ্ঠায় তার বিশ্বাস ও চেতনার সাথে ইতিহাস বিশ্লেষনের মেলবন্ধন ঘটেছে। ফলে বইটি হয়ে উঠেছে এতোটা জীবন্ত আর মর্মস্পর্শী; ইতিহাসকে ছাড়িয়ে নিজেকে নিয়ে গেছে অন্য এক উচ্চতায়। বিশেষ করে গ্রন্থের শেষে “সমাপনী বক্তব্য”টি প্রতিটি মুসলমানের বিবেককে নাড়া দেবে নিঃসন্দেহে। গ্রন্থের প্রছদটি বেশ আকর্ষনীয়; তবে হামাস যেহেতু একটি আন্দোলন, সেহেতু এর একটি প্রতিচ্ছবি এখানে থাকা উচিত ছিলো। গ্রন্থটিকে সবশ্রেণির পাঠকের কাছে সুলভ করার অনুরোধ করছি এবং এর সাফল্য কামনা করছি।























