গল্পগুলো সিরিয়ার
বই কালেকশন

Buy গল্পগুলো সিরিয়ার Online in Bangladesh

লেখক: মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা

4.69
(12 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা
  • Publisher: স্বরে অ
  • Isbn: 9789848047576
  • Number Of Pages: 312
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Edition 2023
৳ 689৳ 7508% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

চারটি বাস্তব ঘটনা নিয়ে এই বই। রাক্কা থেকে পলায়ন: আমেরিকার নিরাপদ জীবন ছেড়ে তুরস্কের সীমান্ত দিয়ে রিয়াদ ছুটে যাচ্ছে সিরিয়ার রাক্কা শহরের দিকে। বিদ্রোহীদের হাতে শহরটার পতনের পর থেকেই সেখানে বসবাস করা মা এবং ছোট ভাইয়ের সাথে তার সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। তার পরিকল্পনা, মা এবং ভাইকে খুঁজে বের করে তাদেরকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাবে সে। আর যদি তারা বিপদের মুখে থাকে, তাহলে তাদেরকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনে সে যুদ্ধে যোগ দেবে। এখন হয়তো সে আমেরিকায় আছে, কিন্তু ভার্সিটিতে পড়ার সময় সিরিয়াতে সে দুই বছরের বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছিল। যুদ্ধকে সে ভয় পায় না! কিন্তু সে কি পারবে তাদেরকে খুঁজে বের করতে? তার চেয়ে বড় কথা, তারা কি রাক্কা ছাড়তে রাজি হবে? লাতাকিয়ার অপহৃত বোনেরা: বিদ্রোহীরা দামেস্ককে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলতে শুরু করলে ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে তালাল তার পরিবারকে গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। তার বিশ্বাস ছিল, রাজধানী দামেস্কের তুলনায় লাতাকিয়ার পার্বত্য অঞ্চলেই তারা নিরাপদে থাকবে। কিন্তু সে বছরের আগস্ট মাসে বিদ্রোহীদের চরমপন্থী কিছু দল অতর্কিতে আক্রমণ করে বসে লাতাকিয়ার ১১টি গ্রামে; তারা হত্যা করে নারী ও শিশুসহ ১৯০ জন বেসামরিক নাগরিককে, অপহরণ করে আরও ১০৬ জন আলাউই গ্রামবাসীকে। অপহৃতদের মধ্যে ছিল তালালের স্ত্রী এবং চার ছেলেমেয়েও। কী ঘটেছিল তাদের ভাগ্যে? তাদের সবাইকে কি মেরে ফেলা হয়েছিল? নাকি বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিল সরকারের সাথে দেন-দরবারের মাধ্যমে বন্দী বিনিময়ের উদ্দেশ্যে? সরকার কি বিদ্রোহীদের সাথে আলোচনায় বসতে রাজি হবে? ইয়ারমুকের পিয়ানোবাদক: দামেস্কের ইয়ারমুক শরণার্থী শিবিরের ফিলিস্তিনি পিয়ানিস্ট আইহাম এবং তার বাবার ব্যবসা দিন দিন ফুলে ফেঁপে উঠছিল। তাদের ওয়ার্কশপে তৈরি হওয়া অ্যারাবিক মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট 'ওউদ' আরব বিশ্বের সীমানা ছাড়িয়ে রপ্তানি হচ্ছিল ইউরোপেও। কিন্তু এরপরেই গৃহযুদ্ধ এসে তাদের জীবন ছিন্নভিন্ন করে দেয়। আসাদ সরকার কর্তৃক আরোপিত অবরোধ এবং মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষে তাদের বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে। তাদেরকে বেঁচে থাকতে হয় ঘাস আর লতাপাতা খেয়ে। এরপর যখন জঙ্গি সংগঠন আইসিস তাদের এলাকা দখল করে নেয়, তখন পিয়ানিস্ট হিসেবে সে পরিণত হয় তাদের টার্গেটে। সে কি পালাতে পারবে আইসিসের কবল থেকে? দেরার সাঁতার না জানা তরুণী: জীবন বাঁচানোর জন্য দোয়া এবং তার পরিবার সিরিয়ার দেরা ছেড়ে আশ্রয় নেয় মিসরে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট মুরসির সরকারের পতনের সাথে সাথে পাল্টে যায় মিসরে আশ্রয় নেওয়া সিরিয়ান শরণার্থীদের ভাগ্যও। জেনারেল সিসির পক্ষের গণমাধ্যমগুলো মিসরের বিভিন্ন সঙ্কটের জন্য দায়ী করতে থাকে সিরিয়ানদেরকে। ফলে দোয়াদের ঘর থেকে বের হওয়াই কঠিন হয়ে পড়ে। রাস্তাঘাটে তারা আক্রমণের শিকার হতে থাকে। দোয়া এবং তার স্বামী সিদ্ধান্ত নেয়, ট্রলারে করে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নেবে তারা। কিন্তু সেই ট্রলার কি ইতালিতে পৌঁছতে পারবে? নাকি মাঝ সমুদ্রেই ডুবতে শুরু করবে দোয়ার মতো সাঁতার না জানা কয়েকশো যাত্রীকে নিয়ে?

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.69
(12 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Moheeb Ullah
Moheeb Ullah ভেরিফাইড
12 Feb 2026

Very good to read. I have ordered all other books from this writer. We want more from him.

Irfan Shahin Shanto
Irfan Shahin Shanto ভেরিফাইড
17 Aug 2024

পড়ে ভালো লাগলো। বইটিতে কিভাবে সিরিয়ার শরণার্থীরা কোন না কোন পথ ব্যবহার করে কিভাবে জার্মানি বা সুইডেনের মতো দেশে গেছে তা বর্ণনা করা রয়েছে। আপনিও পড়ে দেখুন, মজা পাবেন।

 Rifat
Rifat ভেরিফাইড
04 Mar 2024

The true horror history.

Md. Juwel Rana
Md. Juwel Rana ভেরিফাইড
18 Oct 2023

বই: গল্পগুলো সিরিয়ার লেখক: মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা স্বরে অ প্রকাশন। পৃষ্টা: ৩১২ / মুদ্রিত মূল্য: ৭৫০/- গৃহযুদ্ধ মানেই সাধারণ জনগণের জন্য দুর্বহ জীবন । যেকোনো দেশের গৃহযুদ্ধে সাধারণ জনগণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতিই বেশি হয়। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। "গল্পগুলো সিরিয়ার" বইয়ের মধ্যে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে ৪ টি পরিবারের জীবনে ঘটে যাওয়া বাস্তব কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে৷ সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে সরকারের ভূমিকা, বিদ্রোহী গ্রুপের ভূমিকা সেইসাথে যোগ দেয়া বিভিন্ন রাষ্ট্রের ভূমিকা তুলে ধরেছেন৷ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো এই বইয়ের মাধ্যমে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে মানুষের প্রতিটি দিন, প্রতিটি সময় কীভাবে অতিবাহিত করে যাচ্ছে তার একটা ভয়াবহ অবস্থা জানা গেলো। প্রতিটি পরিবার খাবার সংকটের জন্য কত কষ্ট করে দিন পার করে যাচ্ছে। এমনকি জাতিসংঘ থেকে দেওয়া ত্রান পর্যন্ত সংগ্রহ করতে পারছে না কখনো বিদ্রোহীদের জন্য কখনো বা সরকার পক্ষের সেনাবাহিনীর জন্য। সবশেষে জীবনে একটু শান্তিভাবে বেঁচে থাকার জন্য সাগর পারি দিয়ে অন্য দেশে শরনার্থী হিসেবে ছুটে চলার মুহূর্তগুলো চোখের কোনে অশ্রু এনে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। একটা কাহিনীও বাদ যায় নি যে পড়ার পর চোখ দিয়ে অশ্রু আসে নি৷ শেষের কাহিনীতে মালাক ছোট শিশুটার মৃত্যু মেনে নিতে কষ্ট হয়েছে৷ এরকম হাজারো শিশু সিরিয়ার বুকে মারা যাচ্ছে যা আমাদের কাছে পৌঁছায় না৷ বইয়ের দাম তুলনামূলক বেশি হয়েছে যা সাধারণ পাঠকের জন্য ব্যয়বহুল। তবে বইয়ের বাইন্ডিং সুন্দর ছিলো, অনায়াসে রেখে পড়া যায়৷ বইটি পড়েছিলাম গত রমজান মাসে তবে রিভিউ দেওয়া হয়নি৷ লেখক আমাদের সুন্দর একটা কাজ উপহার দিয়েছেন। সবার ই বইটি পড়া উচিৎ। ভালো থাকুক আমার সিরিয়ার মুসলিম ভাই-বোনেরা৷ আল্লাহ তাদের সবাইকে জান্নাতের উঁচু মাকামে স্থান দিন ৷

Wazedur Rahman Wazed
Wazedur Rahman Wazed ভেরিফাইড
07 Apr 2023

রাত যত গভীর হতে থাকে, জীবিত মানুষের সংখ্যা তত কমতে থাকে। শরনার্থীদের জীবন এমনিতেই ভয়াবহ রকমের হয়। এজন্যই মনে সংশয় ছিল যে আসলেই এই বই পড়ে কান্না না আসলেও খারাপ লাগবে কিনা! তাই, শুরুতে খুব একটা কাবু করতে পারেনি বইটা। কিন্তু যত পড়ছিলাম ততই যেন যুদ্ধের গভীরে নিজেকে নিয়ে দাঁড় করাচ্ছিলাম। ভুলেই গিয়েছিলাম বই পড়ছি। মনে হচ্ছিল আমি এই গৃহযুদ্ধের এক প্রত্যক্ষদর্শী। বইয়ের পাতা উল্টাতেই মনে হতো যেন মাথা গুঁজে কোনোকিছুর আশ্রয়ে বসে আছি আমি। চারিদিক থেকে নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে দুই পক্ষের লোকজন। গুলির শব্দে কানে তালা লেগে যাচ্ছে। গুলির ছুটোছুটিতে মনের আনন্দে বাতাসে ভেসে বেড়ানো ধুলো চাদর বিছিয়ে অন্ধকার করে ফেলেছে চারপাশ। তারপর এক সময় সবকিছু ফিকে হয়ে আসে। ম্লান হয়ে যায় চারপাশ। অন্ধকারের চাদর ছেড়ে আবার আলো এসে পড়ে সিরিয়ার কোন এক ভগ্নপ্রায় দেওয়ালের উপরে। ধ্বংসোন্মুখ সেই দেওয়ালের কাছে দাঁড়িয়ে নিজেদের অসহায় মনে হয় তাদের। একজন সরকারি সেনা ও একজন বিদ্রোহী সেনা যুদ্ধ ভুলে গিয়ে বন্দুক নিচে নামিয়ে রেখে মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে আছে এক অদ্ভুত ঘোরলাগা আর মনের আকুতি মাখানো দেয়াল লিখনের দিকে। তাদের কাছে মনে হয় বন্দুকের চাইতে ভয়াবহ আর তলোয়ারের চাইতেও তীক্ষ্ম বোধহয় এটাকেই বলে। কারণ দেওয়ালে লেখা, একদিন যুদ্ধ শেষ হবে, আর আমি..আমি ফিরে যাবো আমার কবিতার কাছে। বিস্তারিত আলোচনা: https://thewazed.wordpress.com/2023/04/04/syriar-golpogulo-book-review/

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)