গাভী বিত্তান্ত
বই কালেকশন

Buy গাভী বিত্তান্ত Online in Bangladesh

লেখক: আহমদ ছফা

4.50
(15 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: আহমদ ছফা
  • Publisher: হাওলাদার প্রকাশনী
  • Isbn: 9789848965948
  • Number Of Pages: 136
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2016
৳ 215৳ 25014% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

b"গাভী বিত্তান্ত" বইটির সম্পর্কে কিছু কথাঃbr/b গাভী বিত্তান্ত বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও লেখক আহমদ ছফা রচিত একটি বাস্তবিক গভীর পর্যবেক্ষণে রচিত উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। গাভী বিত্তান্ত উপন্যাসে চিত্রায়িত হয়েছে একজন উপাচার্যের গোলামি আর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির নোংরা কদর্য রূপ।br রসায়নের অধ্যাপক মিয়া মোহাম্মদ আবু জুনায়েদ দেশের সেরা ও প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নির্বাচিত হয়েছেন। রসায়ন বিভাগের সুন্দরী শিক্ষিকা দিলরুবা খানমের আকর্ষণে জুনায়েদ ডোরাকাটা দলের শিক্ষক রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছিলেন। পূর্ববর্তী উপাচার্যের উপর ক্ষোভবশত দিলরুবা খানম তাঁর নারীপ্রভাবকে কাজে লাগিয়ে জুনায়েদকে উপাচার্য প্যানেলে ঢুকিয়ে দেন। স্বৈরাচারী সরকারের অবাধ্য হবে না বলে রাষ্ট্রপতি (যিনি পদাধিকারবলে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যও) জুনায়েককেই উপাচার্য নিয়োগ দেন। এই উপাচার্যের পদে আসীন হওয়ার পর জুনায়েদের চরিত্রের বিবর্তনকে ঘিরে আবর্তিত হয় উপন্যাসের কাহিনী। br ঠিকাদার শেখ তবারক আলী উপাচার্যকে হাতে রাখতে জুনায়েদের মনোবাসনা পূর্ণ করতে একটি দুর্লভজাতের গাভী কিনে দেন এবং ভিসির বাংলোতে শেখ তবারক আলী নিজ জামাতা বুয়েটপাস সিভিল ইঞ্জিনিয়ার আবেদ হোসেনকে দিয়ে গোয়ালঘর বানিয়ে দেন। পরবর্তীতে উপাচার্য আবু জুনায়েদের জীবন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ সবটাই হয়ে পড়ে গোয়ালঘরকেন্দ্রিক। এই গোয়ালঘরকে রঙ্গমঞ্চ বানিয়ে আহমদ ছফা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দৈন্যদশা এবং শিক্ষকরাজনীতির নোংরা বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.50
(15 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
87%
4
13%
3
0%
2
0%
1
0%
Naimul Haque
Naimul Haque ভেরিফাইড
22 Feb 2026

বইটা হাতে পেয়েছি। এখনো পড়া হয়নি।

pri****com
pri****com ভেরিফাইড
28 Dec 2025

"আহমদ ছফা" আমার পছন্দের লেখকদের একজন। তাঁর লেখা অন্যান্য বই পড়ে কোনোদিন তাঁর প্রতি এতটা অভিমান কাজ করেনি যতটা এই ''গাভী বিত্তান্ত'' পড়ে হয়েছে। গল্প তো তিঁনিই লিখেছেন চাইলেই শেষটা বদলাতে পারতেন হয়তো। আবার মনে হোলো গল্পের এই মোড়ে এসে তিঁনিও হয়তো কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিলেন। জীবনের বাস্তবতাই যেখানে প্রদীয়মান, অসম্ভব ভালোলাগার মাঝেও কেমন একটা তীক্ষ্ণ যন্ত্রনা অনুভব হচ্ছে। মূলত এটা একটি ব্যঙ্গধর্মী, রাজনৈতিক-সামাজিক প্রবন্ধ, যেখানে তিনি “গাভী”কে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে তৎকালীন (এবং আজও প্রাসঙ্গিক) সমাজের কিছু গভীর অসুখ উন্মোচন করেছেন।এখানে আহমদ ছফা খুব নির্দয় কিন্তু বুদ্ধিদীপ্ত ব্যঙ্গ করেছেন।তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে সমাজে যুক্তির জায়গা নেয় আবেগ,সত্যের জায়গা নেয় ভণ্ডামি,আর বুদ্ধিজীবীরা অনেক সময় ক্ষমতার “গাভী” পালনে ব্যস্ত থাকে।তিনি শুধু এক সময়কে নয়,চিরকালীন একটি মানসিকতার বিচার করেছেন।যাদের সমাজ, রাজনীতি, বুদ্ধিবৃত্তিক সততা নিয়ে ভাবনা আছে,তাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।আজকের সময়েও বইটি ভয়ংকরভাবে প্রাসঙ্গিক, এটিই এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

মেহাস হালদার
মেহাস হালদার ভেরিফাইড
14 Dec 2025

লেখক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এই বইয়ে গল্পের আলোকে এমন ভাবে তুলে ধরেছেন, যা খুব সহজ ভাবেই পাঠকের মননে গভীর রেখাপাত করে, সামগ্রিক বিষয়টি সাবলীল ভাবে বুঝতে সক্ষম ও থ্রিল যথেষ্ট উপভোগ্য। বাংলা সাহিত্যে এমন বই মননশীল পাঠকের পড়ার তৃষ্ণা মিটানোর জন্য, আরো ডজনখানেক থাকা দরকার বলে আমার মনে হয়।

MD Fahim Pathan
MD Fahim Pathan ভেরিফাইড
07 Nov 2025

বাংলাদেশ এর বিশ্ববিদ্যালয় এর সামগ্রীক অবস্থা নিয়ে লিখা দারুণ একটি বই।।

ইয়াসির আল সাইফ
ইয়াসির আল সাইফ ভেরিফাইড
12 Jul 2025

#Book_Insights 56 একটা গোয়ালঘর থেকে কি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করা যায়? আচ্ছা শুরু থেকে বলি। সদ্য দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পেয়েছেন আবু জুনায়েদ — এক সাধারণ রসায়নের শিক্ষক। তার জীবনের এ অবিশ্বাস্য মোড়ের নেপথ্য কৃতিত্ব মনে মনে নিজের নামে লিখে নিচ্ছেন তার স্ত্রী নুররুন্নাহার বানু। ফলে স্বামীকে নিজের ইচ্ছেমতো নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা শুরু হয় তার। অন্যদিকে, আবু জুনায়েদের বহু পুরনো এক সরল শখ রয়েছে—তিনি গাভী পালতে চান। যাহোক, আবু জুনায়েদ কীভাবে কার অবদানে উপাচার্যের পদে ভূষিত হলেন, হওয়ার পর তার জীবনের কেমন পরিবর্তন এলো, সে পরিবর্তন কি সুখের নাকি দুখের সবটা মিলিয়েই স্যাট্যায়ার ধর্মী এ উপন্যাস। • প্রথমত، বইটা যখন পড়া শুরু করেছি, তখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম, মানুষ এ উপন্যাসের যে বিশেষত্বের কথা বলে, সেই বিশেষ অংশে কখন পৌছাবো। খানিক বাদেই বুঝলাম, এর নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ অংশ বা দিক নেই; সাড়াটা উপন্যাস জুড়েই এক বিশেষ কায়দায় আমায় গল্পের সাথে জুড়ে রাখা হয়েছে। মনে হয়েছে, আমি নিজেই নিজেকে আবু জুনায়েদ নামক কারো জীবন বৃত্তান্ত একটা পড়ে শোনাচ্ছি। • দ্বিতীয়ত, উপন্যাসের কোন নির্দিষ্ট থিম আছে বা একটা নির্দিষ্ট ঘটনাকে প্রবাহ করবে এমন না। কখনো মনে হবে কাহিনী এগোচ্ছে, আবার কখনো বলে উঠতে পারেন, যেখান থেকে শুরু হয়েছিলো সেখানেই বুঝি আটকে আছি। এমন করতে করতে উপন্যাস কখন শেষ হয়ে যায় বোঝা ভারি মুশকিল। যার কারণে উপন্যাসটা পড়ার ক্ষেত্রে, আমি শুধুমাত্র নিয়মিত পাঠকদেরকে উপদেশ দেবো। অনিয়মিতরা নির্ঘাত হাল ছেড়ে দিতে পারে। • উপন্যাসের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট দিকটা ছিলো প্রকৃতির অতি স্বাভাবিক নিয়ম মেনে এ সমাজ, সমাজের মানুষের বহুরূপী দর্শনকে কটাক্ষ এবং তা নিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে রসবোধ জাগ্রত করা। এ কাজটা লেখক এতো সূক্ষ্মভাবে করেছেন, মাঝে মাঝে কোনো চরিত্রের সাথে সামান্য রিলেট করতে গেলেও পরবর্তীতে তাচ্ছিল্য করতে হবে। সব মিলিয়ে খুবই অদ্ভুত রকমের বিষণ্ণ অনুভূতি এবং এ অনুভূতি আপনি কার জন্য লালন করছেন তা বোধয় পাঠক হিসেবে আপনি নিজেও আন্দাজ করতে পারবেন না। এ অনুভূতি বোঝাতে উপন্যাসের এ কবিতাংশই যথেষ্ট: "বটবৃক্ষের তলে গেলাম ছায়া পাইবার আশে পত্র ছেদি রৌদ্র পড়ে আমার আপন কর্মদোষে নদীর ধারে ব‌ইস্যা র‌ইলাম নৌকা পাইবার আশে আমারে দেখিয়া নৌকা দূরে দূরে ভাসে।" • ব্যক্তিগত রেটিং: ৪/৫ • বই: গাভী বিত্তান্ত • লেখক: আহমদ ছফা • প্রকাশনী: হাওলাদার

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)