

Buy ফ্রিম্যাসন Online in Bangladesh
লেখক: ইফতিখার আহমাদ ইমন
- Author: ইফতিখার আহমাদ ইমন
- Publisher: বইকেন্দ্র পাবলিকেশন
- Isbn: 9789843478069
- Number Of Pages: 248
- Language: বাংলা
- Edition: 1st published 2022
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
১৯১৭ সালের দিকে ইউরোপের কিছু কিছু দেশে একটি রাজনৈতিক এবং চৈন্তিক কর্ম-তৎপরতা শুরু হয়েছিল। যেগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল সকল ধর্ম, বিশেষত খ্রিস্টান ও ইসলামধর্মের বিরুদ্ধে তোড়জোড় অবস্থানগ্রহণ। এই ধর্মদুটিকে মিটিয়ে দিয়ে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র, মানবতবাদের মতো ধোঁয়াশপূর্ণ ইজমগুলোর ফাঁপা স্লোগান তুলে এমন এক বৈশ্বিক ব্যবস্থা জারি করতে চায়—যার সম্পূর্ণ নেতৃত্ব থাকবে ইহুদিদের অদৃশ্য হাতে। ফ্রিম্যাসনের হাতে। তবে প্রকাশ্যে নয়, আড়ালে থেকেই তারা পরিচালনা করতে চায় পুরো বিশ্বকে।সিনিয়র বুশ যে বৈশ্বিক নতুন ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছিলেন—তা ছিল ম্যাসনবাদী ইহুদিদের-ই হাজার বছরের সাধনার ফল। অধুনা ইহুদিদের আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে বলে মনে হচ্ছে না। এখন তারা শক্তিমত্তার সর্ব শিখরে অবস্থান করছে। পরাশক্তি আমেরিকার মাথায় কাঠাল ভেঙে খেয়ে পুরো বিশ্বে এক আতঙ্ক সৃষ্টি করে রেখেছে। আমাদের জানা নেই—পূর্ব-পশ্চিমে এই ইহুদিদের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের গল্প কোথায় গিয়ে শেষ হবে!
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

লেখক মানে ভালো নন। ইনফরমেশন ডেলিভারিং টোন একেবারে খারাপ।

boi er gaye jacket cover nei, disappoint hoiche boi er quality dekhe, mone hoyeche khubi nimnomaner kaj

very informative

অনেক কষ্টে বইটি পড়া শেষ করলাম। ইফতিখার সাহেব কোনো জাতের লেখকই নন। পুরো বইটি বিভিন্ন ব্যক্তির বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন উক্তি দিয়ে ভরা। যেমন ২০৬ পৃষ্ঠার প্রথম প্যারার শেষ বাক্যটিতে লেখক নিজেই বলেছেন, "আগের মতোই একটি করে শিরোনাম কায়েম করে তার অধীনে ঐতিহাসিক কিছু বক্তব্য তুলে ধরে আমরা চলে যাব।" এভাবে শিরোনাম কায়েম করে চলে গেলে কি বই লিখা হয় ইফতিখার সাহেব? আবার বইয়ের একদম শেষে লেখক পরিচয় পর্বে বলেছেন, "লেখালেখি নেশাও নয়, পেশাও নয়।...বলা চলে-শখের লেখালেখি।" ভাই থামেন, যেটি আপনার নেশাও নয় আবার পেশাও নয় সেটি আপনি করতে গিয়েছেন কেনো? আপনার খ্যাপাটে শখ পূরণের জন্য আমার কয়েক ঘন্টা অযথা নষ্ট হলো, সাথে মাথা ব্যথাটাও ফ্রী হিসেবে পেলাম।
Informative. But written from Islamic perspective. Where democracy, women empowerment and others were negatively portrayed.























