

Buy ধূম্রজালে খেদু মিয়া Online in Bangladesh
লেখক: অসীম হিমেল
- Author: অসীম হিমেল
- Publisher: অন্যপ্রকাশ
- Number Of Pages: 224
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition 2023
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ফরেনসিক মেডিসিনের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর হয়েও, পূর্বপুরুষের করা পাপের কারণে, আদিভৌতিক এক রহস্যময় জীবন যাপন করতে হয় খেদুমিয়াকে। যার ফলশ্রুতিতে জড়িয়ে পড়েন বিভিন্ন প্যারানরমাল ঘটিত সমস্যার সাথে। সায়েন্স, যুক্তি, আবেগ, প্রচলিত প্রথা সব মিলিয়ে সমাধান দাঁড় করানোর প্রচেষ্টা করেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুতেই এক অশুভ ছায়ায় ফেলোশিপ বাতিল হয়ে যায় ডা. মিতুর। জীবন এলোমেলো করে হানা দেয় ভয়ানক এক মানসিক রোগ। যাকে মেডিকেলের ভাষায় বলা হয় ডুয়েল পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার। অপারেশান সাকসেসফুল হয়ে বাড়ী ফেরত যাওয়ার কিছুদিন পর অজ্ঞাত কারনে কয়েকজন রোগীর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে সার্জন ব্লকে পড়েন মিতুর প্রফেসর শামস ইবনে মোহাম্মদ ডা.আলম। অন্যদিকে, অপারেশনের অপেক্ষায় আছে বিরল রোগে আক্রান্ত চেন্নাইয়ের চিকিৎসকদের কাছ থেকে ফেরত আসা ছোট্টমেয়ে দিবা। মিতু এবং তার প্রফেসরের সার্জন ব্লকের কারন বিশ্লেষণ করে মুক্তির উপায় খুঁজতে গিয়ে খেদুমিয়া খুঁজে পান এক ভয়ঙ্কর পার্ভাটেড বা বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষের। যে মানুষকে কঠিন শারীরিক আঘাত করে বিকৃত আনন্দ পায়। একই সূত্রে গাঁথা রহস্যের এক নরমাল ও প্যারানরমাল সমান্তরাল এক্টিভিটি নিয়েই কাহিনী "ধূম্রজালে খেদুমিয়া "।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
এভারেজ লাগছে, গল্প আরো ছোট করা যেতো, অপ্রয়োজনীয় ছিলো এত বড়ো করা।গল্প ছোট করলেই বরং আরও শক্তিশালী হতো।
বাংলা সাহিত্য আমার অতি আপনার, নিবিড়তম অনুভবের... তবে সমসাময়িক লেখা পড়া হয় অনেক কম। নতুন লেখকের তো আরও কম। মনে হয়.. কত কত ক্লাসিক বাকি, বাকি কত বিখ্যাত বই…আর, ব্যস্ত জীবনের সময়ের ঘড়িঘরের প্রতিটি কাটার স্পন্দনই তো অমূল্য... তো অনেকদিন বাদে এক প্রিয়জনের কাছে নতুন দুইটি বই উপহার পেলাম... 'ধুম্রজালে খেদু মিয়া' ও 'নক্ষত্রের আলো'। লেখক পরিচয় থেকে জানলাম, না একদম নতুন নয় তো সে সাহিত্যের বাজারে। ইতিমধ্যেই অসীম হিমেল সুপরিচিত ও পাঠকপ্রিয় নাম.. একটি বইয়ের সিরিজও বেড়িয়েছে। বইগুলো কি যত্নে ছাপানো, যেমন রূচিশীল প্রচ্ছদ, তেমনি সুন্দর পুরু কাগজে ছাপা.. অন্যপ্রকাশের প্রকাশনায়, ধ্রূব এষের প্রচ্ছদের কথা মনে করিয়ে দেয়। দেখেই এক কাপ চা হাতে পড়া শুরু করতে মন তাগাদা দিতে থাকে। নানা কাজে শুরু করতে দেরি হলেও, যেই শুরু করলাম... প্রায় একটানা পড়ে শেষ করলাম। ১. দুটো বইই চমৎকার, তবে ধূম্রজালে খেদু মিয়া... পড়ার সময় বিরতি দেয়াই কঠিন। বিজ্ঞানমনস্কতা, আধুনিকতা ও রহস্যের নিরেট বুননে এগিয়েছে কাহিনী...সাহিত্যের রসবোধ অক্ষুন্ন রেখে। প্যারানরমাল জগতের রহস্যেরা উঁকিঝুঁকি দিলেও, যুক্তি, বাস্তবিকতা ও বিজ্ঞান অনুপস্থিত নয়। দুই প্রধান চিকিৎসক চরিত্র মিতু ও প্রফেসর আলমের পেশাগত জীবনে হটাৎ অাসা রহস্যঘেরা বিপদে সাহায্যে এগিয়ে অাসেন খেদু মিয়া। খেদু মিয়ার বিশ্লেষণী শক্তি, অতিবাস্তব জগতের সাথে আদান প্রদান ও রহস্য উদ্ধারের পথচলাতেই পাঠক পরিচিত হতে থাকে সমাজের খাজে খাজে লুকিয়ে থাকা কিছু কদর্যতার ও রূঢ় বাস্তবতার। বইটিতে বিভিন্ন চরিত্র ও তাদের ভিন্ন কাহিনীগুলো বৃহত্তর ক্যানভাসে এসে মিলে যায় সাবলীলভাবে। প্রায় প্রতিটি চরিত্রই খুজে পাওয়া যায় আমাদের সমাজে, হোক সে মিতুর রক্ষনশীল বাবা-মা, বা সোমনাথ ওঝা বা সালামের মত ধুরন্ধর পারভার্টেড আপরাধী। বলাই যায়, চরিত্রগুলো জীবনঘেষা, বা জীবন থেকে নেয়া। অন্যদিকে, উপন্যাসের শেষে এসে, মিতুর পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার বা ডক্টর আলমের সার্জিক্যাল ব্লক এর সমস্যা মানব মনের বিচত্র ও জটিল মানচিেত্র আলোকপাত করে। উপন্যাসটি শেষ হয় গতানুগতিক প্রেম বা মিলনের গল্প ছাড়াই। এই বিষয়টিও খুব ভালো লেগেছে... সত্যিই তো আজকের পৃথিবীতে জীবন শুধুমাত্র সম্পর্কের সমীকরণেই আবদ্ধ নয়। এর ব্যাপ্তি বিশাল.. সম্পর্কে, কর্মে ও অর্জনে...। সবশেষে, বেশিরভাগ রহস্যের মীমাংসা হয়ে গেলেও, ছোট ছোট কিছু রহস্য অমীমাংসিত রয়ে যায় ঠিক আমাদের রহস্যময় জীবন ও জগতের মত। ২. 'নক্ষত্রের আলো' উপন্যাসটি রচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাসে একঝাক তরুন-তরুনীর জীবন ও জীবনের পথের উপলব্ধি , অবগাহন ও পরিণতির পথচলায়। শুধুই একটা প্রেমের গল্প বলা যাবেনা একে। জীবনের সংগ্রাম, সমসাময়িক ছাত্র রাজনীতির ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিক ও দৃস্টিভঙ্গির পরিচয় ও তরুন মনের পরিণত হওয়ার গল্পও বটে। এবং আবারও খুবই বাস্তবঘনিষ্ঠ কাহিনী। আজকের পরিবর্তিত পৃথিবী নিশ্চয় অনেক কঠিন যা তরুনদের জন্যও অপার সম্ভাবনার পাশাপাশি নানা ফাদ, হাতছানি ও জটিলতা নিয়ে বিরাজিত। আর চলতে থাকার নামই জীবন। এই উপন্যাসটির মজার দিক হল বাস্তবতার কঠিন হিসেব নিকেষের সাথেই স্বপ্নালু জগতের ছোয়া দিয়ে যায়। তারুণ্যের উচ্ছলতা, শাড়ি পড়ার আনন্দ, ঝুম বৃস্টির রিমঝিম, চায়ের কাপে ঝড়, আর নিখাদ বন্ধুতার সাবলীল স্বতস্ফুর্ত বর্ণনা খুব সহজে হৃদয়ের গহীনে আন্দোলিত করে। ফেলে আসা ক্যাম্পাসের স্মৃতিরা দোলা দিয়ে যায়। আরেকটি বিষয় নক্ষত্রের আলোকে সুখপাঠ্য করে তোলে.. লেখকের মায়াভরা প্রকৃতি ও শহরের বর্ণনা। প্রিয় শহর ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজে মোড়ানো আঙ্গিনা, পাখির অভয়ারণ্য, জলাধার, হাতিরঝিল সব এই লেখকের মায়াবি কলমের আচরে, ছাপার হরফে মুদ্রিত। জীবন রূপকথা নয়। তাই গল্পের ছলে, লেখক আজকের তারুণ্যকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবনপাঠ দিয়ে যায়। তারই শব্দে.... "হারিয়ে যেয়োনা, অনেকে হারিয়ে যায়, অনেক হয়ো না" পরিশেষে বলতে চাই, অসীম হিমেল একজন দায়িত্বশীল লেখক। অসংখ্য তথ্য সম্বলিত, বাস্তব ঘনিষ্ঠ কাহিনীতেও তিনি সদা সতর্ক থেকেছেন, পাঠক যেন সমৃদ্ধ হন, বিভ্রান্ত নন। পাঠকের জীবনবোধ যেন নীতিবোধের বিপরীত না হয়, তার প্রচেষ্টা লক্ষনীয়।
খেদু মিয়া পড়ার পর ধুম্রজালে খেদু মিয়াও পড়ে ফেললাম। এই বইটায় খেদু মিয়া ছাড়াও নিউরো সার্জন শামস ইবনে মোহাম্মদ ডা. আলম ও তার কাছেই ফেলোশিপ করা মিতুকে ঘিরেই পুরো উপন্যাসের অবতারণা। তাদের ঘিরেই নরমাল প্যারানরমাল কিছু ব্যাপার বইটিতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুঁটে উঠেছে। হঠাৎ মিতুর প্রফেসর সার্জন ব্লকে আটকে যায় এবং মানসিক ভাবে বেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এদিকে ক্যারিয়ারের শুরুতেই হাসপাতালে মিতুকে আসতে নিষেধ করায় ডুয়েল পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত হয়। অন্যদিকে বিরল রোগে আক্রান্ত চেন্নাই ফেরত ছোট্ট মেয়ে দিবা অপারেশনের অপেক্ষায় আছে। ডা. আলম অপারেশন করছেন না এবং কারো সাথে দেখা করছেন না এরকম অবস্থা দিবার মা খেদু মিয়ার শরণাপন্ন হোন। খেদু মিয়া সকল সমস্যা শুনে ডা. আলম ও মিতুর সমস্যা আন্দাজ করে সমস্যা সময়াধানে নেমে পড়েন। খেদু মিয়া কি পারবে ডা. আলম ও মিতুর মানসিক সমস্যার সমাধান করতে.? ছোট্ট মেয়ে দিবার কি অপারেশন হবে.? এসকল বিষয়ের পিছনে মূল কারণ কি..? জানতে হলে পড়তে হবে অবশ্যপাঠ্য বইটি। মা-বাবা সন্তানের অসুস্থতা দূর করতে কতটা মরিয়া হয়ে উঠে তা দিবা ও ডা. মিতুর মা-বাবার কার্যকলাপে দৃশ্যমান। কিভাবে সুস্থ করে তুলবে সেটা করতে গিয়ে মাঝেমধ্যে সন্তানকে বিপদের মুখে ফেলে দেয়। যেমন ডাক্তার মিতুর মা-বাবা তার সন্তানকে জ্বীন-ভূতে ধরেছে ভেবে ভয়ংকর পার্ভাটেড বিকৃত মস্তিষ্কের তান্ত্রিকের হাতে তুলে দেয়। খেদু মিয়া বইটার তুলনায় এই বইটা একটু বেশি ভালো লেগেছে। বইটায় খেদু মিয়া ছাড়াও অন্যান্য চরিত্রগুলোর সমান ভূমিকা বেশ ভালো লেগেছে। পুলিশ চরিত্রে রাকিব ও ফাহিমের একটু বিস্তারিত বর্ণনা বেশ মিস করেছি। এরকম ঘটনায় পুলিশের অবদান বেশ মুখ্য বিষয়। অসীম হিমেল ভাইকে অবশ্যই ধন্যবাদ দেয়া যায় এমন একটা বই লেখার জন্য। আশাকরি ভবিষ্যতে এই সিরিজ সে চলমান রাখবেন। পরর্বতী বই সাতপুরুষে খেদু মিয়া সংগ্রহ করেছি যা অতি দ্রুত পড়ে ফেলবো। আবারো বলছি এই বইটা মাইন্ড ফ্রেশ করে দেয়ার মতো এবং দ্রুত শেষ করার মতো বই। তাই দেরি না করে যারা একটু আধিভৌতিক ব্যাপার এবং হালকা রহস্য উন্মোচন করতে চান তারা অবশ্যই পড়তে পারেন বইটি। আশাকরি বইটি সকল পাঠকের কাছে যথেষ্ট সুখপাঠ্য হোক। বই :- ধ্রুম্রজালে খেদু মিয়া লেখক :- অসীম হিমেল প্রচ্ছদ :- চন্দন ত্রিমাত্রা প্রকাশনা :- অন্যপ্রকাশ প্রকাশকাল :- বইমেলা ২০২৩ পৃষ্ঠা সংখ্যা :- ২২৩ মুদ্রিত মূল্য :- ৫০০ ৳

ধুম্রজালে খেদুমিয়া রিভিউ কাজী ফাল্গুনী ঈশিতা এই বইটা শেষ করতে ইচ্ছা করেই দেরি করছিলাম , কারণ এইটা পড়ার আগে ইচ্ছা ছিল প্রথম পর্বটি শেষ করার। করেছি ও তাই। বাপ্ রে বাপ্ সত্যি অদ্ভুত সুন্দর একটা উপন্যাস।আর একটা চরিত্রের সাথে আর একটা চরিত্রের সম্পর্ককে বেশ সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন লেখক। আমি তো বুঝেই পাচ্ছিলাম না কোন চরিত্রটি আসলে বেশি আকর্ষণীয়, ডাক্তার আলম, মিতু, নাকি অন্য কেউ ? লেখকের লেখা ভালো লাগার একটি কারণ, অনেক অজানা বিষয় জানা হয়ে যায়, বিশেষ করে মেডিকেল টার্মগুলো। বেশ লাগে এই বিষয়টি। টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এই উপন্যাসটির একটা জায়গায় এসে আশাহত হতে হলো যদিও। দিবা চরিত্রটি নিয়ে আমার আগ্রহের কমতি ছিল না, কারণ সে শিশু, তাও কন্যাশিশু। যে কোনো বইয়ের কন্যাশিশু চরিত্র গুলো আমাকে খুব টানে। তবে দিবা, সে বেচারি গোটা গল্পজুড়ে কেবল এক অসুস্থ রোগী ই রয়ে গেলো , কোনো দুরন্তপনা দেখলাম না তার। সালাম এর সঙ্গে হুট করে কালামের আবির্ভাব আসলে আমার কাম্য ছিল না, তবে সালাম আর ডাক্তার আলমের সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে লেখক অনেক কিছুই বুঝিয়ে গেছেন, যার মধ্যে একটা হলো অতি বিশ্বাসের গলায় দড়ি। আচ্ছা লেখক, ওই হিজল গাছের ডালে বসা তিথি আসলে কে? লতা আর পাতা ই বা কোত্থেকে হাজির হলো? সুতপা দেবী কি তার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিয়েছিল শেষে? নাকি এই সবকিছুর মাঝে অন্য কিছু আছে ? আমার খুব পছন্দ খেদুর পরোপকারী আচরণ। বাকি যারা পাঠক খেদুকে চেনেন, তো জানেন ই সে কেমন। ধুম্রজালে খেদুমিয়া কিছু সময়ের জন্য এক অন্য ভুবনে নিয়ে যাবে। চেনা সব বইপোকাদের বলবো উপন্যাসটি পড়ার জন্য। শুভকামনা লেখক, আপনার কলমের শক্তি আরো বাড়ুক।

ব্যাপক উৎসাহ- উদ্দীপনা নিয়েই অপেক্ষায় ছিলাম এবারের বইমেলায় যাব। বন্ধু লেখকদের অটোগ্রাফসহ বই সংগ্রহ করব সাথে সেলফি তুলব বন্ধু লেখকদের সাথে। সেই সেলফি সহকারে বুক রিভিউ লিখে পোস্ট দিব কিন্তু বরাবরের মতোই বিধিবাম আমার। বইমেলায় আমার যাওয়া হয় নি তবে বই সংগ্রহ করেছি। কয়েকজন লেখক বন্ধু র বই প্রকাশের তীব্র প্রতীক্ষায় ছিলাম তার মধ্যে একজন আমাদের বিখ্যাত খেদুমিয়া র জনক Asim Himel। খেদুমিয়া সিরিজের দ্বিতীয় বই ধুম্রজালে খেদুমিয়া। বইটার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। বই হাতে পেয়েছি আগেই কিন্তু অসুস্থতার কারণে রিভিউ লিখতে দেরী হয়ে গেলো। যতটুকু আশা করেছিলাম তার দ্বিগুন পরিমাণ তৃপ্তি নিয়েই পড়লাম। পুরো কাহিনীটা এত সুন্দর হয়েছে যার কারণে এক বসাতেই বইটা পড়ে শেষ করলাম। ধুম্রজালে খেদুমিয়া আদি ভৌতিক উপন্যাস হলেও প্রতিটি ঘটনার সাথে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদান দারুণ লেগেছে যেটা সাধারণ পাঠক হিসেবে আমারও মনে দাগ কেটেছে। মিতুর চরিত্রটা চমৎকার লেগেছে।আত্মবিশ্বাসী,মেধাবী এবং যুক্তিবাদী একটা মেয়ের জীবন আকস্মিক একটা ঘটনায় সম্পূর্ণ বদলে যাওয়া আবার তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা দারুণভাবে লেখক তার লেখায় ফুটিয়ে তুলেছেন। ধুম্রজালে খেদুমিয়া বইটির প্রতিটি চরিত্র বর্তমান সমাজের বাস্তব বর্ণনা। বিশেষ করে সালাম, কালাম,সোমনাথ চরিত্রের লোকজন প্রায়ই আশেপাশেই দেখতে পাওয়া যায়। এককথায় পয়সা-উসুল টাইপের একটা বই ধুম্রজালে খেদুমিয়া। (যদিও আমি বইমেলায় যেতে পারিনি কিন্তু লেখকের অটোগ্রাফসহ বইটি বন্ধু Shyamoli Shyama পাঠিয়ে দিয়েছে। ধন্যবাদ দেবো না শ্যামা পাখি শুধুই ♥️♥️♥️♥️♥️)
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
ata ki akhon available asa??
প্রিয় গ্রাহক, দুঃখিত, বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।
খেদু মিয়া আর ধ্রুমজালে খেদুমিয়া দুইটা কি একই কাহিনী??
প্রিয় গ্রাহক, না, একই কাহিনী না। দুটি বইয়ের গল্প আলাদা।
ata ki akhon available asa??
প্রিয় গ্রাহক, দুঃখিত, বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।
খেদু মিয়া আর ধ্রুমজালে খেদুমিয়া দুইটা কি একই কাহিনী??
প্রিয় গ্রাহক, না, একই কাহিনী না। দুটি বইয়ের গল্প আলাদা।






















