

Buy ঢাবাকা Online in Bangladesh
লেখক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
- Author: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
- Publisher: বাতিঘর প্রকাশনী
- Isbn: 9848742078
- Number Of Pages: 400
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2023
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
পরাবাস্তব এক নগরী, যেখানে অতীত আর বর্তমান হাত ধরাধরি করে চলে। বিচিত্র সব মানুষ আর বিচিত্র তাদের কাহিনি। ওদের গল্পগুলোও বিচ্ছিন্ন নয়, একটার সঙ্গে আরেকটা জড়িয়ে থাকে। সময়ের পরিক্রমায় সেগুলো জট লেগে দলা পাকিয়ে যায়। ঘটনাচক্রে এক রাতে হাজার বছরের পুরনো বিরাণ এক শ্মশানে সেই জট খুলতে শুরু করে। অতীতরে গহ্বর থেকে উঠে আসতে থাকে অদ্ভুত সব গল্প, জিন্দা লাশের মতো ঘিরে ধরে জীবন্ত বর্তমানকে, সুরাহা না করে তারা যেন ফিরে যাবে না।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

ঢাবাকা পড়ে খুব মজা পেলাম।

#Book_Insights 31 ঢাবাকার মতো শহর নেই এ দেশে। বৃদ্ধা গঙ্গোত্রীর তীরে অবস্থিত পরাবাস্তব এ নগর। নানান মানুষের বসবাস, নানান মানুষের আনাগোনা। তাদের জীবন বিচ্ছিন্ন হলেও গল্পগুলো বিচ্ছিন্ন নয়, বরং জড়িয়ে আছে একে অপরের সাথে। এ গল্পটা তেমন কিছুই, একটা শ্মশান ঘাটের লাশ পোড়ানো থেকে শুরু এবং সেখানেই একে একে সব চরিত্রগুলোর এক গল্পে বাধা পড়ে যাওয়া। • ঢাবাকার নাম ও বর্ণনায় ইতোমধ্যে নিশ্চই বুঝে গেছেন, আমাদের দেশের ঠিক কোন শহরের সাথে এর এতো মিল আছে। শুধু নাম কিংবা পরিবেশগত মিল নয়, বরং উপন্যাসটা পড়তে শুরু করলে বুঝবেন এর পরিস্থিতি, জনসমাজ, ব্যবস্থাপনা অনেক কিছুই মিলে যায় আমাদের প্রাণের শহরের সাথে। লেখক খুব চতুরতার সাথে এসবের বুনন ঘটিয়েছেন। বলতে পারেন, একটা প্যারালাল জগৎ এটা। আর উপন্যাসে একটা বাস্তব জগতের প্যারালাল জগৎ তৈরি করতে আপনাকে অনেক কিছু মাথায় রাখতে হয়। যাতে করে একদিকে আপনি বিষয়গুলোর সাথে সম্পর্ক খুঁজে পান, আর অপরদিকে সেসব বিষয় ভিন্ন কিছুও মনে হয়। দুটি কাজ একসাথে ফুটিয়ে তুলতে আর উপভোগ্য করতে যে প্ল্যানিং দরকার তা লেখক বেশ শক্তিশালীভাবে করেছেন। তবে বলে দেই, এর সময়কাল আবার বর্তমান সময় নয়, ৮০-৯০ এর দশকের। • 'চরিত্র' ঠাসা আছে এ গল্পে। যদিও একটা গল্প নয়, বরং প্রত্যেকটা চরিত্রদের আলাদা আলাদা গল্প। এর মাঝে কয়েকটা নারী চরিত্র আবার বেশ ইন্টারেস্টিং, সাহসী, চতুর। কাওকাবুন্নেসা তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এ চরিত্র সম্পর্কে সকলের একটাই অভিমত, 'বাপের জনমে কেউ এমন মেয়ে দেখেনি!' সত্যিই চরিত্রটা তেমনই। কোনো আপোষ নেই, ভয় নেই। আমার মতে, সবচেয়ে শক্তিশালী চরিত্রায়ন তারই। 'পাণ্ডবদা'র চরিত্রটাও ভালো লেগেছে। ঠাণ্ডা মাথার খুনি যাকে বলে, যা করে ভেবে চিন্তে করে। 'চন্ডাল' নামে একটা চরিত্র আছে, যার হাসি আর তুচ্ছ কৌতুকযুক্ত সংলাপ অংশ পড়লে কেমন গা গুলিয়ে আসে। চরিত্রটা লেখাই হয়েছে তেমনভাবে। • এখানে আপনি কাউকে পার্শ্বচরিত্র ধরতে পারবেন না, কারণ গল্পে সবারই একটা অবদান আছে। সবার একটা করে ব্যাক স্টোরি আছে। আর সবার গল্প গিয়ে ঠিক কোথাও না কোথাও মিলে যাবে। • এখানে, কোনো চরিত্রই পুরোপুরি ভালো নয়, সবার মাঝেই ভুল ত্রুটি আছে। অর্থাৎ কেউ খারাপ, তো কেউ বেশি খারাপ। তাই কে নায়ক আর কে খলনায়ক, সেসব প্রসঙ্গে কিছু বলবো না। বললে গল্পের মজা কমে যাবে। তবে খল চরিত্রের উন্মোচন যখন হবে তখনই একেকটা ঘটনার সুতো বেঁধে দেয়া হবে। আর পাঠকও অবাক হবে এই ভেবে, বিচ্ছিন্ন সব ঘটনা কী করে এক জালে আটকে গেলো। গ্রাফিক নভেল হিসেবে কেমন? ঢাবাকা একটা গ্রাফিক নভেল, আর এদিক থেকে আমার মতে গল্পের সাথে মানানসই একটা কাজ। চিত্রগুলো একেকটা চরিত্রের কাঠামো ও কিছু দৃশ্যায়ন ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে। যদিও সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ এই যে, কিছু চিত্র দৃষ্টিকটু মনে হতে পারে, অথবা পাবলিক প্লেসে পড়তে গেলে আপনাকে দ্বিধাগ্রস্ত করতে পারে। সহজ ভাষায়, শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। • ব্যাক্তিগত রেটিং: ৪/৫ (মোটাসোটা বই হিসেবে বাইন্ডিং বেশ ভালো। কাগজও ভালো মানের। প্রচ্ছদটা আরেকটু ভালো করা যেতো, এখানে যদিও কিছু চরিত্রের প্রতিকৃতি একসাথে আঁকা হয়েছে।) এক নজরে, • বই: ঢাবাকা • লেখক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন • ধরণ: থ্রিলার উপন্��াস, গ্রাফিক নভেল • প্রকাশনী: বাতিঘর প্রকাশনী • প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০২৩ • প্রচ্ছদ: তানিয়া সুলতানা • অঙ্কন: তানিয়া সুলতানা ও মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন • পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৮২ ~ ইয়াসির আল সাইফ

প্রথমে দারুন লেগেছিলো, শেষের দিকে একটু গোজামিল লেগেছে। তবে ওভারল উপভোগ korechi
অনেকগুলো চরিত্রকে একই সুতায় আনতে গিয়ে মাঝখানে বিরক্তিকরে এবং জগাখিচুড়ি হয়ে গিয়েছিল। তবে প্লট টুইস্ট, ব্যাক হিস্টোরি টা ইন্টারেস্টিং ছিল। প্রচ্ছদ গুলো আরো ভাল হতে পারত। নাজিমউদ্দিনের অন্য লেখার চেয়ে এই লেখাটা একটু আলাদা।

অনেক ঘটনার মিশ্রণ ঘটিয়েছেন লেখক। তবে সফলও হয়েছেন। একবার নিশ্চিন্তে পড়া যায়
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
total page koto
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪০০। ধন্যবাদ।
total page koto
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪০০। ধন্যবাদ।






















