ব্ল্যাক অর্ডার
বই কালেকশন

Buy ব্ল্যাক অর্ডার Online in Bangladesh

লেখক: সাঈম শামস্

4.18
(9 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: সাঈম শামস্ , জেমস রলিন্স
  • Publisher: রোদেলা প্রকাশনী
  • Isbn: 9789849170181
  • Number Of Pages: 400
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2016
৳ 499৳ 58014% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

"ব্ল্যাক অর্ডার" বইটির প্রথম অংশ থেকে নেয়াঃ দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের শেষ কয়েক মাসে যখন জার্মানির অবস্থা একেবারে শােচনীয় তখন কে কার আগে নাৎসি বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন প্রযুক্তি লুঠ করবে তা নিয়ে মিত্রবাহিনীর মধ্যে নতুন এক যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। এই লুঠ প্রতিযােগিতায় নেমেছিল ব্রিটিশ, আমেরিকান, ফ্রেন্স এবং রাশিয়ানরা। যে যার মতাে করে নিজের দেশের জন্য লুঠপাট চালিয়েছিল। অনেক পেটেন্ট লুষ্ঠিত হয়েছিল তখন। যেমন : নতুন ভ্যাকুয়াম টিউব, চমকপ্রদ কেমিক্যালস, প্লাস্টিকস্ এমনকী ইউ ভি লাইটসহ পাস্তুরিত তরল দুধ! কিন্তু স্পর্শকাতর অনেক পেটেন্ট স্রেফ গায়েব হয়েছিল। যেমন : অপারেশন পেপার ক্লিপ; একশ’ নাৎসি ভি-২ রকেট বিজ্ঞানীদেরকে গােপনে নিযুক্ত করে আমেরিকায় নিয়ে আসা হয়েছিল তখন। পরে অপারেশন পেপার ক্লিপ সম্পর্কে তেমন কিছু আর জানা যায়নি। তবে নিজেদের প্রযুক্তি বিনা যুদ্ধে সপে দেয়নি জার্মানরা। গােপন প্রযুক্তি ও পরবর্তী রাইখ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য তারা অনেক চেষ্টা করেছিল। বিজ্ঞানীদের খুন করা, রিসার্চ ল্যাব ধ্বংস করে দেয়া থেকে শুরু করে গুহায় ব্লুপ্রিন্ট লুকিয়ে রাখা, লেকের পানিতে ডুবিয়ে দেয়া, ভূগর্ভস্থ কোটরে পুঁতে দেয়ার মতাে নানান পদক্ষেপ নিয়েছিল তারা। আর এসবই ছিল মিত্রবাহিনীর হাত থেকে নিজেদের প্রযুক্তি রক্ষা করার বিভিন্ন কৌশল। নির্বিচারে লুণ্ঠন অভিযান চলেছিল। নাৎসিদের রিসার্চ এবং অস্ত্রের ল্যাব ছিল সংখ্যায় শত শত। কতগুলাে ছিল মাটির নিচে, বাকিগুলাে জার্মানের বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানাে-ছিটানাে। এছাড়াও অস্ট্রিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া এবং পােলাভেও তাদের অস্তিত্ব ছিল। তারমধ্যে সবচেয়ে রহস্যময় ছিল ব্রিসলাউ শহরের বাইরে অবস্থিত একটি রূপান্তরিত খনি। রিসার্চ ফ্যাসিলিটির কোড নাম ছিল “দ্য বেল”। এই রিসার্চ ফ্যাসিলিটির আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা বিভিন্ন সময় রিপাের্ট করেছিলেন, অদ্ভুতুড়ে আলাে দেখা, রহস্যময় মৃত্যু ও বিভিন্ন অজানা রােগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তারা। রাশিয়ান ফোর্স খনিতে পৌছেছিল সবার আগে। তারা গিয়ে রিসার্চ ফ্যাসিলিটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পায়। এই প্রজেক্টের সাথে জড়িত ৬২ জন বিজ্ঞানীর সবাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। আর ফ্যাসিলিটির বাদ বাকি সব সরঞ্জাম কোথায় গায়েব হয়েছিল সেটা এক ঈশ্বর ছাড়া আর কেউ জানে না। সে যা-ই হােক, তবে এতটুকু নিশ্চিত “দ্য বেল”-এর অস্তিত্ব সত্যি সত্যিই ছিল।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.18
(9 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
56%
4
33%
3
11%
2
0%
1
0%
Md.Raihanuzzaman
Md.Raihanuzzaman ভেরিফাইড
20 May 2025

ভবিষ্যতের জন্য আমরা যেসব প্রযুক্তির স্বপ্ন দেখি, সেই প্রযুক্তিই যদি অতীতের কোনো অন্ধকার থেকে উঠে এসে আমাদের ধ্বংস করে দেয়? Black Order ঠিক এমনই এক রহস্যময় ও রোমাঞ্চকর অভিযানের গল্প। গল্পের শুরু এক নিঃশব্দ মৃত্যুর মধ্য দিয়ে — নেপালের একটি শান্ত মনাস্টার হঠাৎ করেই রক্তের বন্যায় রূপ নেয়। একই সময়ে ইউরোপের একটি নিলাম ঘরে বিক্রি হতে থাকা রহস্যময় এক প্রাচীন যন্ত্র বিজ্ঞানী ও গুপ্তচরদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়। কী এমন আছে সেই যন্ত্রে, যা নাৎসি বিজ্ঞানীরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গোপনে তৈরি করেছিল? সিগমা ফোর্সের সদস্য গ্রে পিয়ার্স ও তার দল ছুটে যায় এক মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়া এই রহস্যের পেছনে। তারা আবিষ্কার করে, এই প্রযুক্তি শুধু মানুষকে বদলে দিতে পারে না — এটি মানবজাতির ভবিষ্যৎও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। পথে পথে তাদের সামনে আসে জেনেটিক্সের অজানা অধ্যায়, কোয়ান্টাম বিজ্ঞানের গা ছমছমে থিওরি, আর একদল শক্তিশালী শত্রু, যারা বিশ্বাস করে, মানবজাতির উন্নতির জন্য কিছু মানুষকে নিশ্চিহ্ন করাই যুক্তিযুক্ত। প্রাচীন নাৎসি গবেষণাগার থেকে শুরু করে আধুনিক গবেষণার ল্যাব — রোলিন্স পাঠককে এক মুহূর্তের জন্যও থামতে দেয় না। ইতিহাস, বিজ্ঞান, ষড়যন্ত্র আর অ্যাকশনের মিশেলে Black Order হয়ে উঠেছে এমন এক থ্রিলার, যা শেষ না করে রাখা যায় না। যদি আপনি ড্যান ব্রাউনের মতো রহস্য-রোমাঞ্চ ভালোবাসেন, তবে Black Order হবে আপনার পরবর্তী প্রিয় উপন্যাস।

Laxmi Akter
Laxmi Akter ভেরিফাইড
06 Nov 2021

ড্যান ব্রাউনের পর আমি এখন রীতিমত জেমস রোলিন্সের ফ্যান হয়ে গেছি। চান্চল্যকর সব তথ্য, বিজ্ঞান, থ্রিলার কি নেই বইটিতে। লেখকের সিগমা ফোর্সের অন্য বইগুলোর মত এই বইটিও উন্মোচন করবে রহস্যময় সব তথ্য।

Rayhan
Rayhan ভেরিফাইড
24 Nov 2019

too imprasive

BookHunter
BookHunter ভেরিফাইড
08 Jun 2021

☆☆☆☆

Wazedur Rahman Wazed
Wazedur Rahman Wazed ভেরিফাইড
05 Jul 2018

"বিবর্তন কোন নিখুঁত জিনিশ নয়। এটা প্রাকৃতিক বাছাই প্রক্রিয়া কিংবা আবহাওয়ার প্রভাব, যা ফলে আগাছা ধাঁচের ক্ষতিকর পরিবর্তনগুলোকে ছাঁটাই করে শুধু ভাল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলোকে জিন বহন করে।" মানুষকে বলা হয় সৃষ্টির সেরা জীব। নিজের চিন্তাশক্তি আর বুদ্ধিবৃত্তি দিয়ে নিজেকেই আরো উন্নত করে তোলার ক্ষমতা আছে বিধায়ই মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব বলা হয়ে থাকে হয়তো। কিন্তু অভাব সীমাহীন। তাই মানুষ নিজেকে শ্রেষ্ঠ থেকে শ্রেষ্ঠতর প্রমাণ করতে চায়। এ নিয়ে যুগে যুগে মানুষের বিভিন্ন পদক্ষেপের ইতিহাস কম বেশী সবাইই জানি। আর তাছাড়া, পৃথিবী ছাড়া অন্য কোন গ্রহে মানুষের চাইতেও উন্নত প্রজাতি আছে কিনা সে গবেষণা তো প্রতিনিয়তই চলছে। অতীতে উন্নত প্রজাতির মানুষ পৃথিবীতে রাজত্ব করে গেছে এবং ভবিষ্যতেও আসবে আরো উন্নত প্রজাতি এবং তারাও রাজত্ব করবে পৃথিবী। তবে প্রকৃতি সবসময় নিজের নিয়মেই চলে। তাই হয়তো কখনো কখনো অনেক মারাত্মক আর ভয়ানক কিছু গবেষণা হলেও প্রকৃতির আশীর্বাদে পৃথিবী এখনো অক্ষত। "সবসময় পাগলামোই পৃথিবীকে সামনে এগিয়ে রেখেছে। অসম্ভবকে সম্ভব করতে ভূমিকা রেখেছে।" জেমস রোলিন্স মানেই অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার আর থৃলার। এই তিন ক্যাটাগরির বরপুত্রও বলা যায় তাকে অনায়াসেই। হাজার বছরের পুরানো মিথ/ইতিহাসের সাথে আধুনিক বিজ্ঞানের যোগসূত্র আর সাথে গিল্ড কিংবা হাজার বছরের লুকায়িত গুপ্তসংঘ কিংবা কাল্টের ক্ষমতা দখলের ব্যাপকতা আর এদের প্রতিরোধ করার জন্য আছে সিগমা ফোর্স। হ্যা জেমস রোলিন্সের লেখা অন্যতম জনপ্রিয় সিরিজ সিগমা ফোর্স নিয়েই কথা বলতে চাচ্ছিলাম। প্রথম পর্ব 'স্যান্ডস্টর্ম' মুগ্ধ করেছিল আর দ্বিতীয় পর্ব 'ম্যাপ অফ বোনস' মোটামুটি। আর আজ আলোচনা করছি তৃতীয় পর্ব 'ব্ল্যাক অর্ডার' নিয়ে। "ধর্ম দিয়ে পুরো একটা জাতির মগজ ধোলাই করে বশে আনা যায়।" কাহিনীপ্রসঙ্গঃ গল্পের শুরুটা আপনাকে নিয়ে যাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ ভাগে। সেখানে জানবেন কোন এক রিসার্চ ল্যাবে যুগান্তকারী একটা কিছু আবিষ্কার করে ফেলেছিল হিটলারের নাৎসি বাহিনী। কিন্তু যুদ্ধে পরাজয় হওয়ায় নিজেদের আবিষ্কার লুট হওয়ার ভয়ে বিজ্ঞানীদের খুন করে পুড়িয়ে ফেলে নাৎসি বাহিনী। কিন্তু কি এমন আবিষ্কার করেছিল তারা? সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের অদূরে অবস্থিত এক গ্রাম এবং বৌদ্ধ মঠে খুব অস্বাভাবিক একটা ব্যাপার ঘটে যায়। কোন এক অজানা রোগে সে গ্রামের সব পশু-পাখি মারা গেছে এবং মঠে বসবাসরত সন্ন্যাসীরা অদ্ভুত আচরণ করা শুরু করেছে। বাতাসের ভেসে বেড়াচ্ছে মৃত্যুর গন্ধ। সন্ন্যাসীরা বিকৃত মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছে। তাদের ভেতরে যেন রক্তপিপাসু এক হিংস্র দানব বাসা বেধেছে। সিগমা ফোর্স ডিরেক্টর পেইন্টার ক্রো স্বয়ং নিজে যান সেই বিপদসঙ্কুল এলাকায় তার সাথে আছে ডাক্তার লিসা কামিংস। আর তাদের পিছনে লেগেছে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত একদল ঠান্ডা মাথার খুনি। তারা কি বেঁচে ফিরতে পারবে? কোপেনহেগেনের এক বইয়ের দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রাণ হারায় দোকানী। অল্পের জন্যে আগুনে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পেল দোকানীর নাতনি ফিওনা আর সিগমা ফোর্স কমান্ডার গ্রেসন পিয়ার্স। অগ্নিকুন্ডের হাত থেকে বাঁচতে না বাঁচতেই আরেকদল খুনি আসে ওদের খুন করতে। এই কোপেনহেগেনই আবার বিবর্তনবাদের জনক চার্লস ডারউইনের পারিবারিক বাইবেল নিলামে উঠছে সাথে ঐতিহাসিক আরো পাঁচটি বই। সংঘবদ্ধ আর প্রভাবশালী চক্র সেগুলো হাতিয়ে নেয়ার জন্যে মুখিয়ে আছে। আর সেজন্যে ফিওনা বা গ্রে'র মৃত্যু ওদের কাছে কিছুই না। ইতিহাসের ভাজে লুকিয়ে থাকা একটা কথা গ্রে খুঁজে পায়, 'সত্যটা এত সুন্দর যে ওটাকে গলা টিপে মারতে পারছি না আবার সেটা এতটাই দানবীয় যে মুক্তও করতে পারছি না।' কি সে দানবীয় সুন্দর সত্য? দক্ষিণ আফ্রিকার হুলুহুলুই আমফোলজি প্রিজার্ভ অঞ্চলে গবেষণারত অবস্থায় ড. মারশিয়া এবং প্রিজার্ভের ওয়ার্ডেন খামিশির উপর হামলা হয়। হামলা করলো পুরোপুরি অচেনা বিকটদর্শন এক পশু যা স্থানীয়ভাবে উকুফা নামে পরিচিত। এদিকে জার্মান এস এস প্রধান হেনরিক হিমলারের গড়া এক দুর্গে গোপনে চলছে এক গবেষণা যা পালটে দিতে পারে মানব জাতির ইতিহাস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার 'সুপার হিউম্যান' বানানোর জন্যে নির্মিত 'দ্য বেল' চালু হয়েছে। যার রেডিয়েশনের প্রভাবে সিগমা ফোর্সের ডিরেক্টর পেইন্টার ক্রো নিজেই আহত। মৃত্যু ধীরে ধীরে গিলে খাচ্ছে পেইন্টার ক্রো'কে। পেইন্টার ক্রো কি নিজেকে বাঁচাবে নাকি মানব জাতিকে? সুপার হিউম্যানে বিশ্বাসী ঠুলী সোসাইটি কি তবে ফেরত এসেছে? তারা কি বদলে দেবে মানব জাতির ইতিহাস? হেনরিক হিমল্যারের গড়া কালো সূর্যের ছায়ায় থাকা ব্ল্যাক অর্ডার কি তবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তবে কি জার্মানরা পরাজিত হয়েও নিজেদের তৃতীয় প্রজন্মের জন্যে অতি মানবীয় কিছু সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিল? আর সে সত্যটাই বা কি যেটা এতটাই সুন্দর যে মারা যায় না আবার এতটাই দানবীয় যে মুক্ত করা যায় না? এসকল প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আপনাকে ধৈর্য নিয়ে ৪০০ পৃষ্ঠায় থরে থরে সাজানো জেমস রোলিন্সের সিগমা ফোর্স সিরিজের তৃতীয় পর্ব 'ব্ল্যাক অর্ডার' পড়তে হবে। "অতীতের শক্ত হাত আছে, যেটা কখনো বর্তমানকে ছাড়ে না।" লেখক প্রসঙ্গঃ লেখক প্রসঙ্গে কিছু বলার নেই তেমন। কারন জেমস রোলিন্স মানেই থৃলার, অ্যাডভেঞ্চার আর অ্যাকশনের রোলার কোস্টার রাইড। পেশাতে পশু ডাক্তার হলেও প্রচুর রিসার্চ আর পড়ালেখার ফল এই ম্যাপ অফ বোনস। আর, তাছাড়া রিসার্চ ইউনিটে রোলিন্সের কিছু পরিচিত লোক থাকাতে উনার ব্যাখ্যাগুলো এতটা সুন্দরভাবে উপস্থাপিত হয়। জেমস রোলিন্সের বইগুলোর মধ্যে 'আমাজনিয়া' এবং সিগমা ফোর্সের 'স্যান্ডস্টর্ম' (অত্যন্ত চমৎকার একটা বই), 'ম্যাপ অফ বোনস' এবং এই 'ব্ল্যাক অর্ডার' টাই আমার পড়া হয়েছে তাই অন্যান্য বইয়ের ব্যাপারে বলতে পারলাম না। "নীতি কোন কাজে আসে না। নীতি পরিপন্থী কাজেই বেশী লাভ হয়।" অনুবাদপ্রসঙ্গঃ সাঈম শামসের এটা তৃতীয় অনুবাদ গ্রন্থ আর আমার পড়া প্রথম। বইয়ের শুরু থেকে কিছুদূর অবধি অনুবাদ খানিকটা সুখপাঠ্য বিহীন মনে হয়েছে আমার কাছে। অন্যের কাছে ভালোও লাগতে পারে তবে অনুবাদ নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই। ২/১ টা ভুলের কথা বলি তাহলে। যেমন, এক জায়গায় 'আরেকটা' শব্দে আকার নেই ফলে 'আরেকট' হয়ে আছে। অন্য জায়গায় 'অবতরণ' 'অতরণ' হয়ে আছে। আবার অনেক জায়গায় 'না' কিংবা 'যাওয়া', 'বাহির' না হয়ে 'বাইর' আর 'জবরপৎযংভঁযৎপৎ' এই ধরণের কিছু শব্দ বিরক্তি দিয়েছে। জার্মান শব্দের ব্যবহার যে মূল বইতেই আছে তা আগেই বুঝেছি। যাক সেসব বইটা তো আর এক পাতার না যে ভুল হবে না। ভুল হওয়াটাই স্বাভাবিক তাই এই টুকিটাকি ভুল ছাড়া পুরো অনুবাদ সহজ ও সাবলীল লেগেছে আমার কাছে। আর সেজন্যে অনুবাদককে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাই। আর এমন না যে অনুবাদক আমার ঘোরতর শত্রু তাই ম্যাগনিফাইং গ্লাস নিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ভুল বের করেছি। পড়তে বসে যা যা চোখে লেগেছে সরাসরি তাই বলেছি। আশা করি অনুবাদক বইটার পরবর্তী সংস্করণে এই ভুলত্রুটি গুলো শুধরে নিলে বইটার অনুবাদ আরো ভারী হবে এবং সুখপাঠ্যতা পাবে। জেমস রোলিন্সের সিগমা ফোর্সের প্রথম বইটা একেবারে তাক লাগিয়ে দেয়ার মতো একটা বই। সে বিচারে দ্বিতীয়টা খানিকটা ধীরগতির হলেও প্রচুর তথ্যবহুল একটা বই। তবে এই বইটা আমার নিজের ভালো লাগেনি। মূলত গল্পটাই ধীরগতির লেগেছে আমার কাছে। আর 'দ্য বেল' এর পদ্ধতিটা কেমন জানি লেগেছে বলে বুঝাতে পারবো না। তবে হ্যা, অ্যাকশন, মিথ, বিজ্ঞান, আধুনিক প্রযুক্তির তথ্যগুলো বরাবরের মতোই ভালো লেগেছে। আর হ্যা প্রচ্ছদটাও ভালো লেগেছে। তাই 'ব্ল্যাক অর্ডার' আমার কাছে মোটামুটিরকম পড়া যায় মনে হয়েছে। আমার ভালো লাগা আর আপনার ভালো লাগা এক হবার কথা নয়। এমন তো হতে পারে আপনার ভীষন ভালো লেগেছে পড়ে। তাই নিজে পড়ে যাচাই করুন। আর আমার রিভিউ তো আমার ব্যক্তিগত মতামত তবে তাও যদি কেউ আমার রিভিউ পড়ে অনাগ্রহী হয় তাহলে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কিছু ভালো লাগা কথাঃ "শত্রুর শত্রু তো বন্ধু হয়।" "মানব জীবন গল্পের চাইতেও বেশী বৈচিত্র্যময়।" "খুব বেকায়দায় পড়লে নাকি কেউই আর নাস্তিক থাকে না।" "গুপ্তধন যত বড় হয় সেটা মাটির তত গভীরে লুকানো থাকে।" "সব বাচ্চা সঠিক সময়ে জন্ম নিলে পৃথিবীটাই অনেক ফাঁকা হয়ে যেত।" "প্রত্যেক প্রেমিক-প্রেমিকার প্রথম মিলনের দিন একটি কঠিন ধাপ উত্তীর্ণ হতে হয়। সেটা হলো অস্বস্তিকর লজ্জা।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)