অন্তরের রোগ -১ম খণ্ড
বই কালেকশন

Buy অন্তরের রোগ -১ম খণ্ড Online in Bangladesh

লেখক: শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ

4.77
(10 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
  • Publisher: রুহামা পাবলিকেশন
  • Number Of Pages: 242
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2018
৳ 240৳ 32025% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

যে অন্তর নিফাকে আক্রান্ত, তা কীভাবে ধারণ করবে প্রকৃত ঈমানকে? যে অন্তর মন্দ কামনা-বাসনা বা প্রেমাসক্তির মাঝে বিভোর থাকে, কেবল লালসা পূরণের পথে চলে; তা কি পারে নেক আমলের স্বাদ আস্বাদন করতে? যে অন্তর দুনিয়ার মহব্বতে, সম্মান-মর্যাদা-নেতৃত্বের লোভে কানায় কানায় পূর্ণ থাকে; তা কি আখিরাতের মহাসাফল্য লাভের কথা একটুও ভাবে? একটি অসুস্থ-রোগাক্রান্ত অন্তরের পরিণতি অনেক অনেক ভয়ংকর-ভয়াবহ। এপারেও… ওপারেও… প্রিয় পাঠক! অন্তর তো প্রত্যেকের একটাই। একাধিক নয় যে, একটি অসুস্থ কিংবা বিনষ্ট হয়ে পড়লে অপরটি কাজ দেবে। তাই প্রত্যেককে নিজের এই একটি অন্তরকেই এমন সুস্থ, সুন্দর ও রোগমুক্ত রাখতে হবে; যেন তার মাঝে সত্য অনুধাবনের যোগ্যতা থাকে। যেন তা উপলব্ধি করতে পারে সঠিক বিষয়কে; নিরূপণ করতে পারে হক-বাতিলের বিভেদকে। তাই আসুন, আমরা বেঁচে থাকি অন্তরের সকল রোগ থেকে। সত্য-সঠিক বিষয়কে উপলব্ধি করি সুস্থ অন্তর দিয়ে।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.77
(10 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Md.Ahsas
Md.Ahsas ভেরিফাইড
29 Mar 2025

good❤❤❤

Mst Habiba Begum Chowdhury
Mst Habiba Begum Chowdhury ভেরিফাইড
22 Dec 2024

Gd

Tuhin
Tuhin ভেরিফাইড
19 Oct 2024

one of the best book, everyone should read this book

Review Upload 1
Review Upload 2
Prince Vi
Prince Vi ভেরিফাইড
04 Oct 2023

#রকমারি_ইসলামি_বই_বুক_রিভিউ_প্রতিযোগিতা 📚 শুরুর কথাঃ মহান আল্লাহ তা'য়ালা পবিত্র কালামে ইরশাদ করেন_ قَدْ أَفْلَحَ مَن زَكَّىٰهَا নিঃসন্দেহে সে সফলকাম হয়েছে, যে তাকে (নাফস) পরিশুদ্ধ করেছে। وَقَدْ خَابَ مَن دَسَّىٰهَا এবং সে ব্যর্থ হয়েছে, যে তা (নাফস)-কে কলুষিত করেছে। সূরা শামস- (আয়াত ৯,১০)। মহান রব এই সূরায় (শামস) ১১টি বস্তুর কসম খেয়েছেন। তারপরে উপরের দু'টি আয়াতের কথা বলেছেন। দু'টি আয়াতেই সফলতা আর ব্যর্থতার সংজ্ঞা পরিস্কার করেছেন। মহান আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তার ইবাদাতের জন্য। তিনি পবিত্র কুরআনে বলেছেন_ وَمَا خَلَقْتُ ٱلْجِنَّ وَٱلْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ আর জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা একমাত্র আমার ইবাদাত করবে। (সূরা যারিয়াত-৫৬) নিশ্চয়ই মানুষের অন্তর হলো তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের রাজা৷ আর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হলো অন্তরের অধীনস্থ লস্কর। যখন রাজা ঠিক থাকে, তখন তার অধীনস্থ লস্করও ঠিক থাকে। হাদিস শরীফে নু'মান ইবনে বাশীর রাযি. থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবীজি (সা) বলেন _ "সাবধান! তোমাদের দেহে একটি গোস্তের টুকরা আছে, যখন টুকরাটি ঠিক থাকে, তখন সমগ্র দেহ ঠিক থাকে৷ আর যখন গোস্তের টুকরাটি খারাপ হয়, তখন তোমাদের পুরো দেহ খারাপ হয়ে যায়। আর তা হলো - অন্তর। " (সহিহ বুখারি - ৫২)। আরো বলেন (সা), নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের দেহ এবং আকৃতি দেখেন না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও আমল দেখেন। (সহীহ মুসলিম - ২৫৬৪) 🔳 আল্লাহর ইবাদাত করার পথে, সব থেকে বড় বাধা হলো নাফস। যে সব নষ্টের গুরু ইবলিস, তাকেও বিপদে ফেলে দিয়েছে নাফস। নাফসের ভিতরের আল্লাহ উভয় সম্ভাবনা রেখে দিয়েছেন, যে কেউ নাফসের সঠিক পরিচর্যা করে তখন সে ঈমানের দিক থেকে ফেরেশতাদের থেকেও উপরে উঠে যায়, আবার নাফসের দাসত্ব, অবহেলা ও ধোকায় পতিত হবার কারণে ব্যক্তি কাফির, মুশরিক, জন্তু জানোয়ারের চেয়েও নিকৃষ্ট হয়ে যায়। আমাদের শরীর বিভিন্ন রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়, তখন পরিচর্যা করার কারণে শরীর সুস্থ হয়ে উঠে, তেমনি মানুষের নাফস/অন্তর বিভিন্ন ধরনের রোগাক্রান্ত হয়, সঠিক পরিচর্যা না করলে সেই নাফস একসময় ব্যাক্তিকে বিপথে নিয়ে যায় ধ্বংস করে ফেলে। অবশেষে আল্লাহর ক্রোধ ও জাহান্নাম হয় তার একমাত্র স্থায়ী ঠিকানা। অধিকাংশ মানুষ নিজেদের অন্তরের অবস্থার ব্যাপারে একেবারে উদাসীন। অথচ মহান আল্লাহ বান্দার অন্তরের দিকে লক্ষ্য রাখেন। 🔳 ঈমান অন্তর বিধ্বংসী ৪'টি তেমনি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ রচিত আরবি কিতাব 'সিলসিলাতু মুফসিদাতুল কুলূব' বাংলা ভাষীদের কল্যাণের জন্য অনুবাদ করে প্রকাশ করেছেন প্রিয় রুহামা পাবলিকেশন। তারা বইটির নামকরণ করেছেন অন্তরের রোগ নামে। বইটি দু'খন্ডে সমাপ্ত করা হয়েছে৷ 📚 আলোচনার মূল বিষয়বস্তুঃ বইটি মূলত আত্মশুদ্ধি মূলক৷ অন্তর রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়া, গুনাহে ডুবে থাকার মূল একটি কারণ। যার অন্তর রোগাক্রান্ত সে অন্তর সত্যের দিকে ধাবিত হতে পারে না, সে অন্ধকারকে আলো ভেবে ধ্বংসের খাঁদে পতিত হয়। বইটির নাম অন্তরের রোগ(১)। বইটি মানুষের নাফসের উন্নতির জন্য গাইডলাইন বলা চলে। বইটিতে অন্তরের কঠিন কঠিন রোগ যেমন, ০১.আসক্তি, ০২.প্রবৃত্তির অনুসরণ , ০৩. দুনিয়ার মহব্বত ও ০৪. নিফাক। নিয়ে বিস্তারিত দালিলিক, ও সাবলিল ভঙ্গিতে আলোচনা করা হয়েছে৷ 📚 আলোচনার সারসংক্ষেপঃ পুরো বই থেকে আলোচনা সারসংক্ষেপ নিম্মরুপ, ▪️০১.আসক্তিঃ আসক্তি হলো মানুষের দৈহিক একটি স্বভাব, যার উপর ভিত্তি করেই মহান আল্লাহ তার বান্দাদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে মানব সৃষ্টির রহস্য, মহান উদ্দেশ্য ও মহৎ লক্ষ্য সাধিত হয়। আমরা যেনো দুনিয়াতে সামগ্রিক কল্যাণ অর্জনে সহযোগিতা লাভ করতে পারি, তাই মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের মধ্যে আসক্তি ও কামনা-বাসনা সৃষ্টি করেছেন। আসক্তি খারাপ কিছু না, যখন একে মন্দ কাজে ব্যবহার করা হবে তখন তা খারাপ বলে বিবেচিত হবে। ঈমানের দুর্বলতা, অসৎ সঙ্গ, দৃষ্টির হেফাজত না করা, এক কথায় আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হওয়া বা সহনশীলতা প্রর্দশন করায় আসক্তিতে লিপ্ত হবার প্রধানতম কারণ। আসক্তি থেকে পরিত্রানের উপায়, বিবাহ করা, রোজা রাখা, নিজেকে ভালো কাজে ব্যস্ত রাখা, বেশী বেশী বেশী দু'আ ও নেক আমল করা ইত্যাদি, পূত- পবিত্র লোকদের ঘটনা বর্ণনা, সবশেষে নিজেকে যাচাই শিরোনামে কিছু প্রশ্ন করে আসক্তি অধ্যায়ের আলোচনা শেষ করা হয়েছে। ▪️০২.প্রবৃত্তির অনুসরণঃ শরয়ীভাবে বৈধতা নেই এমন কোনো বস্তুকে পছন্দ করে তার প্রতি নফসের ঝুঁকে পড়াকে প্রবৃত্তি বলা হয়। ইসলাম প্রবৃত্তির অনুসরণ করতে মানব জাতিকে নিষেধ করেছে। প্রবৃত্তি ও নফসের অনুকরণ করার কারণে মানুষকে শাস্তি দেওয়া হবে। অনুসরণ কেন করে; বাল্যকাল থেকে প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের উপর অভ্যস্ত না হওয়া, প্রবৃত্তির অনুসারীদের সাথে উঠাবসা করা, আল্লাহ ও আখিরাত সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব দুনিয়ার মহব্বত ও দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়া ইত্যাদি । প্রবৃত্তি অনুসরণ করার ক্ষতি হলো, আখিরাতের ক্ষতি, গোমরাহের দিকে গমন৷ অন্তর বিনষ্টকারী, জ্ঞানশক্তি লোপ, নিজের অজান্তেই ঈমানহারা হওয়া ইত্যাদি, প্রবৃত্তির বিরোধিতা করার উপকারিতা হলো, জান্নাত লাভ, হাশরের দিন নাজাত লাভ, সম্মান ও উচ্চ মর্যাদা লাভ করা, মনোবল দঢ় ও দেহের হেফাজত, দুনিয়ার বিপদ থেকে হেফাজত ইত্যাদি। প্রবৃত্তির চিকিৎসা হবে, আল্লাহর কাছে তাওবা ও দু'আ করা, প্রবৃত্তির বিরুদ্ধাচারণ করা, নেককারদের সাথে সোহবত, এর শাস্তি নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা, আল্লাহর আনুগত্য করা প্রবৃত্তি প্রসংশনীয় আর তার নাফরমানিতে লিপ্ত হওয়ার মানেই নিন্দনীয় প্রবৃত্তি। ▪️০৩. দুনিয়ার মহব্বতঃ দুনিয়ার মহব্বতে, বিভিন্নভাবে আল্লাহর নাফরমানির কাজে লিপ্ত হওয়াটাই শরীয়তের ভাষায় দুনিয়ার মহব্বত। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেন_ وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ আর দুনিয়ার জীবনতো ধোকার সামগ্রী ছাড়া কিছুই না। (সূরা হাদিদ-২০) মহান রব আমাদের বলছেন এই ক্ষনিকের দুনিয়ার পুরোটায় ধোঁকা। অথচ আমরা এই দুনিয়াকে আঁকড়ে বেঁচে থাকতে চাইছি, ভুলে যাচ্ছি আমাদের পবিত্র রব কে। একদিন আমাদের এই দুনিয়ার সকল কিছুর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে পরকালের পথে যাত্রা শুরু করতে হবে৷ হায় আফসোস! আমাদের আজ কি হলো? দুনিয়া ও ঈমানদার দের সাথে সম্পর্ক কিরুপ, দুনিয়া হলো ঈমানদার দের জন্য জেলখানার মতো। ঈমানদারদের জন্য সুখের আবাস তো জান্নাত। দুনিয়ার ব্যাপারে সাহাবি রাযি. নিজেদেরকে দূরে রাখতেন যেটুকু না হলে দ্বীন হেফাজত হতো না কেবল দুনিয়া থেকে ততোটুকু নেবার মানসিকতা লালন করতেন। দুনিয়ার মহব্বতের বহিঃপ্রকাশ, দুনিয়ার মধ্যে ডুবে থাকা ও মানুষকে বাধ্য করা ডুবে থাকতে, আখিরাতের আমল দুনিয়া কামানোর জন্য ব্যবহার করা, বিলাসিতা প্রদর্শন, ধন-সম্পদ, প্রভাব- প্রতিপত্তি, খ্যাতির লোভ৷ দুনিয়ার মহব্বতের কারণসমূহ হলো, দুনিয়ার সৌন্দর্য ও বাহ্যিক চাকচিক্য, অন্তরাত্মা দুনিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়া, বর্তমানকে ভবিষ্যতের ওপরে প্রাধান্য দেওয়া ইত্যাদি। পরিনতি কি হবে এর; সকল অনিষ্টের মূল, কুফরি ও নাফরমানির করার কারণ, দুনিয়াতের শাস্তির সম্মুখীন হওয়া, পরকাল থেকে অন্তর অমনোযোগী থাকা, নেক আমলে ত্রুটি, অন্তরে আল্লাহর মহব্বত সৃষ্টিতে প্রতিবন্ধক হয় ইবাদাতে স্বাদ না পাওয়া, সর্বদা দুশ্চিন্তা, অভাব অনটন ও মতোবিরোধ কাজ করা,দ্বীন বিক্রি করে দুনিয়া ক্রয় ইত্যাদি৷ দুনিয়ার মহব্বত দূর করার চিকিৎসা হচ্ছে, দুনিয়ার বাস্তবতা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা, দুনিয়াকে নিকৃষ্ট ও তুচ্ছ ভাবা, দুনিয়া স্থায়ীত্ব ক্ষণিকের আর আখিরাত চিরস্থায়ী অতি নিকটে, অল্পে তুষ্টি, পরিনতি নিয়ে ভাবা, জান্নাতের নিয়ামত নিয়ে ফিকির করা, সবর করতে শেখা ইত্যাদি। ▪️০৪. নিফাকঃ নিফাক বা কটপতা কঠিন এক ব্যাধি। শরয়ী ভাবে, নিফাক হলো, নিজেকে ভালো বলে প্রকাশ করা আর অন্তরে অন্যায় ও মন্দ বিষয়কে গোপন করা। যারা এমন করে থাকে তাদেরকে মুনাফিক বলে৷ আল্লাহ তায়ালা বলেন - إِنَّ ٱلْمُنَٰفِقِينَ فِى ٱلدَّرْكِ ٱلْأَسْفَلِ مِنَ ٱلنَّارِ وَلَن تَجِدَ لَهُمْ نَصِير নিশ্চয় মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে থাকবে। আর তুমি কখনও তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী পাবে না। (সূরা নিসা-১৪৫) নিফাক দু'প্রকার, তাই মুনাফিক ও দু'ধরনের। বড় নিফাক আর ছোট নিফাক। বিশ্বাসগত নিফাক আর কর্মগত নিফাক। বড় নিফাকে আক্রান্ত ব্যাক্তি কাফির হিসেবে সাব্যস্ত হবে৷ আর অন্যদিকে ছোট নিফাকে আক্রান্ত ব্যাক্তি বড় কবিরা গুনাহে লিপ্ত হবে,কিন্তু কাফির হবে না তবে এভাবে চলতে থাকলে তার ঈমান ও হুমকির মধ্যে থাকবে। এমসময় দ্বীন ইসলাম থেকে বের করে দেবে৷। দ্বীনের মধ্যে নিকাফি দু' ধরনের হতে পারে মৌলিক আর আকস্মিক। যে পূর্বেও সত্যিকারের মুসলিম ছিলো না কিন্তু পার্থিব স্বার্থ হাসিলের জন্য মুসলিম সেজে থাকে কিন্তু সে খাঁটি মুনাফিক। অন্যদিকে, অনেকেই আছে যারা সত্যিকারের মুসলিম কিন্তু বিভিন্ন বিপদ-আপদ ও মসীবতে আল্লাহ পরীক্ষা নিয়ে থাকেন, তাতে সফলকাম হতে পারে না, পরে তাদের অন্তরের ইসলাম সম্পর্কে সন্দেহ সংশয় সৃষ্টি হয় এবং একসময়ে এসে সে ইসলাম ত্যাগ করে মুরতাদে পরিণত হয়৷ মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্যাবলির মধ্যে অন্যতম হলো; মুমিনদের সাথে বিদ্রুপ করা, অন্তর সংশয়গ্রস্থ হওয়া, আল্লাহর রাস্তায় খরচ থেকে অন্যকে বিরত রাখার চেষ্টা, নিজেরা নির্বোধ অথচ মুমিনদের নির্বোধ বলা, কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব,মুমিনদের খারাপ পরিনতি দেখার ইচ্ছা, দ্বিমুখী স্বভাব,তাগুতের কাছে বিচার প্রার্থনা, মুমিনদের মাঝে বিবাদ ও অনৈক্য সৃষ্টি ইত্যাদি। নিফাক থেকে বাচার উপায় কি হবে; জামাতে ওয়াক্তে সালাত আদায় ১ম তাকবীরে সাথে, উত্তম চরিত্র ও দ্বীনের জ্ঞান অর্জন, সদাকা করা, কিয়ামুল লাইল করা, বেশী বেশী আল্লাহর যিকির করা, আল্লাহর কাছে দু'আ করা ইত্যাদি। মুনাফিকদের সাথে কোন প্রকার নমনীয়তা প্রদর্শন করা যাবে না, অনুগত্য করা যাবে না, তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা, তাদের ধমক দেওয়া ও ভালো হওয়ার উপদেশ দেওয়া, তর্ক-বিতর্ক না করা এবং তাদের থেকে আত্মরক্ষা করা, বন্ধুত্ব করা থেকে বিরত থাকা, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা এবং তাদের ওপর কঠোর হওয়া, তাদের জানাজায় অংশগ্রহণ না করা ইত্যাদি৷ 📚 কাদের জন্য বইটিঃ প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী যারা ঈমানের সাক্ষ্য দিয়েছেন, যারা চান ঈমান নিয়ে আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হতে। আল্লাহর সকল প্রকার অসন্তুষ্টি থেকে বেঁচে থেকে পরিশুদ্ধ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তন করতে, তার সন্তুষ্টি ও চিরসুখের জান্নাত লাভ করতে, তাদের জন্য অন্তরের রোগ থেকে বেঁচে থাকা আবশ্যক। মূলত তাদের জন্যই অন্তরের রোগ বইটি আর্দশ। 📚 বইটির বিশেষত্বঃ ০১.বইটিতে লেখক প্রতিটি অন্তরের রোগের সংজ্ঞা, লক্ষণ, ক্ষতিকর দিক, রোগ থেকে পরিত্রাণের উপায় সহজবোধ্য ভাবে উপস্থাপন করেছেন। ০২. বইটিতে লেখকের ইলমের গভীরতার ছাপ প্রতিয়মান হচ্ছে, কারণ বইয়ের পুরো আলোচনায় কুরআন, সুন্নাহর দালিলিক তত্ত্ব সমৃদ্ধ। ০৩. অনুবাদ সাবলীল, প্রাঞ্জলতাপূর্ণ, ও প্রয়োজনীয় টিকা যুক্ত হওয়ায় খুঁটিনাটি জানা হয়ে যাবে পাঠকের। ০৪. বইটির শুরুটা যেমন মাধুর্যপূর্ণ তেমনি শেষটাও গুরুত্বপূর্ণ। ০৫. বানান ভুল আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি, তবে ভুল থেকে যাওয়া স্বাভাবিক। ০৬.বইটির পুরো আলোচনায় মনে হচ্ছে উম্মাহ দরদী কেউ উম্মাহকে সর্তক করছেন। 🔳 মন্তব্যঃ বইটি আমরা মুসলিম, মুমিন দাবিদার সকলের পড়া দরকার। কারণ আমরা সবাই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও তার জান্নাত চাই। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে যা কিছু বাধা সৃষ্টি করবে, সে সবকিছুকে সমূলে বিনাশ করতে হবে মুমিন হিসেবে৷ সবার আগে আল্লাহর সন্তুষ্টি, তার দেওয়া অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে তার সামনে দন্ডায়মান হবার প্রস্তুতি গ্রহণ করা৷ তাই বলি, যারা নিজের অন্তরকে নিয়ে চিন্তায় থাকেন, তাকে পরিশুদ্ধ রাখতে চান সব সময়, তাদের জন্য অন্তরের রোগ বইটি আর্দশ হবে ইনশা আল্লাহ। 📚এক পলকে বইটি_ ▪️বইঃ অন্তরের রোগ - ১ ▪️লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ হাফি. ▪️অনুবাদঃ হাসান মাসরুর ও আবদুল্লাহ ইউসুফ হাফি. ▪️সম্পাদনাঃ মুফতি তারেকুজ্জামান হাফি. ▪️প্রকাশনীঃ Ruhama Publication

Review Upload 1
Review Upload 2
Fahim Ahmed Shuvo
Fahim Ahmed Shuvo ভেরিফাইড
07 Mar 2022

💙💙

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)