অগ্নিপক্ষ
বই কালেকশন

Buy অগ্নিপক্ষ Online in Bangladesh

লেখক: ড: এ. পি. জে. আবদুল কালাম

4.74
(9 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: ড: এ. পি. জে. আবদুল কালাম
  • Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
  • Isbn: 9788177563238
  • Number Of Pages: 203
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Edition, 2003
৳ 800৳ 800
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

‘অগ্নিপক্ষ’ বইয়ের ফ্ল্যাপের কথাঃ অগ্নিপক্ষ এমন একজন মানুষের জীবনকাহিনী, যাঁর নামের সঙ্গে আজ আসমুদ্র হিমাচল ভারতের জনসাধারণ এবং পৃথিবীর তাবৎ নাগরিক পরিচিত। এই মানুষটির প্রাণশক্তি প্ৰচণ্ড, চিন্তার জগৎ বহুব্যাপ্ত। সব সময়েই যে তাঁর সব কথা সহজেই বোঝা যায় তা নয়, কিন্তু তাঁর কথা প্রতিনিয়ত সতেজ ও সজীব। প্রতি মুহুর্তে নবীন, উদ্দীপ্ত। আবার তা বিচিত্র, বহুবৰ্ণে বর্ণময়। ভারতবাসীর প্রতি এই মানুষটির ভালবাসা অপরিসীম। যাঁরা সবচেয়ে নীচের তলার মানুষ, সবচেয়ে সরলপ্রাণ, তাঁদের প্রতি এক স্বাভাবিক সাযুজ্য বোধ করেন তিনি। কেননা নিজেকে তিনি তাঁদেরই একজন মনে করেন। তবু নিজের জীবনকথা আপামর মানুষের কাছে বলবেন কিনা এ নিয়ে তিনি দ্বিধাগ্ৰস্ত ছিলেন। কেননা, একটি ছোট্ট শহরের এক বালকের দুঃখ-কষ্ট, বাধা-বিঘ্ন, উত্তরণ, সাফল্য ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে মানুষ আগ্রহী হবে কেন? বিদ্যালয়-জীবনের দিনগুলিতে তীব্র আর্থিক অনটন, কলেজ-জীবনে অর্থাভাবে সেই মানুষটির নিরামিশাষীর জীবন বেছে নেওয়ার ইতিহাস জেনে মানুষের কী লাভ? দ্বিধাদ্বনন্দ্বের দোলাচলে অস্থির হয়েও সেই মানুষটির মনে হয়েছিল, কোনও ব্যক্তির জীবন এবং যে-সামাজিক বিন্যাসের মধ্যে সে-জীবন বিধৃত—এই দুইকে আলাদা করে দেখা যায় না। এই সত্যটি উপলব্ধি করার পর তাঁর মনে হল, বাবার ইচ্ছানুযায়ী কালেকটর না হয়ে, বিমানবাহিনীর বিমানচালক না হয়ে, কী করে তিনি ক্ষেপণাস্ত্র যন্ত্রবিদ হলেন, সেই জীবনের ইতিহাস মানুষকে হয়তো বলা যায়। বলা যায় তাঁদের কথাও, যাঁদের গভীর প্রভাবে ও প্রেরণায় গড়ে উঠেছে তাঁর জীবন, সফল হয়েছে তাঁর আকাঙ্ক্ষা প্ৰত্যাশা স্বপ্ন। এই প্রত্যয়ে স্থিত হয়ে তিনি তাঁর জীবনের এক একটি পৃষ্ঠা মানুষের সামনে মেলে ধরলেন। হয়তো এই গ্ৰন্থ মানুষটির বর্ণময় জীবনের রূপরেখা মাত্র। তবু এই জীবনকথা এক তীর্থযাত্রা। তাঁর অন্তঃস্থিত ‘ঐশ্বরিক অগ্নি’-র ডানা মেলে আকাশের বুকে উড়ে যাওয়ার আশ্চৰ্য বৃত্তান্ত। আবার এ শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য ও দুঃখদুর্দশার কাহিনী নয়। যে-আধুনিক ভারত এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সামনের সারিতে স্থানলাভের জন্য সংগ্ৰাম করছে, তার নানা সফলতা এবং অসফলতার দলিলও এই বই। সূচিপত্র:* মুখবন্ধ ... ৯* ঋণ স্বীকার ... ১১* ভূমিকা ... ১৩* প্রারম্ভ ... ১৭* সৃজন ... ৫১* স্বস্ত্যয়ন ... ১২৭* মনন ... ১৭৯* উপসংহার … ২০২

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.74
(9 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
89%
4
0%
3
0%
2
11%
1
0%
Mohammad Nurshed Saadi
Mohammad Nurshed Saadi ভেরিফাইড
16 Jan 2021

অসাধারণ বই

Dulal Hossin Emon
Dulal Hossin Emon ভেরিফাইড
07 Jul 2018

ভাষা বুঝা খুব কষ্ট হচ্ছে

Rahman Ferdinand
Rahman Ferdinand ভেরিফাইড
25 Aug 2017

#রকমারিরিভিউপ্রতিযোগ গত কয়েক শতাব্দিতে পৃথিবীর বুক আলোকিত করে যে কয়জন মহান ব্যক্তি জন্ম নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন এপিজে আবদুল কালাম।একজন মানুষের পক্ষে যে কতগুলো অসম্ভবের সীমারেখা পেরিয়ে সফলতা অর্জন করা যায় তার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ সৃষ্টি করে গেছেন এই 'মিসাইল ম্যান' আবুল পাকির জয়নুলাবদিন আবদুল কালাম জন্ম গ্রহণ করেন ১৯৩১ সালে, ভারতের তামিল নাড়ু রাজ্যের রামেশ্বরমে। তার অল্প শিক্ষিত পিতা ছিলেন নৌকার মালিক। প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন কালাম এবং পরবর্তী সময়ে অসামান্য অবদানের জন্য ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘ভারতরত্ন অর্জন করেন। এই বইয়ে নিজের শৈশব থেকে বেড়ে ওঠার অনেক অজানা তথ্য প্রকাশ করেছেন তিনি, সেই সঙ্গে তার পারিবারিক ও পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো। আরও এসেছে তার তৈরি অগ্নি, পৃথ্বী, আবাশ , ত্রিশুল ও নাগ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর নেপথ্য-কাহিনী। ক্ষেপনাস্ত্র শক্তির দিক থেকে এগুলো ভারতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করে। এই পরমানু বিজ্ঞানী ব্যাক্তি জীবনে দৈনিক ১৮ ঘ্ন্টা কাজ করেন, এবং বীণা বাজাতে পারেন চমৎকার। এ পি জে আবদুল কালাম এর আত্মজীবনী উইংস অব ফায়ার এর বাংলা অনুবাদ অগ্নিপক্ষ। ধরাধামে জন্ম নেয়া বিরল কিছু লোকের অন্তর্ভূত এই ব্যাক্তি প্রচণ্ড পরিশ্রম করে যখন উচ্চশিক্ষা শেষ করে বিমানবাহিনী তে যোগ দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু যতজন লোক নিয়েছিলো বিমানবাহিনী ঠিক তার পরের পজিশনেই ছিলেন এপিজে আবুল কালাম। অর্থাৎ কেবল এক পয়েন্টের জন্য তার সুযোগ হয়নি। এইযে তার ব্যার্থতার শুরু তাতে কি তার পথচলা শেষ হয়েছিলো? এর পর ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নী ৩ বার উৎক্ষেপণ এ ব্যার্থ হয়েছিলো এপিজে বাহিনী এমনকি পত্রিকায় এ ব্যর্থতা নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্রও করা হয়। সতীর্থ্য দের মৃত্যু, ব্যার্থতার হতাশা কোনোকিছুইই দমাতে পারেনি এপিজে আবুল কালামকে। পুরো জীবনে হতাশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যেভাবে এগিয়ে গিয়েছেন তা অবশ্যই হতাশাগ্রস্থ মানুষকে দেখাবে আলোর পথ। বইটি থেকে কিছু প্রিয় উক্তিঃ ♣ "আমি আবিষ্কার করলাম সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বেশী বিক্রি হয়ে যায় সিগারেট ও বিড়ি। অবাক হয়ে ভাবতাম, গরিব মানুষেরা তাদের কঠোর পরিশ্রমে উপার্জিত অর্থ এভাবে ধোঁয়া গিলে উড়িয়ে দেয় কেন।" ♣ একজন খারাপ ছাত্র একজন দক্ষ শিক্ষকের কাছ থেকে যা শিখতে পারে তার চেয়ে একজন ভালো ছাত্র একজন খারাপ শিক্ষকের কাছ থেকে অনেক বেশী শিখতে পারে । ♣ যে অন্যদের জানে সে শিক্ষিত, কিন্তু জ্ঞানী হল সেই ব্যক্তি যে নিজেকে জানে। জ্ঞান ছাড়া শিক্ষা কোন কাজে আসেনা। ♣ বিজয়ী হওয়ার সর্বোত্তম পন্থা হচ্ছে বিজয়ী হওয়ার দরকার নেই মনে করা। তুমি যখন স্বাভাবিক আর সন্দেহমুক্ত থাকবে, তখনই তুমি ভালো ফলাফল করতে পারবে। ♣ দ্রুত কিন্তু কৃত্রিম আনন্দের পেছনে না ছুটে বরং নিখাদ সাফল্য অর্জনের জন্য আরও বেশি নিবেদিত প্রাণ হও। ♣ প্রশংসা করতে হবে প্রকাশ্যে কিন্তু সমালোচনা ব্যক্তিগতভাবে। ♣ আমরা প্রত্যেকেই ভেতরে ঐশ্বরিক আগুন নিয়ে জন্মায়। আমাদের চেষ্টা করা উচিত এই আগুনে ডানা যুক্ত করার এবং এর মঙ্গলময়তার আলোয় জগত পূর্ণ করা। ♣ আমি এ কথা বলব না যে আমার জীবন অন্য কারো জন্য রোল মডেল হতে পারে। কিন্তু আমার নিয়তি যেভাবে গড়ে উঠেছে তাতে গরিব শিশুরা হয়তো বা একটু সান্ত্বনা পেতে পারে। ব্যর্থতা কে ভুলে গিয়ে এগিয়ে যেতে চাইলে এপিজের জীবনীতে আছে অনেক শিক্ষণীয় বিষয়। এপিজের জীবনীতে জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে। হতাশা ভুলে আশার কথা বলা হয়েছে। মোটিভেশন অথবা আত্মজীবনী পড়া বইগুলোর মধ্যে অন্যতম দাগকাটা একটি বই হলো এটি।

Rashel
Rashel ভেরিফাইড
29 Jan 2017

#রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগীতা। বই- উইংস অব ফায়ার। লেখক- এপিজে আব্দুল কালাম। সহযোগী লেখক- অরুণ তেওয়ারী। ধরন- আত্মজীবনি। পৃষ্ঠা- ২০৩। প্রকাশনী- আনন্দ। বইটি ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের আত্মজীবনি। ড. কালামের জন্ম ১৯৩১সালে দক্ষিন ভারতের তামিলনাডুর দ্বীপশহর রামেশ্বরমে। তার পিতার নাম জয়নুল আবেদীন ও মাতার নাম আশিয়াম্মা। তাদের পরিবার ছিলো বেশ গরীবই বলা যায়। রামেশ্বরমের বিখ্যাত শিবমন্দিরের পাশেই ছিলো তাদের বাড়ি। তার বাবা সব ধর্মীয় সমাজেই বেশ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি ছিলেন এবং সবাই তাকে শ্রদ্ধা করতো। রামেশ্বরমের প্রধান পুরোহিত লক্ষন শাস্ত্রী ছিলেন তার বাবার ঘনিষ্ট বন্ধু। পেশাজীবনে ড. কালাম ভারতের পরমাণু বিজ্ঞানী ছিলেন এবং তার কাজ ছিলো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে যেখান থেকে তিনি অ্যাটমিক গাইডেড মিসাইল উদ্ভাবন করেন। তবে প্রথম জীবনে তার ইচ্ছা ছিলো পাইলট হবার। আকাশে উড়ার ব্যাপারে তার ছিলো ব্যাপক আগ্রহ। কিন্তু তার দুভার্গ্য ছিলো তিনি অল্পের জন্য পাইলট হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেননি। তবে এরপরই তিনি নতুন পথে হাটা শুরু করেন। তিনি পদার্থ বিজ্ঞান ও অংকশাস্ত্রে খুব দক্ষ ছিলেন। সেই দক্ষতাকে কে তিনি ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কাজে লাগান। এবং ভারতের জন্য এনে দেন পরমাণু বোমা সহ অগ্নি, পৃথ্বি, নাগা, ত্রিশূল ইত্যাদি নামকরা মিসাইল। খেতাব পান ভারতের মিসাইল ম্যান হিসেবে এবং নাসাতেও যাওয়ার সুযোগ হয়ে ওঠে। তবে পরবর্তীতে তিনি অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক মাহাত্ম্য বুঝতে পারেন এবং পরমাণু বোমা নিয়ন্ত্রনের ব্যাপারে কাজ করতে থাকেন। তিনি ভারতের অন্যতম সর্বোচ্চ পদক ভারতরত্ন লাভ করেন এবং পরবর্তীতে ভারতের রাষ্ট্রপতি হন। তার ব্যাক্তিগত জীবন ছিলো নিঃসঙ্গ। সারাক্ষন কাজেই ডুবে থাকতেন। নিজ কাজের বাইরে তামিল সাহিত্যের প্রতি তার ছিলো বিশেষ দুর্বলতা। ২০১৫সালের ২৭জুলাই এই বর্ণাঢ্য বিজ্ঞানী শিলংএ মৃত্যুবরণ করেন। রেটিং- ৪.৭০/৫.০০

Tultul Zabin
Tultul Zabin ভেরিফাইড
18 Jan 2017

‘অগ্নিপক্ষ’ ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও পৃথিবীর একজন বিখ্যাত পরমানু বিজ্ঞানী এ পি জে আব্দুল কালাম এর নিজের লেখা তার আত্মজীবনী । তার লেখা এই আত্মজীবনী বাংলাতে প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালের জানুয়ারি মাসে । বইটি প্রকাশিত হয় আনন্দ প্রকাশনী থেকে এবং অনুবাদ করেছেন ভবানীপ্রসাদ চট্রোপাধ্যায় । প্রকাশক সুবীরকুমার মিত্র । বইটি তার লেখা উইংস অফ ফায়ার বইটির বঙ্গানুবাদ । তার পুরা নাম আবুল পাকির জয়নুলাবদিন আবদুল কালাম । তার জন্ম ১৯৩১ সালে ভারতের তামিল নাড়ু রাজ্যের রামেশরমে । তিনি একটি অল্প শিক্ষিত পরিবার থেকে এসেছেন । তার পিতা ছিলেন একজন নৌকার মালিক । প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন কালাম এবং পরবর্তী সময়ে অসামান্য অবদানের জন্য ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘ভারতরত্ন অর্জন করেন। বইটিতে তিনি তার জীবনের শৈশব থেকে শুরু করে সকল কিছু তিনি বর্ননা করেছেন । অল্প শিক্ষিত পরিবার থেকে এসে নিজের যোগ্যতায় তিনি কিভাবে এই অনন্য উচ্চতায় পৌছান তার সবকিছুই বলেছেন তিনি এই বইটি তে । তার তৈরি অগ্নি, পৃথ্বী, আবাশ , ত্রিশুল ও নাগ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর নেপথ্য-কাহিনী । ক্ষেপনাস্ত্র শক্তির দিক থেকে এগুলো ভারতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করে । তার এইসব অসামান্য কাজ গুলোর জন্যই ভারত এখন পৃথিবীর বুকে একটি বড় পরাশক্তি । এই পরমানু বিজ্ঞানী তার কর্মক্ষেত্রে প্রতিদিন ১৮ ঘন্টা কাজ করেছেন । পরমানু বিজ্ঞানী এ পি জে আবুল কালাম আজাদ তার জীবনে অনেক কিছু করেছেন যা থেকে আমরা প্রচুর শিক্ষা নিতে পারি । তিনি তার সকল কর্মকান্ড বইটি তে ধারাবাহিকভাবে বলেছেন । সকল পাঠকের ই উচিত বইটি পড়া । এতে পাঠকেরা তার সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন করার পাশাপাশি অনুপ্রেরনামুলক অনেক কিছু শিখতে পারবে । আবুল পাকির জয়নুলাবদিন আবদুল কালাম ২৭ জুলাই, ২০১৫ তারিখে মৃত্যবরন করেন ।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

প্রশ্ন

Is the book in stock?

উত্তর

No, sorry.

প্রশ্ন

Is the book in stock?

উত্তর

No, sorry.

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)