ভাঙো দুর্দশার চক্র
বই কালেকশন

Buy ভাঙো দুর্দশার চক্র Online in Bangladesh

লেখক: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

4.59
(9 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
  • Publisher: কোয়ান্টাম প্রকাশনা
  • Isbn: 9789843423511
  • Number Of Pages: 126
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published , 2017
৳ 179৳ 20011% ছাড়
স্টক আউট (Stock Out)
ফরম্যাট / সংস্করণ নির্বাচন করুন:
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

‘ভাঙো দুর্দশার চক্র’ বইয়ের ফ্ল্যাপের কথাঃ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের দুর্দমনীয় ইতিবাচকতা ও আশাবাদী জীবনদৃষ্টির স্ফুরণ সবচেয়ে বর্ণাঢ্যভাবে আমরা দেখতে পাই তাঁর কথায়। তাঁর অনবদ্য সব বক্তৃতা ও সাক্ষাৎকারের প্রতিটি বাক্যে, কথায়, শব্দে আমরা উপলব্ধি করি দুর্দশার চক্র ভেঙে আত্মশক্তিতে জেগে ওঠার আহ্বান। যা তাঁকে করে তোলে সততই অনন্য। বিগত দেড় দশকে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের একাধিক অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তৃতা ও সাক্ষাৎকারে তাঁর বিশ্বাসের কথাগুলোই তিনি বলেছেন সহজাত হাস্যরস ও চিরায়ত গল্প-ঘটনা সহযোগে। অগণিত শ্রোতার হৃদয়জয়ী এ বক্তৃতাগুলো তাঁর অভিজ্ঞতাঋদ্ধ সম্পাদনায় হয়ে উঠেছে আরও দ্যুতিময় ও অন্তদৃষ্টিসম্পন্ন। ‘ভাঙো দুর্দশার চক্র’ অধ্যাপক সায়ীদের সেইসব আলোকদীপ্ত বাক্যমালার একটি অসামান্য সংকলন-গ্রন্থ। এর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা ধরে এগিয়ে যেতে যেতে পাঠক ভেতরে ক্রমশ অনুভব করবেন ইতিবাচকতার চিরবাসন্তী সংগীত। নিজেকে আবিষ্কার করবেন আত্মজাগরণের পথযাত্রী হিশেবে। প্রচ্ছদ: মাসুম রহমান ভূমিকাঃ বিভিন্ন সময়ে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের নানা অনুষ্ঠানে আচমকা অনুরুদ্ধ হয়ে বেশ কটি বক্তৃতা করতে হয়েছিল। সেসবের অধিকাংশই যে খুব একটা মনঃসংযোগ করে করতে পারা গেছে তেমন নয়। এছাড়াও দুবার আমার দুটি সাক্ষাৎকারও নেওয়া হয়েছিল ভিন্ন ভিন্ন উপলক্ষে। সেগুলোও কিছুটা প্রস্তুতিহীনভাবে দেওয়া। এককথায় সবগুলোই ছিল কিছুটা উপস্থিত দায়শোধের মতো ব্যাপার। কিন্তু কোয়ান্টামের কর্মীরা যে সেসব বক্তৃতা আর সাক্ষাৎকার আদ্যোপান্ত অডিও-ভিডিও রেকর্ড করে রেখেছিল, তা আমার ভালোভাবে জানা ছিল না। জানলাম যেদিন তাদের পক্ষ থেকে ডা. আতাউর রহমান সেগুলোর অনুলিখন নিয়ে আমার কাছে। এসে বলল, এগুলো কিছুটা ঘষামাজা করতে হবে, বই প্রকাশ করতে চাই। খুবই অপ্রতিভ অবস্থায় পড়তে হল। মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়া বেশ কঠিন। বহু কষ্টাকষ্টির পর এগুলোকে যে শেষপর্যন্ত চলনসই লেখার পর্যায়ে এনে দাঁড় করানো গেল, এটাই বাঁচোয়া। এখন পাঠকদের কৃপা পেলেই হয়। বইটার নাম হতে পারত ইতিবাচকতার সপক্ষে'। সেটাই হত উপযুক্ত নাম। কিন্তু যেসব ভেঙেপড়া আত্মবিশ্বাস খোয়ানো মানুষ সর্বাঙ্গীণ মানসিক শুশ্রষার ভেতর দিয়ে সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাওয়ার আশায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে এসে জড়ো হন, তাদের নৈতিক শক্তিকে জোরদার করার উদ্দেশ্য থেকেই এই নাম দেওয়া। দুর্দশার চক্র ভেঙে আলো-উপচানো রাজ্যের অধিকার আমাদের পেতেই হবে। এ ব্যাপারে তিল পরিমাণ দ্বিধাদ্বন্দ্বের অবকাশ নেই। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সূচিপত্রঃ বক্তৃতা ১৩. তৃপ্তির জন্য দাও, ভালোবাসার জন্য দাও ২০. চলো জাগরণের দিকে ২৬. নেতিবাচকতা একটা মায়া, একটা বিভ্রম, একটা মরীচিকা ৩৯. অর্জনের চেয়ে বড় ৪১. মুক্ত ও স্বাধীন জীবন ৪৮. স্বপ্নের সম্ভাবনা ৫১. কাজ, বিশ্বাস ও ইতিবাচকতার ৬৬. আলোকিত জীবন ৬৮. ইতিবাচকতার সপক্ষে সাক্ষাৎকার ৮৮. চাই আত্মশক্তি ১০৩. স্বপ্ন ও সঙ্ঘ পরিশিষ্ট ১১৮. জন্মদিনের কথা (এই বইয়ে লেখকের পছন্দ অনুযায়ী বানান-রীতি অনুসরণ করা হয়েছে) ‘লেখক পরিচিতিঃ বহুমুখিতা ও স্বপ্নচারিতায় অনন্য আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ (জন্ম : ১৯৪০ সালে, কোলকাতায়)। জাতীয় মনন নির্মাণ ও কিশোর-তরুণসহ বিপুল জনগোষ্ঠীর মানসিক উৎকর্ষ অর্জনের অক্লান্ত ব্রতে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। সদাহাস্যময়, বাগ্মী, কবিতা ও দর্শনপ্রাণিত এই আশাবাদী মানুষটি নিজে স্বপ্ন দেখেন এবং অন্যকে দেখান। শিক্ষক হিশেবে তাঁর খ্যাতি কিংবদন্তীতুল্য। ষাটের দশকে দেশে নতুন ধারার সাহিত্য আন্দোলনে তিনি দিয়েছেন বলিষ্ঠ ও সফল নেতৃত্ব। বাংলাদেশ টেলিভিশনের শুরু থেকেই রুচিমান ও মনস্বী অনুষ্ঠান নির্মাণের মাধ্যমে টিভি-অনুষ্ঠানমালায় নতুন মাত্রা যুক্ত করেন তিনি। রচিঋদ্ধ পঠন-পাঠন ও মননশীল সংস্কৃতি চর্চার অনবদ্য প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। এর প্রতিষ্ঠাতা হিশেবে অগণিত জ্ঞানার্থীকে বর্তমান বিশ্বের বৃহত্তম বইপড়া কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন আলোর ফেরিওয়ালা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। বহুমাত্রিক লেখক হিশেবেও তিনি পাঠকপ্রিয়। তাঁর গ্রন্থসংখ্যা এ-পর্যন্ত ৫৭। যার মধ্যে রয়েছে কবিতা, প্রবন্ধ, ছোটগল্প, নাটক, জর্নাল, জীবনীমূলক রচনা, শিশু-কিশোর রচনা, ভ্রমণ সাহিত্য, সম্পাদিত গ্রন্থ ইত্যাদি। সাংগঠনিক নৈপুণ্যে তিনি বরাবরই অসামান্য। অফুরান তাঁর জীবনীশক্তি, অদম্য তাঁর কর্মপ্রাণতা। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চলেছেন তিনি অসীম দৃঢ়তায়। স্বীকৃতি, পুরস্কার, সম্মাননা তিনি পেয়েছেন অনেক। যার মধ্যে জাতীয় টেলিভিশন পুরস্কার, এশিয়ার নোবেল হিশেবে পরিচিত র্যামন ম্যাগসাইসাই, একুশে পদক, বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ডা, ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণপদক উল্লেখযোগ্য।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.59
(9 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
78%
4
22%
3
0%
2
0%
1
0%
A K KHAN HASAN
A K KHAN HASAN ভেরিফাইড
26 Feb 2023

ভাঙো দুর্দশার চক্র (আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ ) : বই পর্যালোচনা : বইটি মূলত কোয়ান্টাম মেথড এ দেয়া আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের বক্তব্যসমূহের একটি লিখিত সংকলন । বইটিতে স্যার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বিভিন্ন দিক ও উপকারিতা তোলে ধরেছেন । তাছাড়া এটিতে সেলফ ডেবেলোপমেণ্ট সংক্রান্ত আলোচনাও করা হয়েছে। বইটির কিছু চুম্বক অংশ এখানে তুলে ধরার ছোট্ট প্রয়াস । শুরুতে স্যার রক্তদান কর্মসূচি ও রক্ত দাতাদের উৎসাহ দিতে গিয়ে মার্কিন কবি জেমস রাসেল লয়েল এর একটি কবিতার লাইন উদ্ধৃতি করেছেন " As one lamp lights another ,nor grows less so nobleness enkindleth nobleness " "অর্থাৎ একটা প্রদীপ যেমন হাজার প্রদীপকে প্রজ্বলিত করে কিন্ত নিজে কমে না ,তেমনি মানুষের মহত্ত্বও অন্যকে মহৎ করে তোলে নিজে এতটুকু না কমে । রক্ত না দিলে এটি নিজের শরীরের ভিতরে মরে যাবে কিন্ত দিলে অন্যের শরীরে গিয়ে নতুন জীবন জাগিয়ে তুলবে। তখন আপনার তুচ্ছ রক্ত অন্যের জীবন হয়ে এই পৃথিবীতে কথা বলবে, গান গাইবে হয়ত মানুষকে নতুন আশ্বাসে উজ্জীবিত করবে । তাদের মাধ্যমে আপনার রক্ত দীর্ঘকাল ধরে পৃথিবীতে টিকে থাকবে , পাতা মেলে ফুল ফুটিয়ে যাবে"। ভালো কাজ কিভাবে শুরু করবে এই বিষয়য়ে বলেন, "ভালো কিছু করতে চাইলে প্রথমত আমাদের হৃদয়ের সততা দিয়ে ওই ভালোতে বিশ্বাস করতে হবে । এরপরে দিতে হবে অনেক কিছু । আমাদের যা আছে সবই " । মেডিটেশন সম্পর্কে স্যার বলেছেন, "মেডিটেশন করলে বুঝা যায় মনের এই শান্ত ও শিথিল অবস্তাতে মন হয়ে উঠে সবচেয়ে শক্তিশালী । রবীন্দ্রনাথ বলেছেন উত্তেজনা এবং শক্তি এক নহে । ইহারা পরস্পর বিরোধী । অর্থাৎ উত্তেজিত মুহূর্তে আমরা সবচেয়ে শক্তিহীন । এখানেও রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন । কেন হারব ?কারণ সেই মুহূর্তে আমরা উত্তেজিত । তাই আমাদের যুক্তি কাজ করছেনা। অথচ এর বিপরীতে আমরা যদি মনকে শান্ত ও যুক্তিপূর্ণ করে তুলতে পারি তখন মনের ক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যায় " । নেতিবাচক চিন্তা দূর করার ব্যাপারে স্যার বলেন " আমাদেরকে সাহসী হতে হবে। যা করতে যাব তার উপর সাহসী হয়ে আমাদের অন্ধের মত ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে । জীবনে যা হবার তা যখন হবেই তখন ইতিবাচক হয়েই তার মোকাবেলা করা উচিত । নেতিবাচক মনের মধ্যে কথা বলতে চাইলে ঝট করে ইতিবাচকতার দিকে সরে যেতে হবে । নেতিবাচকতার উৎস হল ভয় । ভয়কে বাড়তে দিলে তা আমাদের মন ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে । আমাদের মধ্যে হীনমন্যতা দেখা দিবে । আমরা নেতিবাচক হয়ে উঠি ভয় আর আত্মবিশ্বাস এর অভাবে । এই ভয় থেকে বের হবার প্রধান উপায় হল কাজের জগতে ক্ষান্তিহীন ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়া । জীবনকে আক্রমণ করে তা থেকে সফলতা ছিনিয়ে আনা। ভয়ের এই অশুভ প্রেতটাকে আমরা ঝেটিয়ে ফেলতে পারলে আমরা হব জয়ী ,সফল ,দুর্নিবার । ভয়ের কথা বেশি ভাবার ফলে আমরা কাজের জায়গায় ভুল করি"। তিনি জীবনে কাজের উপকারিতা বর্ণনা করেছেন অসাধারনভাবে । তিনি বলেন " কাজ হল গঙ্ঘাজল । কাজের মধ্যে বেঁচে থাকে মানে জীবন উল্লাস এর মধ্যে বেঁচে থাকা" । স্যার একপর্যায়ে স্বপ্নের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন " স্বপ্নের জন্য আমরা যতটুকু কাজ করি তাই আমাদের স্বপ্ন " । স্যারের বইটা পড়ে নিজেকে অন্যভাবে আবিষ্কার করা যায় । বইটি সত্যি অসাধারণ লেগেছে আমার । তিনি দুর্দশা দূর করার উপায় বাতলে দিয়েছেন এই বইয়ে ।

Imran Walid
Imran Walid ভেরিফাইড
01 Dec 2022

Very good book

Jewel Sarkar
Jewel Sarkar ভেরিফাইড
21 Mar 2022

বেস্ট one

Shihab munsi
Shihab munsi ভেরিফাইড
06 Jun 2021

অনেক ভালো একটা সমসাময়িক বিষয়ক নিয়ে দুর্দান্ত বই এটি। Tnx rokomari.. এই বই টা বুক লিস্টে রাখার জন্য

Hate You Rokomari
Hate You Rokomari ভেরিফাইড
11 Feb 2021

কাজ ও চলার পথে আমাদের কেন মানবিক হওয়া উচিত, এ বিষয়ে খুব ভালো ধারণা দেয়া হয়েছে 'ভাঙো দুর্দশার চক্র' বইটিতে। মানুষ তাকেই মনে রাখে যিনি সাধারণত দিয়ে থাকেন। সেবা দিয়ে, সাহায্য দিয়ে বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থাকেন। অন্যের প্রতি একটুখানি সহযোগিতা এগিয়ে দিলে তা বহুগুণে ভালোবাসা হয়ে ফেরত আসে। এরচেয়ে বড় প্রাপ্তি সম্ভবত জীবনে আর কিছু নেই। তাই আমাদের বস্তুগত প্রাপ্তির চাইতে মানসিক শান্তির বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া উচিত। ইতিবাচক চিন্তা করার সামর্থ্য যে কতো বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা এই বইটি পড়লে বোঝা যায়। মনের ভেতর চলতে থাকা হাজারো যন্ত্রণা হয়তো মুছে দিতে পারে একটুখানি পরিবর্তিত চিন্তা। জীবনের ছোট ছোট বিষয়ে গাঁথা থাকে সাফল্য ও সুখের উৎস। কিন্তু আমরা তা দেখতে পাই না। এটি এমন এক বই যেটি পড়লে আপনার মনোজগত আলোড়িত হয়ে উঠতে পারে, পেতে পারেন পৃথিবীকে ভিন্ন চোখে দেখার এক অন্যরকম সামর্থ্য। বইটি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের বক্তৃতা সংকলন হিসেবে প্রকাশিত হলেও, এটি হতে পারে আপনার জীবনে বইয়ের চাইতে একটু বেশি কিছু। হতে পারে সুন্দর একটা পৃথিবীর পথে আপনার সহযাত্রী।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)