

Buy পুরুষতন্ত্র ও যৌনরাজনীতি Online in Bangladesh
লেখক: মাসুদুজ্জামান
- Author: মাসুদুজ্জামান
- Publisher: পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স
- Isbn: 9789846341232
- Number Of Pages: 272
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2018
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"পুরুষতন্ত্র ও যৌনরাজনীতি" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: সারা পৃথিবী জুড়ে নানাভাবে যৌননির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে নারী। নারীভাবুকেরা বলছেন, নারী নির্যাতনের এই দিকটি আর কিছুই নয় যৌনরাজনীতিরই বীভৎস দিক। পুরুষ শ্রেষ্ঠ, শারীরিকভাবে নারীর তুলনায় অনেক বেশি পেশীশক্তির অধিকারী, ফলে তাকে মেনে নিতে হবে পুরুষের শ্রেষ্ঠত্ব আর আধিপত্য। নারী-পুরুষের এই হায়ারার্কিক্যাল বা উঁচুনিচু অবস্থান নির্ণয় করতে গিয়ে পুরুষ যৌনতাকেই ব্যবহার করেছে সবচেয়ে বেশি। যৌনপ্রশ্নে নারী মেনে নিয়েছে পুরুষতন্ত্রের দাসত্ব ও বশ্যতা। নারীভাবুকেরা বলছেন, পুরুষতান্ত্রিক এই যৌনমিথকে অবিনির্মাণ করে গড়ে তুলতে হবে নতুন যৌনসম্পর্ক। আর তাহলেই যৌন-আধিপত্য থেকে মুক্তি ঘটবে নারীর। একুশ শতকের পৃথিবীতে। নারী-পুরুষের সম্পর্ক এভাবেই মানবিকতার ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারে, অন্য কোনােভাবে নয়। এই গ্রন্থের বিভিন্ন প্রবন্ধে তারই তাত্ত্বিক বয়ান উপস্থাপন করা হয়েছে। নারীবাদ-অধ্যয়ন আর জেন্ডার গবেষণার একাডেমিক উৎসের পাশাপাশি। সাধারণভাবে নারী-পুরুষের সম্পর্ক উপলব্ধির অনন্য গ্রন্থ এটি।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

great

বইয়ের বিস্তারিত যা লেখা এখানে আছে এটা পড়লে আর বইটা পড়ার দরকার হবেনা আশা করি। একই কথা ঘুরাই প্যাচাইয়া বার বার আলোচনা করা হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন কথা দিয়ে। টাকা নস্টো
বইঃ পুরুষতন্ত্র ও যৌনরাজনীতি লেখকঃ মাসুদুজ্জামান প্রকাশনীঃ পাঞ্জেরী পাবলিকেশন মূল্যঃ ৪৬০ টাকা সভ্যতার শুরু থেকে পৃথিবীতে নারীকে সবসময়ই নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। অনেক সমাজ নারীকে মানুষ হিসেবেই ভালোমত বিবেচনা করতো, বড় বড় দার্শনিকরাও নারীকে একেবারে ছোট এবং নিকৃষ্ট মানুষ হিসেবে দেখতো। কেউ কেউ তো নারীকে পুরুষের বিকৃত রূপ হিসেবেই চিহ্নিত করেন! এই যে নারীকে নির্যাতন করা, নারীকে পুরুষের চেয়ে নিকৃষ্ট হিসেবে বিবেচনা করা, নারী পুরুষের উঁচু নিচু অবস্থান নির্ণয়টা আসলে এই সমাজই করেছিলো। কিন্তু এই সমাজ আসলে কারা? এই সমাজ আসলে পুরুষদের; পুরুষতন্ত্রই এখানে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে এই অবস্থান তৈরিতে। সভ্যতার সূচনা থেকে পুরুষতন্ত্র নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে, বিকশিত করেছে যৌনতাকের ব্যবহার করে। পুরুষতন্ত্র কখনোই নারীদের মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেনি। তাঁরা নারিদেরকে একটা মাংসদের দলা হিসেবে বিবেচনা করতো, নারীকে তাঁরা মানুষ নয় শুধুই একজন যৌন সঙ্গী হিসেবে দেখে আসছে। তাঁর কোনো মানবিক গুণ, কিংবা প্রতিভা এই পৃথিবী দেখে নি, সেটা এই বিশ দশকের নারী বিজ্ঞানীদের ক্ষেত্রে যেমন সত্য তেমনি প্রাচীন সমাজের নারী লোক চিকিৎসককের ক্ষেত্রেও সত্য। পুরুষ যৌন আধিপত্য বিস্তার করে নারীকে দাশে পরিণত করেছিলো, নারীও মেনে নিয়েছিলো সবকিছু। পুরুষকেই নারী সমর্পণ করেছে তাঁর সবকিছু। যার ফলশ্রুতিতে তাঁদের শিকার হতে হয়েছিলো নানা নিগ্রহ এবং অত্যাচার। সময়ের সাথে সাথে নারীরাও সচেতন হয়েছে, পৃথিবী জুড়ে নারী মুক্তির জন্য গড়ে উঠেছিলো নারীবাদী আন্দোলন, একই সাথে নারীবাদীরা বুদ্ধিভিত্তিক আন্দোলন শুরু করে। কিন্তু এইসব নারীবাদী আন্দোলন নারীকে প্রকৃত অর্থেই কতোটুক মুক্তি দিয়েছিলো? অনেক সময় দেখা যায় একটা আন্দোলনের ভেতর দিয়ে নতুন আরেকটা দাসত্বে নারীরা জড়িয়ে যায়। এতো আন্দোলনের পরও দেখা যায় নারীরা একেক জন যৌনবস্তুই থেকে যায়, সুন্দরী প্রতিযোগীতা, নারী দেহ প্রদর্শন করে ম্যাগাজিনে বিজ্ঞাপন কিংবা পর্নশিল্পর বিস্তার বিশ শতকে এসে নারীরাও আবারো ভিন্নভাবে দাশে পরিণত হয়। তবুও তাঁদের সংগ্রাম চলে নারী মুক্তির। পুরুষতন্ত্র কীভাবে প্রতিষ্ঠা হয়েছে, কীভাবে সুপ্রাচীন কাল থেকে নারীর ওপর যৌন আধিপত্য বিস্তার এবং বশীকরণের প্রক্রিয়াটি আধুনিক কাল পর্যন্ত চলে আসছে সেটা এই গ্রন্থে তুলে ধরা হয়েছে। পুরুষতান্ত্রিক যৌনতার ভয়াবহ অবস্থা এখানে যেমন দেখানো হয়েছে, তেমনি এসব থেকে নারী মুক্তির আন্দোলন কীভাবে শুরু হয়েছে, কীভাবেই বা কতোটুকু মুক্তি সম্ভব হয়েছে সেটা এই গ্রন্থে লেখক মাসুদুজ্জামান তুলে ধরেছে। লেখক এই গ্রন্থটি সম্পূর্ণই পশ্চিমা বিশ্বে প্রেক্ষাপটে লিখেছেন, এখানে স্থান পায়নি ভারতীয় উপমহাদেশের কোনো কিছু। ২৭২ পৃষ্টার দীর্ঘ এই বইয়ের সবচেয়ে বিরক্তিকর ব্যাপার হলো লেখক অনেক কথার বারবার পুনরাবৃত্তি করেছেন।






















