সত্য মামলা আগরতলা
বই কালেকশন

Buy সত্য মামলা আগরতলা Online in Bangladesh

লেখক: কর্ণেল শওকত আলী (অবঃ)

4.67
(8 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: কর্ণেল শওকত আলী (অবঃ)
  • Publisher: প্রথমা প্রকাশন
  • Isbn: 9789848765609
  • Number Of Pages: 208
  • Language: বাংলা
  • Edition: 4th Printed, 2018
৳ 448৳ 50010% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’য় যাঁরা অভিযুক্ত ছিলেন, তাঁদের জন্য ‘ষড়যন্ত্র’ শব্দটি খুবই পীড়াদায়ক। কেননা, তাঁরা ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন না, ছিলেন দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ স্বাধীনতাকামী মানুষ। মূলত এ মামলার রাষ্ট্রীয় নাম ছিল ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’। পাকিস্তান সরকারের প্রচারযন্ত্র মামলাটির শিরোনাম বিকৃত করে প্রচার করে। এ বইয়ের লেখক ওই মামলার একজন অভিযুক্ত। সত্যনিষ্ঠ বয়ানে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন ইতিহাসের পরম্পরা। নানা বিভ্রান্ত ধারণা নিরসন করবে এই বই। সূচিপত্র * বঙ্গবন্ধুও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় জড়িত * উর্দু এবং শুধুই উর্দু * বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের দাবি * আমরা সেনাবাহিনীতে যোগদান * পাকিস্তানি সশস্ত্রও বাহিনীতে বাঙালির অবস্থান * আইয়ুব খানের দশক * বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা কর্মসূচি * গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ * বিচারকার্য * শেখ মুজিবু বঙ্গবন্ধু হলেন * পরিশিষ্ট(ক-ছ)

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.67
(8 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
75%
4
13%
3
13%
2
0%
1
0%
Nazim
Nazim ভেরিফাইড
20 Feb 2024

Must read book :)

Sadia Oaishy
Sadia Oaishy ভেরিফাইড
14 Sep 2022

I was really curious to know about agartala conspiracy case!! Such a great book.

Review Upload 1
Review Upload 2
A.K.M. Atiqur Rahman
A.K.M. Atiqur Rahman ভেরিফাইড
16 Jul 2021

This Book is very interesting.........................wow

Sharif
Sharif ভেরিফাইড
06 Feb 2021

সত্য মামলা আগরতলা কর্নেল শওকত আলী “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব এবং অন্যান্য” “আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা” “সত্য মামলা আগরতলা’’ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’য় যারা অভিযুক্ত ছিলেন তারা ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন না। ছিলেন দেশপ্রমে উদ্বুদ্ধ স্বাধীনতাকামী মানুষ। স্বৈরাচারী পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার করার ১ম স্বপ্ন দেখেন পিরোজপুরের ডুমুরিতলা গ্রামের মোফাজ্জল আলীর ছেলে লে. কামান্ডান মোয়াজ্জেম হোসেন(নৌবাহিনী)। একজন সামরিক বাহিনীর সদস্য হিসেবে স্বাধীনতার জন্য তার দর্শন ছিল ‘স্বশস্ত্র বিপ্লব’। তিনি সেই বিপ্লবের স্বপ্ন দেখতেন ১৯৬০ সাল থেকে। তখন থেকে ধীরে ধীরে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। তৈরীও করেছিলেন একটি বিপ্লবী সংস্থা। সংস্থাটি ১৯৬৪ সালে তার বাসা, করাচিতে, প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর শেখ মুজিবকে আমন্ত্রণ করা হয় এবং তার সাথে পরামর্শ করা হয় পরবর্তী কর্যক্রমের ব্যাপারে। জ্ঞাতব্য, শেখ মুজিব স্বাধীনতার জন্য স্বপ্ন দেখা শুরু করে ছিলেন ১৯৬২ সাল থেকে। মোয়াজ্জেম, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে বাঙালী সদস্যদেরকে সংগঠিত করতে থাকেন। হয়তো বিপ্লবটি ১৯৬৭ সালেই ঘটে যেত। কিন্তু বিশ্বাসঘতক জনৈক নায়েব সুবেদার ১৯৬৬ সালে ISI এর কাছে তথ্য পাচার করে দেয়। তার পর থেকেই ISI এর নজরদারিতে পরে যায় পুরো বিপ্লব সংস্থাটি। ১৯৬৭ সালে D-Day বা চূড়ান্ত সময়ের আগেই গ্রেফতার করা হয় সকল সদস্যকে। অবশেষে মামলা করা ৩৫ জনের বিরুদ্ধে। এই দিক দিয়ে, বঙ্গ বন্ধু বাঙালীদের মুক্তির সনদ ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে উত্থাপন করেন ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবী। প্রচার-প্রসার চলছিল হরদেমে। তাকে থামানের জন্য, ১৯৬৬ সালে এপ্রিল মাসের মধ্যে রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য প্রদানের অভিযোগ এনে বিভিন্ন জেলায় ১২টি মামলা করা হয়। গ্রেফতার-জামিন-পুনরায় গ্রেফতার চলতে থাকে। সবশেষে, ৯ মে তাকে গ্রেফতার করা হয় । আয়ুইব খান, শেখ মুজবকে ৬ দফার জের এবং বিপ্লবী সংস্থার সাথে যোগসাজশ থাকায় ১নং আসামী করে মামলা দায়ের করান। মামলাটির নাম ছিল - “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব এবং অন্যান্য”। কিন্তু মিডিয়াযন্ত্রের প্রচারোনায় হয়ে যায়, “আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা”। বিপ্লবের মূলহোতা লে. কামান্ডান মোয়াজ্জাম হোসেন থাকলেও তাকে করা হয় ২ নং আসামী। মামলার অন্যান্য আসামীদের মতো বঙ্গ বন্ধুর পাশাপাশি অন্য সকল আসামীপক্ষের মূল আইনজীবী ছিলেন স্যার থমাস উইলিয়ামস। এই দিক দিয়ে, তাদের মুক্তির জন্য শুরু গণ-আন্দোলন। উত্থাপিত হয় ছাত্রদের ১১ দফা দাবি। বিচার চলাকালে ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী তারিখে পাকিস্তানের গার্ড কমান্ডারের হাবিলদার মঞ্জুর হোসেন শাহের গুলিতে শহীদ হোন সার্জেন্ট জহুরুল হক। যিনি স্বশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম শহীদের মর্যাদায় অভিষিক্ত হন। পাশাপাশি, ১৮ ফেব্রুয়ারীতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর গুলিতে শহিদ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জহা। ফলে, গন-আন্দোলন তীব্রতর হয়ে পরিণত হয় গণ-অভ্যুত্থানে। শেষ পর্যন্ত, আইনের দ্বারা মামলাটির নিষ্পত্তি হয়নি। হয়েছিল রাজনৈতিক ভাবেই অর্থাৎ রাজনৈতিক কারনেই মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়। পরিশেষে বলতে চাই, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা এবং গণ-অভ্যুত্থানের নায়ক শেখ মুজিব কে ধরা হলেও মুলত এর আসল নায়ক ছিল, লে. কামান্ডান মোয়াজ্জেম হোসেন। পাশাপাশি স্ববিনয় শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, তার একান্ত নির্ভীক-সংগ্রামী-মজলুম-অনুগত সহকর্মী স্টুয়ার্ড মুজিবকে। মোয়াজ্জেম, পাকিস্তান সেনবাহিনী কর্তৃক ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ শহীদ হন। তার মৃতদেহ আজও খুজে পাওয়া যায় নি। সম্ভবত ইতিহাসে স্বাভাবিক গতিধারা এ রকমই। একটা সত্য অনেক সময় মিথ্যা হয়ে যায়। একটা সত্য অনেক সময় মিথ্যা হয়ে যায়, বিশেষ করে যখন তাকে অসৎ অভিপ্রায় চরিতার্থ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

syeed sazzad ali
syeed sazzad ali ভেরিফাইড
26 Aug 2020

good

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)