পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা (রয়েল)
বই কালেকশন

Buy পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা (রয়েল) Online in Bangladesh

লেখক: মাওলানা আজিজুল হক

4.08
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: মাওলানা আজিজুল হক , حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
  • Publisher: মীনা বুক হাউস
  • Isbn: 9848360360
  • Number Of Pages: 512
  • Language: বাংলা
  • Edition: 8th Printed, 2016
৳ 339৳ 45025% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

ভূমিকা সকল প্রশংসা সারা জাহানের রব আল্লাহ তা’আলার জন্য, যিনি তাঁর বান্দার উপর নামায ফরজ করেছেন এবং নামায আদায় ও কায়েমের নির্দেশ দিয়েছেন। যিনি নামাযকে ঈমান ও কুফরের মধ্যকার প্রার্থক্য সাব্যস্ত করেছেন এবং অশ্লীল ও মন্দকর্ম থেকে বিরতকারী বানিয়েছেন। লক্ষকোটী দুরূদ ও সালাম আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ (ছ:) এর উপর যাঁকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহ তা’আলা এরশাদ করেছেন, ‘ আর আপনার প্রতি কোরআন নাযীল করেছি যাতে আপনি মানুষের প্রতি যা নাযীল হয়েছে তা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করতে পারেন। । (সূরা নাহল-৪৪)। অত্র আয়াতে নবী করীম (ছ:) এর উপর যে দায়িত্ব অর্পনের কথা বর্ণিত হয়েছে তা তিনি যথাযথভাবে পালন করেছেন। তাঁকে অর্পিত দায়িত্বসমূহের মধ্যে নামায অন্যতম, যা তিনি স্বীয় কথা ও কর্মের মাধ্যমে যথাযথভাবে বর্ণনা করেছেন। এমনকি তিনি একদিন নামায আদায় করে দেখিয়ে সাহাবায়ে কেরামদের বলেন, আমি তোমাদেরকে নামায পড়ে দেখানো উদ্দেশ্য হল, যেন তোমরা আমার অনুকরণে নামায আদায় করতে পার। (বুখারী মুসলিম) রাসূলুল্লাহ (স:) তাঁর মত নামায জান্নাতের সু সংবাদ দিয়ে বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা নামায ফরয করেছেন। যে এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের জন্য সুন্দরভাবে ওযূ করে নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করেছে, রুকূ সিজদা বিণয় এবং নম্রতাপূর্ণ করেছে, তাকে আল্লাহ তা’আলার ক্ষমা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। যে তা করবে না তার জন্য কোন প্রতিশ্রুতি নেই। তিনি ইচ্ছা করলে তাকে মাফ করতে পারেন কিংবা শান্তিও দিতে পারেন। (আবু দাউদ) এ হাদীস থেকে একজন মুমিনের জীবনে নামায কত গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝা যায়।আমরা অত্র গ্রন্থে মানুষ নামায পড়তে গিয়ে যে সব ভুল-ভ্রান্তি করে থাকে সে সব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছি। আশাকরি পাঠক মনযোগ সহকারে অধ্যায়ন করে নামায পড়লে ইন্‌শা’আল্লাহ নামায শুদ্ধ হবে। বক্ষমান গ্রন্থখানার আলোচ্য বিষয় বস্তুর অধিকাংশ সংকলন করা হয়েছে হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী (রহ:) এর বেহেশতী জেওর হতে। আর বাকী অংশ সংগৃহীত হয়েছে হযরত মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন আলবানী রচিত এবং হযরত মাওলানা আবু নাঈম অনুদিত রাসূল (স:) এর নামায এবং সম্পাদক মন্ডলী সম্পাদিত দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম থেকে। পাঠক সমাজ যদি গ্রন্থখানা অধ্যয়ন করে উপকৃত হতে পারেন তবেই আমাদের এ প্রচেষ্টা সার্থক হবে। পরিশেষে মহান রব্বুল ‘আলামীনের দরবারে প্রার্থনা তিনি যেন এর ভুলত্রুটি মার্জনা করে দিয়ে পাঠক সমাজসহ আমাদের সকলকে উপকৃত হওয়ার তওফীক দান করেন এবং পরকালের নাজাতের উসিলা করে দেন। এ গ্রন্থের প্রকাশের উজ্জ্বল ভবিষ্যত ও মঙ্গল কামনা করছি, আল্লাহ তা’আলা যেন আও বেশি বেশি এ জাতীয় খেদমত করার তওফীক দান করেন। আমীন, ইয়া রব্বুল আলামীন। মাওলানা আজিজুল হক

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.08
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
60%
4
0%
3
20%
2
0%
1
20%
Abu Tayeb Md. Mezbah
Abu Tayeb Md. Mezbah ভেরিফাইড
03 Jul 2022

good

S. M. Saifullah
S. M. Saifullah ভেরিফাইড
22 Nov 2021

h

Rahman
Rahman ভেরিফাইড
16 Mar 2021

(১) আশরাফ আলী থানভি সাহেবের নামাজ সক্রান্ত এই বই টি দলীলবিহীন এবং শত শত জাল / যয়ীফ হাদিসে ভরপুর এবং ভুল ভাল তথ্যে একাকার । দলিলভিত্তিক নামাজের বই পড়ার চেষ্টা করুন। যেমন, জাল হাদিসের কবলে রাসুল (সঃ) এর নামাজ by ডঃ মুজাফফর বিন মুহসিন । (২) দ্বীন এর কোন বেপারে দলীল দেয়ার ক্ষেত্রে শুধু 'আল-হাদিস' বলে দলীল দেয়া জায়েজ নয় । হাদিস গ্রন্থের নাম এবং নাম্বার উল্লেখ করতে হবে । যদি দলীল এর ক্ষেত্রে শুধু 'আল-হাদিস' বলা হয়, তাহলে তা জাল হতে পারে । যদি হাদিস টি সহিহ না হয়ে জাল হয় তাহলে তা মুহাম্মাদ (সঃ) এর নামে মিথ্যে বলার শামিল । মুহাম্মাদ (সঃ) এর নামে মিথ্যা আরোপ করার / বলার পরিণাম সম্পর্কে তিনি বলেছেনঃ "যে ব্যক্তি আমার নামে এমন কোন কথা আরোপ করল যা আমি বলিনি, সে জাহান্নামী । " (আল বুখারী , কিতাবুল ইলম, হাদিস নাম্বার : ১০৯) (৩) মুহাম্মাদ (সঃ) এর নামে মিথ্যে আরোপ করার / বলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন এবং ঘৃণ্য ভূমিকা পালন করেছে কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদিসের শিক্ষার বিষয়ে অজ্ঞ এসব ধার্মিক মানুষেরা । শয়তান এদেরকে বুঝিয়েছে, আমরা তো মুহাম্মাদ (সঃ) এর পক্ষেই মিথ্যে বলছি । এ সকল মিথ্যে ছাড়া মানুষদের কে হেদায়েত দেয়া সম্ভব নয় । তাই এটা ভালো কাজ । শয়তান এদেরকে বুঝতে দেয়নি যে, তাদের চিন্তা ভুল । মিথ্যে ছাড়া মানুষকে হেদায়াত সম্ভব না একথা ভাবার অর্থ, আল্লাহর ওহী মানুষকে হেদায়াত করতে সক্ষম নয় । কুরানুল কারীম এবং বিশুদ্ধ হাদিস তার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছে । কি জঘন্য, নোংরা এবং বিকৃত চিন্তা (!!) (৪) মুহাম্মাদ (সঃ) এর নামে মিথ্যে আরোপ করার / বলার মাধ্যমে এসব অজ্ঞ ধার্মিক মানুষেরা মূলত শয়তানের খেদমত করছে। নফল ইবাদতের 'মনগড়া সওয়াব' কল্প কাহিনী মুসলিম উম্মাহ কে 'ফরয' দায়িত্ব ভুলিয়ে দিয়েছে। অগণিত 'মনগড়া আমল' মুসলমানদেরকে কুরআন এবং হাদিস বর্ণিত 'কাজ এবং দায়িত্ব' থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। (৫) "ওহীর পক্ষে মিথ্যে বলার" কারণেই যুগে যুগে ধর্ম বিকৃত হয়েছে। এ কারণে মহান আল্লাহ বলেন : "বল হে কেতাবিগণ, তোমরা তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে অন্যায় ভাবে বাড়াবাড়ি করও না ; এবং যে সম্প্রদায় পথভ্রষ্ট হয়েছে, অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে এবং সরল্ পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে তাদের খেয়াল খুশির অনুসরণ করো না " (সুরা মাইদা, আয়াত ৭৭)

Md. Fahim Khan
Md. Fahim Khan ভেরিফাইড
01 Dec 2020

Great

Muhammad Sakib
Muhammad Sakib ভেরিফাইড
24 Jul 2019

Very good..

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)