পিজ্জুভূত
বই কালেকশন

Buy পিজ্জুভূত Online in Bangladesh

লেখক: শারমিন সুলতানা চৌধুরী

5.00
(2 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: শারমিন সুলতানা চৌধুরী
  • Publisher: পাললিক সৌরভ
  • Isbn: 9789849637066
  • Number Of Pages: 31
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st published 2022
৳ 179৳ 20011% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

আমাকে দেখে ভয়ের কী আছে! নাহয় আমার চোখের মণি লাল। মানুষের তো কালো, নীল কত রঙ। আমি কি এমন করি নাকি? বড়রা যে কত্ত ন্যাকু হয়! পিকু তো দিব্যি খেলে আমার সাথে। যাই হোক, পিকু গেছে বাবাকে ডাকতে। আমি এই সুযোগে পিজ্জাটা খেয়ে উধাও হয়ে যাই। আঙ্কেল এলেন... Show More Title পিজ্জুভূত Author শারমিন সুলতানা চৌধুরী Publisher পাললিক সৌরভ ISBN 9789849637066 Edition 1st published 2022 Number of Pages 31 Country বাংলাদেশ Language বাংলা followers Follow শারমিন সুলতানা চৌধুরী শারমিন সুলতানা চৌধুরী পেশায় সরকারি চিকিৎসক। বাবা ডঃ মোহাম্মদ শফি চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক ছিলেন, বর্তমানে অবসরে আর মা সুলতানা মমতাজ বেগমের জগৎ তার তিন ছেলে-মেয়ে। একমাত্র কন্যা জয়িতা আর লেখালিখি, এই জীবন। শখের বসে ২০১৭ এর জানুয়ারী তে লিখতে বসা, কবে যে নেশায় পরিণত হলো, তা জানা নেই। Read More

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

5.00
(2 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Moulee Akhund
Moulee Akhund ভেরিফাইড
26 Apr 2022

#বুক_রিভিউ_পিজ্জুভূত ভূত বলতেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ভয়ংকর কোনো অশরীরী প্রাণিদের চেহারা। কিন্তু জানেন কি? হাসিখুশি এক ভূতও আছে! আর তার গল্প নিয়েই হাজির হয়েছেন বাচ্চাদের জন্য আমাদের সবার প্রিয় লেখক শারমিন সুলতানা চৌধুরী তার শিশুতোষ বই 'পিজ্জু ভূত' নিয়ে। সবাই বড়দের জন্য লেখে। ছোটদের কথা খুব কম লেখকই চিন্তা করেন। ছোটদের জন্য লেখা কিন্তু মোটেও সহজ নয়। ছোট মানুষ হলেও তাদের লজিক পরিষ্কার। তাদেরকে এটা সেটা লিখে বুঝ দেওয়া সম্ভব নয়। আমার আদরের সন্তানের জন্য আমি নিয়মিত বই কিনলেও সব বই তার ভালো লাগে না। পিজ্জুভূত সেদিকে ভালোভাবেই উত্তীর্ণ হয়েছে। পিজ্জুর ভাষা শিশুসুলভ সারল্য, রম্যবোধ ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ততা পাঠক আমাকেও করেছে মুগ্ধ। যেমন বইয়ে এক জায়গায় লেখা হয়েছে, 'জিভে জল” না এসে “জিভে পেপসি” চলে আসলো। কারণ তার নাকি পেপসি প্রিয়। সুতরাং জিভে পেপসিই তো আসবে। অনেক কিউট এই ভূতের গল্প পড়ে পাঠক মোটেও ভয় পাবে না বরং হাসতে হাসতে খুন হবে। 'পিজ্জুভূত' এর পাঠকেরা অর্থাৎ বাচ্চারা তো বটেই সাথে তাদের অভিভাবকরাও কিছুটা সময়ের জন্য মেতে উঠতে পারবেন নির্মল আনন্দে। অতি অবশ্যই তার জন্য হতে হবে পর্যাপ্ত সাহসী, ভূতের ভয় পায় না এমন। যদিও পিজ্জুকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বইটি পড়লে পিজ্জুকে ভালো না বেসে পারবেনই না কেউ। বইটি পড়ে আমারও ভীষণ আফসোস হয়েছে কেন আমার এমন দারুণ একটা ভূতের সাথে পরিচয় নেই। 'পিজ্জুভূত' বইটি কি শুধুই মজার জন্য পড়তে হবে? মোটেই না! এখানে মজার ছলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অনেক শিক্ষামূলক বিষয়ও। যেমন-মিথ্যে থেকে দূরে থাকা, ভালো স্পর্শ খারাপ স্পর্শ চিনতে শেখা, দুষ্ট সঙ্গ থেকে দূরে থাকা ইত্যাদি। বইয়ের সাথে মানানসই অঙ্গসজ্জা শিশুদের দেবে বাড়তি আনন্দ। সব মিলিয়ে 'পিজ্জুভূত' আমার এবারের বইমেলায় কেনা বইগুলোর মধ্যে সেরা পাঁচ বইয়ের তালিকায় স্থান না দিয়ে পারলাম না। এখানেই আমি লেখকের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই যে, তিনি ইতোমধ্যেই বড়দের জন্য লিখে যথেষ্ট সাফল্য অর্জনের পরেও চেনা পথে না হেঁটে অচেনা পথে আসবার মত ঝুঁকি নিতে সাহস করেছেন। প্রতিনিয়ত নিজের লেখনীর নতুন ক্ষমতা আবিষ্কারের মধ্যেই তো একজন লেখকের প্রকৃত সার্থকতা। শিশু পাঠকের মনস্তত্ত্ব বুঝতে চেষ্টা করে আন্তরিকভাবে তিনি লিখেছেন এই গল্পটি। তবে 'পিজ্জুভূত'ই যেন তার শেষ শিশু সাহিত্য না হয়। আমার ও আমার সন্তানের পক্ষ থেকে তার কাছে আরো অনেক শিশুসাহিত্যের দাবি রেখে গেলাম। লেখকদের কাছে আমার আন্তরিক অনুরোধ থাকবে শিশুদের জন্য লেখার, তাদেরকে স্মার্ট ফোনের আগ্রাসন থেকে মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার। সমাজের প্রতি লেখকের দায়বদ্ধতা থাকে। সেই দায়বদ্ধতা এভাবেও তারা পালন করতে পারেন। অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় পাললিক সৌরভ প্রকাশনীকেও, শিশু সাহিত্য প্রকাশ ব্যবসার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও তারা এই ঝুঁকিটি নিয়েছেন ও মনকাড়া গল্পটিকে সুন্দরভাবে দুই মলাটের মধ্যে আবদ্ধ করেই ক্ষান্ত হননি, কাহিনীর সাথে সঙ্গতিপূর্ণভাবে অলংকরণও করেছেন এই সুন্দর বইটিকে। প্রিয় পাঠক, আপনাদের বাসায় যে বাচ্চারা আছে, তাদের আজই কিনে দিতে পারেন এই অসম্ভব মজার বইটি। সেই সাথে বাচ্চাদের বাবা মায়েরাও কিছুটা সময়ের জন্য মেতে উঠতে পারেন পিজ্জুর সঙ্গে। বন্ধুত্ব হোক বইয়ের সঙ্গে, দূরে থাকুক স্মার্ট ফোন। প্রযুক্তির আগ্রাসন থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে চাইলে বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার কোনো বিকল্প নেই। বই: পিজ্জুভূত প্রচ্ছদ ও অলংকরণ: নিসা মাহজাবীন প্রকাশনী: পাললিক সৌরভ প্রকাশকাল: ২০২২

Sadia Sultana
Sadia Sultana ভেরিফাইড
02 Apr 2022

এ এক আশ্চর্য ভূত! বুদ্ধিমান বাচ্চা-ভূত। যার কিনা দুটো আকার। সে দৃশ্যমান থাকতে পারে, আবার চাইলে উধাও হয়েও যেতে পারে! এ কিন্তু সোজা কথা নয়। তবে এই ভূতের পরিচয় একদম সোজাসাপটা। তার প্রতি কোনো সহানুভূতি দেখানোর সুযোগ নেই। সে তার ভূতজীবন উপভোগ করে। আরো একটা জিনিস উপভোগ করে বিস্তর আনন্দ পায় সে। বলো তো সেই জিনিসটা কী? তা জিনিসটার নাম জানতে হলে কিন্তু ভূতের নাম জানতে হবে। এই ভূতের নাম পিজ্জু ভূত। এইবার তো পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, ভূতের নাম 'পিজ্জুভূত।' তবে চুপিচুপি একটা গোপন কথা বলি, পিজ্জুর আসল নামটা কিন্তু পিজ্জা প্রীতির কারণে চাপা পড়ে গেছে। এই নামরহস্য আমি কিন্তু জানাবো না, জানতে হলে তোমাদের 'পিজ্জুভূত'কে জানতে হবে। পাললিক সৌরভ প্রকাশনী থেকে এইবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে 'বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর'দের জন্য লেখক শারমিন সুলতানা চৌধুরীর বাচ্চাতোষ বই 'পিজ্জু ভূত।' নিছক আনন্দ পেতে ভূতের গল্পের কোনো জুড়ি নেই। সেই যে ছোট্টোবেলায় ভূতের গল্প শুনতাম, ওরে বাবা ভূত বলতে কী আর যে সে ভূত! ভূতের দোসর পেত্নি, শাকচুন্নিও আছে! তাদের ইয়া বড় বড় দাঁত, লম্বা নখর, শ্যাঁওড়া গাছে দীর্ঘ পা ঝুলিয়ে বসে থাকে, ইলিশের ঝোলা হাতে পথচারীদের চলতে দেখলেই লম্বা হাত বাড়িয়ে বলে, আঁমাঁকেঁ দেঁ... উফ, পিজ্জু কিন্তু মোটেও এমন দুষ্ট ভূত নয়। মানুষকে ভয় দেখিয়ে তাদের ক্ষতি করা তার উদ্দেশ্য নয়। লাল লাল চোখের মণির আদুরে এক ভূত পিজ্জু। পিজ্জুর ভাষায় 'আমি নাকি অনেক কিউট। আমি চাইলেও কাউকে ভয় দেখাতে পারবো না। আমি অবশ্য ভয় দেখাতে চাই না।' পিজ্জুকে দেখে পিকু কিন্তু মোটেও ভয় পায় না। 'পিজ্জুভূত'র পাঠকেরাও সাহসী, ভয় পায় না পিজ্জুকে। তবে কিছু মানুষের মতো কিছু দুষ্ট ভূতও কিন্তু আছে, যারা পিজ্জুর মতো কিউট নয় মোটেই। এরা কিন্তু কারণে অকারণে সকলকে বিরক্ত করে। পিজ্জুকে যেমন ভালোবাসতে হয় তেমনি এসব দুষ্ট ভূতের কাছ থেকে দূরে থাকতে হয়। এমনই একজন দুষ্ট ভূতের নাম রাহু। আমি দুষ্ট ভূতের কাছ থেকে দূরে থাকতে চাই আর পিকুর মতো পিজ্জুকে ভালোবাসতে চাই। আসলে ছোট ছোট সরস বাক্যে, টান টান উত্তেজনায় যেভাবে এই বইয়ের কাহিনি এগিয়েছে পিজ্জুভূতকে ভালো না বেসে উপায়ই নেই। এটাই বোধহয় লেখকের সার্থকতা। পাঠকের মনস্তত্ত্ব বুঝে তিনি লিখেছেন। তবে 'পিজ্জুভূত'র পাঠক যে বাচ্চারাই হবে তা ধরে নিলেও কিন্তু ভুল হবে। বাচ্চাদের বাবা মায়েরও পিজ্জুর সঙ্গে বন্ধুত্ব না করার কোনো বিকল্প নেই। আমিও তাই 'পিজ্জুভূত'র সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছি। কারণ পিজ্জুর সঙ্গ কেবল আনন্দ দেয় না, অনেককিছু শেখায়ও যেমন-মিথ্যে থেকে দূরে থাকা, ভালো স্পর্শ খারাপ স্পর্শ চিনতে শেখা, দুষ্ট সঙ্গ থেকে দূরে থাকা ইত্যাদি। তাই অভিনব কাহিনি, দৃষ্টিনন্দন অলংকরণ আর আকর্ষণীয় প্রচ্ছদের জন্য 'পিজ্জুভূত'কে আমার এবারের প্রিয় পাঠতালিকার শীর্ষে রাখবো। আর অপেক্ষা করে থাকবো পিজ্জুর নতুন গল্পের জন্য।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)