

Buy পাগলা সাহেবের কবর ( অদ্ভুতুড়ে সিরিজ ৬ ) Online in Bangladesh
লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
- Author: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
- Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
- Isbn: 8170660467
- Number Of Pages: 86
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 1987
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"পাগলা সাহেবের কবর" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: পড়াশুনায় মন ছিল না হরিবন্ধুর। সবাই ধরে নিয়েছিল, ওই গবেট ছেলেকে দিয়ে কিস্যু হবার নয়। ক্লাস সেভেনে তিন-তিনবার ফেল করা। হরিবন্ধুকে তাই পাঠানাে হল সাঁওতাল পরগনার মােতিগঞ্জের একটা ইস্কুলে। এমনিতে ভারী স্বাস্থ্যকর জায়গা মােতিগঞ্জ। লেখাপড়ায় অমনােযােগী ছেলেদের মতি ফেরাতে ইস্কুলটারও খুব নামডাক। কিন্তু মােতিগঞ্জের আকাশে বাতাসে অদ্ভুত এক কিংবদন্তী। দয়ালু এক পাগলাসাহেব সেই কবে খুন হয়েছিলেন ডাকাতের হাতে। সেই সাহেবের গলায় নাকি লাখ-লাখ টাকা দামের একটা মাদুলি রয়েছে। মাদুলিসুদ্ধ পাগলা-সাহেবকে খুব গােপন একটা কবরে সমাহিত করা হয়েছিল। পাগলাসাহেবের সেই কবর, খুঁজে বেড়ায় নানান লােক। হরিবন্ধুও কীভাবে জড়িয়ে পড়ল এই কবর-খােজার ব্যাপারে, কেমন করে খুঁজে পেল পাগলাসাহেবের ঠিকানা, দারুণ রেজাল্ট করে কী করে ইস্কুলে পেল ডবল প্রােমােশন—তাই নিয়েই অদ্ভুতুড়ে গল্পের রাজা শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়ের কলমে এই দুর্দান্ত কৌতূহলকর উপন্যাস।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
এক কথায় অসাধারণ
Interesting Book. Thanks to Rokomary

নামঃ পাগলা সাহেবের কবর লেখকঃ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় পৃষ্ঠাঃ ৯২ মুল্যঃ ১৮০টাকা প্রকাশকালঃ ১৯৮৭ ধরনঃ রহস্য,থ্রিলার,অ্যাডভেঞ্চার,হাস্যরস / অদ্ভুতুড়ে সিরিজ প্রচ্ছদঃদেবাশিষ দেব প্রকাশনীঃআনন্দ পাবলিশার্স কাহিনীঃ মোতিগঞ্জের স্কুলের সুনাম বখাটে আর অমনোযোগী ছেলেদের মতি ফেরাতে। হরিবন্ধুর নিয়তি হরিবন্ধু কে টেনে নিয়ে গিয়েছিলো সেই স্কুলে। বেচারা হরিবন্ধু, নানা রকম গুন যেমন স্কুল পালানো, গাছে চড়া,খাওয়া , ঘুমানো এসব ভাল ভাল গুন থাকার পরও তিন তিন বার ক্লাস সেভেনে ফেইল করল। ফলস্বরূপ স্কুল থেকে টিসি। গগন ডাক্তারের এই ছেলে কে সে খুব হতাশ। বিচক্ষণ দুখিরামবাবুর পরামর্শেই হরি মোতিগঞ্জের স্কুলে ভর্তি হল। ভারী সুন্দর আর স্বাস্থ্যকর জায়গা সেটি। সেই স্কুলে গুন্ডা-পান্ডার সংখ্যা কম নয়।কিন্তু গোপাল নামে এক ছেলেকে বন্ধু হিসেবে পেল হরি। এদিকে সেই এলাকায় এক ঘোড়ায় চড়া পাগলা সাহেব আছেন, তাকে সবাই আবার দেখতেও পায়না। আবার , পটল দাসের মত পাক্কা চোর ও আছে, আপনার মাথার নিচ থেকে বালিশ-বিছানা আপনার অজান্তে হাপিস করে দিতে পারে। আপনি টেরও পাবেন না। একদিন কারা যেন গোপাল কে মেরে আহত করে ফেলে। গোপালের কথায় জানা যায় ওরা খুঁজে বেড়াচ্ছে পাগলা সাহেবের কবর। সেই কবর কোথায় কেউ জানেনা। সেই কবরে শায়িত পাগলা সাহেবের গলায় আছে নাকি লক্ষ লক্ষ টাকা মূল্যের একটা ক্রস। সেই ক্রস আছে পাগলা সাহেবের কফিনে। কিন্তু ঘোড়ায় চড়ে যে ঘোরে সে পাগলা সাহেব হলে পাগলা সাহেবের কবর কোত্থেকে আসল?? গোপাল,পটল দাস, হরি, টুবলু এরা কি জড়িয়ে পড়ছে ভয়ানক কোন জালে? কিভাবে বের হবে এরা? আর ধুমধাম করে গোপাল আর হরির উপরের আক্রমণ থেকে নিজেদের বাঁচাবে কি করে?? আর পাগলা সাহেবের কবর? সন্ধান কি পাওয়া যাবে তার নাকি এটা স্রেফ এক গুজব??? পাঠ_প্রতিক্রিয়াঃ অদ্ভুতুড়ে সিরিজের আরো একটা গল্প। বাকী সব গল্পের মত রহস্য, থ্রিলার আর সাসপেন্সে ভরা। শেষ পর্যন্ত না পড়লে বোঝা যাবে না আসলে কি ঘটছে,ঘটবে। হাসির মধ্যে দিয়ে যে থ্রিলিং এক্সপেরিয়েন্স দেয়া যায় সেটা এই সিরিজ না পড়লে বোঝা যেত না। দেরী না করে এখনি পড়ে ফেলুন। রকমারিঃ https://www.rokomari.com/book/42841/পাগলা-সাহেবের-কবর

পড়ালেখায় মন নেই হরিবন্ধুর। পর পর তিনবার ফেল করেছে ক্লাস সেভেনে। স্কুল থেকে হরির বাবা গগন ডাক্তার কে ডেকে নিয়ে বলল, আপনার ছেলেকে রাখা আর সম্ভব নয়, স্কুলের বদনাম হচ্ছে। গগন ডাক্তার মন খারাপ করে চেম্বারে গেলেন। হরি যে শুধু পড়ালেখাতেই খারাপ তা নয়, ওর অন্য কোনও গুনও নেই। তখন হঠাৎ গগন বাবুর এক রোগী দুখিরাম নাম, সে বলল মোতিগঞ্জ নামে একটা জায়গায় চারুবালা বেঙ্গলি স্কুল নামে একটা স্কুল আছে। ওদের কাজই হচ্ছে গাধা পিটিয়ে মানুষ করা। ওখানে আমার একটা বাড়িও কেনা আছে। তুমি চাইলে হরি সেখানে থেকে লেখাপড়া করতে পারে। অতএব হরিকে জোড় করে মোতিগঞ্জ পাঠিয়ে দেয়া হল। ছোট ভাইবোন, ঠাম্মা, মা কে ছেড়ে যেতে হরির খুব কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু বাবার উপর কথা বলার ক্ষমতা এ বাড়ির কেউ নেই। মোতিগঞ্জ জায়গা টা ভালই। পাহাড়ঘেরা একটা ছোট্ট গঞ্জ এলাকা। খুবই স্বাস্থ্যকর জায়গা। তবে স্কুল দেখে হরির মনটাই দমে গেল। জেলখানার মত দেখতে দুতলা বিল্ডিং উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। নিয়মকানুনও অনেক কড়া। প্রথম ক্লাসেই দামড়া দামড়া ছেলেদের মার খেতে হল, ওদের সব কথা শুনতে হল। মাঠে গরু সেজে ঘাস খাওয়ার অভিনয় করতে হল। তবে এতকিছুর মধ্যেও গোপাল নামে একজন বন্ধুও জুটে গেল। গোপালকে এমনকি বাকি দামড়া ছেলেরাও সামঝে চলে। কেন, সেটা অবশ্য হরি জানেনা। হরি যে বাড়িতে থাকে সেখানে হঠাৎ পটল দাস নামে এক চোরের সাথে পরিচয় হল হরির। পটল দাস এখন আর চুরি করেনা, বয়স হয়েছে। তবে মাঝে মধ্যে বিদ্যেটা ঝালাই দিতে এর বাড়ি ওর বাড়ি ঢুকে। এর সাথেও হরির বন্ধুত্ব হয়ে গেল। গোপাল এবং পটল দাসের কাছে হরি জানতে পারল পাগলা সাহেবের কথা। আজ থেকে প্রায় একশ বছর আগে পাগলা সাহেব এ অঞ্চলে ব্যবসা করে দুহাতে কামিয়েছেন। এবং সেটা খরচও করেছেন মোতিগঞ্জের মানুষের জন্য। সবাই পাগলা সাহেব কে ভক্তি শ্রদ্ধা করে চলত। সেই সাহেব হঠাৎ করে মারা গেলে তাকে তার শিষ্যরা গোপনে কবর দিয়ে দেয়। কথিত আছে পাগলা সাহেব নাকি এখনও ঘোড়ায় চেপে মোতিগঞ্জের রাস্তায় ঘুড়ে বেড়ান। মানুষের বিপদ আপদে সাহায্য করেন। এমনকি গোপালের সাথে বন্ধুত্ব করায় যখন বাকি ছেলেরা একদিন হরিকে মারছিল, তখন পাগলা সাহেব ঘোড়া নিয়ে ছুটে আসতেই তারা পালিয়ে যায়। লোকজন বলে পাগলা সাহেবের কবর যদি অপরিচিত মানুষের গোচরে চলে আসে তাহলে আর পাগলা সাহেব দেখা দেবেন না। এদিকে শহরে কিছু অচেনা মানুষ ঘুরাঘুরি করছে। তারা পাগলা সাহেবের কবর খুঁজছে। পাগলা সাহেবের কফিনে একটা সোনার যীশুর ক্রস আছে যেটার দাম কয়েক লক্ষ টাকা। সেটার জন্যই তারা উঠেপড়ে লেগেছে। তাদের হাত থেকে পাগলা সাহেবের কবর কে বাচাতে হলে শহরের মানুষের আগে খুঁজে পেতে হবে কবর। তারপর তারা পাহারা দেবে। কিন্তু কিভাবে খুঁজে পাবে? কবরটা খুঁজে পাওয়ার একটা সঙ্কেত আছে। দেখুন আপনারা খুজে বের করতে পারেন কিনা। হরি কিন্তু ঠিক পারবে। ছুটেও নয়, হেটেও নয়, সাপের মত কাছেও নয়, দূরেও নয়, গভীর কত আলোও নয়, অমাও নয়, যায় যে দেখা আজও নয়, কালও নয়, ভাগ্যে লেখা























