

Buy অবরোধবাসিনী Online in Bangladesh
লেখক: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
- Author: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
- Publisher: কথাপ্রকাশ
- Isbn: 9847012000465
- Number Of Pages: 48
- Language: বাংলা
- Edition: 7th Printed, 2018
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

বাংলাদেশের মানুষ জানে যে নারী জাগরণের অগ্রদূত কে । মানুষ বেগম রোকেয়ার কোন বই বা তার লেখা না পড়ে তাকে নারী জাগরণের অগ্রদূত মনে করে । অবরোধ বাসিনীর প্রতিটা লেখাতেই তিনি ইসলাম ধর্মকে ( বিশেষ করে নারীদের পর্দার যে বিষয়টা ) কটাক্ষ করে লিখেছেন । তার এই অবরোধ বাসিনী তে তিনি তার কথাগুলোকে ( বর্ণিত ঘটনাবলী ) বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লিখেছেন ।
এটি অসাধারণ একটি বই। এই বইয়ের মাধ্যমে লেখিকা আমাদের বোঝাতে চেয়েছেন সেই যুগের নারীদের অবস্থান। অর্থাৎ নারীরা পর্দা প্রথা মানার নামে যে অবরুদ্ধ হয়েছিল বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সেই চিত্রই এই বইয়ে বিভিন্ন যুক্তির মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন। {এই বইয়ের মধ্যে ছোট ছোট অনেকগুলো ঘটনা যুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলোর মধ্যে ৭নং ও ৮নং ঘটনাটি সবচেয়ে বেশি সুন্দর} যদি কোন পাঠক এই ঘটনা দুটি পড়েন আমার মনে হয় তিনি না হেসে থাকতে পারবেন না।











দারুণ একটি বই❤️ ধন্যবাদ রকমারি ❤️
বইটা তখন লিখেছিল ওই প্রেক্ষাপটে ঠিক ছিল। কিন্তু বর্তমানে এই বইটা সমাজের ক্ষতি ছাড়া ভালো কিছু বয়ে আনবে বলে মনে হয় না।

#রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বইঃ অবরোধবাসিনী লেখকঃ বেগম রোকেয়া প্রকাশনীঃ কথাপ্রকাশ প্রথম প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারী, ২০০৯ প্রচ্ছদঃ সব্যসাচী হাজরা পৃষ্ঠাঃ ৪৮ মুদ্রিত মুল্যঃ ৫০৳ #রিভিউঃ এক বাড়িতে আগুন লাগিয়াছিল। গৃহিণী তাড়াতাড়ি সমস্ত অলংকার একটা হাতবাক্সে পুরিয়া লইয়া ঘরের বাহির হইলেন। দ্বারে আসিয়া দেখিলেন সমাগত পুরুষেরা আগুন নিবাইতেছেন। তিনি তাহাদের সম্মুখে বাহির না হইয়া অলংকারের বাক্সটি হাতে করিয়া ঘরের ভিতর খাটের নিচে গিয়া বসিলেন। তদাবস্থায় পুড়িয়া মরিলেন, পুরুষের সম্মুখে বাহির হইলেন না। ধন্য! কুল-কামিনীর অবরোধ। -এটা কোন গল্প নয়। শতাধিক বছরেরও পূর্বের বাস্তব ঘটনা। হয়তো পড়ে অনেকেই হাসবেন, কিন্তু এটাই ছিল নির্মম সত্য। তৎকালীন মুসলিম সমাজের নারীরা অবরোধ প্রথার ভেতরে এতটাই অভ্যস্থ ছিল যে, তারা অবরোধ-যাপনকে সবচেয়ে পুণ্যের কাজ বলে মনে করত। যে যত বেশি অবরোধে থাকবে, তার পুণ্যের পাল্লা তত ভারি হবে। এমনকি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে অবরোধ প্রথাকে বাঁচিয়ে রাখতে এরা কার্পণ্য করেনি। সবচেয়ে মজার ব্যাপারটি হল, তারা কখনোই এই অবরোধের খাঁচা হতে বেরুতে চেষ্টা করেনি। শীতের রাতে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় নিজের শিশুকে কোলে নিয়ে পালকিতে খোলা মাঠে রাত্রিযাপন, আগুনে পুড়ে মরা, চোরকে কানসহ কেটে দুল দেওয়া, ট্রেনের চাকায় পিষ্ট হয়ে মরার কাহিনীগুলো সেসব ভয়ঙ্কর দিনের কথা নির্দেশ করে। এমনিই অন্ধকার নারী সমাজে আলো জ্বালাতে মশাল হাতে অবতীর্ণ হন বেগম রোকেয়া। নারী শিক্ষার আলো ছড়াতে গিয়ে তিনি তখনকার সমাজপতিদের রোষানলে পড়েন। তবুও তিনি থেমে থাকেননি। এরপর কেটে গেছে শতাধিক বছর। আজকের নারীরা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ সমাজের বিভিন্ন স্থরে পৌঁছে যাচ্ছে, অংশ নিচ্ছে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে। এমনকি তারা ব্যবসা-বানিজ্য, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদে আসীন। দিনদিন তারা যেমন আত্মনির্ভরশীল হচ্ছে ঠিক তেমনি নারীর ক্ষমতায়নে রাখছে বলিষ্ঠ ভূমিকা। এতসব সম্ভব হয়েছে নারীশিক্ষা বৃদ্ধির ফলে। এরপরও কিছুটা দ্বিধা থেকেই যায়। নারীরা আজও কি সেই অবরোধ-প্রথা থেকে মুক্ত? তাঁরা কি তাঁদের স্বাধীনতা শতভাগ ভোগ করতে পারে? হয়তোবা ১০০ বছর পূর্বের অবস্থা এখন আর নেই। কিন্তু অবরোধ এসেছে নতুন ধারায়, নতুন নিয়মে। বর্তমান নারী সমাজের পূর্ণাঙ্গ সরূপ ধরা পড়ে বেগম রোকেয়ার “অবরোধবাসিনী” বইটি পাঠ করলে। নারীদের জন্যেও বইটির পাঠ আজও ফুরায়নি। কেননা আরও বেশি সচেতন হতে, শিক্ষিত হতে, কুসংস্কার থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করবে এ-বই। বইটিতে ৪৭টি ঘটনার বর্ণনা আছে। ঘটনাগুলোর ঐতিহাসিক সত্যতা যেমন আছে তেমনি আছে লেখিকার চাক্ষুষ বিবরণ। বইটি পড়ে মনে হতে পারে এগুলো নিছক কোন কৌতুক নতুবা রূপকথার গল্প। আসলে তা নয়। তখনকার নারীদের অবস্থাই ছিল এমনই। ঘটনাগুলো পাঠকের মনে খোরাক যোগাবে ঠিকই, সাথে চোখের জলও নেমে আসবে সেইসব নারীদের করুণ-দুর্দশার কাহিনী পড়ে। লিঙ্কঃ https://www.rokomari.com/book/593/অবরোধ-বাসিনী























