

Buy নারী সাহাবীদের ঈমানদীপ্ত জীবন Online in Bangladesh
লেখক: ড. আব্দুর রহমান রাফাত পাশা রহ.
- Author: ড. আব্দুর রহমান রাফাত পাশা রহ.
- Publisher: রাহনুমা প্রকাশনী
- Isbn: 9789843337764
- Number Of Pages: 96
- Language: বাংলা
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"নারী সাহাবীদের ঈমানদীপ্ত জীবন" বইয়ের সূচিপত্র » প্রিয় নবীর দুধমা হালীমা সা'দিয়া--১৭ » ছফিয়্যাহ বিনতে আবদুল মুত্তালিব--২৭ নবীজীর স্নেহ-ভালােবাসার ফুল » ফাতিমাতুয যাহরা--৩৬ » আসমা বিনতে আবু বকর-- ৪৬ (দুই ফিতাওয়ালী) » নাসীবাহ আল মাযেনিয়া-- ৫৫ » রমলা বিনতে আবু সুফিয়ান-- ৬৬ » গুমাইছা বিনতে মিলহান-- ৭৫ (উম্মে সুলাইম) » উম্মে সালামা--৮৩ (আরবের বিধবা)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

হাতে পেয়েছি। স্ত্রীর জন্য নিয়েছি।

প্রত্যেক নারীরই বইটি পড়া উচিত। খুবই চমৎকার একটি বই। বইটি আমি কয়েকবার পড়েছি। অনেককে উপহার দিয়েছি। বাসর রাত্রে উপহার দেওয়ার মত একটি বই।
such an amazing book. truly inspiring..
. বই: নারী সাহাবীদের ঈমানদীপ্ত জীবন লেখক: ড.আব্দুর রহমান রাফাত পাশা অনুবাদক: মাওলানা মাসউদুর রহমান প্রকাশনায়: রহমানু প্রকাশনী পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৯৬ প্রকাশ সাল: ২০১৬ . ◾প্রারম্ভিক কথন: মুসলিম হিসেবে আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো সাহাবীদের জীবন। কারণ তাঁরা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের জীবনের প্রতিটি অধ্যায় আমাদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। তাই তাঁদেরকে জানতে হবে,জানতে হবে তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি সম্পর্কে। কীভাবে তাঁরা মোকাবিলা করতেন জীবন সংগ্রামের নানান সমস্যার? কেমন আচরণ ছিল তাঁদের? ◾বই সম্পর্কে: নারী সাহাবীদের ঈমানদীপ্ত জীবন মুসলিম বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী আরবী গ্রন্থ “সুওয়ারুম মিন হায়াতিস সাহাবিয়্যাত”-এর অনূদিত গ্রন্থ। বিখ্যাত ইসলামিক স্কলার, সুপণ্ডিত ড. আবদুর রহমান রাফাত পাশা উপস্থাপন করেছেন আটজন নারী সাহাবীর আলোকিত জীবন। নবীজীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এই নারীদের অসাধারণ ত্যাগ ও কুরবানীর হৃদয়ছোঁয়া কাহিনী সাহিত্যের রস আর অলঙ্কারের সৌন্দর্য মিশিয়ে বিবৃত হয়েছে এ গ্রন্থে। লেখকের ঈমানজাগানো ভাষা ও অনন্যশৈলীতে রচিত নারী সাহাবীদের ঈমানদীপ্ত জীবন একটি অসাধারণ গ্রন্থ স্বীকার করতেই হবে। যদিও নবীজীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ নারীদের অনেকের জীবনী বাজারে পাওয়া যায়। তবে ড. আবদুর রহমান রাফাত পাশার মন মাতানো এমন রচনার নজির একেবারেই দুষ্প্রাপ্য। সে কারণেই জীবনীগুলো কেউ পূর্বে পাঠ করে থাকলেও তার মনে হবে যেন এই প্রথম পড়ছি। তাঁর রচনাবলির বৈশিষ্ট্য এই যে, চমৎকার রচনাগুলো পাঠ করতে করতে লেখক সম্পর্কে নির্মোহ থাকা যায় না। পাঠক হন লেখকের ভক্ত। ভক্তির সিঁড়ি বেয়ে এক সময় তিনি হয়ে পড়েন লেখকের আবেগ-অনুভূতির সঙ্গী। পাঠককে একাকার হতে হয় পঠিত বিষয়ের সঙ্গে। ফলে তিনি হন কখনো পুলকিত, কখনো শিহরিত। কখনো তাঁর দু'চোখ হয়ে পড়ে অশ্রুপ্লাবিত। ড. আবদুর রহমান রাফাত পাশার এমন পাঠক খুঁজে পাওয়া কষ্টকর যিনি পড়েন অথচ বারবার চোখ ভেজে না। অশ্রু ঝরে না। ◾লেখক পরিচিতি: ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে উত্তর সিরিয়ার আরিহা শহরে জন্মগ্রহণ করেন ড. আব্দুর রহমান রাফাত পাশা। সিরিয়ার প্রাচীনতম শরয়ী শিক্ষাগার হালাব শহরের মাদরাসা খুরভিয়ায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পড়াশোনা করেন। তারপর মিসরের আল-আজহার ইউনিভার্সিটি থেকে অর্জন করেন উসূলে ফিক্হের ওপর উচ্চতর ডিগ্রি। আল-আজহারে পড়াশোনা শেষ করে কায়রো ইউনিভার্সিটিতে আরবি ভাষা ও সাহিত্যের উচ্চতর গবেষণা সম্পন্ন করে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ড. আবদুর রহমান রা‘ফাত পাশা শিক্ষকতা, সাহিত্যসাধনা ও গবেষণাতেই জীবনভর সম্পৃক্ত ছিলেন। এক সময় দামেস্ক ইউনিভার্সিটির কলা অনুষদের প্রভাষক ছিলেন। ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে সৌদি আরব সফরে গেলে রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সউদ ইউনিভার্সিটি থেকে অধ্যাপনার প্রস্তাব পেয়ে সেখানেই স্থির হয়ে যান। আরবি ভাষার সেবা, সাহিত্যসাধনা ও গবেষণার পাশাপাশি মুহাম্মদ ইবনে সউদ ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে সেখানেই কাটিয়ে দেন জীবনের বাকি বাইশটি বছর। ইসলামি সাহিত্যের উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে ড. রা‘ফাত পাশা প্রধানত দুটো ভাগে কাজ করেছেন। এক. ইসলামের স্বর্ণযুগে রচিত দাওয়ামূলক কবিতা সম্ভারকে শিল্পের নিক্তিতে মেপে সমালোচনা। দুই. ইসলামের অতীত ইতিহাসকে খ্যাত ও বিস্মৃত মনীষীদের জীবনীর আদলে অনন্য রচনাশৈলিতে উপস্থাপন।জীবনী সাহিত্যে রা‘ফাত পাশা যে কাজগুলো করে গেছেন, তা আজ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। ‘সুয়ারুম মিন হায়াতিস সাহাবা’, ‘সুয়ারুম মিন হায়াতিস সাহাবিয়াত’ ও ‘সুয়ারুম মিন হায়াতিত তাবেয়িন’ শিরোনামের তিনটি গ্রন্থ তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এ ছাড়া ‘আদ-দীন আল-কাইয়িম’, ‘লুগাত আল-মুসতাকবিল’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ আরও বিপুল কাজ করে গেছেন তিনি। ৬৬ বছর বয়সে প্যারালাইসিসের কারণে ড. রা‘ফাত পাশার শরীরের একাংশ বিকল হয়ে যায়। ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময় ডাক্তারের পরামর্শে কিছু দিনের জন্য হাওয়া বদলের উদ্দেশে তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যান এবং সেখানেই জুলাইয়ের ১৮ তারিখ মুতাবেক ১১ জিলক্বদ ১৪০৬ হিজরী শুক্রবার রাতে ইন্তিকাল করেন। ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক ‘ফাতেহা’ গোরস্তানে তাঁকে সমাহিত করা হয়, যেখানে শুয়ে আছেন বিপুল সংখ্যক সাহাবী আজমাঈন ও তাবেয়িনে কেরাম। ◾ পাঠসজ্জা: আটজন নারী সাহাবীদের জীবনের নানান ঘটনা এই বইটিতে তুলে ধরেছেন ড. আব্দুর রহমান রাফাত পাশা। আর কিছু কিছু নারীর সাথে যুক্ত করা হয়েছে তাঁদের উপাধিও। সেই আটজন নারী সাহাবী হলেন ▪️ প্রিয় নবীর দুধমা হালীমা সা'দিয়া ▪️ ছফিয়্যাহ বিনতে আবদুল মুত্তালিব নবীজীর স্নেহ-ভালােবাসার ফুল ▪️ ফাতিমাতুয যাহরা ▪️ আসমা বিনতে আবু বকর(দুই ফিতাওয়ালী) ▪️ নাসীবাহ আল মাযেনিয়া ▪️ রমলা বিনতে আবু সুফিয়ান ▪️ গুমাইছা বিনতে মিলহান (উম্মে সুলাইম) ▪️ উম্মে সালামা-(আরবের বিধবা) ◾পাঠ্যানুভূতি: “নারী সাহাবীদের ঈমানদীপ্ত জীবন” বইটি এক কথায় অসাধারণ! মাত্র ছিয়ানব্বই পৃষ্ঠার বইটিতে খুব চমৎকারভাবে আটজন নারী সাহাবীর জীবনের সব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করেছেন লেখক। এক বসাতে শেষ করার মতো একটি বই এটি। সুখপাঠ্য একটি বই ৷ আকর্ষণীয় লেখনশৈলী ও প্রাঞ্জল ভাষা। সাবলীল, ঝরঝরে অনুবাদ। লেখক ও অনুবাদক দু'জনেই চমৎকার কাজ করেছেন। গল্পগুলো পড়ে আবেগাপ্লুত হয়েছি। মন ছুঁয়ে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ। ©️ Review by Fahmida Afrin
Masha Allah




















