

Buy ম্যানেজিং ইউর বস Online in Bangladesh
লেখক: জন জ. গেবেরো
- Author: জন জ. গেবেরো
- Publisher: নাগরী
- Isbn: 9789849487432
- Number Of Pages: 48
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2020
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
আপনি নিজের বা আপনার বসের কারও মৌলিক ব্যক্তিত্বের কাঠামো পরিবর্তন করতে যাচ্ছেন না। তবে আপনার মধ্যেকার কোনও ব্যাপার যা আপনার বসের সঙ্গে কাজ করতে বাধা দেয় বা সহায়তা করে সেসব ব্যাপারে সচেতন হয়ে উঠতে পারেন। এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন যা সম্পর্কটিকে আরও কার্যকর করে তোলে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
Totally irrelevant book Not helpful at all
এটা ফালতু একটা বই। অপ্রচলিত উদাহরণ আর বইয়ের নামের সাথে সম্পর্কহীন কথাবার্তায় ভরপুর। ১২০ টাকা ফেরত পেতে পারি?
🌺রিঙ্গণপুর একটা সামাজিক উপন্যাস।এখানে রাজনৈতিক বিষয়াবলীও ফুটে উঠে। এই উপন্যাসের মূল চরিত্রে আছেন আজাদ রেজওয়ান। আজাদ রেজওয়ান তার বাবা-মার অবাধ্য সন্তান।ছোট বেলায় বাবা-মা হারানোর পর সে অনুতপ্ত হয়। সে প্রতিনিয়ত নিজেকে পাপিষ্ঠ ভেবে যায়। একটা প্রবাদ আছে, বুড়ো বুড়িরা বলতো "দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বুঝেনা" সত্যি আজাদ ও তাই বাবা-মা হারানোর পর সে তার ভুল বুঝতে পারে। 🌼এই উপন্যাসে আমি দেখেছি আইয়ামে জাহেলিয়া যুগে কন্যা সন্তানকে যেভাবে জীবিত পুঁতে পেলা হতো ঠিক তেমনি মর্দপাড়ার লোকেরাও নৃশংসভাবে হত্যা করে কন্যা সন্তানকে পুঁতে দেয়।তারা কন্যা সন্তানকে অভিশপ্ত মনে করে। 🍁এই উপন্যাসে আমি বাস্তবিক সমাজের কিছু কুলাঙার মানুষের উদ্ভট চিন্তাধারা দেখেছি ঠিক যেমন আমাদের সমাজে একটি মেয়ে বড় হলে তার বিয়ে নিয়ে নিজ পরিবারের চেয়ে বাইরের লোকেদের বেশি চিন্তা ঠিক তেমন দূর্বাকে নিও এমন চিন্তাধারা। এমনকি সমাজের কিছু নিকৃষ্ট মানুষ যারা একটা নারীর খুত পেলে তা আজন্ম সুর টেনে যায়। দূর্বার মা সেঁজুতিও ঠিক এমন পরিস্থিতির স্বীকার। 🏡রিঙ্গণপুর উপন্যাসে বাড়ির নাম অলকানন্দা রাখার পেছনে একটি গল্প আছে।বাড়িটি হওয়ার আগে জায়গাটিতে একটি কুঁড়েঘর ছিল।শওকত রেজওয়ানের পৈতৃক সম্পদ ছিল অটল। ফুল গাছ লাগানোর সখ ছিল আজাদের দাদার।তার গোলাপ-গাঁদা, জুঁই-কামিনী,হাসনাহেনা-ডালিয়া,বেলি-টগরের মাঝে অলকানন্দা গাছটি ছিল বড্ড অবহেলিত একটি গাছ। বরকত রেজওয়ান অন্যান্য গাছের প্রতি যতটা যত্নশীল ছিলেন। কিন্তু অলকানন্দা গাছটি তার কাছে বড্ড অবহেলিত। বন্যার জলে তার সব গাছ হারিয়ে গেলেও ঐ অবহেলিত গাছটি-ই টিকে ছিল।শওকত রেজওয়ান এর স্বপ্ন ছিল তিনি এমন একটি বাড়ি করবে যা দেখতে রাজবাড়ির মত হবে।ঠিক তেমনটাই করলেন বাবার সব জমি বিক্রি করে রিঙ্গণপুরের একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। গাছভর্তি ফুল দেখেই শওকত রেজওয়ানের মনে পড়ে যায় এই গাছের অতীতের কথা।প্রায় বিলীন হয়ে যেতে যেতেই গাছটি যেন আবার ফুলে ভরে উঠল তা দেখেই শওকত রেজওয়ানের মন গলে যায়। তাই তিনি বাড়ির নাম রেখেছেন "অলকানন্দা"। ✡ভালো লাগার উক্তি: যে ভালো লাগার পরিণতি হলো শূন্যতা,সে ভালো লাগা প্রকাশ মানেই নানান বাগবিতন্ডা।জীবন বিপন্নের নানান উৎপাত।কল্পনার সাত রঙে সব রংই সুন্দর,বাস্তবতার বিবেচনায় নানান রঙের নানা অর্থ,যেখানে বেদনায় বেশি মিশ্রিত। ✡ আমরা বিবেকের বিবেচনায় ভালাবাসাকে কতবার হারিয়ে দিয়েছি! আমরা পাপ নিয়ে ঠিক বাঁচি;ধুঁকে মরি যেন জাহান্নামের ঠিক কাছাকাছি। 🔯তরুণের শক্তি প্রয়োজনে কারো ব্যবহার, আর তরুণীরে দিয়েছো চার দেয়ালে নির্বাসন! ধনীর সাথে বেশ লেফাফাদুরস্ত গরীবেরে করো তুমি প্রচণ্ড শাসন। এখানে কি স্পষ্ট নই- অধিকার হনন!নির্যাতন। এই কথাটা থেকে বুঝা যায়, সত্যি তোহ আমরা তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করি। আর মেয়েদের রেখেছি চার দেয়ালে বন্দি করে। আমাদের যত আনাগোনা বড়লোকদের সাথে। আর গরীবদের শাসনে রাখি। তাদেরকে প্রাপ্ত অধিকার থেকে বঞ্চিত করি। তারা নির্যাতনের স্বীকার। 🔯কেউ বলুক না বলুক, কথা ছড়াবেই বাতাসে বয়ে। রটনার এই এক অদ্ভুত শক্তি কেবলই পরনিন্দার প্রতি পরম ভক্তি! অথচ ধর্ম বলে- পরনিন্দা ছি,ছি! #পাঠ_আলোচনা,, #বই: রিঙ্গণপুর #লেখক: তকিব তৌফিক #আলোচক:জান্নাত আরিফা। সেদিন বিজয়ী মিছিলে গুলিবিদ্ব হবার ঘটনাটি আজাদের জীবনে ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত।যার পরিণতি দেড় বছর তাকে ভুগিয়ে অবশেষে নিস্তার দিতে চলেছে........ কি আছে রিঙ্গণপুরে যা পাঠকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। আপনিও পড়ে দেখুন। ধন্যবাদ ☺























