

Buy খান ফ্যামিলি Online in Bangladesh
লেখক: জামসেদুর রহমান সজীব
- Author: জামসেদুর রহমান সজীব
- Publisher: বেনজিন প্রকাশন
- Isbn: 9789849848271
- Number Of Pages: 112
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
খান ফ্যামিলির বড় সন্তান সাকিবকে সবাই একনামে 'ডগ লাভার' হিসেবে চেনে। তবে পরিবারের লোকজন তাকে আদর করে ডাকে 'কুত্তার বাচ্চা'। চোখ কপালে উঠল? ভাবছেন এ কেমন আজব পরিবার? আরে এ তো কিছুই না। ছোট সন্তান সুমাইয়ার নাটক দেখলে পায়ের চুল পর্যন্ত ছিঁড়তে ইচ্ছে করবে। তাদের বাবা শাকের খান, যার অদ্ভুত কার্যকলাপ দেখে মনে হবে ব্যাটা নির্ঘাত গাঁজাখোর। ঘটনা সত্যি, তিনি আসলেও গাঁজাখোর! আর মা সালমা খান রীতিমতো অন্য লেভেলের মানুষ। তার রান্নার আইটেম দেখে খেতে ইচ্ছে হোক-বা না হোক, ঠিকই ভিরমি খাবেন। এই পরিবারে, আরও স্পষ্ট করে বললে- এই পাগলের কারখানায় আপনার আমন্ত্রণ রইল। 'খান ফ্যামিলি' মূলত হাসি-আনন্দের রোলার কোস্টার রাইড। এদের প্রত্যেকের কাণ্ড-কীর্তি আপনার মুখে যেমন হাসি ফোটাবে, তেমনি জীবনের ছোট ছোট বিষয়ে ভাবতে বাধ্য করবে। মন খারাপের দিনে বইটি হয়ে উঠবে আপনার মন ভালো করার অব্যর্থ টনিক!
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

ভালো কিন্তু আশাঅনুরুপ সুন্দর ছিলো না
খুবই মজার একটি বই।
খা ন ফ্যা মি লি বই: খান ফ্যামিলি লেখক: Zamsedur Rahman Sajib প্রচ্ছদ ও নামলিপি: রাকিব রাজ্জাক, আদিল, উমর ফারুক আকাশ পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১২ মুদ্রিত মূল্য: ২৫০ টাকা প্রকাশনী: বেনজিন প্রকাশন প্রকাশকাল: মে ২০২৪। রিভিউ: আন্নি লিপা খান ফ্যামিলি নাম শুনে আর প্রচ্ছদ দেখে অনুমান করাই যায় খান পরিবারের কাহিনী নিয়ে লেখা বইটি। হ্যাঁ, একদম তাই। তবে কাহিনী কিন্তু মোটেও সাদামাটা না পড়তে পড়তে আপনার মন অজান্তেই গেয়ে উঠবে, '''বাবা তোমার দরবারে সব পাগলের খেলা''' চলুন আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিই খান ফ্যামিলি মেম্বার্সদের সাথে। চরিত্র পরিচয়: শাকের খান: শাকের খান হলেন খান ফ্যামিলির কর্তা। শুধু নামেই কর্তা সারাদিন পড়ে থাকেন গাজার নেশায় আর শ্যালক শিহাবের সাথে কয়দিন পর পর নিউ বিজনেস লঞ্চ করেন। তবে গাজা খান দেখে তিনি গম্ভীর এটা ভাবলে ভুল করবেন । প্রচুর রসিক তিনি আর মানুষকে ভরকে দিতে পছন্দ করেন (আমার মতো)😷 সালমা খান: সালমা খান হলেন শাকের সাহেবের স্ত্রী। ডেঞ্জারাস মহিলা। শাকের খান না হয় শুধু গাঁজা খান কাউকে খাওয়ার জন্য চাপাচাপি করেন না কিন্তু সালমা খান আরো ডেঞ্জারাস। তার কাজকর্মের মধ্যে আছে দুটো জিনিস। এক. নতুন নতুন আইটেম বানানো (বলতে হবে অখাদ্য অতি অখাদ্য) তা সবাইকে ধরে বেঁধে খাওয়ানো। আর দুই. গ্রামের নতুন চাচাতো বোন যখন প্রথমবার ফেসবুক চালায় এরকম টাইপের। হেন জিনিস নেই যা ফেসবুকে পোস্ট করেন না । সাকিব খান: '''এই এক মিনিট''' হি ইজ নট লাইক নাম্বার ওয়ান শাকিব খান, হি ইজ নরমাল সাকিব খান। খান ফ্যামিলির একমাত্র নরমাল পার্সন। এই সাকিব খান এবং গল্পের নায়ক আর দশটা সাধারণ ছেলের মতো তার স্বভাব চরিত্র হলেও তার কপালটা অত ভালো নয়। বাসায় পাগলাটে মা-বাবা, বোন আর মেস লাইফ দুটোর একটাও ভালো না। অপসসস সরি! সাকিবকে কুত্তা লাভার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিইনি '''আমার ভুল হয়েছে ক্ষমা কইরা দেন।"' সাকিব প্রচন্ড কুকুর প্রেমী। এজন্য ওকে সবাই কুত্তার বাচ্চা বলে ডাকে! সুমাইয়া খান: পরিবারের ছোট সদস্য। তবে একেবারেই ছোট না কিন্তু এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। সাধারণত দেখা যায় গল্পের নায়ক নায়িকাদের বোনেরা হেব্বি ট্যালেন্টেড হয় তবে সুমাইয়া মেরেছে ডাব্বা পরীক্ষায়। তার সারাটা দিন-রাতের সিংহভাগ সময় কাটে আয়নার সামনে মেকাপ করে করে। প্রমানস্বরূপ প্রচ্ছদে দেখুন, হাতে লিপস্টিক আর কম্প্যাক্ট পাউডার। শান্তি খন্দকার: খান ফ্যামিলির সদস্য না হয়েও এই গল্পের একটা লিড ক্যারেক্টার শান্তি খন্দকার। কারণ সে গল্পের নায়িকা। তাকেও আমি এবনরমাল সেকশনে রাখতে ইচ্ছুক। কারণ শান্তি পাগল কুত্তার বাচ্চার ইয়ে মানে কুত্তা লাভার সাকিবের জন্য পাগল। পাত্তা না দিলেও সব সময় কুত্তার মতো তার পিছু লেগেই থাকে। শিহাব খান: শাকের সাহেবের শালা শিহাব খানের দুই মাত্র কাজের একটি হলো দুলাভাইয়ের সাথে নিউ বিজনেস আইডিয়া শেয়ার করা। আর দুই মাত্র কাজটা হলো বিজনেসে মারা খাওয়া। তবে তাকে আমার নরমাল ক্যারেক্টারই মনে হয়েছে। মনির: মনির চরিত্রটি আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। মনির হলো সাকিবদের এলাকার মাস্তান ছেলে। গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়ার কারণ এই মনিরের শয়তানি কাজের জন্য কাহিনীটা রম্য থেকে একটু ট্রাজেডিতে মোড় নেয় এবং খারাপ কাজ করলে মনিরের কান্ডের ফলেই গল্পটা আরো বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে, ভিন্ন আঙ্গিকে আসে। যদিও মনিরের কাজটা কে আমি কোনমতেই সাপোর্ট করিনা। কাহিনী সংক্ষেপ: কাহিনী তো অনেক আছে কোনটা ছেড়ে কোনটা বলি? সংক্ষেপে কাহিনী এটাই যে, সাকিব বাদে খান ফ্যামিলির সবার পাগলামি, নানা মজার কান্ড করে আর শাকিবের উপর দিয়ে সব যায়। তবে খান ফ্যামিলির সবার মাঝে একটা মিল আছে তা হলো তারা সবাই কুকুর প্রেমী। শাকের সাহেব গাঁজা, সালমা খান রান্না, আর সুমাইয়া মেকআপ নিয়ে পড়ে থাকলেও কুকুরদের যত্ন-আপ্যায়নে তারা সর্বদা সচেষ্ট। বইটা পেট লাভারদের দারুন লাগবে। আর আপনি যদি পেট লাভার না হয়েও থাকেন তবুও খান ফ্যামিলির কুকুরদের প্রতি ভালোবাসা আপনাকে মুগ্ধ করবে। তো এভাবেই নিত্যদিনের নিত্য নিত্য ঝামেলা আর হতাশার মধ্যে চলতে থাকলেও একদিন মনির নামের এক বদমাশ ছেলে মনে মনে বলে, "মনির বানেগা ডন, মনির বানেগা ডন। মনিরকো রোকে গা কন?" এই বলে বিরাট খারাপ কাজ করে সাকিবকে হিংসার বশবর্তী হয়ে। তার আগে তার আগে শান্তির কিছু ঘটনা জানিয়ে দেন লেখক। বেচারি শান্তির একমাত্র শান্তি সাকিব। কিন্তু সাকিব শান্তি চাইলেও শান্তিকে চায়না, কিন্তু শেষে তার জীবনে শান্তিই তাকে শান্তি দেয়। শান্তি সমাচার না বুঝতে পারলে চট করে বইটা পড়ে ফেলুন তাহলে শান্তিমত সব বুঝে যাবেন। পাঠ প্রতিক্রিয়া: এত উচ্ছ্বাসের সাথে ঘটা করে খান ফ্যামিলির এ টু জেড বর্ণনা করেছি তার মানে ইতোমধ্যে বুঝতেই পারছেন আমার কেমন লেগেছে! তবুও আমি আরো কিছু অনুভূতি প্রকাশ করতে চাচ্ছি। বইটা আমাকে গিফট করেছিল আমার সুপ্রিয় মুনাপু❤️ আমার চয়েসেই বইটা নেই। বইটা নতুন প্রচ্ছদে প্রকাশিত হয়েছিল মে মাসে এবং সেই তখন থেকেই দেখতাম খুব ভালো রিভিউ এবং প্রচার-প্রচারণা ইত্যাদি ইত্যাদি। কয়েকটা গিভওয়েতে অংশ নিয়ে কাকের মতো দুঃখিত চাতক পাখির মত হাআআআ মেলে ছিলাম যদি বইটা পেয়ে যাই। এর মাঝে প্রচ্ছদটা দারুন নজর করে আমার। প্রচ্ছদের প্রেমে পড়ে যাই। কিন্তু না কোথাও আমার নাম এলো না তাই হাই-হুতাশে দিন কাটানোর পর যখন সুযোগ পেলাম কব্জা করে ফেললাম । খান ফ্যামিলি আমি পড়েছি আগস্টে। ✷ গত বছর থেকে আমার একটা ভালো অভ্যাস তৈরি হয়েছে, মেইন গল্প পড়ার আগে আনুষঙ্গিক বিষয়বস্তু ফাস্ট টু লাস্ট পড়ে ফেলি। তেমনি এই বইয়ের সব ডিটেলস পড়ার সময় ভূমিকা আমার এত চমৎকার লেগেছে! ভূমিকা সাধারণত কাঠখোট্টা টাইপের হয় তাই ভদ্রতার খাতিরে চোখ বুলিয়ে যাই। তবে এই বইয়ের ভূমিকায় আমার চোখ আটকে গেছে মনোযোগ দিয়ে পড়লাম এবং ভূমিকা পরে বুঝলাম বইয়ের লেখনী কেমন হতে চলেছে। ✷ মোটামুটি ভালো একটা এক্সপেক্টেশন নিয়ে অধ্যায় এক শুরু করলাম। প্রথম পৃষ্ঠা শেষ করে ভাবছি হাসি পাচ্ছে না কেন? তবে কি আমার সেন্স অফ হিউমার মেশিনটা অচল হয়ে গেছে নাকি হায় হায়! তবে আমাকে আর চিন্তার সুযোগ না দিয়ে হাহা করে হাসির ভূত চেপে বসল ঘাড়ে। দ্বিতীয় পেজের একটা লাইন পড়ে, "সাকিবের কুকুর এতই পছন্দ যে একটা বিড়ালের নাম রেখেছিল কুত্তা" হা হা হা। তারপর থেকে শুরু হয়েছে হাসি আর হাসি থামতে চায় না এমন অবস্থা। "গাজা ফ্রেন্ডলি পরিবেশ"— না না এভাবে মজার কথা গুলা বলে ঠিক কাজ করছি না। লোভে পাপ পাপে মৃত্যু তাই আর লোভ করছি না। ✷ তবে এই বইটাকে শুধুমাত্র রম্য বলতে আমি অস্বীকার করব। কারণ এমন নয় যে বইটা পড়ে শুধু আমি দম ফাটানো হাসি হেসেছি শেষের দিকে এতটাই ইমোশনাল হয়ে গিয়েছিলাম যে কখন আমার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়েছে আমি নিজেও টের পাইনি। বুকের মধ্যে চাপা ব্যথা কাজ করছিল। ব্যাপারটা ভীষণ ইমোশনাল ছিল যদিও আমি কুত্তা লাভার না তবুও লেখক এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করেছেন যেটা পড়লে রীতিমত কান্না করে ফেলারই ব্যাপার। আর এখানেই এই বইটার প্রতি একটা দুর্বলতা কাজ করে যে বইটা শুধু রম্য না বইটা ইমোশনাল ও বটে। রম্যের নামে আজেবাজে কোনো কিছু লেখা নেই। আর তারপর চোখের পানি শুকিয়ে যায় শান্তির শান্তি পাওয়ার মাধ্যমে... ✷এছাড়াও আরো ছোটখাটো কাহিনী যেমন, সাকিবের ক্রাশ, মেসের ঘটনা, সুমাইয়ার টিচারের ঘটনা এসবও আমি দারুণ এনজয় করেছি। লেখক এত চমৎকারভাবে বর্ণনা করেছেন আমার মনে হয়েছিল পৃথিবীতে সত্যি হয়ত এই খান ফ্যামিলি এক্সিস্ট করে। তাছাড়াও বইয়ের সংলাপের মাঝে মাঝে সমসাময়িক বিভিন্ন মিমস এর লাইনগুলো তুলে ধরাও জোস হয়েছে। ✷ বইটার কোন কিছুই যে খারাপ লাগেনি এমনটা না প্রথম প্রথম শাকের সাহেবের প্রকাশ্যে গাজা খাওয়ার ব্যাপার আর যা তা ভাষায় কথা বলা খুবই বাজে লেগেছিল। তারপর সালমা খানের ব্যাপারটাও কেমন যেন লেগেছিল তবে আস্তে আস্তে অভ্যস্ত হয়ে গেছি আর তখনই খুব এনজয় করেছি। এবং শেষমেষ বইটা পড়ে শান্তির সাথে স্বস্তির একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলেছি। কারণ বইটা আমার ভালো লেগেছে শুধু ভালো না অনেক ভালো লেগেছে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার কারণ হলো বইটা নিয়ে আমাকে কোন নেগেটিভ রিভিউ দিতে হবে না। ইদানিং সময় দেখা যায় কোন বই ভালো না লাগলে গঠনমূলক সমালোচনা করলেও যতটা না লেখকদের রোশনালে পড়তে হয় তার থেকে বেশি রোশনালে পড়তে হয় অন্ধ ভক্তদের। তাই নতুন লেখকদের বই পড়তে আমার ভয় লাগে 😬 ✷সবকিছু নিয়ে যখন আলোচনা করলাম তখন বেনজিনের প্রোডাকশন নিয়েও বলি। তাদের প্রোডাকশন অসাধারণ!! বইয়ে বানান ভুল খুব একটা নেই যার কারণে শান্তি মতো পড়তে পেরেছি। প্রচ্ছদটার কথা যতবার বলি ততবারই কম মনে হয়। অসাধারণ কাজ। ব্যাক্তিগত রেটিং: ৪/৫ ◕আমার রিভিউটি ফুরোলো নটে গাছটি মুরোলো◕ জানিনা কি লিখেছি এসব রিভিউ আদৌ হয়েছে কিনা! না হলেও নাই এত বড় লেখা তো আর কেউ ধৈর্য সহকারে পড়তে যাবে না বেঁচে গেলাম!!! ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে না দেখার অনুরোধ রইলো।

#বই_রিভিউ বই পরিচিতি: • নাম: খান ফ্যামিলি • লেখক: Zamsedur Rahman Sajib • প্রকাশক: বেনজিন • প্রকাশকাল: ২০২৪ • ধরণ: রম্য উপন্যাস • রিভিউদাতা: বোহেমিয়ান (নাহিদ) সংক্ষিপ্ত কাহিনি: ঢাকার গেন্ডারিয়ার ‘খান ভিলা’ নামের এক বাসায় বাস করে খান পরিবার, আর তাদের জীবনযাত্রা ঠিক যেন একটা চলমান কমেডি শো! এই পরিবারের সদস্যরা একেকজন একেক রকম অদ্ভুত, কিন্তু তাদের মধ্যে রয়েছে দারুণ এক বোঝাপড়া ও অগাধ ভালোবাসা। পরিবারের কর্তা শাকের খান – যিনি গাঁ জা সেবনে আসক্ত এবং নিজের কাজ নিয়ে উদাসীন। তার স্ত্রী সালমা খান – যিনি রান্না নিয়ে নতুন নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন, কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই তা ভরাডুবি হয়। তাদের ছেলে সাকিব খান – যার সবচেয়ে কাছের বন্ধু তার পোষা কুকুর, আর মেয়ে সুমাইয়া – যে রূপচর্চায় এতটাই আসক্ত যে, নিজেকে ‘বিউটি কুইন’ ভাবতেই ভালোবাসে! এই চরিত্রগুলোর চারপাশে গড়ে ওঠা ছোটখাটো ঘটনাগুলোই বইটির প্রাণ। তাদের হাস্যকর ভুল বোঝাবুঝি, কৌতুকপ্রিয়তা এবং প্রতিদিনকার জীবনযাত্রার অনিশ্চয়তাগুলো এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যে, পাঠক অনায়াসে মজা পাবেন। পাঠপ্রতিক্রিয়া: - ‘খান ফ্যামিলি’ এমন এক বই, যা পড়তে পড়তে বারবার হেসে উঠতে হবে। লেখক খুব দক্ষতার সঙ্গে এক অদ্ভুতুড়ে, কিন্তু বাস্তবসম্মত পরিবারের চিত্র এঁকেছেন। প্রতিটি চরিত্রের মধ্যেই আমাদের চারপাশের মানুষের ছায়া পাওয়া যাবে, যা বইটিকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। - লেখার ধরন সহজ ও সাবলীল। লেখক এমনভাবে গল্প বলেছেন, যেন এক বন্ধুর মুখ থেকে শোনা গল্প শুনছেন। সংলাপগুলোও প্রাণবন্ত ও স্বাভাবিক, যা পাঠককে গল্পের সঙ্গে সংযুক্ত রাখে। - যদিও এটি একটি রম্য উপন্যাস, তবুও এর মধ্যে আমাদের সমাজের কিছু বাস্তব চিত্র ধরা পড়েছে। যেমন, সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি, অতিরিক্ত রূপচর্চা, অদ্ভুত পারিবারিক অভ্যাস, এবং দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো হাস্যকর সমস্যা। - বইয়ের কিছু অংশ হয়তো ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি হাস্যকর করার চেষ্টা করেছে, যা কিছু পাঠকের কাছে একটু আরোপিত মনে হতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে গল্পটি মজাদার ও উপভোগ্য। যারা পড়তে পারেন:- • যারা হালকা মেজাজের, মজার বই পড়তে চান। • যারা ব্যস্ত জীবনের মধ্যে একটু হাসির খোরাক খুঁজছেন। • যারা বাঙালি পরিবারের সাধারণ, কিন্তু হাস্যকর দিকগুলোকে গল্পে দেখতে চান। ব্যক্তিগত রেটিং: ৪/৫। আপনি যদি রম্য উপন্যাস ভালোবাসেন, তাহলে ‘খান ফ্যামিলি’ আপনাকে দারুণ বিনোদন দিতে পারবে,উপভোগ্য, মজার, এবং এক বসায় পড়ে ফেলার মতো একটি বই।!
very funny
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
অনেক মজার বই। এ ধরনের আরো বইয়ের সাজেশন লাগবে।
খান ফ্যামিলি ইজ ব্যাক, ফার্স্ট টাইম সেকেন্ড ম্যারেজ, নাটক কম করো পিও–এই বইগুলো পড়তে পারেন।
অনেক মজার বই। এ ধরনের আরো বইয়ের সাজেশন লাগবে।
খান ফ্যামিলি ইজ ব্যাক, ফার্স্ট টাইম সেকেন্ড ম্যারেজ, নাটক কম করো পিও–এই বইগুলো পড়তে পারেন।























